জালাল উদ্দিন আহমেদ
কাঙ্গাল বাঙালী নিজ কর্মফলে
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৬ আগস্ট,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৭:২০ পিএম, ১৬ আগস্ট,রবিবার,২০২৬
বাঙালী তো, তাই বাঙালীত্বের সমগ্রতা নিয়ে শুধু আমি কেন, সচেতন বাংলাদেশী মাত্রই একটু হলেও সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করেন। এই সম্পৃক্ততা বা concerned থাকাটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। দোষেরও নয়। তবে হাঁ, কতিপয় দু'পেয়ে অতি আঁতেলীয় মানব সন্তান যখন এই এপার ওপার নিয়ে বিচার বিশ্লেষনে বাংলাকে মহাভারতীয় কচুর ঘেঁটে বানিয়ে এক কৈলাসীয় মহাকাব্যের রূপ দেন তখন কাদামাটির এই অজ বাংলার কাদামটির বাঙালী হয়ে নিজেকে বেশ বোকা বোকা মনে হয়। আর বোকা হবোই বা না কেন! আমাদের শিল্প সংস্কৃতির জগতে যতই শরৎচন্দ্র, বিভূতিভুষন, তারাশংকর বা নজরুল, জীবনানন্দ কিংবা হাল আমলের সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়রা আসুক না কেন, চাষাভুষা বাঙালদের রক্তচোষা ঐ নীল রক্তের জমিদার ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই আমাদের বাঙলা ভাষাভাষী মানুষদের কাছে প্রবাদতুল্য কিংবদন্তি। তার কবিতা সাহিত্য গান বাজনা নিয়ে আমরা স্তুতির পর স্তুতি করতেই থাকবো কিন্তু তার সৃষ্টি ও জীবনগাঁথার আলেখ্য নিয়ে বেসুরো কিছু বলা যাবেনা। যা কিছু হবে উনাকে সামনে রেখেই হবে। এটা যেন বিধির বিধান। ঠিক যেন ব্রাহ্মন্য সৃষ্ট হিন্দু ধর্মীয় বর্ণপ্রথার মত। তিনি যতই মারাঠা উৎসব করুন, শিবাজীকে স্বর্গের দেবতার আসনে বসিয়ে ভারতের ত্রাণকর্তা সাজিয়ে গড়ের মাঠে যজ্ঞ আহুতি দিয়ে যবন নিপাতের আয়োজন করুন না কেন, কিংবা বাঙালীর সামগ্রিক উন্নয়নে পুর্ববাংলাকে ঢাকা কেন্দ্রিক করে বঙ্গভঙ্গ করা তার জমিদারী স্বার্থের বিপক্ষে বিধায় এটার বিরুদ্ধে মিটিং মিছিল করুন না কেন কিংবা শিল্প সাহিত্য রচনায় বাঙালী মুসলিম বিদ্বেষী লেখালেখি বন্ধ করার অনুরোধ প্রত্যাখান করুন না কেন তিনি তো আমাদের ভূমিপুত্র কবি শিরোমনি বিশ্বকবি। এমনকি পুর্ব বাংলার বাঙালী জনপদের মেধা বিকাশে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বৃটিশ উদ্যোগের ঘোর বিরোধী থাকলেও তিনি তো ঠাকুর পরিবারের রাঢ়ী সম্প্রদায়ের পিরালী ব্রাহ্মন শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
তাইতো দেখি যখন মাটি ও মানুষের কথা বলতে আসা তৃণমূলের তরফ থেকে ঠাকুরবাড়ির জমিদার রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কোন বিরূপ বা বেসুরো কথা উচ্চারিত হয় তখন সেই আমির খানের ‘'পিকে” সিনেমাটির কথা খুব বেশী করে মনে পড়ে। পাঠক, ২০১৪ সালে নির্মিত রাজকুমার হিরানীর ছবিটি দেখে না থাকলে একবারের জন্য হলেও দেখে নিবেন। দিব্যচক্ষু উন্মীলিত করার একটি মোক্ষম সিনেমা বটে। কলেবর বড় হবে এই আশংকায় গল্পের গভীরে না গিয়ে শুধু বলতে পারি, সামাজিক ও ধর্মীয় অসংগতির কথাগুলি নিয়ে আমাদের বলা উচিত। ধর্মীয় অসংগতি বলতে ধর্মকে পুঁজি করে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যে সমস্ত সামাজিক অসন্তোষ সৃষ্টি হয় সেগুলোর প্রতিকারে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে অতি অবশ্যই রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় তার সুরাহা করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। তবেই না জাতিগত উৎকর্ষতা ও শৃংখলা বজায় রেখে আমরা এগোতে পারবো। তাছাড়া রাষ্ট্রীয় কর্মধারায় সম্পৃক্ত অঙ্গগুলির সুষ্ঠতা নিরূপনে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি রাষ্ট্র গঠনের উপাদান হিসাবে সার্বক্ষনিক সম্পৃক্ত রাজনৈতিক চরিত্রগুলোর মানদন্ড যাঁচাই বছাইয়ে জনসচেতনতা গড়ে তোলা সামাজিক আন্দোলনের একটি অংশ বলেই বিবেচনায় আসা উচিত। এসব নিয়ে নিয়মাচারের মধ্যে থেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নিয়মিত সেমিনার সিম্পোজিয়াম ওয়ার্কশপ ইত্যদির আয়োজন একান্ত অপরিহার্য।
সাতচল্লিশ পরবর্তী খন্ডিত ভারতে আমরা হচ্ছি তৃতীয় প্রজন্ম। সেক্ষেত্রে ভারত, বিশেষ করে বাংলা ভাগের সময়কালে আমাদের অস্তিত্ব তখনো মাতৃ ভ্রুনেও স্থান পাইনি। তবে ঊনসত্তর, সত্তর বা একাত্তরে আমরা ছিলাম একটি জেনারেশন। আর এই জেনারেশনের জোশেই বাঙালীর হাতে উঠেছিল লাল সবুজের পতাকা। তবে সেটা ছিল গোছানো আকাঙ্খার মা মাটি ও মানুষেকে একান্ত করে পাওয়ার সর্বাত্মক সম্পৃক্ততা। সঙ্গে ছিল একশ্রেণীর সুবিধাবাদী চরিত্রের নেতৃত্বের জৌলুষ। তবে জনমানুষের আকাঙ্খার জোয়ারে সেই ক্ষমতাহীন নেতৃত্বের সুবিধাবাদী চেহারা তখনও ভাল করে ফুটে উঠতে পারেনি। তবে আমরা যে মাটি হতে উঠে এসেছি তার বৈচিত্রের বহুরূপী চরিত্রগুলিকে নিয়ে মাঝেমধ্যে আমাদের শেকড়ে টান পড়ে বৈকি! আমরা অর্থাৎ বৃহত্তর বাংলার পুর্বাংশের বাঙালরা, যারা এখন বাঙালী স্বত্ত্বা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক, তাদের কিছু নিজস্ব ধ্যান ধারনা ও আপনত্ত্ব তৈরীর বাতিক রয়েছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমাংশের বাঙালীদের ধারন ক্ষমতার গভীরতা একটু বেশীই বলে মনে হয়। তবে তাদের স্বকীয়তার আকাঙ্খায় ধর্মীয় মোড়ক থাকায় তারা কিছুটা হলেও পরাশ্রয়ী আঁচলেই থাকতে পছন্দ করে বলে মনে হয়। এসব বুৎপত্তিগত ঐতিহাসিক পর্যালোচনা এই ছোট পরিসরে কিংবা আমার মত ছোট মাথার মানুষ দিয়ে না হওয়াটাই বাঞ্চনীয়। কারন নিজের ঠিকুজি বার করতে গেলে তো সেই প্রাগৌতিহাসিক অস্ট্রিক দ্রাবিড় মঙ্গোলয়েড ও আর্যসহ নানা নরগোষ্ঠীর রক্ত প্রবাহ ও সাংস্কৃতিক মিশ্রনের কথাগুলিই আউড়াতে হয়। ভাষা বিজ্ঞানী সুনীতি চট্টোপাধ্যায় কিংবা ভাষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, সুকুমার রায়ের সেইসব অভিসন্দর্ভ গবেষনা ও তাদের গবেষণালব্ধ লেখাজোখায় আমরা বাঙালীর শেকড়ের খবর খুঁজে পাই।
