avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি - ১

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৪ আগস্ট,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:৪৫ পিএম, ২৪ আগস্ট,সোমবার,২০২৬

Text

আমরা বেশী শিক্ষিত না শিক্ষার অভাব - কোনটা দিয়ে শুরু করবো বুঝতে পারছিনা। কিন্তু যা আছে সেটা দিয়েই তো ভেজে খেতে হবে আমাদেরকে। কেন যেন মনে হয় কোন এক অচিন দেশের লাল পরি নীল পরীরা এসে আমাদের কানপাশে চিকন ময়ূর পালকের সুড়সুড়ি দিয়ে আমাদেরকে স্বপ্নবাজ করে সটকে পড়ে। বড় ভেজাল দেশের সীমানা বেষ্টিত এক জাতিস্বত্বায় অধিষ্ঠিত হয়ে আমরা প্রতি নিয়ত নিজেদের আত্মশ্লাঘা বিনির্মানে গলদঘর্ম হচ্ছি। দেশ বিনির্মানের পাদপ্রদীপে নিজেদেরকে উৎসর্গ করতে হাজারো লোহার বেড়ি হাতে-পায়ে-গায়ে লাগিয়ে আমরা ঠিক যেন কোন এক দরগাহ বা মাজারের শিকলপরা জটাধারী পাগলা ফকিরের ন্যায় নির্লজ্জ আস্ফালনে ব্যস্ত সমস্ত দেশ দরদীর দল। বড়ই দুর্ভাগা জাতি আমরা। বার বার বিদেশী প্রভুরা এসে আমাদেরকে একাট্টা করেছেন। বাঙালী জাতিস্বত্বাকে সামগ্রিক সংযুক্ততায় মহিমান্বিত করার মিশনে নিজেদের রাজ বা শাসনকার্য চালিয়ে আমাদের সমৃদ্ধি অনয়নে সহায়ক হয়েছেন। কিন্তু আমরা তো অভিশপ্ত আত্মবিস্মৃত জাতি। এজন্যই হয়তো আমরা “জন্ম থেকে জ্বলছি”র সেই অমোঘ বাস্তবতায় হাডু ডু খেলতেই ব্যস্ত রয়েছি।

 

নিজেকে নিয়ে কিছু লিখতে গেলেই বার বার একটি শব্দ আমাকে টেনে ধরে। এবং এটি খুব পুরনো কোন অবিস্কার নয়। হাজার বছরের বাঙালী হলেও এই শব্দটি আমাদের স্বাধীন স্বত্বার বাঙালীর জাতীয় স্বীকৃতি প্রাপ্ত  একটি শব্দ বা ইভেন্ট বলা যায়। সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যক্রমে আজ এটি জাতীয় স্বীকৃতির একটি খেলা। স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালী জাতির এটি জাতীয় খেলা হাডুডু। এই হাডুডুকে নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম বলেও মনে পড়ে। এগোতে না দেয়া বা ঠ্যাং ধরে টেনে আঁটকিয়ে জিততে না দেয়ার এই হাডুডু খেলাটাই আমাদের জাতীয় খেলা। এর বেশী আর ব্যাখ্যায় না গিয়ে এই হাডুডু চরিতমের বাঙালী পরম্পরার সার্বিক চিত্রের দিকেই একটু তাকানো যাক। কোন্‌ দিকে তাকাবো! রাজনীতির কথা দিয়েই শুরু করতে হয়। কিন্তু  ওটা নিয়ে বলার খুব বেশী সুযোগ আছে কি? এই রাজনীতির চালচিত্র আমাদের স্বাধীন স্বত্বার বাংলাদেশে খুব একটা সুখকর নয়। রাজনীতির নামে ব্যক্তি ও পারিবারিক বলয় সৃষ্টি করে যে অশ্বমেধের ঘোড়া ছুটিয়ে চলার রেওয়াজ চালু হয়েছে তার কাল ছায়ায় আজ আমরা গতিহীন এবং দিশেহারা। গালভরা সুউচ্চ কন্ঠের সুললিত বাক্য সমন্বয়ের অমুক দফা তমুক দফা দিয়েই চলে সেই রাজনীতি। সমন্বিত গণ সম্পৃক্ততার কোন আদর্শ সমন্বয়ে সেসব রাজনীতি চলে কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ট কিউ চিহ্ন রয়েছে জনমনে। গত চার দশক ধরে এই রাজনীতিতে একটা বহুল আলোচিত বাক্য বেশ জোরেশোরেই উচ্চারিত হয়। ব্যক্তির চেয়ে দল বড় দলের চেয়ে দেশ। রাজনৈতিক শাসনের এই ঘোলাজলে উল্টোটাই কিন্তু দেখা যায় বেশী করে। এসবের উল্টোরথ চালাতে গেলে তিতি বিরক্তির কথাবার্তাই বেরিয়ে আসে বেশী করে। তাই ওসবের দিকে না হেঁটে আসুন না, যা আছে তাকে নিয়েই দেশপ্রেমের যুথবদ্ধতার কথা বলে দেশটাকে এগিয়ে নেয়ার কথাগুলি উচ্চারনে সমবেত হয়। ঘুরেফিরে বারংবার একই জ্যামিতি কপচিয়ে আমাদের লাভটা কি হচ্ছে! আমরা কি বৃত্ত থেকে বেরোতে পারছি? মধ্যখানে ব্যক্তি, গোষ্ঠী এবং পরিবারের স্বার্থ চরিতার্থে আমরা আমাদের অস্তিত্বের শেকড়ে শুধু কুঠারই চালিয়ে গেলাম।

 

নিবন্ধের শিরোনামে “জাতি” শব্দটি যোগ করা হয়েছে। এখানে জাতি বলতে বাঙালীয়ানার সমগ্রতা নিয়েই ভাবতে হবে। দুটো মেজর স্টেকহোল্ডার এখানে কার্যকরী সক্ষমতায় তাদের বাঙালী চরিতমের আলো জ্বালিয়ে রেখেছে। তবে ঊনিশ শতকের শুরুর দিক থেকে যদি আমি আমার চলার পথকে চিরুনী ব্যবচ্ছেদের আলোচনায় আনতে চাই, সেক্ষেত্রে সেখান থেকেই কেন যেন একটা ধর্ম জুজুর নতুন মোড়ক লাগানোর অজুহাত তৈরীর উপলক্ষ খুঁজে পাই। হয়তো বিগত পাঁচ-ছয়'শ বছরের একটানা শাসন ও শাসকের জৌলুশে ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়া মুসলিম রাজ ভারত শাসনের নতুন occupant ইংরেজদের কোপানলে পড়ে। হাজার বর্ষীয় প্রজা বনে থাকা একটি গরিষ্ঠ ধর্ম গোষ্ঠীর পক্ষ নিয়ে ইংরেজরা নিজেদের রাজকে পোক্ত করতে গিয়ে অবধারিতভাবেই ধর্মীয় সুড়সুড়ির বিষাক্ত মন্ত্রগাঁথা সেই অবদমিত জনগোষ্ঠীকে চাঙ্গা করে তুলে। হয়েছিলও তাই। বৃটিশ বিরোধী মুসলমানদেরকে দুর্বল করে নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার মানসে বৃটিশ বেনিয়ারা সেই কুখ্যাত Devide and Rule Policy প্রয়োগ করে মুসলিমদের গড়ে তোলা সর্বভারতীয় সম্প্রীতি সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্বের ভারতীয় মেলবন্ধনকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে ফেললেন। 

 

হিন্দুদেরকে শিক্ষা দীক্ষায় এগিয়ে নিয়ে তাদেরকে নিজেদের রাজকার্যে বাধাহীন সুযোগের প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করে দিলেন। এতে করে রাজ ও রাজ্য হারানোর পাশাপাশি মুসলমানদের অযোগ্যতা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে প্রকট হোল। তারা পলিসি ও প্রশাসনের বাস্তবতায় অকেজো হয়ে পড়লো। তারা শুধুমাত্র শৃংখলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীতেই সীমাবদ্ধ রইলো। সর্বভারতীয় বাস্তবতায় তারা বাস্তবিক ক্ষেত্রে বেশ হীনমন্যতায় পড়ে গেল। বাংলার ক্ষেত্রেই এই ডিভাইড এন্ড রুলের বাস্তবতা টনিকের মত কাজ করেছিল। কারন এমন এক সময় গোখলে সাহেবের what bengal thinks todayর বয়ান সামনে এল যখন গ্রেটার বেঙ্গলের ধর্মীয় অবস্থানে মুসলিম বাঙালীরা সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া সত্বেও জ্ঞান গরিমা ও শিল্প সাহিত্যে ততটা প্রতিযোগিতার পর্যায়ে ছিলনা। ফলশ্রুতিতে দুয়ে দুয়ে চারের সমীকরনে বেনিয়া চরিত্রের বৃটিশ শাসক চক্র বাঙালী হিন্দুদের আস্কারায় রেখে তাদের প্রাধান্যে বাংলা ভাষা সাহিত্যের শিক্ষা দীক্ষা এবং তার প্রচার প্রসারের অবাধ সুযোগ তৈরী করে দিলেন। বাঙালী জাতীয়তাবোধের অহং এর শিকড়ে সেটা ছিল এক সূদুর প্রসারী কুঠারাঘাত। কেননা নিজেদের ধর্মীয় অনুশাসনের হাজারো আঁকাবাঁকা ও কালো স্পট গুলোকে পরিচ্ছন্নতায় না এনে হিন্দু ব্রাহ্মণ সমাজপতিরা ভেবেছিলেন প্রতিপক্ষের পিছিয়ে পড়া মুসলিম বাঙালীদের সহজেই সাইজ করা যাবে। কিন্তু ইসলামী শিক্ষার সৌহার্দ সম্প্রীতি ও শান্তির শিক্ষায় আলোকিত মুসলমানেরা যে একই শিকড় হতে উদ্ভুত বাঙালী জাতিস্বত্বা তা বোধ হয় তাদের মাথায় ছিলনা।    

