avertisements

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় নির্বাচন ও একজন প্রবাসীর ভাবনা

নিউটন দেবু
প্রকাশ: ০৬:৪৮ পিএম, ৫ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,২০২০ | আপডেট: ০৩:১৮ পিএম, ৬ মার্চ,শনিবার,২০২১

Text

নির্বাচন মানেই গরম গরম আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক আর হাতাহাতি - এই সব গুনাবলী কম বেশি সব বাংলাদেশিদের মধ্যে দেখা যাবে উপজেলা নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন কিংবা নিদেন পক্ষে আমেরিকার নির্বাচনের সময়। কোন প্রার্থীর পরিচয় কি, তার পারিবারিক ইতিহাস, তার কি পরিমান সম্পদ আছে, কে কত ভোট পাবে, কি-করে আরো বেশী ভোট পাওয়া যাবে, ইথ্যাদি বহু তথ্য পেয়ে যাবেন এই সব আলোচনা থেকে। উপমহাদেশের অধিকাংশ মানুষ ভোটের সময় যুক্তির চাইতে আবেগ তারিত হয়ে প্রার্থী কিংবা দল নির্বাচন করে। পাশাপাশি এখানে অধিকাংশ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি থাকার ফলে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনেকটাই অসম্ভব। আবেগকেন্দ্রিক নির্বাচন কখনো রাজনৈতিক সুফল আনতে পারে না। নির্বাচনের জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক মেনুফেস্টো, যেটা কিনা একটি রাজনৈতিক দলের দৃষ্টিভঙ্গির দলিল। সেই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে বাংলাদেশিদের আলোচনাতে জানবেন খুব কম, সেটা দেশের উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন হোক কিংবা অস্ট্রেলিয়ার টেরিটরি নির্বাচন, সবখানে একই চিত্র। যে রাজনৈতিক মেনুফেস্টো মানুষের জীবনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক নির্দেশনা দিবে, যা মানুষের কর্মসংস্থান, সুস্থ জীবন যাপনের নিশ্চয়তা দেবে, সেই বিষয়টাই মানুষ আলোচনায় আনতে পারছে না। বাংলাদেশের মানুষের ক্ষেত্রে এর পেছনে শিক্ষা এবং অন্যান্য অনেক কারণ থাকলেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রধান কারণ মানসিক দৈন্যতা। 


এই অক্টোবর মাসে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটোরিতে চার বছর মেয়াদি নির্বাচন হয়ে গেলো। দুই বড় রাজনৈতিক দল ক্যানবেরা লিবারেল আর ক্যানবেরা লেবারের পাশাপাশি এসিটি গ্রীন পার্টি এবার ২৫ টি আসনের মধ্যে ৬ টি আসন জিতে নতুন আলোচনার কেন্দ্র করে নিয়েছে। নির্বাচনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী লেবার ৩৮.২% ভোট পেয়ে ১০ টি আসন , লিবারেল ৩৩.৪% ভোটে ৯ টি আসন আর গ্রীন ১৩.৭% ভোট পেয়েছে ৬ টি আসনের বিপরীতে। ক্যানবেরা নির্বাচনে প্রেফারেন্সিয়াল ভোটিং সিস্টেমের জন্য অনেক সময় প্রার্থী একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও প্রেফারেন্সিয়াল ভোটে নির্বাচিত হতে পারে। যে কারণে এখানে ভোট দেয়ার সময় ভোটারদের অবশ্যই তাদের পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে ১,২,৩ এই ভাবে লিখতে হয়। টিক চিহ্ন কিংবা দাগ দিলে সেটা ভোট গণনার সময় বাতিল হয়ে যাবে। এই প্রেফারেনটিয়াল ভোট ব্যবস্থা কাজে লাগানোর জন্য এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো উপমহাদেশের প্রার্থীদের ব্যবহার করেছে এবং এই ব্যবহার অনেকাংশে সফল হয়েছে। এই প্রেফারেনটিয়াল ব্যবস্থার জন্য সব বড় দলই উপমহাদেশের প্রার্থী মনোনয়ন দেয় যাতে ভোট ভাগাভাগি করে তাদের পছন্দের স্থানীয় প্রার্থীরা নির্বাচিত হতে পারে। উপমহাদেশের প্রার্থী কিংবা ভোটাররা এই প্রেফারেনটিয়াল ব্যবস্থা ভালো করে বিবেচনা করে না, যে কারনে এ,সি,টি, নির্বাচনে জেতার জন্য কখনও এরা ভালো ভোট পায় না। এছাড়া উপমহাদেশের অধিকাংশ মানুষের স্বার্থপরতা এবং এদের মধ্যে মতভেদের সুযোগ বড় দলগুলো নির্বাচনের সময় কাজে লাগানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায়। প্রার্থী নির্বাচনের সময় আমরা সবসময় আমাদের আবেগ, জাতীয়তা, ধর্মীয় চেতনা অথবা সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি, কিন্তু আমার ভোট যাকে দিচ্ছি সেটা কোনো কাজে আসছে কিনা, যে উদ্দ্যেশ্যে ভোট দিচ্ছি সেটা অর্জিত হচ্ছে কিনা, না-কি আমার ভোট অন্য কাউকে জেতানোর জন্য আমাকে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা আমরা ভেবে দেখছি না। উপমহাদেশের প্রার্থীরা কোন উদ্দেশ্য থেকে নির্বাচন করছে, দলীয় চিন্তার সাথে তার মতৈক্য আছে কিনা, এসব কথার উত্তর প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া যায়না।


