avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

আগে দেশের শেকড়কে মজবুত করুন

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১ আগস্ট,শনিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৯:১০ পিএম, ১ আগস্ট,শনিবার,২০২৬

Text

রক্তস্নাত একাত্তরের ডিসেম্বরে মুক্তদেশে পাকিস্তান প্রশাসনের আওতায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ম্যান্ডেট পাওয়া রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ কোন ঝুঁকি না নিয়ে একটি দলগত সরকার গঠনে এগিয়ে এল। তারা ভেবেছিল এবং এখনও হয়তো ভাবে  মুক্ত স্বাধীন দেশের মূল স্টেক হোল্ডার শুধুমাত্র তারাই। সাধারন আম পাবলিক অনেকেই ভেবেছিলেন পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে সর্বজন গ্রহনযোগ্য ও শ্রদ্ধেয় নেতা দেশে ফিরে একটি জাতীয় সরকার গঠন করে দেশ গড়ার শপথ নিবেন। কিন্তু তিনি ঝুকি না নিয়ে পাকিস্তানী ম্যান্ডেট পাওয়া তার দলীয় সমন্বয়েই আওয়ামী সরকার গঠন করলেন। সেই সরকার ব্যবস্থা একটি সদ্য মুক্ত দেশের জন্য কতটুকু যুক্তিসঙ্গত ও আইনসিদ্ধ হয়েছিল তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষন জনতা এখনো জানতে পারেনি। এরপর তাদের দ্বারাই স্বাধীন বাংলাদেশে সাধারন নির্বাচন হোল। কিন্তু তার আগে সেই পাকিস্তানী ম্যান্ডেট পাওয়া জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের দিয়েই বাংলাদেশের সংবিধান রচিত ও ১৯৭২ সালের ৪ ডিসেম্বর সেই সংবিধান গৃহীত হয় এবং ঐ বছর ১৬ ডিসেম্বর তা কার্যকর হয়। যদিও বলা হয় ১৯৭১ এর জানুয়ারীতে বঙ্গবন্ধু নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ সদস্যদের আওয়ামী লীগের ছয় দফার শপথ পড়ান এবং যুদ্ধকালীন একাত্তরের স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রে তার স্বীকৃতিও পাওয়া যায়। কিন্তু সেই মহান নেতা কোন্‌ শপথে অঙ্গীকারাবদ্ধ বা এমপাওয়ারড ছিলেন যে তিনি নির্বাচন করা গণপরিষদ সদস্যদের শপথ পড়ালেন! তিনিও তো একটি রাষ্ট্র কাঠামোর অধীনস্থ থেকে নির্বাচনে জিতে আসা গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। তার শপথ নেয়ার প্রশ্নটা বাধ্যবাধকতায় পড়েনা কি? তাছাড়া একটি প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের কঠামোয় থেকে দলীয় নির্বাচনী ইস্তেহারের উপর শপথ পড়ানোর বিষয়টির আইনগত দিক কতটুকু যুক্তিযুক্ত সেটাও আমলে আনা দরকার।


যেখানে একাত্তরের ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনা এবং একই সালের ৩রা জানুয়ারী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের ছয় দফার উপর শপথ পড়ানোটাই প্রশ্নবোধক মনে করা হয়, সেখানে কোন্‌ সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই সংবিধান প্রনয়ন করা হোল এবং তা সংসদীয় পদ্ধতিতে গৃহীত হোল সেটাই হাজারো প্রশ্নের জন্ম দেয়। পাকিস্তানী গনপরিষদ সংসদদের কি বাংলাদেশী স্বতঃসিদ্ধতায় সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ পড়ানো হয়েছিল? ভাবুন, ১৯৭০ সালে পাকিস্তান সরকারের অধীনে নির্বাচন করে জিতে আসা সদস্যরা ১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারী তাদের নির্বাচন্যী এজেন্ডার উপর তাদেরই নেতার মাধ্যমে ছয় দফার অঙ্গীকারে গণ শপথ নিলেন। অথচ তারা তখনও পাকিস্তানী কাঠামোর এমএনএ বা এমপি। কারন এর পরের দু'মাস তারা তাদের নেতার মাধ্যমে আপন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও সরকারী মেকানিজমের সঙ্গে পাকিস্থানের গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে সংগ্রাম করে গেছেন আইনসিদ্ধ ভাবেই। তাছাড়া সেই গণ শপথের আগে যদি তারা পুর্ব পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক সদস্যরা মহান নেতাকে দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা প্রদানের মাধ্যমে গণ শপথ নিতেন, তাবেই তো সেই ৩রা মার্চের ছয় দফার শপথ বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত হোত। এমনকি স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রের (proclamation of independence) যথার্থতা উচ্চকিত হোত। বিদ্যমান একটি প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র কাঠামোয় থেকে বিদ্রোহ ও ঘোষনা না দেয়া পর্যন্ত এসবের যৌক্তিকতা কতটুকু গ্রহনযোগ্য সেটা কি ভাববার সময় এখনো আসেনি! আমরা হাওয়ায় ভেসে মেঘ মল্লার লুকোচুরিতে পড়ে এখনও সেই ছোঁ কিতকিতের পাতাকুঁড়ি পর্যায়েই পড়ে আছি নাতো?  


সুতরাং পাকিস্তানী আইন কানুন ও তার অধীনস্ত মেকানিজমের মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যদের দ্বারা বাংলাদেশের সংবিধান প্রনয়ন করা বা ঘটা করে তাদেরকে নিয়ে জাতীয় সংসদ বসিয়ে তা গ্রহন ইত্যাদির কর্মধারাগুলি কতটুকু আইন সম্মত তা কি ভাবনা চিন্তার সময় আসেনি! যে রাজনৈতিক দল বর্তমানে সরকারী ন্যায্যতা নিয়ে দেশ চালাচ্ছে তারা তো স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়ে নিজেদের মত করে বলছেন। তাছাড়া যখন শপথ নেয়া মাননীয়রা সভা সমাবেশে এসব বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুলেন তখন তো আর সেটা অগ্রাহ্য করার কোন উপায় নেয়। এইতো সেদিন বর্তমান জাতীয় সংসদের শপথ নেয়া মাননীয় স্পীকার মেজর(অবঃ) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (যিনি বর্তমানে মহামান্য হয়ে দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে) রাওয়া ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা ঘোষনার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট করলেন। মনে রাখা উচিত মেজর হাফিজ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।  অথচ ১০ এপ্রিলের proclamation of Independence এ বলা হয়েছে ১৯৭১এর ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষনার কথা। অবশ্য এসব ঘটেছে বিগত স্বৈরশাসনের সংবিধান সংশোধনের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। আশা করি বর্তমানের গণমুখী সরকার আমাদের অস্তিত্ব সুরক্ষা ও রাষ্ট্র বিনির্মানের বিষয়টি নিয়ে একটি জাতীয় ঐকমত্য তৈরী করে এসবের বিষাক্ত শেকড়গুলি উৎপাটনে এগিয়ে আসবেন। গনতন্ত্রমনা বাংলাদেশীরা আর কত ‘যদি কিন্তু বা কে কেন কবে’ ইত্যাদির ধুম্রজালে উলোট পালোট খাবে! এসবের ফয়সালা হওয়া একান্ত কাম্য। 


