জালাল উদ্দিন আহমেদ
বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি -২
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৩১ আগস্ট,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০২:৪৫ পিএম, ৩১ আগস্ট,সোমবার,২০২৬
রাজনীতি ও শিল্প সাহিত্যের আলাপে দুই মেরুর দুই বাঙালী উঠানে মিশ্র প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। হিন্দু-মুসলিম লক্ষ্মন রেখা টেনে বাঙালীকে দুভাগ করা হোল বটে, তবে পশ্চিমের হিন্দু গরিষ্ঠের বাংলায় দিল্লি শাসনের একটি পরিচ্ছন্ন রাজনীতির ছায়ায় তারা বেড়ে উঠার রসদ খুঁজে পেল। অপরদিকে পুর্ব বাংলার মুসলিম গরিষ্ঠ বাঙালীরা করাচি কেন্দ্রিক পাকিস্তানী মুসলিম শাসনের একনায়কতন্ত্রী যাঁতাকলে তাদের রাজনীতির বেসিক তৈরীর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হোল। বাঙালীরা বাঙালী হওয়ার আগেই ভারতীয় ও পাকিস্তানী হওয়ার আস্বাদনে অবগাহন করলো। এখানে ৪৬:৫৪ এর অনুপাত বাঙালীর হিন্দু-মুসলমানের বিভেদে যতটা না কাজ করেছে তার থেকে বেশী কাজ করেছে হিন্দু ব্রাহ্মন্য বাবুদের দিল্লিময়তার উস্কানী এবং একশ্রেণীর মৌলভী ও মোড়ল-মাত্ববরীয় মুসলমান রাজনীতিকের মুসলিম বাঙালী হয়ে টিকে থাকার আকুতি। সময়ের ডাকে সেসময়ের সেই ধর্ম ভিত্তিক বাঙালী বিভাজনের কর্তব্য কর্মে সবচেয়ে বেশী কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছিল হিন্দু সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত নিম্নবর্ণের হিন্দু জনগোষ্ঠী। কিন্তু তাদের বুঝে উঠার আগেই যে বিদ্যুৎ গতিতে হিন্দু নেতৃবৃন্দের ব্রাহ্মন্য বলয় এই বাঙালী বিভাজনের কর্মটি বন্ধুবর শাসক বৃটিশদের মাধ্যমে সারিয়ে নিল তা সত্যিই চমকপ্রদ ছিল।
হিন্দু বাঙালী বাবুদের নিজস্ব অহংবোধ সব সময় তাদের বর্ণ বিভেদের সামাজিক অবস্থানে একটা মানবিক হীনমন্যতার বাতাবরনে আবদ্ধ রেখেছিল। ফলে ধর্মীয় বর্ণ বৈষম্যের অস্বস্তি ও অশান্তির তুষের আগুন হিন্দু বাঙালী সমাজে সব সময় একটা প্রচ্ছন্ন বেদ-ভেদের সীমারেখায় আবদ্ধ রেখেছিল। তাছাড়া উচ্চ বর্ণের বাঙালী বাবুরা নিজেদেরকে বাঙালী সমগ্রতার নিরিখে না ভেবে সর্বভারতীয় তুলাদন্ডে পরিমাপ করতে গিয়ে বাঙালী জাতীয়তাবাদের অহংবোধটা হারিয়ে ফেলে। সেক্ষেত্রে হিন্দু মুসলিম জাতিভেদের বিষয়টি ধর্ম অনুশাসনের মাথা থেকে এসেছিল বলে হিন্দু বাঙালীরা সমস্বরে বাঙালীয়ানার কোরাসে জোশ উঠাতে পারেনি। ফলে জয় হিন্দের তাল ঠুকে বন্দে মাতরমের বঙ্কিমীয় ধর্ম আবরনের বেড়াজালে তারা মিইয়ে পড়ে। মূলতঃ সর্বভারতীয় রাজনীতিতে হিন্দু বাঙালীদের সেসময়ের একঝাঁক তেজদীপ্ত বাঙালীর(অবশ্যই উচ্চ বর্ণীয়) রাজনীতি ও প্রশাসনিক আলোকছটায় ভারতীয় দিল্লি বলয় কিছুটা হলেও নত মস্তক