মৃত্যু
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৫ জানুয়ারী,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০১:০৫ এএম, ৭ জানুয়ারী,
বুধবার,২০২৬
আজ আমি মৃত্যুর কথা বলবো
কিন্তু কেন এই বলাবলি
যে গেল সেতো গেলই!
তবু অনেক যাওয়া
ফিরে আসার কাব্য রচনা করে
সমাজে বুড়ো অঙ্গুলি নির্দেশ ক’রে,
মহাকাব্যিক মরনে তিনি অমর হন।
লক্ষ কোটি চোখের জলে সিক্ত
সেই মৃত্যু রাষ্ট্রকে নাড়িয়ে দেয়-
বলে, এস বস শোন এবং হও।
দেখেছি যতসব বড়সড় মাথা
ক্ষমতার শীর্ষ চুড়ায় বসে-
ওরা নেতার আসনে
শাসক হয়েছে।
.
খেয়েছে পরেছে শাসন করেছে
দৌর্দন্ড প্রতাপে বাঙালীর ঘাড়ে
বন্দুক রেখে ছয়কে নয় বানিয়ে
উন্নয়নের সাতকাহন শুনিয়েছে।
রেখে যেতে পারেনি কোন অবশিষ্ট
আবর্জনা আর উইপোকার ঢিপি ছাড়া।
ওরা কুরে কুরে নিশ্চিহ্ন করেছে
সমাজবদ্ধ ঐতিহ্যের সাজানো আকর।
কি ভয়ংকর পথ চলা আমাদের,
তঞ্চকতা প্রবঞ্চনা - সব মিলিয়ে
এ এক বিষাক্ত ফণা তুলা সাপ
নেতৃত্বের জৌলুষে ওরা কারেন্ট জাল।
আজ সেই জাল ছেঁড়া
এক মহাকাব্যিক নেতৃত্বের প্রয়ানে
গোটা জাতি বিমূঢ় বিহ্বল
মা হারানো সন্তানের আহাজারি।
জন্মের পর মির্জাবাড়ি আলোকিত
করা পুতুল মেয়েটি আজ দেশমাতা।
কার পরশে কোন্ যাদুবলে
এ পরশমনি বাঙালীকে আলো দেখালো!
রাজনীতির মঞ্চ কাঁপানো এক মেজর
দেশমুক্তির ঘোষনা পাঠের সেই
‘আই মেজর জিয়া ডিক্লেয়ার
দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্স অব বাংলাদেশ’।
কি আভাবনীয় যোগসূত্র!
ইস্পাত কঠিন মেজরের সহধর্মিনী
আজ আপোষহীন দেশনেত্রী -
গণতন্ত্র ও মানবতার মা হয়ে উঠলেন।
নীতি নৈতিকতা যার রাজনীতি
তিনিই তো আপোষহীন দেশনেত্রী
তার মহাপ্রয়ানে দেশ আজ শোকাতুর
ক্ষমতার বাইরে তবুও মহাপ্রাণ অম্লান।
মৃত্যুকালে রেখে গেলেন রাজনীতির নৈতিকতা - একগোছা গোলাপের নির্যাস
আর রক্তপ্রবাহের ইস্পাতদৃঢ় নেতৃত্ব
জেন-জির আইকন,ব? তারেক রহমান।
এ মৃত্যু বিদায় নয়, যেন রেখে যাওয়া
একগুচ্ছ লাল গোলাপের আবরনে
নিউক্লিয়াস হয়ে উঠা সফেদ রজনীগন্ধা
যারা শান্তি ও সাম্যের অতন্দ্র প্রহরী।