সেক্ষেত্রে মুসলিম গরিষ্ঠ বাংলাদেশী স্বত্ত্বায় বাঙালী উঠানের গল্পের সাথে বাঙালী স্বত্ত্বার পশ্চিম বঙ্গীয় হিন্দু আবিষ্টের বাঙালী স্বত্ত্বার শেকড়ের বরাবরই দু'টি ভিন্ন আঙ্গিকে বিধৃত হয়েছে। সেসবের পোষ্ট মর্টেম বড় বড় পন্ডিত বা গবেষকদের গবেষনালব্ধ মোটা মোটা বই পুস্তকে লিপিবদ্ধ থাকবে ঠিকই। পুবের মুসলিম প্রাধান্যের বাংলাদেশে “বাংলা বিহার উড়িষ্যার অধিপতি” উচ্চারনের নবাব সিরাজদ্দৌলা বা খুব জোর বখতিয়ার খিলজির বঙ্গ বিজয় দিয়েই শুরু হবে। আবার ভারত অঙ্গীভূত বাংলার বাঙালীরা তাদের পুর্বসূরী হিসাবে সেন পাল বা অশোক শশাঙ্কদের দিয়েই তাদের অস্তিত্বের ঠিকুজি শুরু করবেন। তবে বাঙলা বা বাঙালী জাতিস্বত্বা সৃষ্টির গোঁড়ার খবর নিতে গিয়ে যা পাওয়া যায় তার মূল কথায় চলে আসেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। চৌদ্দ'শ শতকে তিনিই প্রথম বাঙলা বিহার উড়িষ্যাকে একত্র করে বাঙলা নামের ভাষাভিত্তিক জাতিস্বত্ত্বার সৃষ্টি করেন। শোনা যায় মোঘলদের নাগপাশ থেকে মুক্ত করে বাঙলাকে স্বাধীন করেন এই শাসসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ এবং এই ইলিয়াস শাহের বংশ পরম্পরা দেড়'শ বছর স্বাধীন স্বত্বায় বাঙলাকে শাসন করেন। এরপর বিভিন্ন চড়াই উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে সুলতানী, নবাবী এবং বৃটিশ বেঙ্গলের হাত ধরে ধর্ম বিভাজনের লক্ষন রেখা টেনে এখন বাংলার মূল অস্তিত্ব এসে ঠেকেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডে।
তবে এই বাঙালী বা বাংলাদেশী কি তার সম্পুর্ণতা নিয়ে আজ বাঙালীয়ানার একক অস্তিত্বের পূর্ণতা দিতে পারছে! কেউ তার স্বাধীন স্বত্বায় লাল সবুজের পতাকা উঁচিয়ে বলছেন তিনি বাংলাদেশী বাঙালী। কেউবা তেরাঙ্গা ঝান্ডা হাতে বন্দে মাতরম গেয়ে হিন্দু ভারতের বাঙালী সেজে নিজেদেরকে গর্বিত করছেন। আবার একদল মানভূম সিংভূমের ভূমিপুত্র হয়ে ‘'এই পিয়ারী ভারত মা তুঝে ম্যায় শির ঝুঁকাতি হ্যায়” উচ্চারনে তার বাঙালীত্ব বিসর্জন দিয়ে ঝাড়খন্ডের বিহারী হয়ে জীবন ধারন করছেন। আর একটি বৃহত্তর বাঙালীর দল “ভারত মোমাব মাতৃ, মোমাব জন্মভূমি” উচ্চারণ করে অহমিয়াদের সাথে জীবনযুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলেছেন। এটাইতো আমাদের হাকিকত! এর মূলে কিন্তু আমরাই। সাধে তো আর রবি ঠাকুর লিখেন নি “শক হুনদল মোঘল পাঠান একদেহে হোল লীন”। তিনি আগে বাঙালী। নিজের অস্তিত্ব বিচারে মুখ ফস্কে এই সত্য কথাগুলো উচ্চারিত হয়েছে। যতই আমরা ভারতের অখন্ডতা ও সৌহার্দ সম্প্রীতি নিয়ে কবিতার ছত্রটি ব্যাখ্যা করিনা কেন, আসলেই তো বাঙালীয়ানার রক্তে মাংসে সেই ছত্রের কথাগুলিই জড়িয়ে রয়েছে পরতে পরতে। ধর্ম পরিচয়ের সুক্ষ্ম লক্ষ্মন রেখাটি তো অনেক পরে শ্যামা কাকুরা সামনে নিয়ে এলেন। এর জন্য রক্তারক্তি দাঙ্গা ফ্যাসাদ যা যা করার দরকার সবই করালেন। দেখুন, সাতচল্লিশ বিভাজনের সেই বিষাক্ত বিষ কিন্তু এখনও বাঙালী বাবুরা ঢেলেই চলেছেন। শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতার চেয়ারটিকে পাকাপোক্ত করার নির্লজ্জ তাগিদে। কেমন করে একজন নয়া জামানার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি তো হিন্দুদের ভোটে জিতে এসেছি। মুসলমানদের ভোট আমার চাইনা”। কিংবা “শ্যামা কাকুরা না থাকলে আজ আমাদেরকে মুসলমানদের অধীনে থাকতে হোত”। তিনি একবারও বললেন না মুসলমান বাঙালীদের কথা। অর্থাৎ মধ্যযুগীয় ব্রাহ্মন্য আচরনের সেই কটুক্তি “যবন বা নেড়েরা বাঙালী হতে পারেনা”। এসব ভাষাতো রবি ঠাকুরের লেখাতেও উচ্চারিত হয়েছে বহুবার। এসব কি হীনমন্যতা নয়। আবার সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার মিষ্টভাষী মানুষটি(!),যিনি কট্টর মৌলবাদী ভারত শাসনের রাজনৈতিক দলটির রাজ্য সভাপতি, তিনি তো কয়েকদিন আগে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে খুব তৃপ্তি নিয়েই বলে ফেললেন, “আমরা এখন শ্যামা প্রসাদের বাংলায় বাস করছি”।
বাঙালী হয়ে নিজের কাঙ্গালীত্ব বর্ণনায় আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি তাই এখানেই ক্ষান্ত দিলাম।
পাঠক, আপনারা সবাই ভাল থাকবেন!
কাঙ্গাল বাঙালী নিজ কর্মফলে
নারী অ্যাথলেট পুরুষ প্রমাণিত হওয়ায় আজীবন নিষিদ্ধ, বাতিল সব পদক
পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান
অভিন্ন ইতিহাস ও অংশীদারত্বে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: দীনেশ ত্রিবেদী
‘শিগগিরই’ হরমুজ প্রণালী মার্কিন ভূখণ্ড হবে : ট্রাম্প
জাপানে ‘নজিরবিহীন’ ভারি বৃষ্টিতে ৫ জনের মৃত্যু
ট্রাম্পকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য’নিয়ে সতর্ক থাকতে বলল ইরান
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতি করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড
আবারও আন্দোলনে নামছে ককরোচ পার্টি, এবার দাবি কী?
সালমান শাহ হত্যা মামলায় নতুন মোড়, ডন গ্রেফতার
গভীর রাতে কুষ্টিয়ায়‘জয় বাংলা’স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা
ট্রাম্পের কড়াকড়ি, যুক্তরাষ্ট্রে বাতিল হলো ১ লাখ ৭৫ হাজার ভিসা
কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প; নিহতের সংখ্যা ১৩২, জরুরি অবস্থা ঘোষণা
মেসিকে ‘বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি: গোপন নথি ফাঁস
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু



