জালাল উদ্দিন আহমেদ
বন্ধুত্বের কপটতা
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১২ জুলাই,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:৩৮ পিএম, ১২ জুলাই,রবিবার,২০২৬
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর। চালাকি তঞ্চকতা দিয়ে কি আর বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখা যায়! যেটা তুমি নিজেই বিশ্বাস করোনা সেটাকে নিয়ে তুমি কেমন করে অন্যকে বিশ্বাস রাখতে বলবে? বন্ধুবেশী বৃহৎ প্রতিবেশী যে মটো নিয়ে তাদের বন্ধুত্বের প্রসারিত হাতে তৈলাক্ত পদার্থ লাগিয়ে নিজস্ব কায়দা কানুন নিয়ে এগোতে চায় - সেটা কি সমর্থন করা যায়! সব কথার শেষ কথা, তাল গাছটা আমার ধরে নিয়ে কেউ যদি নিজেকে সাচ্চা বন্ধু বলে জাহির করতে চায় তখন সেটাকে কোন্ নামে ডাকা যায়! জন্মের পর বয়স তো আর কম হোল না। পই পই করে পঞ্চান্নটি বছর পেরিয়ে গেল। কিন্তু বন্ধুত্বের সংজ্ঞাটি ঠিক ঐ বানরের রুটি ভাগের মতই রয়ে গেল। অনেকে অবশ্য হতাশ হয়ে বলেন, পড়েছি পাঠানের হাতে খানা খেতে হবে এক পাতের সেই পুরনো আত্ম সমর্পনের কথাগুলি। কিন্তু এতদিন ধরে বন্ধুত্বের নাম করে যা হয়েছে তা বন্ধুত্বের কোন সংজ্ঞায় ফেলা যায়! যেভাবে একমুখী স্রোত বানিয়ে আড়া পেতে মাছ ধরার এন্তেজামে এই ক্ষুদ্র প্রতিবেশীদের অসহায় আত্মসমর্পনের জালে ছেঁকে ধরে রাখতে চায় বৃহৎ প্রতিবেশী নামধারী তথাকথিত বন্ধু রাষ্ট্রটি, সেটাকে কোন্ সংজ্ঞায় ফেলা যায়! এর কি কোন ব্যাখ্যা আছে!
বৃটিশ মুক্ত ভূখন্ড পাওয়ার প্রাক্কালে ভারতীয় উপমহাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো ও জাতিগত অনেক বিভাজন হয়েছে। প্রাগৈতিহাসিক প্রাচীন ভারতের সেই অবয়ব ও অবকাঠামোকে নিয়ে ভাববার সময় কি আর এখন আছে! তো সেই ভারতবর্ষ বেষ্টিত বৃহৎ ভূখন্ডটি ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে যখন আজকের বাস্তবতায় কয়েকটি রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হোল তখন স্বাভাবিক নিয়মেই আদ্যি কালের বদ্যি বুড়োর জাতি সমন্বয়ের কয়েকটি প্রজাতির মানুষের কলিজায় আঘাত লাগার বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায়না। বর্তমান প্রেক্ষিতের ভারতীয় উপমহাদেশে সৃষ্ট অসহিষ্ণুতা ও সংঘাতের মূল উৎস কিন্তু ঐ শেকড়েই লুকিয়ে আছে। অর্থাৎ স্থায়ী শেকড় যখন মূল বৃক্ষের কান্ডটিকে বাঁচাতে গিয়ে শাখা প্রশাখার বিচ্ছিন্নতায় তার স্বকীয়তায় টান পড়ে তখন সে গুচ্ছ শেকড়ের সহয়তায় নিজের অস্তিত্ব বিনির্মানে দাঁড়াতে চায়। বর্তমানে ভারত কয়েকটি জাতিস্বত্ত্বাকে একাট্টায় রেখে ভারত বা ইন্ডিয়ান ডমিনিয়ন রাষ্ট্র হিসাবে তার মূল অস্তিত্ব ধরে রেখেছে। এখানে ধরে রাখার ব্যাপারটাও সেই অনুপাতিক নিয়মের কিছু থিমকে কাজে লাগিয়ে তা সম্ভব করেছে। যাহোক তবুও বলা যায় ভারতের বর্তমানের এই যে ইজম সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে সেটাও সেই আদ্যিকালের ঠাকুর’দা পর’দাদার ঐতিহ্য অহমিকার কিছুটা বিচ্ছুরন বলা যেতে পারে।
