avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

দাদা ঠাকুরদের বাংলা ভাবনা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১০ জুন, বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:৫১ পিএম, ১০ জুন, বুধবার,২০২৬

Text

আঠার শতকের শুরু হতে ঊনিশ শতকের বৃটিশদের কাছ থেকে ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির সময় পর্যন্ত বাঙালীর শিক্ষা সংস্কৃতির ধারক বাহক বলতে হিন্দু বাঙালী বাবুদেরকেই বুঝাত। সে ধারা তারা বেশ লম্বা সময় ধরে টেনে নিয়ে গেছে। বাঙালী মুসলিমদের ধন ও জনের বাড় বাড়ন্ত থাকলেও হিন্দু বাঙালীর মত তারা জ্ঞানে ও সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চায় তাদের পজিশন প্রতিষ্ঠিত করতে মনোযোগী হয়নি। সমগ্র ভারতীয় প্রেক্ষিতে মাসলমানেরা তাদের বিগত অর্ধ সহস্রাধিক বছরের ক্ষমতাভোগী পক্ষের অংশীজন হিসাবে ধনে জনে সাহসে শক্তিতে নিজেদের জীবনবোধের আচার তৈরী করেছে। এতদাঞ্চলের ভাষা ও সংস্কৃতির উপর তেমন  নজর তাদের না থাকলেও মুসলিম কালচারের তুর্কি, ফার্সী ও আরবী ভাষা সমন্বয়ে সৃষ্ট উর্দু ভাষা সাহিত্য নিয়ে মুসলমানরা অনেক ক্ষেত্রে অতি উৎসাহ দেখিয়েছে। এই ক্ষেত্রটি ভারতীয় মুসলমানদের জন্য একটা সামগ্রিকতা তৈরী করেছিল। ফলে বাঙালী মুসলিমদের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে তাদের শিক্ষা শিল্প ও সংস্কৃতি উর্দু ফার্সী  ভাষায় আবর্তিত থেকেছে। অনেক ক্ষেত্রে বনেদী বংশের উচ্চতা নির্ণয়ে মুসলমান বাঙালীদের ঘরে উর্দুর প্রচলনও লক্ষনীয়ভাবে চোখে পড়তো। অন্য ভাষাভাষি ভারতীয়দের ক্ষেত্রে জানা না গেলেও বৃহত্তর বাঙালীর আলোচনায় দেখা যায়, হিন্দু বাবু ও পন্ডিতদের অনীহা ও তাচ্ছিল্যের বাতাবরনে সাধারণ খেটে খাওয়া মুসলমান আম বাঙালী অনেকক্ষেত্রে বাংলা স্কুলে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বলা হয়ে থাকে বাঙালী মানেই হিন্দু - বাবু মশাইদের এজাতীয়  বোলচালে পড়ে মুসলিম বাঙালীরা অনেক ক্ষেত্রে বাংলা পড়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। তাছাড়া বৃটিশ আনুকুল্যে থাকা হিন্দু বাঙালী বাবুদের চাপিয়ে দেয়া রীতিনীতি সাধারন মুসলিম সমাজকে অসন্তুষ্ট করেছিল বলেও শোনা যায়। 


একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে বাঙালীয়ানার সামগ্রিকতায় সে সময়টা ছিল দাদাঠাকুর আর কর্তা মশাইদের একটা বাড় বাড়ন্ত অধিষ্ঠান। তবে সেটা ক্ষমতা বা শাসন প্রাপ্তির বিষয় না হলেও শিক্ষা সংস্কৃতি ও সামাজিক আচার বিচারে বাঙালী হিন্দুরা বেশ গুছিয়ে নিয়েছিল। তারা জানতো শিক্ষা সংস্কৃতিতে এগিয়ে থাকলে আখেরে ওটাই বাঙালীয়ানার সামগ্রিকতায় তাদের দাদাগিরি করার পথ সরল করে দেবে। হয়েছিলও তাই। সিপাহী বিদ্রোহের মেইন স্ট্রীম হিসাবে বিবেচিত হওয়ায় মুসলমানরা বৃটিশ শাসকদের রোষানলে পড়ে, ফলে সামাজিক অনুশাসনের সর্বক্ষেত্রেই তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে বঞ্চিত হয়। আর এসব সুযোগকে পুঁজি করে কোলকাতার দাদাবাবুরা বৃটিশ বেনিয়া শাসকদের পক্ষভুক্ত হয়ে পড়ে। এরই যোগসূত্র তৈরী ক’রে ঊনবিংশ শতকের শুরু হতেই বাঙালী বাবুরা সামাজিক সাংস্কৃতিক পরিকাঠামোয় একটা রাম নাম সত্যা হ্যায় বোলচালে এই বাংলা তল্লাটকে সংস্কৃতময় আবরনে আচ্ছাদিত করতে প্রাণান্ত করেছিলেন। বৃটিশদের আনুকুল্য নিয়ে সেদিনকার উইলিয়াম কেরি সাহেবকে সামনে রেখে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সেই একপক্ষীয় যাত্রা এখনো একই গতিতে বিদ্যমান রয়েছে। রাম রাম বসু, মদন মোহন তর্কালঙ্কর এবং বিদ্যাসাগরীয় সংস্কৃতময় তৎসম তদ্ভবের মোড়কেই তো আমরা এখনো ঘুরপাক খাচ্ছি। 


চৌদ্দ’শ শতকের রাজা গনেশ পুত্র স্বাধীন গৌড়ের সুলতান জালাল উদ্দিন শাহ কর্তৃক পুর্ব বাংলার প্রচলিত বাংলা ভাষার চর্চাকে ছাইচাপা দিয়ে সেদিন বাঙালীর সাহিত্য ও শিল্পকলা চর্চার সামগ্রিকতায় সংস্কৃত সংস্করনের টুপি পরানো হয়েছিল। বাংলা ভাষা সাহিত্য উন্নয়নের লক্ষ্যে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হলেও বৃটিশ পাদ্রী উইলিয়াম কেরি সাহেবকে সেই বিভাগের প্রধান বানানো হয়। এমনকি সে সময়ের একঝাঁক হিন্দু বাঙালী পন্ডিত ওই কলেজে কর্মরত থাকার পরেও সেখানে কোন বঙালী পন্ডিত সেই কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান হতে চান নি। কারন একটাই, বৃটিশ সাহেবদের গুডবুকে থেকে বাংলা ভাষাকে তাদের ইচ্ছেঘুড়ির সংস্কৃতময় করে সাজানোর বাসনায় এক নির্ঝঞ্জাট পরিবেশ তৈরী করা হয়েছিল। কেরি সাহেবকে বাংলা ভাষা সাহিত্যের পদ ও পদবী দিয়ে এবং তার আশীর্বাদ নিয়ে সেদিন একগুচ্ছ সংস্কৃত ভাষাবিদের নিরলস  প্রচেষ্টায় বাংলা ভাষার বর্তমান সংস্কৃত সংস্করনের প্রতিষ্ঠা নিশ্চিতকরন করা হয়। ফলে বাঙালীর বাংলা ভাষায় হিন্দু ধর্ম মিশ্রিত সংস্কৃত আবেগের ণত্ব বিধান ষত্ব বিধান এবং তৎসম তদ্ভবের অনুপ্রবেশ ঘটে। এতে করে বাঙালীর তৃণমূলীয় মাঠে ঘাটের কথ্য ভাষা এমনকি মাটির গন্ধে মিশে থাকা বাংলা ভাষা ও তার ব্যবহার আস্তেধীরে ব্রাত্য হয়ে পড়ে।  


বাংলা সাহিত্য ও শিল্পকলা চর্চার এই ক্ষেত্রভূমিতেও বর্ণ বৈষম্য জাত পাত হিসাবের দন্ডে ব্রাহ্মন্য আচরনের একটা প্রচ্ছন্ন প্রাধান্য জায়গায় করে নেই। মুসলমান তো বটেই, হিন্দু ধর্মাবলম্বীর ক্ষত্রিয় বৈশ্য শুদ্ররাও এই অনুশীলন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো। মনে রাখা প্রয়োজন এই ধর্ম বৈষম্যের বৈশ্য শুদ্ররাই কিন্তু হিন্দু ধর্মের মোট জনপদের আশি শতাংশ বিস্তার করে রেখেছে। অথচ দ্রাবিড়ীয় হিন্দু রাজার ঘরে জন্ম নেয়া রাজা গনেশ পুত্র জালালউদ্দিন শাহ যে বাংলা ভাষার পৃষ্ঠপোষকতার সূত্রপাত করেছিলেন সেটাই ছিল বাঙালীর প্রকৃত বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রথম ধাপ। সেটা ছিল চোদ্দ’শ শতকের প্রথম দিকের কথা। সুলতানের পৃষ্টপোষকতায় সে সময় কৃত্তিবাসের দ্বারা বাল্মিকীর রামায়ন বাংলা ভাষায় অনুদিত হয়। কিন্তু ঊনিশ শতকে এসে সংস্কৃত কায়দায় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও  সাহিত্য নতুনভাবে পঠিত ও লিখিত হওয়ার ধারা চালু করা হয়।  এটা নিয়েই আমাদের বর্তমান দিনকাল। তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে তৎসময়ে বৃহত্তর বাঙলায় ব্রাহ্মন্য কর্তৃত্বের সমাজ কাঠামোয় ধর্মীয় আবেগের একটা গুরুত্ব বহন করতো। হিন্দু ধর্মে(এটা কোন স্বীকৃত ধর্ম নয়। হিন্দু একটি ধারনা এবং সমাজ কাঠামোর আচার অনুষ্ঠান ও বন্ধনের প্রথা) শ্রেণীবিন্যাসের ফ্যাকড়া ফ্যাসাদে ভেদাভেদ আর ভাগ বাটোয়ারার কথাই বেশী বলা হয়। মোটাদাগে ব্রাহ্মন ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুদ্র নামের জাতিগত বিভাজন থাকলেও প্রতিটি শ্রেণীতে চার পাঁচটি স্তরে বিভাজিত হয়ে রয়েছে এই জাতি বিভাজন। অর্থাৎ চারটি শ্রেণীর ভাগে দেখা গেলেও এই ভাগের দৌড় কিন্তু পঁচিশ তিরিশ পর্যন্ত বিস্তৃত। সেক্ষেত্রে কিভাবে এই ধর্ম ভিত্তিক হিন্দু জাতীয়তাবাদ একই ফ্রেমে তাদের অস্তিত্ত্ব বিনির্মানে স্থায়িত্ব পায় সেটাই চিন্তার বিষয়। 


চোট্ট করে বাংলা ও বাঙালীর গঠন প্রকৃতি ও জন বিন্যাসের দিকে একটু নজর দেয়া যাক। বৃহত্তর বাংলা বলতে সাধারনতঃ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যকে বুঝায়। মূলতঃ গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র মেঘনা নদীর পলি বিধৌত মাটি দ্বারা এই বাংলা গঠিত। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ। ভূপ্রকৃতির গঠন ও বৈচিত্রের দিক থেকে বৃহত্তর বাংলাকে পাহাড় অঞ্চল প্লাবন অঞ্চল এবং পলি বিধৌত উঁচু সমভূমি হিসাবে চিহ্নিত করা হুয়ে থাকে। জনবিন্যাসের মূল বৈশিষ্ট হোল জনবসতির উচ্চ ঘনত্ব, ভাষাগত একতা এবং ধর্মীয় নৃতাত্ত্বিক বৈচিত্র। গোটা বাংলায় এখন মোট ২৮কোটি বাঙালীর বাস। তবে পশ্চিমের হিসাবে ৮৫-৮৬% বাঙালী বাস করেন আর বাকী ৩% সাঁওতাল মুরং মুন্ডা গুর্খা ইত্যাদি এবং ১২%  সর্বভারতীয় বিহারী ইউপি মারাঠী গুজরাঠী শিখ উড়িয়া নেপালি তিব্বতির অভিভাষন। স্বাধীন বাংলাদেশে ৯৮% বাঙালী, বাকীরা নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী, যেমন পাহাড়িয়া চাকমা মারমা মুরং গারো এবং সমভূমির সাঁওতাল পাহান ইত্যাদি। ধর্ম বিভাজনের হিন্দু মুসলিম প্রাধান্য দিয়ে বাংলাকে দু'ভাগ করা হয়। তবে এক বিষাক্ত সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে বাঙালীর হিন্দু মুসলমান নামক দুই প্রধান ধর্মকে সামনে রেখে এই বিভাজন করা হয়েছে। সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ও সহিংসতার জঘন্য বাতাবরন তৈরী করে এই বিভাজন তৈরী করার ফলে একটা জন্মগত বৈরিতার ধুমায়িত তুষের আগুন এই বাঙালীর সামগ্রিকতায় জাগরুক রয়েছে বলে মনে করা  হয়। 


তবে সব কিছুর মূলে রয়েছে শাসন ক্ষমতা নিজেদের হাতে কুক্ষিগত করার এক সূদুর প্রসারী মাস্টারপ্লান। সাতচল্লিশে একজন বিখ্যাত বাঙালীর ঘরে জন্ম নেয়া শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী রাজনীতি করতে এসে যখন দেখলেন প্রাচীন ভারতের গণিতবিদ আর্যভট্টের যোগ বিয়োগের ঐকিক নিয়মে মুখার্জী ব্যানার্জী বাবুদের রাজনীতি করে দেশ শাসক হওয়া বড়ই জটিল এক অংকের সমীকরন, তখন কতিপয় তিনি এবং তার গোত্রীয় মুখার্জী ব্যানার্জী বসু মিত্রদের নিয়ে ধর্মীয় জাতি সৃষ্টির হিন্দু মুসলিম ইস্যুটি বাঙালী জাতীয়তাবাদে অনুপ্রবেশ ঘটানো হোল। তাদের এই অবিমৃষ্যকারিতায় বাংলা অঞ্চলে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ফ্যসাদের সূচনা ঘটলো। ফলশ্রুতিতে বৃটিশ সাহেবদের গুডবুকে থাকা হিন্দু বাঙালীরা তাদের কাংখিত পশ্চিম বাংলা ভারতীয় অংশের রাজ্য হিসাবে একীভূত হোল। সেক্ষেত্রে হিন্দু মুসলিম সমন্বয়ের বাংলার সমগ্রতা দ্বিখন্ডিত হলেও দাদা মশাইদের ক্ষমতা নিশ্চিত করনের এই বিভাজনকে তারা হিন্দু বাঙালীর জন্য  আশীর্বাদ বলেই কোমর দুলিয়ে নাচলো। সেই নাচন কুদনের মচ্ছব এখনো সমান তালে চলেছে। তাদের বর্তমান সময়ের মুখিয়া এখনো যখন তার নির্বাচনী প্রচারে বড় তৃপ্তির ঢেকুর তুলে উচ্চারণ করেন, “শ্রদ্ধেয় শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী মশাই না থাকলে আমরা হিন্দুরা মুসলমানদের অধীনেই থাকতাম”। হাইরে বাঙালী! বড়ই দুঃখের কথা। তোমাদের গর্বের নেতাজী (নেতাজী সবার) আজ স্বর্গে বসে তোমাদের আহাম্মুকি চলন বলনের জন্য বুক চাপড়াচ্ছেন বলেই মনে হয়। 


যে যোগ্যতা ও বিজ্ঞতা নিয়ে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সি, মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং জ্যোতি বসুরা ভারত কাঁপিয়েছেন সেই সম্মান তারা কি সর্বভারতীয় আঙ্গিকে পেয়েছেন? যে যোগ্যতা ও মেধা নিয়ে সুভাস বসু, মৌলানা আযাদরা বিশ্ব লুটেরা ইংরেজদের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে ভারত আন্দোলনকে শিখরে তুলেছিলেন তার মর্যাদা তারা কি স্বাধীন ভারতীয় শাসন ক্ষমতায় ভোগ করতে পেরেছেন! কয়েকদিন আগে তৃণমূলের একজন লড়াকু বিধায়কের (MLA) মলিন মুখ করা কিছু বাস্তব চিত্র Rplus নামক একটি মিডিয়া থেকে শুনলাম। ভদ্রলোকের নাম মনোরঞ্জন মন্ডল। এখন তিনি মনোরঞ্জন বেপারী। এই বেপারী হওয়ার কাহিনীও তিনি শোনালেন। তিনি বর্ণ বৈষম্যে জর্জরিত হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন নিম্নস্তরের হিন্দু। এই একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে তাদের ধর্ম বৈষম্যের একটি ছোট্ট ক্লিপ দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিলেন শ্যামা প্রসাদ বাবুরা কোন্‌ বাংলা চেয়েছিলেন এবং কেন চেয়েছিলেন। হিন্দু নিম্ন বর্ণের মতুয়া সম্প্রদায়ের নমস্য বাবা হরিচাঁদ ঠাকুর নমঃশুদ্র সম্প্রদায়ের হওয়ায় সাধারন পঠশালায় পড়তে পারেননি। কারন সাধারন লেখাপড়া ইত্যাদির কাজগুলো তখন ব্রাহ্মন্য ঠাকুরদের হাতে ছিল। ফলে তাকে মুসলিমদের মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতে হয়েছে। এই একবিংশের উঠানে দাঁড়িয়েও এখনো হিন্দু ধর্মীয় বৈষম্যের একবুক জ্বালার কথাগুলোও বয়ান করলেন তিনি। অবশেষে ব্রাহ্মন্য কড়চার বর্ণ বৈষম্যের একবুক হতাশার নিশ্বাস নিয়ে সমর্পিত কন্ঠেই তিনি ‘মমতা বন্দোপাধ্যায়’ জিন্দাবাদ’ বলেই তার জীবন কাহিনীর আদ্যোপান্ত শেষ করলেন।


 

বিষয়: মতামত
avertisements 2
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!
নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণ হলে হতে পারে কোন সাজা?
নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, অভিযোগ প্রমাণ হলে হতে পারে কোন সাজা?
অবসরের ভাবনা প্রত্যাখ্যান করলেন শেখ হাসিনা
অবসরের ভাবনা প্রত্যাখ্যান করলেন শেখ হাসিনা
দাদা ঠাকুরদের বাংলা ভাবনা
দাদা ঠাকুরদের বাংলা ভাবনা
দেশে ১০ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন
দেশে ১০ শতাংশ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাতিল করলেন আদালত
ট্রাম্পের ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি বাতিল করলেন আদালত
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
সেই উপদেষ্টারা কে কোথায়
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ
যে কথা হয়নি বলা: শেষ হইয়াও হইলো না শেষ
যে কথা হয়নি বলা: শেষ হইয়াও হইলো না শেষ
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে, কোন পথে কত
আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে, কোন পথে কত
ব্রিটিশ তরুণ নওয়াক হত্যাকাণ্ড, উত্তপ্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক
ব্রিটিশ তরুণ নওয়াক হত্যাকাণ্ড, উত্তপ্ত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক
বিজিবির তৎপরতায়, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, ১৭ জন ফিরলো ভারতে 
বিজিবির তৎপরতায়, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, ১৭ জন ফিরলো ভারতে 
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯
সাবেক মেয়র মনজুর আলম ও সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা 
সাবেক মেয়র মনজুর আলম ও সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা 
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2