ছিল। ফলে রাজনীতির আর্য-অনার্যের লক্ষ্মন রেখা তৈরী কারী পশ্চিম ভারতীয় এবং মারাঠী গুজরাঠী গোষ্ঠীর ধীরে চলো নীতির কুটচালে ভারতীয় হয়ে যাওয়া বাঙালীরা নিজেদেরকে দিল্লি শাসক হওয়ার খায়েসে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে সাতচল্লিশের ভারত ভাগের সেই সময়টিতে প্রকৃত পোড় খাওয়া রাজনীতির বাঙালী বাবুরা কিছু সময়ের জন্য হলেও বিমূঢ় বিহ্বল হয়ে পড়েন। আর গুজরাঠী ব্যারিষ্টার মোহন দাস করম চাঁদের সে সময়ের অতিরিক্ত বাঙালী প্রীতির দৃশ্যমানতায় হিন্দু বাঙালীরা কিছুটা হলেও ভারতীয় হওয়ার গৌরবে সিনা টান করেছিলেন।
পুর্ব বাংলার বাঙালীদের সিংহভাগ ছিল মুসলিম গরিষ্ঠ। ফলে তৎসময়ের বাঙালীয়ানার সমগ্রতার জিও পলিটিক্সে মুসলিম বাঙালীরা ছিল অবহেলিত এবং বঞ্চিত এক জাতিগোষ্ঠী। তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থান কলকাতা কেন্দ্রিক বাঙালী বাবুদের সমকক্ষ ছিল বললে ভুল হবে। অবশ্য সেটাও তৈরী হয়েছিল বিভাগ পুর্ববর্তী হিন্দু ব্রাহ্মন্য কুটকৌশলের যাঁতাকলে পড়ে। তবে ইসলামের শিক্ষায় শান্তি সৌহার্দ ও পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সরল পথে চলার শিক্ষায় উজ্জীবিত পুর্ব বাংলার কাদামাটির মুসলমান বাঙালীরা ছিল সহজ সরল এবং শান্তিপ্রিয় জাতি। বাঙলা ও বাঙালী স্বত্ত্বায় তারা সব সময় সজাগ ছিল বলেই হয়তো পাকিস্তানী স্বত্ত্বায় পুর্ব পাকিস্তান হিসাবে গড়ে তুলতে এই পুর্ব বাংলাকে ৯(নয়) বছর অনুশীলন করানো হয়েছে। তাছাড়া বাঙালী অস্মিতায় উজ্জীবিত এই পুর্ববঙ্গীয় বাঙালীরা যখন দেখলো ইসলামী নামকরনের এই পাকিস্তান রাষ্ট্রটি স্রেফ পশ্চিম পাকিস্তানের পাঞ্জাবী ও পাঠানদের দ্বিজাতি তত্ত্বের এক মুসলিম কলোনী ছাড়া কিছু নয়, তখন তারা নিজস্ব স্বকীয়তার জয়গানে সমন্বিত হয়ে নিজেদের বাঙালীয়ানার জয়গানে বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে এল। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল হিসাবে বাঙালী তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে কামিয়াব হোল। কলকাতার তৎসময়ের আলো ঝলমলে বাঙালীর শিরোমনি রবি ঠাকুর, ঋষি বঙ্কিম, শ্যামা প্রসাদ এমনকি বাঙাল ব্যারিস্টার জ্যোতি বসুর তাচ্ছিল্যের ম্লেচ্ছ, যবন কিংবা নেড়ে মুসলিম বাঙালীরা আজ গর্বিত বাঙালীয়ানায় নিজেদের বাংলাদেশী পরিচয়ে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়েছে।