আমাদের জাতীয় জীবনে ৭ মার্চ, স্বাধীনতার ঘোষনা, ২৬ মার্চ, ১০ এপ্রিলের বৈদ্যনাথ তলায় মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের শপথ গ্রহন, proclamation of Independence, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের সূচনা, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, যুদ্ধকালীন সেক্টর এবং সেক্টর কমান্ডারস, ষোল ডিসেম্বর এবং পাকিস্তানী কাঠামোর পরাজয়ে রেসকোর্সের সেই অত্ম-সমর্পনের দৃশ্য ও দলিলাদি - সবই তো আমাদের জাতীয় জীবনের মহাকাব্যিক অংগ। এসবের জাতীয় ঐকমত্য ভিত্তিক কাঠামোর সরকারী ভিত প্রতিষ্ঠা করা আমাদের একান্ত কর্তব্য বিষয়। লক্ষ্য করেছি ২০০১ সালে জামাত-বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসার পর নিরঙ্কুশ মেজোরিটি নিয়েও এসব বেসিক বিষয়াদি নিয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। এসব তাদের ভুল ছিল। কারন দেশের ভিত্তি যেখানে নড়বড়ে সেসব জায়গায় হাত দেয়া জাতীয় কর্তব্য কর্মের প্রধান এবং প্রথম কাজ হওয়া দরকার। লক্ষ্য করুন, ২০০৯ এর বিকর্কিত সাধারন নির্বাচনে এবস্যুলিউট মেজরিটি নিয়ে  যতসব অগ্রহন্যোগ্য ও অপাচ্য বিষয়াদিকে প্রাধান্য দিয়ে স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার তাদের ক্ষমতাকে সুরক্ষিত করার মানসে এক অখাদ্য পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানকে একনায়কতন্ত্রী শাসন ক্ষমতার কিতাব বানিয়ে ফেললেন। অথচ সেই সংবিধানের উপর থ্রেড বেয়ার আলোচনা করলেই  পাওয়া যায় তার নড়বড়ে ভিত্তির যতসব কেচ্ছা কাহিনী। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যতসব বিতর্কিত কথাবার্তা বাজারজাত করা হয়েছে তা একাট্টায় এনে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির মাধ্যমে তাকে একবিন্দুতে দাঁড় করাতে হবে। আমাদের সৃষ্টির এ টু জেডকে একপাল্লায় নিয়ে দেশের আবর্জনাকে না বলার ঐকমত্য পুনর্স্থাপন করার সময় এখনই।  


মাথাটা তো খুব ছোট। বিদ্যা বুদ্ধিও কম। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে ভাত নুন খেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেছি। সে পর্ব শেষ করে পনেরটি বছর পার করে ফেললাম। এখন আপনারাই বলুন, একটা বাড়ি তৈরী করতে হলে কি তার ভিটা ও ভিতের সুনিশ্চিতকরনের প্রয়োজনীয়তা থাকা দরকার কিনা! বৃহৎ চিন্তায় রাষ্ট্র হিসাবে আমাদের ভূখন্ডের মাটির মালিকানা আমরা পেয়েছি। কিন্তু সেই মালিকানার শক্ত ভিত কি আমরা তৈরী করতে পেরেছি। পিতা ঘোষক করতে করতেই তো পঞ্চাশটি বছর পার করলাম। যে সংবিধান, সংসদ ইত্যাদি নিয়ে এত সব গর্বের অহমিকায় আমাদের মাটিতে পা পড়েনা, সেই সংসদ, সংবিধান, দেশের রাষ্ট্র কাঠামোর বেসিক স্ট্রাকচারাল ফাউন্ডেশন কি আমরা স্থির করতে পেরেছি। যদি তাই হোত তবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তৈরী কিতাবের জন্মকাহিনী ও তার ঔরষজাত পরম্পরার ভিত আমরা কোন্‌ কংক্রিট বা সিমেন্ট দিয়ে গেঁথেছি? যে সংবিধান নিয়ে এত এত মহাকাব্যিক কথাবার্তা হয় তার আঁতুড় ঘরের ইতিবৃত্ত নিয়ে কি আমরা ভেবেছি! যে মুজিবকে নিয়ে এতসব কথা বলা হয়, একদল মহামানব বা দেবদূত বানিয়ে ফেলে আবার অন্যরা তাকে নিয়ে নাক সিটকায়, এসবের সুরাহা হয়া উচিত। যে মহান সৈনিকের বজ্রকঠোর আহ্বানে বাঙালী মুক্তিযুদ্ধে একাট্টা হয়েছিল তাকে নিয়েও কাদা ছোড়াছুড়ির ইয়ত্বা নেয়। এসব গ্লানিময় পরিবেশ পরিস্থিতির অবসানকল্পে বাঙালী বাংলাদেশীর ঐকমত্য নির্ধারন করা এখন সময়ের দাবী। পক্ষ বিপক্ষ নিয়ে মাতামাতির শেষ নেই। কিন্তু বেসিক স্টাকচার তো আমাদের একই। একদল বলছেন বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, অন্যরা বলছেন বাংলাদেশ চিরজীবি হউক। কথা তো এক। কি মুসিবত। কেউ সরাসরি বলছেন, কেউ দু’পা পিছিয়ে একটু কায়দা করে বলছেন। সব কিছুর সামঞ্জস্যতা এনে জাতীয় ঐকমত্য তৈরী করে এসবের মীমাংসার সময় কি এখনো আসেনি! এতবড় গনঅভ্যুত্থানের পর একটি স্বতঃস্ফুর্ত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকারের মাধ্যমে দেশের শেকড়কে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে গ্রহন যোগ্যতায় মজবুত করার এখনই সর্বোত্তম সময় বলে মনে করি। 

