avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা - ১  

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৭ সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:১৪ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

একজন সমাজ সংস্কারকের নাম শুনে বড় হয়েছি। তিনি পশ্চিম ভারতীয় কোন এক গুজরাঠী বা মারাঠী মহান ব্যক্তি ছিলেন। শুনেছি তিনি গান্ধী ও জিন্নাহর রাজনৈতিক গুরু ছিলেন। একসময় কগ্রেসের সভাপতিও হয়েছিলেন বলে জানা যায়। তিনি মহামতি গোপাল কৃষ্ণ গোখলে। তার একটা উদ্ধৃতি অনেকেই বিশেষ করে আমি প্রায়শই উচ্চারন করি। একজন বাঙালী হিসাবে তার মত ওই বড় মাপের মানুষটির এসব অকপট উচ্চারন সত্যিকার অর্থে আমাকে উচ্চ মর্যাদা দেয়। তার সেই মর্যাদা নিয়ে আমরা ভারতবর্ষের রাজনীতির অলিগলিতে বেশ আত্মমর্যাদা নিয়েই চলেছি বলে আমাদের ধারনা হয়। বাংলার স্বাধীন সুলতানিয়াত থেকে শুরু করে সেই পাল সেন শাহ নবাব এবং দাপুটে বার ভুঁইয়ার জৌলুশ ও জোশ এবং ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে বাঙালীদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও যুথবদ্ধতায় প্রভাবিত হয়ে তিনি ১৯০৫ সালে কংগ্রেসের বেনারস সম্মেলনে এই উক্তিটি করেছিলেন। তিনি সে সময় কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। সম্ভবতঃ এসব দৃশ্যমানতায় বুঝা যায়, ভারত অন্দোলনের পশ্চিম অংশের নেতাদের কাছে বাঙালীর একটি আলাদা সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ ছিল। তাছাড়া শিক্ষা সংস্কৃতিতে বাঙালী তখনকার সময়ে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের থেকে বেশ এগিয়ে ছিল বলেই হয়তো একজন সর্বভারতীয় নেতার মুখ থেকে এই বিখ্যাত উক্তিটি বেরিয়ে এসেছিল। রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক চালু এই কথাটি এভাবেই বলা হয়, What Bengal thinks today India thinks tomorrow. অথচ তিনি সম্ভবতঃ বেনারসের সেই জাতীয় সম্মেলনে বলেছিলেন, What educated Indian thinks today rest of India thinks tomorrow. সুতরাং বুঝতে অসুবিধার কোন কারন নেই যে সে সময় শিক্ষিত ভারতীয় বলতে বাংলার বাঙালীকেই বুঝানো হয়েছে। 

বাংলার সামাজিক পটভূমিতে “লজিং মাস্টার” নামক একটি চরিত্র সেই আদ্যি কাল থেকেই বিদ্যমান রয়েছে। বেশ অবোধ্য চরিত্রের এই অবজেক্টগুলো মধ্য ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। Depressed চরিত্রের এসব মানুষগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন। লজিং মাস্টার ব্যতিরেকে গ্রামের গৃহস্ত ঘর থেকে উঠে আসা শহরমুখী মানুষগুলোও  উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেকে নিয়ে তার নিজস্ব জগৎ তৈরীর স্বপ্নে বিভোর থাকেন। ফলে তারা সামাজিক বলয়ে নিজেদের উপস্থিতির প্রকাশ ঘটাতে পারেন না। তারা বড় বড় ডেপুটি হতে চান। জেলা শাসক হয়ে বংশের গৌরব বাড়ান বটে, কিন্তু সামাজিক সামগ্রিকতায় তারা কোন চেইন তৈরী করে সমাজিক আইকন হতে পারেন না বা হওয়ার ইচ্ছেটাও তাদের কাছে গৌন মনে হয়। বাঙালীর মধ্য ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেনীর এই আত্মকেন্দ্রিকতা ইদানীং আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামো একরকম ভঙ্গুর করে দিয়েছে বললে অত্যুক্তি হবেনা। অবশ্য এসবের বহুবিধ কারনও রয়েছে। অতি সম্প্রতি কোন এক প্রবন্ধে আমি লিখেছিলাম, “নিজে বাঁচলে বাপের নাম।” কথাটি আমি তৈরী করিনি। বাঙালী সমাজের একটি প্রচলিত প্রবাদ প্রবচন হবে হয়তো। তবে এই প্রবচনের খোলসে ঢুকতে গিয়ে আমাদের গ্রাম থেকে উঠে আসা প্রজন্মরা যখন শামুক ঝিনুক হয়ে যাচ্ছে তখন ওই ঝিনুকে যতই মনি মুক্তা থাকুক না কেন তাদের এসব আত্মকেন্দ্রিকতার ঘোরটোপে তা কখনোই  সামাজিক সামষ্টিকতার কাজে লাগে না। কারন দূর্বৃত্য রাজনীতির চাপ ও চাতুরতায় সরকারী মেকানিজমের কেউটে হয়ে থাকা ঐসব ডেপুটিরা তখন দুষ্টচক্রের খাতায় নাম লেখায়। অশুভ রাজনীতির পেট ভরার ক্রীড়নক হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের চাকচিক্যেও জোয়ার আনেন। 