অনেক কিছুই তো লিখতে মন চাই। কিন্তু ঐ যে হাডুডু চরিতম কিংবা মীরজাফর ও কাশিম বাজারীয় কুঠি যা এখন বাংলার এপার ওপার দু'পারেই বাজারের আলু পটলের দরে বিক্রয়যোগ্য পন্য দরে কিনতে পাওয়া যায়, সেসবের নিকাশী না করে কি এগোনো যাবে! যে বিধান চন্দ্র রায়, প্রফুল্ল ঘোষ, শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী এমনকি পুর্ব বাংলা হতে ট্রান্সপ্লান্টেড জ্যোতি বসুরা শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতার চেয়ারটি পাওয়ার জন্য এতবড় ধর্মীয় বাজি রেখে বাংলাকে ছত্রাখান করলেন তার উত্তর কি আমাদের কাছে অজানা রয়েছে! অপরপক্ষে শুধুমাত্র নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অজুহাতে যারা অর্থাৎ মাওলানা আকরাম খাঁ, খাজা নাজিমউদ্দিন, নুরুল আমিনরা যেভাবে হাজার মাইল দূরের ভিনভাষী মুসলমানদের কোলে চড়ে খাঁটি মুসলিম রাষ্ট্রের অংশীদার হতে চাইলেন তাদের স্বপ্নের কবর তো পুর্ব বাংলার বাঙালীরা গত শতকের সাতের দশকেই দিয়ে ফেলেছেন। সত্যি কথা বলতে কি, চোরকে বলে চুরি কর আর গৃহস্থকে বলে সামলে চল, এই প্রবাদের মূল প্রবক্তা ছিলেন সেসময়ের ভারত আন্দোলনের প্রধান নেতা সেই বিখ্যাত ব্যারিস্টার মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী। ভারত ভাগের উত্তাল স্রোতে শ্যামা প্রসাদ, জ্যোতি কিরণরা যখন বাংলা ভাগের জট লাগিয়ে ফেললেন তখন ভারতের মহান নেতা ধর্মসভার নামে ভারতের বিহার বাংলায় তার উপনিষদ ভিত্তিক ভারত গঠনের মিশন চালিয়ে যাচ্ছেন। হিন্দু মুসলমান জিগির তুলে যখন লাইন টেনে বাংলাকে দুভাগ করার সিদ্ধান্ত প্রায় চুড়ান্ত তখন কংগ্রেস নেতা শরৎ বসু আর মুসলিম লীগ রাজ্য সেক্রেটারী আবুল হাশিম বাংলা ভাগ না করার শেষ চেষ্টা করেন। তারা গান্ধীজীর কাছে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করেন। ততদিনে গান্ধীজি কংগ্রেস বা রাজনীতির কর্মধারা হতে কিছুটা নিষ্ক্রিয় থাকার ফলে তাদের সে অনুরোধ রক্ষা করতে পারেননি। সেটাও ছিল এক ধরনের রাজনীতি। তাছাড়া তার উপনিষদ ভিত্তিক বাংলা চাওয়াতে সেদিনের বাংলা ভাগ ঠেকানো যায়নি। অর্থাৎ তালগাছটা নিজের রেখে বিচার মানার এই তথাকথিত মহান নেতাকে সেদিন মুসলিম বাঙালী ভাল করেই চিনেছিল।
তবে একথা সত্য যে সে সময় বাংলা ভাগের পক্ষে হিন্দু বাঙালীর নেতৃস্থানীয় প্রতিটি নেতাই কার্যকরভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। একমাত্র শরৎ বসু অখন্ড বাংলার পক্ষে কাজ করতে গিয়ে শেষে তাকে কংগ্রেস থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। অপরপক্ষে বাংলার মুসলিম নেতাদের সবাই অখন্ড বাংলার জন্য কাজ করেছিলেন। তবে ঐযে বলেছি মুসলিম জাতিস্বত্বার অস্তিত্ব রক্ষার্থেও তাদেরকে মুসলিম লীগের জন্য কাজ করতে হয়েছে। যাক, ওসব পুরনো কথার ঝাপি। এসব নিয়ে চিন্তা করলে তো আর দিন দুনিয়া চলে না। তবে ভারতীয় শাসন ব্যবস্থার অন্দর মহলে বাঙালী জাতিস্বত্বার উপিস্থিতি কোনক্রমেই পশ্চিম ভারতীয় আর্য অনার্য বিভেদ তৈরীর মহাজনরা যে মেনে নেয়নি বা ভবিষ্যতে নিবে না, তা