avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

চর্বিত চর্বন-২

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:৫৫ পিএম, ১৪ সেপ্টেম্বর,সোমবার,২০২৬

Text

আমার এই নিবন্ধটি তুষ্টবাদী না রুষ্টবাদী তা পাঠকমাত্রই মূল্যায়ন করবেন। তবে কাউকে তুষ্ট করা বা কাউরি রোষানলে পড়া আমার উদ্দেশ্য নয়। নীতিভ্রষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গনের নৈতিক মূল্যবোধহীন উঠানে গত সাড়ে পাঁচ দশকের বয়স কালের স্বাধীন ভূখন্ডের এই বাংলাদেশে এখনো আমরা আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলাতে পারি নি। একাত্ম হয়ে গাইতে পারিনি, আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি। বর্তমান সময়ে নতুন করে জেগে উঠা রাজনৈতিক শিষ্টাচারসহ পারস্পরিক সহমর্মিতা ও নৈতিক মূল্যবোধের ন্যুনতম পর্যায়টি যেভাবে আমাদেরকে আশান্বিত করেছিল তা আবারও তার পুরনো বৃত্তে ফিরে যাচ্ছে বলে আশংকা করা হচ্ছে। আমাদের রাজনীতি এখনো ব্যক্তি পর্যায়ের স্তুতি ও বন্দনার হেসেলেই ছটপট করছে বলে মনে করার যথেষ্ট কারন রয়েছে। পঞ্চান্ন বছরের সুদীর্ঘ পথ চলায় আমরা এখনো কোন সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ছকে দেশটাকে উপস্থাপন করতে পারিনি। আমাদের রাজনীতির আদর্শ ও দেশ শাসনের সুনির্দিষ্ট কোন জাতীয় প্যারামিটার আমরা তৈরী করতে পারিনি। যদি তাই থাকতো তাহলে এত রক্ত এত প্রান বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সাঁতার কেটে এসেও একটি নির্বাচিত সরকার পাওয়ার পর মাত্র ছয় মাসের মাথায় রাস্তায় নেমে আবারো জীবনের ন্যুনতম চাহিদা ও রাজনৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে আমাদেরকে শ্লোগান দিতে হোত না। যে সহমর্মিতা ও রাজনৈতিক সহবস্থানের আলোকবর্তিকা জ্বেলে আমাদেরকে একটি ভাল দিনের বার্তা দেয়া হয়েছিল তা তঞ্চকতার কবলে পড়ে আস্তেধীরে কচু পাতার ফোঁটা জলের মত গড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে বলে ফিসফাস শুরু হয়েছে। 