আত্মোপলব্ধির কথা বলতে গিয়ে একথা বললে অত্যুক্তি হবেনা যে রাজনীতি ও সমাজনীতির স্খলনে আজ আমরা ধুঁকছি এবং তা আমাদেরই তৈরী। আমাদের বেসিক স্ট্রাকচারে গলদের পাল্লাটাই ভারী হয়ে গেছে বিধায় শেকড়ের খোঁজ নিতে গিয়ে আমরা পথ হারিয়ে ফেলি। অনেকেই বড়সড় সব নাম সামনে এনে তাদের বুনিয়াদি ঠিকুজির পোল খুলতে চাইবেন, কিন্তু তাদের হাঁটার পরিধির স্বাতন্ত্রতা কি বের করতে পারবেন! বেশী পিছনে না গিয়ে গত শতকের গোঁড়ার দিক থেকেই একটু চোখ বুলালেই আমাদের সমাজ কাঠামোর রাজনৈতিক বুনিয়াদের ঠিকুজি আঁচ করতে পারি। রাজনীতির কাঠামোয় যাদেরকেই সামনে আসতে দেখেছি তারা তাদের যোগ্যতার নিরিখে নিজেদের পারঙ্গমতা দেখিয়েছেন বটে তবে তারা সমাজ কাঠামোর সামষ্টিকতায় সঠিক উত্তরাধিকারী রেখে যেতে পারেননি বা কাঠামোগত রাজনৈতিক পরিমন্ডল উপহার দিয়ে যেতে পারেননি। তিনি নিজে উজ্জ্বল তারার মত জ্বলেছেন বটে কিন্তু তার উত্তরসুরীর পারিপার্শিকতায় কোন বলিষ্ঠ উত্তরসুরী রেখে যেতে পারেন নি। তবে যাদেরকে পেয়েছি তারা আত্মকেন্দ্রিকতায় উন্মুখ একদল সামাজিক আপদ ছাড়া কিছুই নয়।  

এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশব্যাপী বিরাজমান মোড়ল মাত্ববরীয় কাঠামোর আদলে রাষ্ট্র কাঠামোতেও আস্তেধীরে বংশ পরম্পরার রাজনৈতিক মেরুকরনের শিকড় গজিয়ে উঠে। সাতচল্লিশের বাংলা ভাগের পর মুসলিম গরিষ্ট পুর্ববঙ্গে সমাজ গঠনের তাগিদ ও রাজনৈতিক মেরুকরনে এক অসম প্রতিযোগিতার সূত্রপাত ঘটে। দেশ স্বাধীন হোল বটে, কিন্তু মুসলমানদের বাঙালী গরিষ্ঠ এই পুর্ব বাংলায় স্বচ্ছ রাজনীতির মাধ্যমে শাসক তৈরী বা শাসন গুছিয়ে নেয়ার কোন সূত্র তৈরী হোল না। ফলে গণতান্ত্রিক চর্চায় বিশুদ্ধ রাজনীতি করার মসৃন পথটা মরীচিকা হয়ে ধরা দিল। সমাজ গঠন ও রাজনীতি চর্চায় আমাদের অর্থাৎ এই পুর্ব বাংলায় একটা মোড়ল মাত্ববরীয় সামন্ত প্রভুত্বের চলন সর্বক্ষেত্রে দৃশ্যমান ছিল। সামষ্টিক যুথবদ্ধতায় সমাজ সংস্কার ও তার গতি প্রকৃতি নির্ণয়ে প্রান্তিক পর্যায় হতে যুবা কিশোরদের রাজনৈতিক অনুশীলনের মাধ্যমে এগিয়ে আসার পথ খুব মসৃণ ছিলনা। তাছাড়া মুসলিম লীগ প্রাধান্যের রাজনীতিতে ধর্মের একটি প্রচ্ছন্ন প্রভাব সে সময়ের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছিল। তবে বাঙালী তার আপন গৌরবে ধর্মের মৌলিকতা অতিক্রম করে বাঙালীয়ানায় আসতে পারলেও নেতৃত্বের কাঠামোগত অনুশীলনে না গিয়ে তারা বংশ পরম্পরার একটি গঁদবাঁধা আচরনে নিজেদের রাজনীতির বিচরন ক্ষেত্র তৈরী করে ফেলল।  আগের কোন এক কলামে লিখেছিলাম বলে মনে পড়ে যে পশ্চিম বঙ্গের বাঙালীরা তাদের সর্বভারতীয় রাজনৈতিক কাঠামোর বহমানতায় একটি স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক রাজনীতি অনুশীলনের ছকে হেঁটেছিল। ফলে তাদের গনতান্ত্রিক অনুশীলন একটি বহুমত ও পথের স্বচ্ছতা পেয়েছিল। নেতৃত্ব নির্বাচনে তৃণমূল থেকে অনুশীলনের মাধ্যমে সার্বজনীনতায় তারা থিতু হোল। সেখানে বংশ পরম্পরার প্রভুত্ব সৃষ্টিকারী গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ ছিলনা। 

বাঙালী স্বকীয়তার সার্বজনীন চাহিদায় পুর্ব বাংলার বাঙালীরা একাট্টা হতে পেরেছিল। কারন তারা বাঙালী হয়ে আত্মপ্রকাশের সন্ধিক্ষনে  নিজেদের অস্তিত্ব ও অস্মিতা নিয়ে বেশ যত্নবান ছিল। এখানে বাঙালীর বাঙালীয়ানা অষ্টম বা নবম শতক থেকে প্রচলিত হলেও বঙ্গদেশের তথাকথিত ব্রাহ্মন্য আচরনের সমাজ কাঠামোর তৎসময় (বৃটিশ শাসনামল থেকে শুরু হয়) থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত তা বর্ণ বৈষম্যের হিন্দু ব্রাহ্মনদের কাছে জমা ছিল। পুর্ব বঙ্গের ৯০% মুসলমানকে তারা সামাজিকভাবে বাঙালী স্বীকৃতি না দিয়ে ‘মুছলমান’ বলে অভিহিত করেছে। হিন্দু বাবুদের দাবিয়ে রাখার বিরূপ প্রভাবে তারা যখন মুসলমান বাঙালীর অস্তিত্বে পাকিস্তানী হোল তখন বাঙালীয়ানার স্বাতন্ত্র‍ রক্ষার এতদিনের দাবিয়ে রাখার জেদটাকে নিজেদের করে নিতে সংকল্পবদ্ধ হয়েছিল বলেই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুর্ব বাংলার বাঙালীরা আপন স্বত্ত্বা নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি আত্মপ্রকাশ করতে পেরেছিল। বাংলার পশ্চিমের বর্ণ বৈষম্যে জর্জরিত হিন্দু বাঙালীদের এই বাঙালী হয়ে মাথা উঁচু করার সংকল্প অলীক স্বপ্ন বলে মনে হোত। কারন ব্রাহ্মন্য আচরনের সমাজ কাঠামোয় হিন্দু বাঙালী নামে আলাদা হওয়ার খায়েশে তাদেরকে সামিল করা হলেও ধর্মের ভিতর জাত পাত বিভাজনে তারা জর্জরিত ছিল বিধায় বাঙালী অস্মিতায় একাট্টা হতে না পেরে শেষে তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলে হিন্দুত্বের মেকি আবরনে নিজেদেরকে খোলসবন্দি করেছিল। শুধু সে সময় কেন, এখনও পর্যন্ত একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নিজেদেরকে সাচ্চা ভারতীয় প্রমানে মৌলবাদী গুজরাঠী মাড়োয়ারী প্রভুদের গুডবুকে থাকার আত্মবিনাশী কর্মধারায় নিয়োজিত রয়েছে। আর সঙ্গে জুটিয়ে নিয়েছে সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসা কতিপয় নব্য ব্রাহ্মনকে। তাদেরকে লাঠিয়াল বানিয়ে বাঙালী অস্মিতার প্রদীপ শিখার শেষ কুপিটি না নিভানো পর্যন্ত ওই ব্রাহ্মন্য চরিতমের মূল হোতারা কিন্তু তাদেরই কথিত নিষিদ্ধ মাছ মাংসের আমিষে পুষ্ট থেকে যজ্ঞ করতে থাকবেন। আজকে যারা দাস মন্ডল খাঁ ঘোষ মোহান্ত অধিকারীদের লাঠিয়াল বানিয়ে হিন্দু জাগরনের কেচ্ছা কাহিনী সাজিয়ে বাঙালীকে হিন্দুত্বের গুল খাইয়ে তাদেরকে প্রকৃত বাঙালীয়ানার পথ থেকে সরিয়ে মনু সংহিতার বন-বাদাড়ের প্রাচীন প্রস্তর যুগের ভারত বানাতে চাচ্ছে তারা কিন্তু সেই সুরা ও সাকির রাজা মহারাজার আদলে নিজেদেরকে সুরক্ষিত রেখেই এসবের আয়োজনে ব্যস্ত রয়েছে। 

