avertisements 2
Text

রাশেদুল ইসলাম

চিরকুট দুইশত আঠারো 

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৫ জুলাই,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:১৬ পিএম, ৫ জুলাই,রবিবার,২০২৬

Text

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু । তবে মানুষের এই ধর্মভীরুতা ঐচ্ছিক নয় । এ দেশের ভূপ্রকৃতি মানুষকে ধর্মভীরু হতে বাধ্য করে । এ কারণে, যিনি ধর্ম মানেন না বলে ঘোষণা দেন, নাস্তিক হিসেবে পরিচিতি পান, তিনিও  জীবনের একটি পর্যায়ে এসে অনেক বেশি ধর্মচর্চা শুরু করেন । এখানে  প্রশ্ন হতে পারে, এদেশের মানুষ ধর্মভীরু হওয়া স্বত্বেও এত অপরাধপ্রবণ কেন ? এদেশে যেকোনও একজন  মানুষ সুযোগ পেলেই  অপরাধ করে, কেন ? ধর্ম কি মানুষকে অপরাধমুক্ত করে না ? 
এসব প্রশ্নের জবাবে বলা যায়, ধর্ম এদেশের মানুষকে অপরাধমুক্ত করে না। এজন্য এদেশের সাধারণ মানুষ এবং ধর্মপ্রচারক দু’পক্ষই দায়ী । তবে, অতীতের ধর্মপ্রচারকগণ অনেক বেশি দায়ী;  মূলত তাঁদের অশিক্ষাই এজন্য  দায়ী । এদেশে প্রচলিত সকল ধর্মের ক্ষেত্রে একইকথা প্রযোজ্য হলেও,  এখানে ইসলাম ধর্মের কথা আলোচনা করা যেতে পারে । বলা যায়,  ভারত উপমহাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে  ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু হয় ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজীর বঙ্গবিজয়ের পর থেকে; অর্থাৎ ১২০২ সালের পর থেকে । তৎকালে  মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল থেকে  যারা ইসলাম ধর্ম  প্রচারে এদেশে আসেন,  তাঁদের কারো মাতৃভাষা বাংলা ছিল না। সে সময়  কোরআন শরীফ বাংলায়  অনুবাদ করার  সুযোগও ছিল না । এ দেশের মানুষ,  যারা তখন  ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন, তাঁরা কেবল ধর্মপ্রচারকদের নামাজ পড়া দেখে নামাজ পড়া  শিখেছেন । ইসলামে ধর্মচর্চা  বলতে তাঁরা কেবল  নামাজ পড়াকেই বুঝেছেন । পরবর্তীতে যারা লিখিত আকারে ধর্মের প্রচার করেছেন, তাঁরা নামাজ পড়াকেই গুরুত্ব দিয়েছেন এবং নামাজ পড়াকেই ইবাদত হিসেবে উল্লেখ করেছেন । ফলে মুসলমানদের মূল ধর্মীয় দায়িত্ব  বলতে  আল্লাহর  ইবাদত করা বা নামাজ পড়াকে বুঝানো হয়েছে-   যা পবিত্র কোরআনের বিধানের সাথে সংগতিপূর্ণ নয় । 
কোরআনের মর্ম অনুযায়ী মানুষ ও জীন সৃষ্টির অনেক আগেই ফেরেসতাদের সৃষ্টি করা হয় । ফেরেসতাগণ সৃষ্টিলগ্ন থেকেই  আল্লাহর আরশে থেকে  দিনরাত ২৪ ঘণ্টা আল্লাহর ইবাদত করে আসছিলেন । এ কারণে,  আল্লাহ যখন মানুষ সৃষ্টি করার কথা ফেরেশতাদের বলেন, তাঁরা জানতে চান, মানুষকেও কি  তাঁদের মত ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করা হচ্ছে ? উত্তরে আল্লাহ বলেন,  না । অর্থাৎ, কোরআনে আল্লাহ নিজেই বলেন, মানুষকে দিয়ে ফেরেশতাদের মত  ইবাদত করানো  তাঁর লক্ষ্য নয়। ফেরেসতাদের মত আল্লাহর আরশে রাখার জন্য মানুষ সৃষ্টি করা হয়নি । আল্লাহ  মানুষকে তাঁর খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে (সূরা বাকারা, আয়াত ৩০)। সৌদি আরব থেকে প্রকাশিত কোরআনের ইংরেজি অনুবাদে ‘খলিফা’র ইংরেজি করা হয়েছে ‘Successive authority’ বা বংশানুক্রমিক  প্রতিনিধি। অর্থাৎ, পৃথিবী যতদিন থাকবে, মানুষ ততদিন পৃথিবীতে  আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে । 
ওপরের আলোচনা থেকে এটা সুস্পষ্ট যে,   কোরআনের বিধান অনুযায়ী ধর্ম প্রচার করতে হলে, একজন ইসলাম  ধর্ম প্রচারকের তিনটি  বিষয়  জানা অত্যাবশ্যক – 
(১)  কোরআনের বিধান অনুযায়ী আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে  মানুষের দায়িত্ব/কাজ   কি ?, 
(২) কোরআনে পৃথিবীতে  মানুষকে মানুষ হিসেবে  বিশেষ কোন কাজ/ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কি ?   
(৩) মানুষকে ফেরেশতাদের মত ইবাদত করার কথা বলা না  হলেও,  কোরআনে মানুষকে  জিনের মত ইবাদত করতে বলা হয়েছে (সূরা জারিয়াত, আয়াত ৫৬),  কেন ? 
(২) নম্বর প্রশ্নের জবাবে সূরা মূলকের ২ নম্বর আয়াতে বর্ণিত কোরআনের বিধানের কথা এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে । উক্ত আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সৎকর্মে কে অগ্রগামী তা পরীক্ষার জন্যই তিনি (আল্লাহ) জীবন সৃষ্টি ও মৃত্যুর ব্যবস্থা করেছেন’ । এই আয়াতে পৃথিবীতে মানুষ হিসেবে মানুষের দায়িত্ব খুবই সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পৃথিবীতে মানুষ নিজেদের মধ্যে সৎকাজ করার জন্য প্রতিযোগিতা করবে এটাই কোরআনের বিধান । মানুষের মধ্যে সৎকাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে উঠতে পারে, যা ইসলাম ধর্মের মূল লক্ষ্য। মানুষের এই সৎকাজে সহায়ক ভুমিকা পালনের জন্য (৩) নম্বর প্রশ্নে বর্ণিত আল্লাহর ইবাদতের কথা বলা হয়েছে । কারণ, আল্লাহর ইবাদত মানুষের মনের অশ্লীলতা দূর করতে সাহায্য করে ।  তার মানে  আল্লাহর ইবাদত মানুষের সৎকাজের দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিমাত্র। খেলার আগে একজন খেলোয়াড় যেমন তাঁর মাংসপেশি সঞ্চালনের জন্য অনুশীলন করে থাকেন;  মানুষকেও তাঁর সৎকাজে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি হিসেবে নামাজ পড়া তথা আল্লাহর ইবাদতের বিধান রাখা হয়েছে । একজন খেলোয়াড় যদি অনুশীলনের পর  মূল খেলায় অংশগ্রহণ না করেন, তাহলে তাঁর অনুশীলন যেমন ব্যর্থ;  আল্লাহর ইবাদত করে বা নামাজ পড়ে যদি একজন মুসলমান কোন সৎকাজ না করেন,  তাহলে তাঁর ইবাদতও অর্থহীন হয়ে পড়ে । 
 (১) নম্বর প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে,  আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে  মানুষের দায়িত্ব বা কাজ   কি ? এ প্রশ্নের জবাবে ব্যাপক আলোচনা/ পর্যালোচনার প্রয়োজন ছিল;  কিন্তু বাস্তবে তেমনটি করা হয় না । কোরআনের মর্ম অনুযায়ী পৃথিবী মানুষের জন্য একটা পরীক্ষাগার । মানুষের আদি পিতা- মাতা আদম ও হাওয়া ইবলিসের কুপরামর্শে বেহেশতে থাকা অবস্থায়  আল্লাহর আদেশ অমান্য করেন । এ কারণে, আদম- হাওয়ার সাথে ইবলিসকেও বেহেশত থেকে বহিস্কার করা হয় এবং তাঁদেরকে পরস্পরের শত্রু হিসেবে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই সূত্রে মানুষ পৃথিবীর বাসিন্দা (সূরা বাকারা, আয়াত ৩৫, ৩৬) । পৃথিবীতে ইবলিস শয়তানের সাথে বসবাস করে তার বিরামহীন কুপরামর্শ থেকে গা বাঁচিয়ে  আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মানুষের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় । তবে শয়তানের কুপরামর্শ বোঝার সহজ উপায় কোরআনে বর্ণিত  আল্লাহর ৯৯টি নাম জানা । এই ৯৯ টি  নামে আল্লাহর যে সব গুণাবলীর কথা বলা হয়েছে, তার বিপরীত সকল কাজ শয়তানের কাজ বা শয়তানের কুপরামর্শে মানুষ করে থাকে । মানুষের কাজের মধ্যে আল্লাহর ৯৯ টি নামের যে কোন একটি গুণবাচক নামের প্রতিফলন থাকলে সেটাকেই আল্লাহর প্রতিনিধির কাজ বলা যেতে পারে । যেমন, আল্লাহর একটি নাম আর রাজ্জাক;  আল্লাহ রিজিকদাতা । আল্লাহর এই নামের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষ বা অন্যান্য যে কোন প্রাণীর রিজিকের ব্যবস্থা করা একজন মানুষের জন্য আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে  কাজ করা হয়েছে বলে গণ্য হবে । হাদিসে বর্ণিত আছে, একটি তৃষ্ণার্থ  কুকুরকে পানি পান করিয়ে একজন বারাঙ্গনা মহিলা বেহেশতবাসী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন । এক্ষেত্রে উক্ত মহিলা আল্লাহর একজন  প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ।
আমার এ লেখায় পবিত্র কোরআন ও হাদিসের যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা আমার নিজের । অন্য কেউ এ ধরণের ব্যাখ্যা দিয়েছেন কী – না,  আমার জানা নেই । আমি নিজে কোরআন পড়ে যতটা বুঝেছি, এখানে সেই   আলোকেই ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে । এ ধরণের  ব্যাখ্যা কারো কাছে  সঠিক নয় মনে হলে, কেন সঠিক নয় বা সঠিক ব্যাখ্যা কি হতে পারে,  তা অনুগ্রহপূর্বক জানানো হলে কৃতজ্ঞ থাকবো ।  সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন বা  নিজেকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ নেবো আমি ।
মহান আল্লাহ আমাদের ধর্মের সঠিক অর্থ  বোঝার তৌফিক দিন । 
রাশেদুল ইসলাম । ২৯ জুন, ২০২৬ । মোহাম্মদপুর, ঢাকা ।

বিষয়:
avertisements 2
চিরকুট দুইশত আঠারো 
চিরকুট দুইশত আঠারো 
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, ভিসা স্থগিত
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, ভিসা স্থগিত
ফ্যাসিবাদ ও মৌলবাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রী
ফ্যাসিবাদ ও মৌলবাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রী
এলপিজি গ্যাসের কমিয়ে নতুন দাম ১৫২৮ টাকা নির্ধারণ 
এলপিজি গ্যাসের কমিয়ে নতুন দাম ১৫২৮ টাকা নির্ধারণ 
প্রবাসীদের বড় স্বস্তি, ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে সময় বাড়াল সৌদি
প্রবাসীদের বড় স্বস্তি, ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে সময় বাড়াল সৌদি
গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ
গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরেছে পুলিশ
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার বহাল, ট্রাম্পের আদেশ খারিজ
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার বহাল, ট্রাম্পের আদেশ খারিজ
বিদেশিদের দেশ ছাড়ার আলটিমেটাম দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে জনগণের বিক্ষোভ
বিদেশিদের দেশ ছাড়ার আলটিমেটাম দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে জনগণের বিক্ষোভ
এআই দিয়ে আর্জেন্টাইন সমর্থককে ব্রাজিলের জার্সি পরানো সেই এসআইকে শোকজ
এআই দিয়ে আর্জেন্টাইন সমর্থককে ব্রাজিলের জার্সি পরানো সেই এসআইকে শোকজ
এখন থেকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় পেতে চাইলে গুনতে হবে ১৬ লাখ টাকা
এখন থেকে যুক্তরাজ্যে আশ্রয় পেতে চাইলে গুনতে হবে ১৬ লাখ টাকা
শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া
শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া
চীনা প্রযুক্তিপণ্যে নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
চীনা প্রযুক্তিপণ্যে নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
মানবতাবিরোধী অপরাধে জাসদ নেতা ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধে জাসদ নেতা ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
বাংলাদেশে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা!
বাংলাদেশে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা!
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2