তবে সময় ও স্রোত তো আর কাউকে বলে কয়ে আসে বা যায়না। প্রকৃতি তার স্বাভাবিক নিয়মেই প্রকৃতিতে বিচরন করে। যখন প্রাচীন ভারতে গৌতম বুদ্ধের দশ পারমিতা ও আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ নিয়ে এক মহান শান্তি ও সৌহার্দের বাতাবরন সৃষ্টির দিকে ধাবিত হচ্ছিল ঠিক তখনই দ্রাবিড়ীয় মৌর্য বংশের এক দাপুটে সম্রাট অশোকের আবির্ভাবে ভারতের শান্তি ও সৌহার্দ অবস্থানের বিনাশ ঘটলো। হিন্দু ইজমের পাথর যুগের শৌর্য বীর্যকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি মানবতার চরমতম সর্বনাশ ঘটিয়ে প্রাচীন ভারতে উদ্ভুত বৌদ্ধ ইজমের নির্মূলে ভয়াবহতম নৃশংসতায় মৌর্য ভারতে রক্তের বন্যা বইয়ে দিলেন। ভারত সভ্যতার নালান্দা সংস্কৃতি ও সভ্যতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিলেন। শোনা যায় তার উন্মত্ততার ভয়াবহতা এত নিষ্ঠুর রূপ ধারন করেছিল যে তিনি ন্যাড়া মাথার বৌদ্ধ ভিক্ষুদের কল্লা কেটে সেই কর্তিত ন্যাড়া মাথাকে ফুটবল বানিয়ে খেলার আয়োজন করতেন। মনে রাখা ভাল, এই হিন্দু সভ্যতা কিন্তু পারসিক ও এশিয়া মাইনরের আর্যদের কর্তৃক আমদানীকৃত একটি জাতি সৃষ্টির ধর্ম। সেজন্যই বোদ্ধারা হয়তো দৃঢ় কন্ঠে বলে থাকেন হিন্দু কোন ধর্ম নয়। হিন্দু হচ্ছে একটি ভৌগলিক কাঠামোর সামস্টিক জাতিস্বত্ত্বার নাম। এখানে ধর্ম কোন ফ্যাকড়া বা ফ্যাক্টর নয়। যাহোক, সেই আর্য সমন্বয়ের একটি প্রজাতির ব্রাহ্মন্য দ্রাবিড়ীয় শক্তির পরম্পরায় ‘মেরা ভারত মহান’’ এর আপ্ত বাক্যটিই যত সর্বনাশের মূল হয়ে এই উপমহাদেশে যত আনাচার ও অনাসৃষ্টির সূত্রপাত ঘটাচ্ছে। তারা তাদের সীমান্ত বেষ্টিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র সমূহকে ধর্তব্যে না নিয়ে তাদের আদিকালের ভারতবর্ষ নামক রাষ্ট্রের অংগ হিসাবে বিবেচনায় নেয়। ফলশ্রুতিতে ভারত নামক এই বর্তমানের ধর্মীয় বিবেচনার মৈলবাদী রাষ্ট্রটি তার ক্ষুদ্র প্রতিবেশী পড়শীদের সবার সঙ্গেই দাদাগিরির আচরনে আজ বন্ধুত্বহীন হয়ে পড়ছে। এখানে মৌলবাদী কথাটি যুতসই ভাবেই প্রাসঙ্গিক। শুধুমাত্র মুসলিম দেশসমূহকে কথায় কথায় পশ্চিমা ট্যাবলেট খাইয়ে মৌলবাদী ট্যাগে সংজ্ঞায়িত করার চেয়ে ধর্ম নিয়ে সংঘাত সৃষ্টিকারী এই ভারত রাষ্ট্রটিকে কোন্ নামে ডাকা যাবে কেউ কি বলবেন!
আজকের আলোচনায় বাংলাদেশ নামক তার সবচেয়ে কাছের এবং বিশ্বস্ত বন্ধু রাষ্ট্রটি কোন্ কারনে আস্তেধীরে তাদের শত্রু রাষ্ট্র হিসাবে পরচিতি লাভ করছে সেটা নিয়ে আমাদের সবাইকে ভাবিত করছে। আগেই বলেছি আড়া পেতে মাছ ধরার কথা। তুমি তোমার প্রকান্ডতা ও প্রচন্ডতার কল্যানে ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর আকাশপথ স্থলপথ ও নৌপথের অবাধ প্রবেশাধিকার নিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য ও সার্বভৌমত্বের অধিকার নিশ্চিত করতে চাইবে অথচ সেই ক্ষুদ্র প্ররিবেশী যখন ব্যবসার সাম্যতায় প্রচার প্রসারে নিজের কথা বলতে চাইবে তখন সেটা তোমার অস্তিত্বের ও সার্বভৌমত্বের বিষয় বলে টালবাহানা করবে তখন সেই বন্ধুত্বের কি নাম দেয়া যায়! অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়ার ট্রাম্প হতে গিয়ে একজন ভারত শাসক যখন তার আচরনে ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর সঙ্গে দাদাগিরির ঝান্ডা উড়াতে চান তখন স্বাভাবিক নিয়মেই মুক্ত অর্থনীতির এই একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে তা হাস্যকর বলেই বলে মনে হয়। এর ফলাফল যে ভাল হয়না তা ইতিহাসই সাক্ষ্য দেয়। মানি,বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র দেশ। এটাও মানি বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভে ভারতের ভূমিকা ও অংশগ্রহন কৃতজ্ঞতা বশে বাংলাদেশ স্মরনে রাখে। কিন্তু তাই বলে তার পুরো ক্রেডিটটা নেয়ার ভাব প্রকাশে তুমি সেটাকে জীবনভর এনক্যাশ করতে চাইবে। এটা কি কোন সভ্য ভব্যতার আচরনে পড়ে! তাদের কথাবার্তা ও আচরনে মনে হয় যেন তাদের দয়া দাক্ষিন্যেই আমাদের জীবন জীবিকা নির্ভরশীল। আজকে নদীর পানি বন্টনের সমস্যা, সীমান্তে কারনে অকারনে তাদের সীমান্তরক্ষী বিএসএফ কর্তৃক গুলি করে বাংলাদেশী হত্যা, ট্রেড ব্যলান্সে সীমাহীন অসামঞ্জস্যতা, অবৈধ সীমান্ত বাণিজ্যে ক্ষুদ্র প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমুহকে অস্থিতিশীল করে তোলাসহ হেন দাদাগিরি এমনকি আকাশ সংস্কৃতির অপপ্রচারে প্রতিবেশী রাষ্ট্র সমূহের বেসিক মূল্যবোধের ভিতকে আলগা করে দিচ্ছে আজকের এই বৃহৎ প্রতিবেশী দাদা আচরনের ভারত রাষ্ট্র। ফলে তৎসংলগ্ন ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলি আস্তেধীরে বন্ধুর কাতার থেকে মুখ ফিরিয়ে তারা নিজস্ব স্বাতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নিজের অস্মিতা বিনির্মানে অগ্রসর হতে চাচ্ছে। এরই বিরোধে আজ ভারত সংলগ্ন ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সমূহ তাদের স্বাধীন স্বকীয়তায় চলতে চাচ্ছে। ফলে আস্তেধীরে তারা ভারত রাষ্ট্রের শত্রুতে পরিনত হচ্ছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রও ঠিক একই ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। স্বাধীনতার পর একটার পর একটা সরকার এসেছে। কিন্তু ভারতীয় কুটনীতির কটু চাল ও ক্ষমতা ভারসাম্যহীনতার সুবিধাভোগে ভারত বরাবরই প্রতিটি সরকার ব্যবস্থায় তার নীতি ও পরনির্ভরশীলতার শেকল পরিয়ে সেসব সরকার ব্যবস্থায় তার উপস্থিতির প্রচন্ডতা জারি রেখেছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভারতীয় বশংবদ স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের গণ চাহিদার প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকার ব্যবস্থায় কিছুটা ভারত মোসাহেবী বা নির্ভরশীলতার দায় কমে যাওয়াতে ভারতের গাত্রদায়ের কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু পলাতক স্বৈরাচারী হাসিনা ও তার দলবলসহ একটি চিহ্নিত গোষ্ঠীকে ভারত তার রাজনৈতিক স্বার্থে আশ্রয় দেয়ার ফলে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্কের গনেশ উলটে গেছে বলেই মনে হচ্ছে। সন্দেহ ও অবিশ্বাসের কোপে পড়ে এখন ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের শীতলতা শুরু হয়েছে। এতে করে ভারত তার নিজের দোষ ত্রুটিকে গ্রাহ্যে না নিয়ে একতরফাভাবে বাংলাদেশের ঘাড়ে বন্ধুক রেখে তাদের নিজের মতো করেই এগিয়ে চলতে চাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে নতুন বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা আপন অস্মিতায় বলিয়ান হয়ে তার ভূভৌগলিক অবস্থান তৈরীতে সচেষ্ট হয়েছে। এখানেই দাদার দাদাগিরির মৌলিকতা নিয়ে তারা বাংলাদেশকে নিয়ে মাঠে নেমেছে। রাজনৈতিক কদর্যময় বক্তব্য এবং মিডিয়া হাইপ তুলে তারা তাদের পুরনো নাম সংকীর্তনের আয়োজনে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিষদগার ছড়িয়ে চলেছে। ফলে সম্পর্ক উন্নয়নের চেয়ে সম্পর্ক বিনষ্টের দিকে বাতাস চলমান বলে মনে হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অবশিষ্ট একমাত্র বন্ধু রাষ্ট্র বাংলাদেশ আজ ভারতের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে শুধুমাত্র তার দুমুখো নীতির বাস্তবতায়। ভূরাজনীতির সুসম বিচরন ক্ষেত্র তৈরীতে বড়দের উদারচেতা মনোভাবই পারে এসব আঞ্চলিক সহযোগিতার পথ সচল ও স্বাচ্ছন্দময় করতে। আমরা আশাবাদী।
বন্ধুত্বের কপটতা
আমি যে শৈশব পাইনি, আমার ভাই সেই শৈশবটা যেন তা পায়: ইয়ামাল
একতরফা চুক্তির যুগ শেষ, ট্রাম্পকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি
ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই মৃত্যু হয় স্কুলছাত্রী নির্জনার: আদালতে মা
বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, লাখো মানুষের জীবন দুর্বিষহ
শেখ হাসিনা দেশে ফিরবে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্য: নাহিদ ইসলাম
১৫ রোগী হত্যা: চিকিৎসকের যাবজ্জীবন, তদন্তে আরও ৭৬ সন্দেহজনক মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা
চিরকুট দুইশত একুশ
আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর শাস্তির মুখে মিশর কোচ হোসাম হাসান
সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে: আইনমন্ত্রী
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে ভণ্ডামি বললেন: সোহেল তাজ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আটকা বহু শিক্ষার্থী
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