-চলমান

বিষয়:
avertisements 2
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বিল পাস, ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্কের মুখে ভারতসহ ১০ দেশ
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বিল পাস, ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্কের মুখে ভারতসহ ১০ দেশ
বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা - ১  
বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা - ১  
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের পথে!
অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের পথে!
ভেঙে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য? শিগগির আসছে বড় ঘোষণা!
ভেঙে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য? শিগগির আসছে বড় ঘোষণা!
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড 
গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, ৫ দিন পর ওসি ক্লোজড 
টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় নারী-পুরুষসহ উদ্ধার ১৫
টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় নারী-পুরুষসহ উদ্ধার ১৫
ভারতে  বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়া ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত: আসিফ নজরুল
ভারতে  বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়া ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত: আসিফ নজরুল
প্রশান্ত মহাসাগরে তলদেশে স্বর্ণ-রুপার বিশাল মজুতের সন্ধান
প্রশান্ত মহাসাগরে তলদেশে স্বর্ণ-রুপার বিশাল মজুতের সন্ধান
আমার টিমও আমাকে বর্জন করেছে-দেশে ফিরে বাঁধনের আক্ষেপ
আমার টিমও আমাকে বর্জন করেছে-দেশে ফিরে বাঁধনের আক্ষেপ
খুলনায় ‘হানি ট্র্যাপ’ ভয়ংকর ফাঁদ, চক্রের টার্গেট বিত্তশালীরা
খুলনায় ‘হানি ট্র্যাপ’ ভয়ংকর ফাঁদ, চক্রের টার্গেট বিত্তশালীরা
মালয়েশিয়ায় পাসপোর্ট অফিসে অভিযান, সেবা নিতে এসে বিপাকে প্রবাসীরা
মালয়েশিয়ায় পাসপোর্ট অফিসে অভিযান, সেবা নিতে এসে বিপাকে প্রবাসীরা
পলিন হ্যানসনের প্রত্যাবর্তন: অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন ঝড়
পলিন হ্যানসনের প্রত্যাবর্তন: অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন ঝড়
স্বর্ণ চোরা চালানের জাল তিন দেশে
স্বর্ণ চোরা চালানের জাল তিন দেশে
ইলিশের উৎপাদন কমছে, ছোট হচ্ছে আকার
ইলিশের উৎপাদন কমছে, ছোট হচ্ছে আকার
চর্বিত চর্বন-২
চর্বিত চর্বন-২
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2