৩০ পেরোলেই যা মানা জরুরি
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৩:২২ এএম, ২২ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,২০২০ | আপডেট: ০৩:৩৭ পিএম, ৩ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,২০২৫

বয়সের সঙ্গে অনেক কিছু সামঞ্জস্য করে চলতে হয়। নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি রূপচর্চাও নজর দিতে হবে। জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। এ বয়সে আপনাকে কিছু বিষয় অবশ্যই মেনে চলতে হবে। কারণ আপনার যে ৩০ বছর পেরিয়ে গেছে।
২৫ বছরের পর থেকেই আমাদের শরীরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কোষের কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। আর ৩৫ পেরোলেই ডিজেনারেশন প্রসেস যেন চরমে ওঠে।
শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে, ত্বক তার সৌন্দর্য হারায়। সেই সঙ্গে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে। ফলে নানা রকম জটিল কঠিন রোগ শরীরে বাসা বাধে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীর দুর্বল হয়, কর্মক্ষমতা কমে যায়। তবে জীবনযাপনে কিছু নিয়ম মেনে চললে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সুন্দর থাকা যায়।
আসুন জেনে নিই কী করবেন-
১. এ বয়সে কফি খাওয়ার অভ্যাস কমিয়ে ফেলুন। না হলে সেলের ডিজেনারেশন প্রসেস বেড়ে গিয়ে বয়সও বাড়বে লাগামহীনভাবে। তাই সুস্থ থাকতে কফি খাওয়া কমিয়ে ফেলুন।
২. অ্যালকোহলকে ‘না’ বলুন। এ সময় শরীরে ইনফ্লমেটরি রেসপন্স খুব বেশি থাকে। আর অ্যালকোহল শরীরের ভেতরে ইনফ্লমেশনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীর ভাঙতে শুরু করে।
৩. এ সময় কলা খেতে পারেন। কারণ এই সময় যদি শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। তাই বয়স ৩০ পেরোলেই প্রতিদিন ডায়েটে কলা থাকাটা জরুরি।
৪. সময়মতো খাবার খেতে হবে। এতদিন অনিয়ম করলেও এখন থেকে সকাল-দুপুর-রাতের খাবার খেতে হবে সময়মতো।
৫. এ সময় পাতে রাখুন সবুজ শাকসবজি। বিশেষ করে পালংশাক। পালংশাক যত পারবেন, তত খাবেন। কারণ পুষ্টিতে ভরপুর পালংশাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। তার মধ্যে ভিটামিন এ, বি২, সি, ই, কে, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার ও প্রোটিন; এগুলো তো আছেই।
৬. ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান। হাড়ের মূল উপাদান হলো আমিষ, কোলাজেন ও ক্যালসিয়াম। আমাদের বয়স ৩০ বছর পার হলেই প্রাকৃতিক নিয়মেই হাড়ের ঘনত্ব ও পরিমাণ কমতে থাকে। হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হতে শুরু করে। ফলে এই বয়সে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।