এবারের এ,সি,টি নির্বাচন বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ানদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিলো কারণ তিনজন জন্মগতভাবে বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলো। এর মধ্যে একজন এবার নিয়ে দ্বিতীয়বার নির্বাচন করলেন আর বাকি দুইজন প্রথমবার। এই নির্বাচনে গ্রীন এর প্রার্থী বাংলাদেশিদের নির্বাচন পূর্ব আড্ডায় আলোচনার মূল বিষয় ছিলো। এর একটাই কারণ হলো তিনি এখানকার একটি মসজিদ কেন্দ্রিক রাজনীতিতে অনেক সক্রিয়। এইটাই হলো তাঁর একমাত্র গুণাবলী। এই গুণাবলীর জন্য এখানকার বিদেশী মিশনের সরকারি আমলারাও তাঁকে নিয়ে অনেক মাতোয়ারা ছিলেন। যে আবেগটা গতবারের নির্বাচনে একমাত্র বাংলাদেশী লিবারেল প্রার্থীর জন্য দেখা যায়নি। হয়তো ঊনার মসজিদে যাবার যোগ্যতা ছিলোনা বলে! ধর্মীয় পরিচয় রাজনৈতিক যোগ্যতা হলে বাংলাদেশ আজকে অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারতো। উপমহাদেশের সুযোগসন্ধানী রাজনীতির মতো এখানেও অভিবাসীরা সুযোগের সন্ধানে থাকে, যদি পিথাগোরাসের সূত্র প্রয়োগ করে অতিভূজ ব্যবহারে রাতারাতি রাজনীতিতে ঢোকা যায়। এই সুযোগ সন্ধানীরা ধর্মের নামে, দেশের নামে, এলাকার নামে এখানকার উপমহাদেশীয় অভিবাসীদের বিভিন্নভাবে বিভক্ত করতে থাকে। আর এই সুযোগসন্ধানীদের কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজেদের প্রার্থীদের নির্বাচনে জিতিয়ে নেয় প্রেফারেনটিয়াল ভোট ব্যবস্থার সুযোগ কাজে লাগিয়ে। আর আমাদের ব্যবহৃত সুযোগসন্ধানী প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারার স্বপ্নে বিভোর থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য আমাদের নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের রাজনীতিতে যুক্ত হতে হবে যাতে করে তারা এখানকার মূলধারার রাজনীতির সাথে উপমহাদেশীয় অভিবাসীদের সমস্যাগুলো একত্রিত করতে পারে। এই নতুন প্রজন্ম ধর্মীয়, দেশীয় এবং পূর্ব-পুরুষের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সাধারণের সমস্যা রাজনৈতিক ভাবে সমাধান করতে পারবে।