স্বাধীন স্বত্ত্বার এই পঞ্চান্ন বছরের বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী আচরনের  ভূখন্ডটিকে আমরা কতটুকু বাংলাদেশীর বাঙালীয়ানায় সমৃদ্ধ করতে পেরেছি তার হালখাতা তৈরী করার সময় কি এখনো হয়নি! মনে হচ্ছে আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলায় এস ওয়াজেদ আলির ‘ভারতবর্ষ’ নামক প্রবন্ধের সেই পুঁথিপাঠের রোজনামচায় নিজেদেরকে মানিয়ে নিতে হবে। শেখ ওয়াজেদ আলির ‘ভারতবর্ষ’ প্রবন্ধটি আমাদের প্রজন্মের মানুষজন তাদের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে প্রায় সকলেই পড়েছেন বলে মনে হয়। এস ওয়াজেদ আলি তার এক বিখ্যাত রসবোধের ‘'মাশুকের দরবার' গ্রন্থের ‘ভারতবর্ষ’ নামক এই প্রবন্ধে পঁচিশ বছর পর পাড়ার মুদির দোকানে ফিরে এসে দেখেছিলেন সাঁঝের বেলায় দোকান বন্ধের আগে বাপের সেই পুরনো ছেঁড়া পুঁথিটি তার ছেলে সমানে পড়ে চলেছে। ঠিক একই স্টাইলে পঁচিশ বছর আগে তার বাবাকে তিনি এভাবেই পুঁথি পাঠ করতে দেখেছিলেন। গ্রামের আবাল বৃদ্ধ মানুষজন তা মন্ত্রমুগ্ধের মত গোল হয়ে বসে তৃপ্তি নিয়ে শুনতো। এটা দেখে তিনি অবচেতন মনে তার গল্পে “সেই ট্র‍্যাডিশন সমানে চলিতেছে” বাক্যটি সংযোজন করেছিলেন। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিও যেন আজ সেই মুদি দোকানের পুঁথিপাঠের আয়োজনেই চলমান। আমাদের রাজনীতির মহামহিমরা তাদের রাজনীতির ছেঁড়া পুঁথি নিয়ে এস ওয়াজেদ আলীর সেই বিখ্যাত মুদির দোকানের পুঁথিপাঠের আসরের ন্যায় একই কায়দায় তাদের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সাতকাহন শুনিয়ে যাচ্ছেন। ৫০ বছর ধরে বাপ দাদারা যেভাবে তাদের জরাজীর্ণ ধ্যান ধারনা নিয়ে বাংলার মানুষজনকে তাদের রাজনৈতিক কারিশমার চমক দেখিয়ে এসেছেন, এখনো তাদের উত্তরসূরীরাও অবিকল সেই একই ভুল, একই গল্প আউড়ে যাচ্ছেন। এই রাজনৈতিক পুঁথিতে নতুন যুগের কোনো আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা নেই, নেই অর্থনৈতিক সংকটের বাস্তব সমাধান। আছে শুধু অতীত বীরত্বের কল্প কাহিনী আর অন্ধভক্তিতে বুঁদ হয়ে থাকা দলবদ্ধ শ্রোতা। যুগের চাহিদা অনুযায়ী যেখানে নতুন রাজনৈতিক দর্শন, আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা কিংবা গঠনমূলক সংস্কার সামনে আনার কথা, সেখানে একই মরচে ধরা রাজনৈতিক ধ্যান ধারনার আবর্তন নিয়ে আমরা এস ওয়াজেদ আলির রম্য রচনার সেই শতবর্ষীয় আগেকার পুঁথি পাঠের চিত্রপটেই চর্বিত চর্বন করে চলেছি।


বঙ্গবন্ধুর চেতনার আদর্শ নিয়ে একদল হয়তো নিজেদের মুক্তিযুদ্ধ সময়কালীন নেতৃত্ব ও পরবর্তী দেশ শাসনের ফিরিস্তি তুলে একগাদা ভাষন দিয়ে ফেলবেন। কিন্তু এসব বলে যিনি বা যারা দেশনায়ক মুজিবের নামে হাজারো চর্বিত চর্বন করেন, তাদের দিকে তাকিয়ে দেখুন তো? কালো কোট পরা মানুষগুলোর আওয়ামী লীগ গত ২৩-২৪ বছরে রাষ্ট্র শাসনের ধারক হয়ে পরিবার আর আত্ম তুষ্টিকরন ছাড়া আর কি কিছু করেছে? বাঙালীয়ানার শতভাগে থেকে যে মানুষটি  যুগশ্রেষ্ঠ বাঙালী হলেন সেই তাকেই তো তার চারপাশে থাকা অবশিষ্টরা নির্বংশ করে দিয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে বংশ পরম্পরার কন্যাটিকে নিয়ে তো সেই একই নাট্যমঞ্চ সাজাতে দেখলাম। বাহাত্তর-পঁচাত্তরে যে জপমালা হাতে নিয়ে মোসাহেবরা হুক্কাহুয়া করে তাদের আখের গুছিয়েছেন, ঠিক তার দ্বিগুন উদ্যোগে গত দেড় দশকে সেইসব হুক্কাহুয়া মোসাহেবরা তার পুত্রীকে স্বৈরশাসক বনিয়ে দেশটাকে খোকলা করে দিল। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে  তারাই তাদের মহান নেতাকে সেরদরে বিক্রি করে নিজেরা সোয়া’সের হয়ে বিশ্ব নাগরিক বনে গেলেন। পাশাপাশি তার কন্যা ও আত্মীয় পরিজনদের খুশী করতে গিয়ে গত দেড় দশকে এই মুসলিম প্রধান দেশের অলিগলিতে মহান নেতার স্মৃতিস্তম্ভ বানিয়ে দেশে মুজিব আদর্শের বান বয়ে দিল! 


বনি আমিনের সেই তিতুমীর কলেজের ভিডিও কাহিনী আপনাদের শুনিয়েছি। তাতে রাজনীতির দৈলিয়াত্ব প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে হলফ করে কেউ কি বলবেন কোন্‌ আদর্শ ও রাজনীতির অনুশীলনে দেশের লক্ষ কোটি জনতা এই দলটিকে ধারন করে বাংলাদেশ নামক দেশটির একজন সৈনিক হিসাবে রাজনীতি করেছেন! বলুন তো, একজন সদ্য কিশোর জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে আওয়ামী উঠানের কোন্‌ স্বরে-অ স্বরে-আ নিয়ে রাজনীতির হাতে খড়ি দিবেন! আবার যদি প্রশ্ন করা হয়, কোন্‌ ব্যক্তি আদর্শের চরিত্র নিয়ে ওই বয়সের ছেলেটি নিজেকে দেশ গড়ার সৈনিক হিসাবে প্রস্তুত করবে! কথিত ৬ দফা, ১১ দফা ছিল পাকিস্তানী উপনিবেশিক কালচার হতে মুক্তি পাওয়ার সূত্র। স্বাধীন দেশের স্বাধীন রাজনীতির কোন দফায়, কোন আলোয় আলোকিত করে বাঙালীকে রাজনীতির মাঠে নামানো হয়েছিল? নাকি, ৬দফা ১১দফার  আলোকে দেরাদুনীয় ট্রেনিংএর বিশুদ্ধতায় ‘মুজিব বাহিনী’কে কাজে লাগিয়ে  দেশ শাসনের ছড়ি ঘুরিয়ে অবশেষে অতি সম্প্রতির ব্যক্তি কারিশমার সর্বোচ্চ সুবিধাভোগে স্বৈরাচারের চরমতম রূপ দেখিয়ে আওয়ামী রাজনীতির ইতি টানা হয়েছে বলে আমরা ভেবে নেব।  কারন রাজনীতির বিশুদ্ধ উচ্চারনে অনুশীলনের মাধ্যমে তাদের তাদের রাজনীতি শিখতে হয়না। রাজনীতির কোন প্রথম পাঠ দ্বিতীয় পাঠ বা তৃতীয় পাঠের অনুশীলন বা কর্মশালা তাদের  দরকার পড়ে নি বা পড়েনা বলেই ধারনা করা যায়।


দেখা যায় রক্ত পরম্পরার বংশগতি, কিছু ক্ষেপাটে অতি ভক্তির নির্লোভ ও নিরহংকারী কর্মী এবং পচা প্যাঁক হতে উঠে আসা সন্ত্রাসী মস্তানী করা পেশী শক্তির মানুষরাই তাদের রাজনীতির মুখ হয়ে বিচরন করেছে। প্রথম দলটি পিতা পিতৃব্যের বংশ পরম্পরার ফসল। দ্বিতীয় দলটি প্রকৃত রাজনীতি পাগল দেশপ্রেমিক মানুষ। আর তৃতীয় দল মাসলম্যান দাদাগিরির ভোগদখলকারী ক্যাডার। এখানে প্রথম দল রাজা, দ্বিতীয় দল হতভাগ্য প্রজা আর তৃতীয় দল পরম্পরা রাজনীতির পোষ্য মাসলম্যান দাদাগিরির অপ্রতিরোধ্য সিপাহশালার। এই ত্রয়ী সমন্বয়ে সৃষ্ট রাজনীতিতে থাকে শুধু পিতা পিতৃব্যের স্তুতি বন্দনার অবিরাম চর্বিত চর্বন। তাছাড়া বংশ পরম্পরার স্বেচ্ছাচারিতায় কয়েকদিন আগে দেশের রাজনীতি ও শাসননীতির শিরোমনি  নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার নিমিত্তে জনপদে যে ভীতি আশংকা ও আহাজারির বীজ ছড়িয়ে রক্তের হোলিখেলায় মাফিয়া স্বৈরাচারী হয়েছিলেন তার কি কোন জবাব আছে! ব্যক্তি ইচ্ছার প্রবল প্রতাপে তিনি যেভাবে রাষ্ট্রীয় কাঠামোগুলোতে রাজনীতির ক্যাডারদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে দেশের প্রশাসন, আইন, শৃংখলা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্যনীতি ও শিক্ষানীতির বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছেন তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে আজ বাঙালী হিমশিম খাচ্ছে।


আসি দ্বিতীয় পরপম্পরা বা বংশগতির ফালনামায়। এখানে আগেভাগেই বলে রাখি, এক্ষেত্রে মহান সিপাহশালার ও তদীয় পত্নীর পনেরো বছরের রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থায় বংশ পরম্পরার দাপট ও পসার ততটা ছিলনা। প্রথম পরম্পরা যেভাবে তাদের বংশগতির জাল বিছিয়ে দেশব্যাপী এক ভয়ানক রাজতন্ত্রের পরম্পরা তৈরী করতে চেয়েছিল তা সত্যিই ছিল শিউরে উঠার মত দৃশ্যপট। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় বংশ পরম্পরার শাসন ও তাদের রাজনীতিতে অতটা জোরালো বংশ পরম্পরার শেকড় বাকড়ের বিস্তৃতি ও পসার  দৃষ্টিকটুভাবে ধরা পড়েনি। এটা কোন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ নয়। বরঞ্চ সাধারন ধারনা হিসাবেই এটাকে ধরে নেয়া যায়। একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা - যে ঊনিশ দফার যাদুমন্ত্রে একজন জেনারেল বাংলার প্রানের মানুষ হয়ে এখনো জনপ্রিয়তার মধ্য গগনে অবস্থান করছেন, তারই সহধর্মিনী নিজের শাসনকাল ও রাজনীতিতে যেভাবে আপোষহীনতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বাঙালীর কাছে গণতন্ত্রের মা হয়েছেন -  আজ তাদেরই দ্বিতীয় প্রজন্ম একত্রিশ দফার কারিশমা দেখিয়ে এবং চব্বিশের জুলাই সনদে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে এমনকি তার উপর গনভোটের রায় নিয়ে বাংলার জনগনের মন জয় করে নিয়েছেন।  বাঙালী দুহাত ভরে পিতা-মাতার যোগ্য পুত্রকে আশীর্বাদ করেছে। কিন্তু এই প্লাটফরমেও তো সেই চর্ব্য-চোষ্য-লেহ্যের বাড় বাড়ন্ত। এখানেও রাজনীতির সেই তিনটি স্তর সাজিয়ে রাখা হয়েছে। টু শব্দটি করার কোন জো নেই। এটা যেন বাংলার রাজনীতির অলিখিত উপাদান। এর বাইরে বেরিয়ে আসার পথ আমরা হারিয়ে ফেলেছি বোধহয়। কেননা স্বৈরশাসনের রেখে যাওয়া সরকারী মেকানিজমের শুদ্ধিকরনে হাত না লাগিয়ে প্রথম রাতে বিড়াল মারার স্টাইলে স্থানীয় শাসন কাঠামো ও সরকারী প্রাতিষ্ঠানিক আঙ্গিনায় যেভাবে দলগত বিন্যাসে বর্তমান সরকার মনোযোগী হয়েছে সেসব নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। চিন্তকদের কথায় কান না দিলে হয়তো সময়ের বহমানতায় এমনতর আরো কিছু বলার সুযোগ তৈরী হবে। 


ব্যক্তি ও পরিবার বন্দনার পাঠশালা বন্ধ করে রাজনীতির প্রকৃত পাঠশালার ছাত্র হয়ে আমাদের রাজনীতির অনুশীলনে মনযোগী হতে হবে। পারিবারিক শো-কেস তৈরীর এই নিষ্ফলা কর্মধারায় যতি টেনে গনতান্ত্রিক রাজনীতির প্রকৃত অনুশীলনে বাংলার আগামীর প্রজন্মকে যুথবদ্ধ করতে হবে। ব্যক্তি নয় আদর্শই হোক আমাদের রাজনীতির প্রথম পাঠ। ব্যক্তি বা পরিবার বন্দনার ইতি ঘটিয়ে গোটা বাংলাকে এক পরিবারের স্বপ্নে কি আমরা এগিয়ে নিতে পারিনা? কারনে অকারনে ব্যক্তি সংকীর্তনে পড়ে না থেকে আসুন না মহান ব্যক্তিদের দেখানো পথে দেশ গড়ার শপথে এগিয়ে চলি। সেটাই হোক মহান ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর প্রকৃষ্ট উদাহারন।

-০-

বিষয়:
avertisements 2
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে সম্মিলিত ক্লাব ঐক্য পরিষদ প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে সম্মিলিত ক্লাব ঐক্য পরিষদ প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
চর্বিত চর্বন-২
চর্বিত চর্বন-২
পলিন হ্যানসনের প্রত্যাবর্তন: অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন ঝড়
পলিন হ্যানসনের প্রত্যাবর্তন: অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন ঝড়
ইলিশের উৎপাদন কমছে, ছোট হচ্ছে আকার
ইলিশের উৎপাদন কমছে, ছোট হচ্ছে আকার
স্বর্ণ চোরা চালানের জাল তিন দেশে
স্বর্ণ চোরা চালানের জাল তিন দেশে
আসিফ নজরুলের ছাগল দুইটাই খাওয়া উচিত ছিল: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
আসিফ নজরুলের ছাগল দুইটাই খাওয়া উচিত ছিল: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি
সৌদি আরবের দুই শহরে জরুরি ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে শঙ্কা
আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে শঙ্কা
আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ
আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ
সৌদির ফোনে সাড়া দেননি ট্রাম্প, বাব আল-মান্দেব পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিলো হুতিরা
সৌদির ফোনে সাড়া দেননি ট্রাম্প, বাব আল-মান্দেব পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিলো হুতিরা
রোনালদোর ব্যক্তিগত বিমানে জর্জিনার রাজত্ব!
রোনালদোর ব্যক্তিগত বিমানে জর্জিনার রাজত্ব!
গুগলে ‘অজ্ঞান করার ওষুধ’ খুঁজে বন্ধুকে হত্যা, লাশও গুম করেন নাজিম
গুগলে ‘অজ্ঞান করার ওষুধ’ খুঁজে বন্ধুকে হত্যা, লাশও গুম করেন নাজিম
বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি, আমি দেশে ফিরতে চাই : গাজায় আটকে পড়া হুসাইনের আকুতি
বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি, আমি দেশে ফিরতে চাই : গাজায় আটকে পড়া হুসাইনের আকুতি
ড. ইউনূসকে পরিশোধ করতে হবে ৬৬৬ কোটি টাকা কর : হাইকোর্ট
ড. ইউনূসকে পরিশোধ করতে হবে ৬৬৬ কোটি টাকা কর : হাইকোর্ট
গণতন্ত্র ফেরত পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি 
গণতন্ত্র ফেরত পেয়েছি, কিন্তু মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি: রাষ্ট্রপতি 
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2