avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

কাক কি কাকের মাংস খায়!

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৯ জুলাই,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ১১:০০ পিএম, ১৯ জুলাই,রবিবার,২০২৬

Text

বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের সেই বঙ্গদেশের বাঙালী হয়ে বিচরন করার সাধ ও স্বতস্ফুর্ততা কি এখন আমাদের আছে! তিনি বলেছেন, 

“আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম 

গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান

মিলিয়া বাউলা গান আর

মুর্শিদী গাইতাম……!!!!

হিন্দু বাড়িতে যাত্রাগান হইতো

নিমন্ত্রন দিত আমরা যাইতাম।

জারিগান বাউলগান আনন্দের তুফান

গাইয়া সারি গান নৌকা দৌড়াইতাম

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম”।

এভাবেই বাংলার প্রকৃতি, ধর্ম বর্ণের সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বয়ান করেছেন তিনি। বাঙালী স্বত্ত্বার যুথবদ্ধতাকে তিনি তার বাউল গানের মাধ্যমে সরলীকরন করেছেন। সেসব শুনে আমরা আজকের দিনে ড্রয়িং রূমে বসে ক্ষনিকের জন্য স্মৃতি কাতরতায় মুহ্য হই বটে, কিন্তু বাস্তবের ধর্মীয় কলুষিতা ও ধর্ম সংশ্লিষ্ট কদর্যময় রাজনৈতিক উলঙ্গপনায় তা কতটুক উপভোগ করতে পারি সেটাই বিবেচ্য বিষয়। ধর্মান্ধ রাজনীতি আজ বাঙালীর সহস্র বর্ষীয় প্রেম প্রীতি ও ভালবাসা এবং জাতি ধর্ম নির্বিশেষের সম্প্রীতি ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহবস্থানের ঐতিহ্যকে ছুঁড়ে ফেলে দিতে চাচ্ছে।


ইদানীকালের ভারত শাসিত পশ্চিম বঙ্গ ভুখন্ডটিতে যা কিছু হয় সবই যেন ধর্মীয় অনুশাসনের বেড়া তৈরী করেই হওয়ার প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়। তবে বাঙালীয়ানার সমগ্রতায় এ ভূখন্ডে কখনোই ধর্ম বিভাজনের সমাজ হতে দেখিনি। ইদানীংকার রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থায় ধর্ম প্রলেপের উদগ্রতায় বাঙালী সমাজে কেন জানি যতসব উটকো ঝক্কি ঝামেলার অগ্নি স্ফুলিঙ্গ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে একাত্তর পরবর্তী স্বাধীন বাঙাল মুলুকে এই হীনমন্যতা খুব একটা চোখে পড়েছে বলে মনে পড়েনা। তবে সাতচল্লিশের পর বাঙালীদের নিজ ধর্মীয় সংস্কৃতিতে বেঁচে থাকার আকাঙ্খায় একটা এপার ওপারের হাতছানি ছিল। সেক্ষত্রে ধর্মীয় ইচ্ছাশক্তির রাষ্ট্রতন্ত্রে বাধা বিপত্তিও সেখানে ছিল। কিন্তু একাত্তরে স্বাধীন সার্বভৌম এবং ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ সৃষ্টির পর পশ্চিমের মুসলমান বাঙালীদের মধ্যেও সেই মোহ বা টানটা আর মাথাচাড়া দেয়নি। অপরপক্ষে ভারত হিন্দু শাসিত রাষ্ট্র থাকার ফলে বাংলাদেশী বাঙালী হিন্দুদের হিন্দুস্তান প্রেম কিন্তু জাগ্রতই থেকে যায়। সেক্ষেত্রে নিয়ম মেনেই হোক বা অনিয়মেই হোক হিন্দু বাঙালীদের হিন্দু বাংলায় সেটেলড হওয়ার প্রবনতার একটা সুপ্ত বাসনা রয়েই যায়। এই চিন্তাধারায় আমরা লক্ষ্য করেছি বাংলাদেশী হিন্দুদের একটি অংশ বাংলাদেশে জীবিকা নির্বাহ ক’রে হিন্দু বাংলায় তাদের স্থায়ী আবাসস্থল এবং পরবর্তী প্রজন্মকে সেখানে সেটেলড করানোর একটা প্রবনতা তৈরী হয়েছে। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে বাঙালী স্বত্ত্বার হিন্দু মুসলমানের পারস্পারিক সবস্থানে একটি সন্দেহ অবিশ্বাসের ধোঁয়াশা অপ্রকাশ্যে চাউর হয়েছে। 


ছোটবেলার কথা মনে পড়লে মনটা আওলাইয়া যায়। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছুই বের হয়ে আসে। বিমর্ষ হই, হতাশ হই বটে কিন্তু ভেঙ্গে পড়িনা। কারন বাঙালী অস্মিতার আলাদা একটা জোশ আছে যা দিয়ে শেষমেশ বাঙালীয়ানার জয়গানে আমরা অটুট থাকি। বঙ্গ সংস্কৃতির প্রডাক্ট বলেই হয়তো আমার মনের মধ্যে উঁকি দেয় বৃহত্তর বাংলার টুকরো টুকরো স্মৃতিগুলি। ভাতে মাছে বাঙালীর চিরসাদৃশ্য ছবিগুলি আমি আমার জীবনবোধ থেকেই লক্ষ্য করেছি। শুনেছি সাতচল্লিশ পরবর্তী পুর্ব বাংলায় ধর্ম নিয়ে মেজরিটি মাইনরিটির একটা চাপা অসন্তোষ ও ভীতিকর অবস্থা তৈরী হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে মাইনরিটির অসহায়ত্ব ও হীনমন্যতায় হিন্দু মুসলিম চাপান উতোরে এই জনপদে এক ভারসাম্যহীতার সৃষ্টি হয়। আর ওদিকে অর্থাৎ বৃহত্তর বাংলার পশ্চিমাংশে কিছুটা রাজনীতির কপটতায় হিন্দু মুসলিম মেজরিটি মাইনরিটির খুব বেশী প্রভাব পড়েনি। তবে কোলকাতা ও সীমান্তবর্তী এলাকায় এই হিন্দু মুসলিম আঁচ ভালই প্রভাব ফেলেছিল। বলছি, কেবলমাত্র বৃহত্তর বাংলা ও বাঙালীদেরকে নিয়ে। ভিনভাষী ধর্মীয় লোক এনে হিন্দু মুসলিম মেজরিটি তৈরীর কথা এখানে প্রযোজ্য নয়। সেক্ষেত্রে পশ্চিম বাংলার মুসলিম বাঙালীদের ক্ষেত্রে ভিটেমাটি ছেড়ে জীবন বাঁচানো বা সহায় সম্পদহীন হওয়ার ব্যাপারটা অতটা আশংকাজনক ছিল বলে মনে হয়না। তার একমাত্র কারন ছিল তদাঞ্চলে এবং তার কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থায় একটা ধর্মীয় সহবস্থানের ঘোষনা ছিল। এবং সেই ঘোষনায় অটুট থেকেই এখনো ভারত সরকার অখন্ড রয়েছে বলে আমরা মনে করি।


তবে এখানে আরও কিছু অলিখিত অনুশাসনে বাঙালীয়ানার সমগ্রতায় কেমন একটা তুষের আগুন জ্বলেছিল বা এখনো জ্বলছে বলেই মনে হয়। সেক্ষেত্রে একাত্তর পরবর্তী বাংলাদেশের অভ্যুদ্যয় হওয়ার পর সে ধোঁয়াশা কেটে গেছে। এমনকি মেধার বিকাশে এখানে অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্মীয় কোটা বা পার্সেন্টেজের কোন বালাই নেই বললেই চলে। কিন্তু ভারতে সাতচল্লিশের পরে যে অলিখিত অনুলিখনে বা ইশারায় মাইনরিটি জনপদকে  নিষ্পেষিত করা হয় বা এখনো হচ্ছে তা সতিই অমানবিক। হয়তো অতি উৎসাহী বাঙালী মেজরিটির মাথাওয়ালারা বলবেন সেই মেধা বা যোগ্যতায় মাইনরিটিরা এগোতে পারেননি বলেই সেটা দৃশ্যমানতায় কম মনে হচ্ছে। এটা স্রেফ ভাওতাবাজি ও সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা। সাতচল্লিশ থেকে একাত্তর পর্যন্ত সময়ের পুর্ব পাকিস্তানেও মাইনরিটির মেধাবী মূল্যায়ন হয়েছে তবে পার্সেন্টেজের ভারসাম্য হয়তো মেইন্টেন হয়েছে। কিন্তু ভারত বাংলায় সেই পার্সেন্টেজ কি কোনওদিন মেনে চলা হয়েছে! এমনকি গ্রেটার ভারতে মাইনরিটি কোটা কি কখনো মেনে চলেছে তারা। মাইনরিটি বলতে হিন্দু মুসলিম অনুপাতের কথা বলা হচ্ছে। সেখানে হিন্দু বাঙালীর বর্ণ বিভাজনের এসসি এসটি কোটাকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। ভারত এমন কি পশ্চিম বঙ্গ সরকার একটা সুক্ষ্ম সাম্প্রদায়িক কৌশলে মুসলিম মেধাস্বত্বকে চাপিয়ে রেখে তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে গত আশি বছর ধরে এভাবেই সরকারী মেকানিজমে নিজেদের হিন্দু স্বাস্থ্যের স্বত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে। আজকে অতি উদারতার ফুটো জালে যখন বাংলাদেশে চিন্ময়, চৈতালী কিংবা হরিদাসদের জন্ম হয়ে তখন অতি সন্তর্পনে তালগাছটা নিজের করে রেখে ধর্ম নিরপেক্ষ ভারত রাষ্ট্রে তৈরী হয় শুভেন্দু দিলিপ আর তথাগতদের মত পাঁড় মুসলিম বিরোধী সাধু সন্তদের। এরা ধর্ম নিরপেক্ষ ভারতের তথাকথিত শিক্ষিত অথচ অভিশপ্ত বাঙালী। বাঙালীয়ানার সমগ্রতার নির্যাসে ধর্মীয় বিষ ঢেলে এরা বাঙালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ‘বলি’ দিতে চায়। নইলে নব্বই দশকের একজন শিক্ষিত তুখোড় কংগ্রেস যুবনেতা শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার তাড়নায় আজ গায়ে গেরুয়া আর কপাল জুড়ে সিঁদুর চন্দন লাগিয়ে মিডিয়ার সামনে হিন্দু মুসলিম বিষদগার তুলে কেমন ক'রে বলেন, শ্যামাপ্রসাদ কাকাবাবুরা না থাকলে আজ পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের বাংলাদেশের মুসলিমদের অধীনে থাকতে হোত। কি আহাম্মুকি ও মুর্খতার অকপট উচ্চারন। বাঙালীরা এদেরকে নিয়ে ভাবুন!


ধর্মের নামাবলি গায়ে চাপিয়ে বাঙালীয়ানার সমগ্রতাকে ভেঙ্গে টুকরো করে সাতচল্লিশে এদেরই পূর্ব পুরুষেরা বাঙলাকে ভেঙ্গেছিল। আজকের দিনে বাঙালীর অবশিষ্ট শান্তি সৈহার্দ ও সম্প্রীতির চিরন্তন সহবস্থানকে বিচ্ছিন্ন করে এরা মাড়োয়ারী ধুতি পৈতার নামাবলী গায়ে জড়িয়ে কৈলাসবাসী হতে চায়। ছাই-ভষ্ম সাধু সন্তদের আবেশ তৈরী করে এরা পাথর যুগের ভারত ভূখন্ডের মনু সংহিতায় চড়ে বনবাসী হতে চায়। আজকের দিনে বাঙলা ভূখন্ডের পশ্চিমাংশে শুধুমাত্র মাড়োয়ারী প্রভুদের খুশী করতে বাঙালী প্রশাসন ও রাজনীতির মাধ্যমে ভিন্নধর্মী বাঙালীদের উপর যে অমানবিক নিষ্পেষন চালানো হচ্ছে সেটা কি একবিংশের এই অত্যাধনিক জামানায় গ্রহনযোগ্য কিছু হতে পারে! কাক কাকের মাংস খায় না বটে কিন্তু বর্ণ ও ধর্ম বৈচিত্রের ওই বাংলার বুকে সত্যিই কি কোন ভাল কাজ হচ্ছে? সত্তর দশকে যে বাংলায় ক্লাস টেন পড়ুয়া একটি ছেলে আবুল কালাম নামধারী হয়েও এক কিলোমিটার দূরত্বের শহর থেকে স্বরস্বতী দেবীর মুর্তি মাথায় তুলে এনে নিজ স্কুলে প্রতিষ্ঠা ক’রে পরের দিন সহপাঠীদের নিয়ে বিদ্যা দেবীর পুজা অর্চনায় মেতে উঠেছে। আজ একবিংশের উঠানে সেই স্কুলেরই হিন্দু কিশোর বালকেরা তাদের দেবীকে বয়ে আনার জন্য মুসলিম কাঁধ লাগাতে দিবে কি? এইতো সেদিন, নব্বই দশকের কথা। বিভাজিত বাংলার পশ্চিম ভাগে মা তার স্বামী ভিটায় আত্মীয় পরিজন  নিয়ে সুখেই আছেন। ছোট ছেলেটি ঢাকা প্রবাসী হলেও তখন কিন্তু সে পুরো দস্তুর একজন গর্বিত বাংলাদেশী নাগরিক। মায়ের অসুস্থতা শুনে ছেলের মনটা উচাটন হোল। সে মহাদিপুর বর্ডার দিয়ে নিয়ম বহির্ভুত পন্থায় এক ঘোষ পরিবারের সহয়তায় ওপারে গেল। ঘোষ বাড়ির আতিথেয়তায় তাদের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করে রাত্রি যাপন করলো। পরের দিন সকালে মালদহ হয়ে ট্রেনে করে রামপুরহাটে নেমে অসুস্থ্য মায়ের পদধুলি নিয়ে ধন্য হোল। তো, এই ছিল বাঙলা বাঙালীর সম্প্রীতি সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্ববোধের আদিকথা। সেটা এখনও আছে। কিন্তু ধর্মান্ধ রাজনীতির উটকো বেনোজলে  বাঙলা বাঙালীর সৌহার্দ সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের সহস্র বর্ষীয় আবেগ ও উচ্ছ্বাস আজ কোথাও যেন মাথা কুটে মরছে। আমরা এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো কি!

-০-

বিষয়: মতামত
avertisements 2
ভিন্ন চরিত্রে দর্শকদের সামনে আসছেন পূর্ণিমা
ভিন্ন চরিত্রে দর্শকদের সামনে আসছেন পূর্ণিমা
গোল্ডেন বুট কে জিতবে এমবাপ্পে না মেসি
গোল্ডেন বুট কে জিতবে এমবাপ্পে না মেসি
কাক কি কাকের মাংস খায়!
কাক কি কাকের মাংস খায়!
সিডনি ম্যারাথন সফলভাবে শেষ করলেন বাংলাদেশের আল আমিন
সিডনি ম্যারাথন সফলভাবে শেষ করলেন বাংলাদেশের আল আমিন
ডায়াবেটিসে কি সত্যিই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়? 
ডায়াবেটিসে কি সত্যিই ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়? 
এনবিআরের প্রথম সচিব তানজিনা চাকরিচ্যুত, নেপথ্যে যে কারণ
এনবিআরের প্রথম সচিব তানজিনা চাকরিচ্যুত, নেপথ্যে যে কারণ
অবশেষে জানা গেল জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেপ্তারের রুদ্ধশ্বাস অভিযানের গল্প
অবশেষে জানা গেল জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেপ্তারের রুদ্ধশ্বাস অভিযানের গল্প
শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি আরো কঠোর করলো ট্রাম্প প্রশাসন
শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি আরো কঠোর করলো ট্রাম্প প্রশাসন
‘চিকেনস নেক’ নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত, নিরাপত্তা জোরদারে শিলিগুড়িতে যাচ্ছেন অমিত শাহ
‘চিকেনস নেক’ নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত, নিরাপত্তা জোরদারে শিলিগুড়িতে যাচ্ছেন অমিত শাহ
মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প
মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প
১৯ বছর আগে কোলে নেওয়া স্পেনের সেই শিশু ইয়ামালই ফাইনালে মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী
১৯ বছর আগে কোলে নেওয়া স্পেনের সেই শিশু ইয়ামালই ফাইনালে মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী
লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ
লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫০ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ
নিয়তির অগস্ত্য যাত্রা
নিয়তির অগস্ত্য যাত্রা
৩ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার দুই
৩ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার দুই
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে যা জানাল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে যা জানাল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
avertisements 2
avertisements 2