অস্ট্রেলিয়াতে অধিকাংশ রাজনীতিবিদরা রাজনীতিতে আসে জীবনের শুরুতে। উনারা রাজনীতিকেই পেশা হিসেবে নিয়ে সেই ভাবে রাজনীতিতে সময় দেন। আর এখানকার অভিবাসী প্রার্থীরা রাজনীতিতে আসেন চাকরী কিংবা ব্যবসা থেকে অবসর গ্রহণ করার পর কিংবা কাছাকাছি সময়ে। আমাদের বাংলাদেশী তিন প্রার্থীর মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ দুই জন প্রার্থী সেই ধারা অব্যাহত রেখেছেন। একমাত্র প্রার্থী যিনি কিনা পড়াশোনা শেষ করে অল্প বয়েসে রাজনীতিতে আসেন এবং গতবার নির্বাচন করেন তখন তাঁর বয়স ছিলো ৩০ এর ঘরে, যেটা কিনা এখানকার ধারার সাথে মিলে যায়। সময়ের সাথে রাজনৈতিক পরিপক্কতা আসলে একদিন হয়তো উনাকে আমরা সংসদে দেখতে পাবো। রাজনৈতিকভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে এখানকার মূলধারার রাজনীতির সাথে নিজেদের যুক্ত করতে হবে। শুধুমাত্র ধর্মীয় কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে কথা বলার সুযোগ করে দিয়ে সেটা অর্জন সম্ভব নয়। দেশীয় পরিচয়ের ঊর্ধে উঠে উপমহাদেশীয় অভিবাসীদের মূলধারার লোকজনের সাথে একত্রিত করার মধ্যে দিয়ে সেই অর্জন সম্ভব। ব্যক্তিগত সুবিধা লাভের আশা নিয়ে যদি রাজনীতিতে সুযোগসন্ধানীরা আসে আর তার সাথে সবাই আবেগতাড়িত হয়ে নির্বাচনে ঝাপিয়ে পড়ি তাহলে অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে অভিবাসীদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অসম্ভব। 


এবারের এ,সি,টি নির্বাচনে অনেক দলই মুসলিম সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছে যেটা তাদের দলের মেনুফেস্টোর সাথে সম্পূর্ণ বৈপরীত। যেমন গ্রীন এর মেনুফেস্টো বলছে তারা সমকামীদের সবরকমের সামাজিক ব্যবস্থা নিশ্চয়তা দেবে যেমন, সমকামী বিবাহ বৈধকরণ, লিঙ্গ পরিবর্তন ইথ্যাদি। নির্বাচনের কিছুদিন আগেও গ্রীন সংসদে অবাধ লিঙ্গ পরিবর্তনে বাধা দেয়া আইন পরিপন্থী বিল পাশ করিয়েছে যখন কিনা সংসদে তাদের একটি আসন ছিলো। ঠিক সেই সময় ক্যানবেরা বাংলাদেশী কমিউনিটিতে এর বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় ওঠে। এখানকার মুসলিম কমিউনিটি ও গ্রীন পার্টির বিরোধিতা করে। অথচ সেই পার্টি থেকে সুযোগসন্ধানী মুসলিম প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ পেলে মুসলিম কমিউনিটি গ্রীন পার্টির জন্য জনবল দিয়ে সাহায্য করে। ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে বিরোধ থাকা সত্ত্বেও সেই পার্টির পক্ষে মুসলিম কমিউনিটির তৎপরতা সত্যি কি অবাক করে না?


