avertisements 2

ভাত চুরির অপবাদে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা, ৪ জনের নামে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৭:০১ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর,রবিবার,২০২৬

Text

আজমুল হোসেন ওরফে আযম-ফাইল ছবি

খুলনায় ছাত্রাবাসে ‘ভাত চুরি করে খাওয়ার’ অভিযোগ তুলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেন ওরফে আযমকে মারধর করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে হরিণটানা থানায় মামলাটি করেছেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার রাতে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিহত আজমুল হোসেনের বয়স ২১ বছর। তিনি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার বড় শলুয়া গ্রামের কুতুব উদ্দিনের ছেলে। খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে খাজা খানজাহান আলী আবাসিক হলের পেছনে ইসলাম নগর রোডের একটি ছাত্রাবাসের গলি থেকে আজমুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চারতলা ওই ভবনটি ছাত্রদের মেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেখানে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী থাকেন। প্রায় এক বছর আগে আজমুল ভবনের চতুর্থ তলার ডি-৮ নম্বর কক্ষ ভাড়া নেন। একই তলায় মোট আটটি কক্ষ রয়েছে। ডি-২ নম্বর কক্ষে থাকেন মেসের ব্যবস্থাপক মেহেদী, যিনি গোপালগঞ্জ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার রাতে মেহেদীর রান্না করা ভাত আজমুল খেয়ে ফেলেছেন-এমন অভিযোগ ওঠে। এরপর তাকে ‘ভাত চুরি করে খাওয়ার’ অপবাদ দিয়ে মেসের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও বহিরাগত ব্যক্তি ছাদে নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

একপর্যায়ে আশপাশের বাসিন্দারা ভবনের ছাদ থেকে নিচে কিছু পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনতে পান। পরে গলিতে আজমুলকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর মেসের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2