*(জানি এই লেখার উপর অনেক তির্ষক কথাবার্তা বেরিয়ে আসবে। কিন্তু তিয়াত্তরের নির্বাচিত সরকার ব্যবস্থার আগ পর্যন্ত যতই অধ্যাদেশ, আদেশ ইত্যাদি করে তা জায়েজ করার কথা বলা হোক না কেন, একটি দলীয় সরকার ওভাবে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের শাসন ক্ষমতায় বসতে পারে কি? এজন্যই হয়তো আমার বক্তব্যে দেশের ‘'ফাউন্ডেশনের’’ বিষয়টির উপর জোর দেয়া হয়েছ। অনেকেই বলবেন ‘'ছয় দফা'র কথা। কিন্তু ছয় দফা যদি ফাউন্ডেশন হোত তাহলে গনতান্ত্রিক দেশে ‘বাকশাল’ নামক অটোক্র‍্যাসির দুর্যোগ নেমে আসতো না। আমরা আর আওয়ামী, বিএনপি বা লেফট রাইটের সরকার নিয়ে উচ্ছসিত হতে চাই না। আমরা মুক্ত নিঃশ্বাসে বুকভরে আমাদের ‘বাংলাদেশ সরকার’ বলে সমস্বরে কোরাস গাইতে চাই। রাজনীতি তার রাজনীতির সৌন্দর্য নিয়ে মাঠে ঘাটে জনতার সঙ্গে থাকুক। সরকার তার রাষ্ট্রীয় মেকানিজমকে নিয়ে দেশকে উচ্চকিত করুক। আ'মীন!) 

বিষয়: মতামত
avertisements 2
আগে দেশের শেকড়কে মজবুত করুন
আগে দেশের শেকড়কে মজবুত করুন
‘আমি ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি’: ফিলিস্তিনি অধ্যাপক 
‘আমি ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি’: ফিলিস্তিনি অধ্যাপক 
হাসিনা দেশে এলে আমরা হাতকড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকব: আইনমন্ত্রী
হাসিনা দেশে এলে আমরা হাতকড়া নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকব: আইনমন্ত্রী
‘জীবিকার তাগিদেই নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করেছি’
‘জীবিকার তাগিদেই নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করেছি’
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভাইরাল সেই ছবি নিয়ে যা বললেন মারিয়া এলিন
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভাইরাল সেই ছবি নিয়ে যা বললেন মারিয়া এলিন
ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি নেই: মোদি সরকার
ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতি নেই: মোদি সরকার
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে অনিরাপদ ঢাকা, অপরাধেও শীর্ষে
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে অনিরাপদ ঢাকা, অপরাধেও শীর্ষে
মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনে ৬০ হাজার অভিবাসী, নিহত বেড়ে বেড়ে ৪১
মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনে ৬০ হাজার অভিবাসী, নিহত বেড়ে বেড়ে ৪১
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার: আনোয়ার ইব্রাহিম
প্রতারণা ও প্রযুক্তির ফাঁদে বাড়ছে মানবপাচার
প্রতারণা ও প্রযুক্তির ফাঁদে বাড়ছে মানবপাচার
‘আমার সম্পর্কে কমিশনারকে জিজ্ঞেস করেন’ বলা সেই ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
‘আমার সম্পর্কে কমিশনারকে জিজ্ঞেস করেন’ বলা সেই ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
১৮ মন্ত্রীর পুলিশী এসকর্ট প্রত্যাহার, ছয় মন্ত্রীর সুবিধা বহাল
১৮ মন্ত্রীর পুলিশী এসকর্ট প্রত্যাহার, ছয় মন্ত্রীর সুবিধা বহাল
কুমিল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিভে গেল একই পরিবারের তিন প্রাণ
কুমিল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে নিভে গেল একই পরিবারের তিন প্রাণ
২৬টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
২৬টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2