তাদের পরবর্তী কার্যধারায় স্পষ্ট হয়েছে। ধর্মের জিগির তুললেও জাত পাত ও বর্ণ বৈষম্যের নিখুত চালে তারা বরাবরই বাংলা তথা গঙ্গা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের জাতিস্বত্বাকে কখনোই একপাতে বসিয়ে খাওয়ানোর মানসিকতায় ছিলনা। বাঙালী তো নয়ই। এটা পুর্ববাংলার বাঙালীরা তাদের বাঙালী মুসলমান হতে যাওয়ার দৌড়ে বেশ ভালভাবেই টের পেয়েছে। ফলে তারা নিজস্ব অস্মিতায় বলীয়ান হয়ে আজ বাংলাদেশী জাতীয়তার পতাকা উড়াতে সক্ষম হয়েছে। হিন্দু গরিষ্ঠতা আর জোশের ধ্বজ্বা তুলে যারা পশ্চিম বাংলার বাঙালীকে ভারতীয় বানিয়েছিল তারা হয়তো সেদিনের দিনমানে ভালভাবেই বাঙালী বাবুদের সম্মান অটুট রাখতে পেরেছেন। কিন্তু ইদানীংকার আর্যভক্ত ভারতীয় বাংলায় হিন্দুত্বের জোশ যেভাবে মা দুর্গার বিনাশ করা অসুরীয় চেয়ারায় ফিরে এসেছে তা সত্যিই বাঙালীর কপালে ভাঁজ ফেলেছে। দেবী দুর্গার সংহার মূর্তির পাশাপাশি তার স্বামী শিবকে কৈলাস থেকে এনে যাঁড়ের পিঠে বসিয়ে নবান্ন আভিযান করালেও অসুরীয় জঞ্জালে পুর্ণ বর্তমান বাংলাকে তার শান্তি ও সাম্যের আদি বাংলায় পুনঃপত্তন ঘটাতে পারবে কিনা তাতে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। স্বয়ং ইন্দ্রও তার গ্যারান্টি দিতে পারবেন কিনা সেটা নিয়েও স্বর্গলোকে বোধ হয় তাদের পুর্বপুরুষ দয়ানন্দজী বা জ্যোতি শ্যামা বাবুরা এতক্ষনে দেন দরবার শুরু করে দিয়েছেন।
বাঙালী ভাল থাকুক। বাঙলা বাঙালীর হোক। ধর্ম নয় বড় হেথা কর্মে বলিয়ান। সাথে সৈয়দ হকের কন্ঠে কন্ঠ মিলিয়ে বলতে চাই, জাগো বাহে কুন্ঠে সবাই।
বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি -২
পুলিশের সামনেই নারী উদ্যোক্তাকে প্রকাশ্যে মারধর, ভিডিও ভাইরাল
শ্যামা কাহন - ৫
হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫১৬
‘আমি নিজেই মদ খেয়েছি’, থানায় এসে বললেন সেই তরুণী
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন অস্ট্রেলিয়া
রুমিন আপার মধ্যেও ‘হাসিনার ছায়া’ দেখছেন দুষ্ট লোকেরা: রাশেদ খান
ভিসা আবেদনকারীদের জার্মান দূতাবাসে প্রবেশ নিয়ে নির্দেশনা
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলোচনা সভা
সালমান শাহ হত্যা: খলনায়ক ডন ৫ দিনের রিমান্ডে
‘বসনিয়ার কসাই’ রাতকো ম্লাদিচ কারাগারে মারা গেছেন
‘না মানুষ, না সম্পত্তি’ পৃথিবীতে নিজের বলে কিছু নেই : ফারিণের আবেগঘন পোস্ট
বিড়ালের পায়ে ২৯ আঙুল, ভাঙল ২৪ বছরের রেকর্ড
বিশ্বজুড়ে সব ধরনের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
নেপালে ভয়াবহ বন্যা: ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৫ শতাধিক
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু



