জালাল উদ্দিন আহমেদ
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপুঞ্জের ফোর্থ এষ্টেট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৯ আগস্ট,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৮:২০ পিএম, ৯ আগস্ট,রবিবার,২০২৬
বড়ই মুসিবতের ব্যাপার। আজকের দিনে দুনিয়াতে আর এটম বোমের প্রয়োজন পড়েনা। একটি সাজানো গোছানো সমাজ তথা রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে তছনছ বা ছন্নছাড়া করার জন্য ইদানীং যে মারনাস্ত্র সবচেয়ে বেশী কার্যকর বলে মনে হয় তা হোল মিডিয়া। এই মিডিয়ার কল্যানে বলুন বা অপপ্রয়োগেই বলুন আজকে সমাজ তথা রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে অসন্তোষ ও অরাজকতার বিষ ছড়িয়ে পড়ছে। ক্ষেত্র বিশেষে শান্তি সৌহার্দের বাতাবরন বয়ে যেতেও দেখি। তবে পজেটিভের চেয়ে নেগেটিভের দৌরাত্ম বেশী বলে মনে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সবই তো মনুষ্য মস্তিষ্ক প্রসূত। মানুষ চাচ্ছে বলেই তো এসব দৈব দুর্বিপাক ও অশান্তির বুনন কার্যক্রমগুলি কোথাও না কোথা হতে নির্লজ্জ্ব কায়দায় উদ্ভুত হচ্ছে। তবে সবকিছুর শেষ বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। দেখুন না, স্থানীয় সংকট নিয়ে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হোল ২০২২ সালের প্রথম দিকে। শক্তিমত্তার মোড়ল হয়ে সেজে থাকা ন্যাটোর ঝুলানো মুলোর প্রতি আকর্ষন বরাবরই ইউরোপীয় দুর্বল ও ছোট রাষ্ট্রগুলির একটা প্যাসন। যেন ‘কি হনুরে’র লেজ লাগিয়ে তিড়িং বিড়িং করা কিংবা ‘কাকের ময়ূরপুচ্ছ লাগিয়ে ময়ূর হওয়ার খায়েস’ আর কি! রাশিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ার পর ঈহুদী লেবাসের ইউক্রেনেরও সেই খায়েস বরাবরই ছিল। কিন্তু ন্যাটোর বস আটলান্টিক পাড়ের মোড়ল রাষ্ট্রটির এই বিষয়টি খুব পছন্দের ছিলনা। তবে সমকক্ষ শত্রুর আবরনে বন্ধু সেজে থাকা রাশিয়াকে একটু তিক্ত বিরক্ত করে যদি সেপথে হাঁটা যায় তাতে মন্দের কি - এই কুট কৌশলে যুদ্ধ বিগ্রহ করে যদি একটু তিক্ততা বাড়িয়ে বরঞ্চ ইউক্রেনকে কিছুটা দুর্বল ও অসহায়ত্বের ফাঁদে ফেলে এসবের সুরাহা করা যায় তবে লাঠি না ভেঙ্গে সাপ মারার কাজটি সহজ হবে ভেবেই যুদ্ধ বিগ্রহ সেখানে এখোনো চলমান। এইফাঁকে কিছুটা অস্ত্রশস্ত্র বিক্রি করে দু'চার পয়সা কামানোও হোল।
ওদিকে মধ্যপ্রাচ্যের আগ্নেয় লাভায় বেয়াড়া ইরানকে একঘরে করে রেখে বিশ্ব মোড়ল যেভাবে গত পঞ্চাশ বছর ধরে তার উপর স্টীম রোলার চালিয়ে রেখেছে তা সত্যিই অমানবিক ব্যাপার। কিন্তু অদম্য ইরানীরা তাদের কয়েক হাজার বছরের পারস্য সাম্রাজ্যের শক্তিমত্তা ও ঐতিহ্যের অংশীদার হয়ে বরাবরই একটি নিজস্ব ঐতিহ্যে বলীয়ান। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য আরব রাষ্ট্র সমূহকে বশংবদ করতে পারলেও স্বাধীনচেতা ইরানকে আমেরিকা তথা পশ্চিমা ব্লক কোন সময় বাগে আনতে পারেনি। সেই ইরানকে বশে আনার লক্ষ্যে বিশ্ব মোড়লটি হেন অপচেষ্টা নেই যে তার সদব্যবহার করে নি। ওদিকে মধ্যপ্রাচ্যের হৃৎপিন্ডে বসিয়ে রাখা জায়নবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল বরাবরই তাকে আশ্রয় দেয়া ফিলিস্তিনীদের ছারখার করে এখন তারা আরব বিশ্বের বৃহৎ রাষ্ট্র হওয়ার খায়েসে দাদাবাবু আমেরিকার পিঠে সওয়ার হয়ে তদাঞ্চলে ছড়ি ঘুরাতে চাচ্ছে। হচ্ছেটাও সেরকম। ইসরাইল একটি জায়নবাদী ইহুদি রাষ্ট্র। আরব বিশ্বের বিষফোঁড়। আর রাষ্ট্রইবা বলি কেমন করে, পাড়ার কয়েকজন গুন্ডাপান্ডার ন্যায় আচরন করে বিশ্ব মোড়ল তার সাঙ্গপাঙ্গ কয়েকজনকে নিয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মানব সমাজে ধিকৃত একটি জাতিস্বত্ত্বা ইহুদি জনগোষ্ঠীকে একাট্টা করে জাহাজভর্তি করিয়ে হাইফা বন্দরে নামিয়ে আল আকসা বেষ্টিত মুসলিম সভ্যতার দেশে তাদেরকে বসিয়ে দিয়ে বললো, ‘এখন থেকে এটাই তোমাদের স্থায়ী দেশ ইসরাইল’। সেই যে বিশ্বে চীর অশান্তির ডংকা বেজে উঠলো, তা কি আর থেমেছে!
আবার দেখুন না, বৃটিশমুক্ত ভারত খন্ডিত অবয়বে ভারত-পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম দিল। সেক্ষেত্রে সেখানে চির অশান্তির কয়েকটি বিষাক্ত বীজ বপন করে বৃটিশরা ভারত ছাড়লো। সিপাহী বিদ্রোহের জ্বালা - কারন সেখানে এই বৃটিশ বিরোধী যুদ্ধে ভারতীয় নেটিভ সৈন্যের সিংহভাগ মুসলিম সেনারা বৃটিশদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল, আবার নেতাজীর আযাদ হিন্দ ফৌজ যার যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন এক ঝাঁক বাছাই করা চৌকষ মুসলিম সেনাপতি এবং ভারতের বুকে থেকে যাওয়া অবশিষ্ট মুসলিম জোশ ও জৌলুশকে দীর্মেয়াদী অভিশাপে ফেলে তারা প্যাটেল-নেহেরু বলয়ের বন্ধুত্বের প্রতিদানে এমন এক জটিল এবং স্বেচ্ছাচারী লাইন টেনে ভারত ভাগ করে দিয়ে গেল, তার জেরে এই আশি বছরের মুক্ত ভারত পাকিস্তানে জ্বালিয়ে দেয়া তুষের আগুন আজ যেন নতুন স্ফুলিংগে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠার অপেক্ষায় দিন গুনছে। ভারতের হায়দ্রাবাদ ও সিকিম দখল আর পাকিস্তানের কাস্মীরের অর্ধাংশ দখলের বাস্তবতা কি সেই ইঙ্গিত দেয়না। তাছাড়া ধর্মীয় বীজ বপন করিয়ে ভারত নামের শান্তি সৌহার্দের পঞ্চশীল নীতির দেশকে আজ খৃষ্টান-ইহুদী বলয় যেভাবে বাঁদর নাচন নাচাচ্ছে তা মানব সভ্যতার কোন প্যারামিটারে পড়ে! এছাড়া বিশ্বজুড়ে ইউরোপ এশিয়া ও আফ্রিকার ভূখন্ড বেষ্টিত কয়েকটি রাষ্ট্র কাঠামো ও আঞ্চলিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য মোড়লীতে যেসব অশান্তির বাতাবরন জিইয়ে রেখে বিশ্বময় দুঃখ দুর্দশার দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত তৈরী করে রাখা হয়েছে তা কি সহজে মুছে যাবে!
চেয়ার, টেবিল, খাট, খাটিয়া, টুল যাই বলি না কেন, এদের প্রত্যেকটির স্থিতিশীলতা ও স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজন ঠ্যাং বা পিলার। একটি রাষ্ট্র কাঠামোর স্থিতিশীলতা ও স্থায়িত্ব বিনির্মানেও তেমনি পিলার বা স্তম্ভ অতীব জরুরী এক বিষয়। সেক্ষেত্রে যেহেতু রাষ্ট্র ব্যবস্থার রকম সকমে পৃথবীর প্রায় অধিকাংশ রাষ্ট্রেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রচলন বেশী দেখা যায় বিধায় আমরা গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য ভিত্তিগুলিকে নিয়ে কথা বলতে চাই। যদিও পুর্নাঙ্গ রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদানগুলি যেমন, জনসংখ্যা, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব না থাকলে তার দ্বিতীয়টির আর প্রয়োজনই পড়েনা। গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার রাষ্ট্রে সুশাসন টিকিয়ে রাখার জন্য চারটি মূল পিলার বা স্তম্ভ একান্ত অপরিহার্য বলে মনে করা হয়। আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং গণমাধ্যম বা মিডিয়া। অর্থাৎ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোয় অবশ্যই থাকতে হবে জন সমর্থিত আইন পরিষদ। আর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য থাকবে নির্বাহী বিভাগ বা রাষ্ট্রযন্ত্র। সেই রাষ্ট্রকে আইনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান, সুষ্ঠ ও সঠিক বিচার কাজ পরিচালনা করে নাগরিকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার কাজগুলি তার স্তম্ভ থেকে বিকশিত হবে। আর সর্বশেষ, গণমাধ্যম বা মিডিয়া। এরা সমাজের দর্পন বা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসাবে বিবেচিত। তাদের কাজ ও বক্তব্যের আলোচনা সমালোচনায় সরকারের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। সেক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেপুঞ্জ সমূহের নিরপেক্ষ, নির্ভেজাল ও নির্ভীক গণমাধ্যম রাষ্ট্র তথা বিশ্বব্যবস্থার জন্য আশীর্বাদ বলেই বিবেচিত হয়।
নিবন্ধের ভূমিকা ও আলোচনা বক্তব্যের মূল টার্গেট হোল গণমাধ্যম বা মিডিয়া। আমরা যারা তৃতীয় বিশ্বের একটু হলেও লেখাপড়া জানা মানুষ, যাদের জীবন জীবিকার কথা বলতে গেলে মুখ ফসকে ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’ এর বাঙালী প্রবাদটিই সর্বাগ্রে বেরিয়ে আসে, তারা কিন্তু পেটে পাথর বেঁধে হলেও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এই চতুর্থ স্তম্ভের কথাটি নিয়ে বেশ দীর্ঘশ্বাস নিয়েই বিটিভির সামনে রাত ৮-০০টার সংবাদ শুনতে বসেছি। এভাবেই বেশ অভ্যস্ততার সঙ্গেই বাংলাদেশের পঞ্চাশটি বছর পার করে দিয়েছি আমরা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই অর্ধ শতাব্দীতে আমরা কোন মার্ক ট্যালি, বা সিরাজুর রহমান কিংবা একজন শফিক রেহমানকে পেলাম না যাদের ক্ষুরধার বক্তব্য পর্যালোচনা বা লেখনীতে দেশ গড়ার লক্ষ্যে অথাকথিত গনতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে সোজা পথে চলার পথ দেখাবে। আর যারা নিজেদের স্বতন্ত্র স্বত্ত্বা নিয়ে আহমেদুল কবির বা এনায়েতুল্লাহ খান হতে চেয়েছেন তারা এই তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশের ব্যক্তি পুজার গণতান্ত্রিক ভূখন্ডে তাদের নীতি নৈতিকতার উর্ধে উঠে বর্তমানের ওই মুন্নি শ্যামল বা কোন বড় মুখ করা উচ্চারনের ‘এডিটরস গিল্ডে’র সমতুল্যে যেতে পারেন নি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সত্য হোল গত সতেরো বছরে সরকারী