 

শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতি আলোচনায় সর্বভারতীয় আঙ্গিকে হিন্দু বাঙালীরা এক অনন্য উচ্চতা তৈরীর সুযোগ পায়। বৃটিশদের গুডবুকে থেকে তারা একছত্র আধিপত্য নিয়ে নিজেদের মত করে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ডালি সাজিয়ে নেয়। কোন এক পাদ্রী উইলিয়াম কেরীর মদদে একগুচ্ছ হিন্দু বাঙালী পন্ডিত নিজেদের সংস্কৃত শিক্ষার সাযুজ্যে বাংলা ভাষার গতি প্রকৃতি বিনির্মানে উৎসাহিত হন। তাছাড়া পরিবেশ পরিস্থিতির গুচ্ছ সংবেদনশীলতার আনুকুল্যে তারা চৌদ্দ শতকে সুলতান মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শাহ প্রচলিত বাংলা ভাষা সাহিত্যের গতি প্রকৃতি আমূল বদলে ফেলে তৎসম তদ্ভবের সংস্কৃত মিশ্রিত বাংলা ভাষা সাহিত্যের প্রচলনে সীল মারেন। সেক্ষেত্রে এসব প্রচার ও প্রসারে তৎসময়ের কলোনিয়াল প্রশাসনের সহযোগিতায় ঊনিশ শতকে এই বাংলা ভাষা সাহিত্যের খোল নলচে সংস্কৃতময় আবরনে স্বতঃসিদ্ধ করিয়ে নেয়া হয়। এদিকে বাঙালীর বৈমাত্রীয় আচরনের সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম বাঙালীরা সিপাহী বিদ্রোহের আবেশে ইংরেজ বিতাড়নের স্বপ্নে মাদ্রাসা মক্তবের শিক্ষা নিয়েই ইংরেজ বেনিয়াদের চক্ষুশুল হয়ে  নিজদের অস্তিত্ব সামলাতে ব্যতিব্যস্ত থাকে। তবে বাংলার শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির একপক্ষীয় হিন্দুয়ানীর আবেশ সৃষ্টি করে তৎকালীন মুসলিম বিদ্বেষী বাঙালী বাবুরা যে ভিত তৈরী করে দিলেন তাতে করে সমগ্রতার নিরিখে বাঙালীর আশীর্বাদের পাল্লাটাই ভারী হয়েছে বেশী করে। সে অন্য আলাপ। গূঢ় তত্ত্বের এসব আলাপ আলোচনা না হয় অন্য সময় করা যাবে। 

বিষয়: মতামত
avertisements 2
বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি - ১
বিস্মৃত পরম্পরায় বিমূঢ় এক জাতি - ১
ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত, রাজপুত্র হলেন বেলজিয়ামের গাড়ি বিক্রেতা 
ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত, রাজপুত্র হলেন বেলজিয়ামের গাড়ি বিক্রেতা 
ভারতের বিদ্যুৎ আমদানিতে বাংলাদেশকে দিতে হবে নতুন চার্জ
ভারতের বিদ্যুৎ আমদানিতে বাংলাদেশকে দিতে হবে নতুন চার্জ
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: আইনমন্ত্রী
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে: আইনমন্ত্রী
রংপুরে শিক্ষক পরিবারের ৪ জনকে খুনের মূল রহস্য উদঘাটন, আটক ২
রংপুরে শিক্ষক পরিবারের ৪ জনকে খুনের মূল রহস্য উদঘাটন, আটক ২
টাঙ্গাইলে ৪ কোটি টাকায় ব্যয়ে নির্মিত সেতুর নেই সড়ক সংযোগ
টাঙ্গাইলে ৪ কোটি টাকায় ব্যয়ে নির্মিত সেতুর নেই সড়ক সংযোগ
বাতিল হলো বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশে আরোপ করা ট্রাম্পের ভিসানীতি
বাতিল হলো বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশে আরোপ করা ট্রাম্পের ভিসানীতি
সিজারের অপারেশনে পেটে গজ রেখে সেলাই, প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ
সিজারের অপারেশনে পেটে গজ রেখে সেলাই, প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৬ এমপি ভোট দেননি, যা জানা গেলো
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৬ এমপি ভোট দেননি, যা জানা গেলো
২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি
রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন ১২ সেপ্টেম্বর
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন ১২ সেপ্টেম্বর
রাষ্টপতি নির্বাচন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, বৃহস্পতিবার ভোট 
রাষ্টপতি নির্বাচন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, বৃহস্পতিবার ভোট 
‘রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ পরিচয় দিয়ে মিয়ানমার ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করছে’
‘রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ পরিচয় দিয়ে মিয়ানমার ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করছে’
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2