এখানকার স্থানীয় বাংলাদেশী মুসলিম কমিউনিটি অনেকদিন ধরে মসজিদের গাড়ির পার্কিং সমস্যায় ভুগছেন এবং এই সমস্যা মসজিদ নেতৃবৃন্দ চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক ভাবে সমাধান করতে। এই সমস্যাটাকে প্রাধান্য দিয়ে দুএকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তাদের অফিসিয়াল কাগজে লিখিতভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেয়। আর এই প্রতিশ্রুতিকে দলিল বানিয়ে মসজিদের ইমামরা সবাইকে চিঠি (ইমেইল) পাঠিয়ে ওই রাজনৈতিক দলকে ভোট দিতে অনুরোধ করে। ওই রাজনৈতিক দলের সাথে ইসলামিক দৃষ্টি ভঙ্গির বিরোধ থাকলেও সবাইকে ভোট দিতে অনুরোধ করা কতটা যুক্তি যুক্ত? এই সব রাজনৈতিক দল তাদের আরো বৃহত্তর সার্থে আবারো মসজিদকে ব্যবহার করবেনা তার কি নিশ্চয়তা আছে? রাজনৈতিক দলগুলো সবসময় চাইবে এখানকার সংখ্যালঘু অভিবাসীদের রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করার জন্য। এটা সব দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর বর্তমান রাজনৈতিক দৈন্যতা। এদের কূটকৌশল থেকে বেরোতে না পারলে অস্ট্রেলিয়াতে অভিবাসীদের রাজনৈতিক অবস্থান কখনও সুদৃঢ় হবে না। আর এর জন্য দরকার এখানকার সুযোগসন্ধানী, নির্বাচনমুখী প্রার্থীদের প্ররোচনায় কান না দিয়ে, ধর্মীয়, দেশীয় আবেগতাড়িত না হয়ে একজন সত্যিকারের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৈরী করা, যার পরিচয় আগে অস্ট্রেলিয়ান। আমরা নিজেরা যদি নিজেদের অস্ট্রেলিয়ান ভাবতে না পারি তাহলে এখানকার স্থানীয়রাও আমাদের কখনো অস্ট্রেলিয়ান বলে ভাবতে চাইবেনা। বাংলাদেশে যেমন আপনি একজন বিদেশীকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাতে চাইবেন না ঠিক তেমনি এখানেও লোকজন বিদেশী সংস্কৃতির কাউকে সংসদে পাঠাতে চাইবে না।   


রাজনৈতিক ভাবে নিজেদের কমিউনিটিকে প্রতিষ্টিত করতে হলে সবচেয়ে বেশী দরকার এখানকার স্থানীয় লোকজনের সাথে মিশে তাদের সাথে কাজ করা। একসাথে কাজ করার মধ্যে দিয়ে আমরা তাদের আস্থা অর্জন করতে পারবো। নির্বাচনে জেতা যেমন জরুরি তারচাইতে জরুরি হলো স্থানীয়দের আস্থা অর্জন। স্থানীয়রা যদি আমাদেরকে নিজেদের একজন বলে ভাবতে না পারে তাহলে নির্বাচনে জেতাটাও বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। রাজনৈতিক, সামাজিক কাজ না করে শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয় প্রধান করে নির্বাচনে জিতার মধ্যে দিয়ে ধর্মীয় বিদ্বেষ বেড়ে যেতে পারে ইউরোপিয়ান দেশের মতো। আমাদের এখানে সবাই চাকরি কিংবা ব্যবসার জন্য স্থানীয় লোকজনের সাথে ওঠাবসা করি কিন্তু দিনশেষে কাওকে তেমন একটা বন্ধু হিসেবে পাই না। এখানকার স্থানীয় বহুজাতিক অনুষ্ঠান গুলোতেও আমরা দলাদলির কারণে নেতৃত্ব দিতে পারিনা। তাই সুদূর রাজনৈতিক লক্ষ্য থাকলে তার জন্য সবার মধ্যে গ্রহণ যোগ্যতা তৈরী করা গুরুত্বপূর্ণ। সুযোগসন্ধানী প্রার্থীদের শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে নিজেদের ধর্মীয় গোষ্ঠীর ভোট পেয়ে ভবিষ্যতে অন্যতম ভালো সমাজ নির্মাণের স্লোগান তাই কোনো কাজে আসবে না। ধর্মীয় পরিচয় থেকে বেরিয়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তি পারবে সংসদে আমাদের প্রবাসীদের এবং স্থানীয়দের প্রতিনিধিত্ব করতে। সেই প্রত্যাশা থাকবে আগামী এ,সি,টি নির্বাচনে উপমহাদেশীয় প্রার্থীদের কাছে।


লেখকঃ ক্যানবেরা প্রবাসী, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী

 

বিঃ দ্রঃ প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলাকথার এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলাকথা কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।
 

avertisements