আনুকুল্যের অখাদ্য কুখাদ্য মার্কা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং তৎপৃষ্টপোষকোতায় সৃষ্ট গোলাম হোসেন জাতের কতিপয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আমাদের কান দুটোকে বধির আর চোখ দুটোকে অন্ধ করে রেখে দেশের গণতন্ত্রের শাসকগোষ্ঠীকে স্বৈরাচারী মাফিয়া শাসক বনিয়ে ছেড়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যেসব ঝগড়া বিবাদের কথা বললাম, সেতো বিংশ শতাব্দীর শুরুর সময় হতেই এসব মিডিয়া ট্রায়ালের ফসল হিসাবেই আমাদের সামনে এসেছে। সাধে তো আর বৃটিশ আইনবিদ এডমন্ড বার্ক আঠার শতকের শেষভাগে বৃটিশ পার্লামেন্টের প্রেস গ্যালারীতে সাংবাদিকদের প্রভাব দেখে তাদের সমাজ ও ক্ষমতার বাইরের এক স্বতন্ত্র শক্তি হিসাবে অভিহিত করে ‘ফোর্থ এস্টেট’ বলে সম্বোধন করেন নি! তারই ধারাবাহিকতায় ঊনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় লেখক এবং ইতিহাসবিদ টমাস কার্লাইলের লেখনীতে তা ব্যপক প্রচার পায়। তিনি সাংবাদিক সমন্বয়ের গণমাধ্যমকেকে সমাজের ওয়াচডগ, সেতুবন্ধনের কারিগর এবং জনমত গঠনের মাধ্যম হিসাবে উচ্চকিত করেন। এভাবেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় গনমাধ্যম একটি অপরিহার্য উপাদান হিসাবে তার অবস্থানকে পোক্ত করে। তবে এতকিছু আশা আকাঙ্খার চতুর্থ স্তম্ভ নিয়ে যতই বলি তা কিন্তু শেষ হওয়ার নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তার অবাধ, অনুপ্রবেশে আমাদের এই গর্বের ফোর্থ এস্টেট আজ খাবি খাচ্ছে যেন। মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে, সমাজ এলোমেলো হচ্ছে এবং রাষ্ট্রের স্বাভাবিক গতিপথ আজ অস্বস্তি তথা সন্দেহ অবিশ্বাস ও আঞ্চলিক অসহিষ্ণুতায় এলোমেলো হয়ে পড়ছে। আর সংবাদ বা গণমাধ্যমের মেইন স্ট্রীম বলে খ্যাত ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া নিজেদের সীমাবদ্ধতা এবং তার স্থানীয় ও বৈশ্বিক চাহিদায় সার্বজনীন হতে না পারার খেসারতে আরা তাদের ঐতিহ্য ও সম্মানের জায়গায়টুকু হাতড়িয়ে ফিরছে।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রপুঞ্জের ফোর্থ এষ্টেট
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, আসছে নতুন নিয়ম
চাচা বেশি উইড়েন না, বিএনপি নেতাকে ‘অদৃশ্য মুসাফিরের’ চিঠি
চীনের বিকল্প খুঁজতে অস্ট্রেলিয়ার স্ক্যান্ডিয়াম খনিতে বড় বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের
ওয়েব সিরিজ দেখে স্ত্রীকে হত্যা, যেভাবে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন এই প্রযুক্তিবিদ
গ্রিসের উপকূলে ২ শতাধিক অভিবাসী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশি
সেউতা সীমান্তে অভিবাসী ঢলে মৃতের সংখ্যা ১০০
আমিও বিশ্বাস করতে চাই তিনি ডিসেম্বরেই আসবেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন: আইনমন্ত্রী
শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য ভারত সমর্থন করে না: রণধীর জয়সওয়াল
থাইল্যান্ডের স্কুলে ১৪ বছরের শিক্ষার্থীর গুলিতে নিহত ৬
‘আমি লজ্জিত, দুঃখিত, ক্ষমাপ্রার্থী’—সাকিব ইস্যুতে আসিফ আকবর
দিল্লিতে গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষোভ
বাংলাদেশিদের আকামা নবায়ন নিয়ে সুখবর দিলো সৌদি
৩৬ জুলাইকে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা দিবস’ বলে শুভেচ্ছা দিলেন তিশা
টাকার বিনিময়ে ভিসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, সতর্ক করল ভারতীয় হাইকমিশন
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু



