জালাল উদ্দিন আহমেদ
জুলাই এর শপথেই হোক ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এর সূচনাপর্ব
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৬ মার্চ,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:০৫ পিএম, ১৬ মার্চ,সোমবার,২০২৬
আমার কর্মজীবনের এক ছোট্ট ঘটনা আমাকে বার বার এবিষয়ে তাগিদ দিয়ে বলতে সাহস যোগায় যে দ্বিচারিতা (double standard) কখনো কোন ভাল উদ্যোগকে সফল হতে দেয় না। দু'হাজার ছয় সাতের ঘটনা। টালমাটাল এক এগার পরবর্তী কেয়ার টেকার প্রশাসনের যুগ। ২০০১-'০৬ এর বিএনপি রেজিমে ঢাকাকে পরিবেশ দূষণমুক্ত ঘোষনার পরম্পরায় ঢাকার হাজারীবাগের চামড়া শিল্পকে সাভারে স্থাপিতব্য আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার সমৃদ্ধ চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানন্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। নতুন চামড়া শিল্পনগরী স্থাপনের জন্য “ঢাকা টেনারী এস্টেট” প্রকল্প গৃহীত হয়। বিসিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সে কাজের জন্য জমি অধিগ্রহন, অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদির কাজগুলো করে। কিন্তু সিইটিপি নির্মান থেকে শুরু করে তার কার্যপদ্ধতি ও সেসবের আদ্যোপান্ত ইত্যাদির বিষয়ে বিসিক কেন,। সেসময় এদেশে কোন দক্ষ এক্সপার্টিজ ছিলনা। ফলে ডেভেলাপিং পার্টনারের অর্থ সহয়তায় এবং ইউনিডোর কারিগরি পরামর্শ নিয়ে এই প্রকল্পটি এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফলশ্রুতিতে বিদেশী অর্থায়নে সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (CETP) সমৃদ্ধ চামড়া শিল্প নগরী স্থাপনের লক্ষ্যে অর্থ যোগানের জন্য বাংলাদেশ সরকার সুইডেনের অর্থ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান SIDA (Swedish International Development Cooperation Agency)র সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। জাতিসংঘের উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান UNDP তার অঙ্গ সংগঠন UNIDO এই নতুন পরিবেশ বান্ধব চামড়া শিল্প নগরীর সিইটিপির সম্ভাব্যতা যাঁচাই, তার টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরী করার জন্য একটি প্রিপারেটরী এসিস্ট্যান্ট প্রকল্প হাতে নেয়। এর জন্য সিডা ইউনিডো ও জিওবির মধ্যে একটি ট্রাইপার্টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
মজার ব্যাপার হোল, শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ডেভেলাপিং পার্টনারের অর্থায়নে সুইডিশ সিডার সাথে ইউনিডোর Preparetory Assistance Projeject for “Relocation of Hazaribagh Tanneris to CETP based Tannery estate at Savar”এর টেকনিক্যাল ফিজিবিলিটি কাজ শুরু হয় ২০০৫ এর ডিসেম্বরের দিকে। পাশাপাশি বিসিক তার নিজস্ব ক্যাপাসিটিতে সরকারী অনুমোদন ও সম্মতি নিয়েই সিইটিপি স্থাপনের টেন্ডার ও শিল্প নগরীর অন্যান্য অবকাঠামোগত ইত্যাদির কাজগুলি করে চলছে। দুটোই সরকারী কাজ এবং একই উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত। শিল্প মন্ত্রনালয়ের মনিটরিংয়ে ইউনিডোর কার্যধারায় মোটামুটি সন্তুষ্টির পর্যায়ে সুইডিশ সিডা তাদের ঋণ মঞ্জুরীর চুড়ান্ত পর্যায়ে চলে আসে। এক পর্যায়ে শিল্প সচিব সিডার হেডকোয়ার্টার স্টকহোম ও ইউনিডোর হেডকোয়ার্টার অসলোতে চুড়ান্ত মিটিং সেরে আসেন। হঠাৎ এক সুন্দর সকালে(সম্ভবতঃ ২০০৭ এর আগষ্টের মাঝামাঝি)খবর এল বিসিকের প্রকল্প অফিসের মাধুমে সিইটিপির টেন্ডার কার্যক্রম সম্পন্ন করে স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এক চাইনিজ কোম্পানীকে(প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনে) এই কাজের জন্য আদেশ দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। অথচ সেই একই কাজের জন্য ডেভেলাপিং পার্টনারের ঋণ প্রাপ্তির লক্ষে ইউনিডো এক্সপার্টদের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করার বিষয়টিও ডিসিশন পর্যায়ে রয়েছে। তার জন্য নতুন প্রকল্প প্রস্তাবও তৈরী করা হয়েছে। অথচ সিডা বা ইউনিডো বিসিক কর্মধারা নিয়ে কিছুই জানে না। অর্থাৎ একই কাজের দুটি ধারা। পরবর্তীতে সুইডিশ সিডা বিষয়টি টের পায়। ফলে তারা বাংলাদেশ সরকারকে এই প্রকল্প অর্থায়নে তাদের অপরাগতার কথা জানিয়ে চিঠি দেয়। সেখানে double standard ও overlapping শব্দগুলো তাদের চিঠিতে উল্লেখ করে। ঘটনাটা ঘটেছিল ২০০৭ এর আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে। তখন সামরিক সমর্থিত কেয়ার টেকার সরকারের যুগ।
ব্যবস্থাপনার সর্বক্ষেত্রে আজ আমাদের রাষ্ট্র, সমাজ এমনকি ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবনেও দ্বিচারিতার এই লক্ষ্মন রেখাগুলি ছড়িয়ে পড়েছে। অবক্ষয়ের অন্তিম শয্যায় ধুকে ধুকে নিঃশেষিত হচ্ছে সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত পরিবেশ ও পরিস্থিতি। জীবন সায়াহ্নে এসে এই অপ্রকাশিত সত্যটি উচ্চারণ করতে হোল এই কারনে যে, বর্ণিত কর্মযজ্ঞের সেই ঔদ্ধত্যপুর্ণ কর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উর্ধতন পর্যায়ের আধিকারিকদের হাঁটাচলায় কোন টু শব্দ এমনকি অনুশোচনাও করতে দেখিনি। তবে ঘটনা পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্থানীয় লিয়াঁজো এক্সপার্ট হিসাবে সঙ্গ দেয়ার সুবাদে বিদেশী উন্নয়ন সহযোগীর উর্ধতন কর্তার কাছে সরকারী বড়সড় পদাধিকারীদের যেভাবে অপমান ও অপদস্থ হতে দেখেছি সে দৃশ্যগুলো এখনো আমার চোখে দুঃস্বপ্ন মনে হয়। এখানে “ঔদ্ধত্যপুর্ণ কর্ম” শব্দটি উচ্চারিত হোল এই কারনে যে পরবর্তীতে “ঠিক আছে, আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবো”, এই জোশের কথা বলে নতুন একনেক করে প্রকল্পের আরডিপিপি অনুমোদন করিয়ে আনা হোল। তবে দু’বছরের নির্ধারিত সময়কালে সম্পন্ন করে কর্মক্ষম করার এই প্রকল্পটি চালু করতে দুই দশক লেগে গেল। আর অনুদানের অর্থে বিদেশী এক্সপার্টদের মাধ্যমে সুপারিশ সম্বলিত টেকনিক্যাল রিপোর্ট ও প্রকল্প বাস্তবায়নের action plan শুধুমাত্র কাগজের মলাট বাঁধানো রিপোর্ট আকারে সংশ্লিষ্ট সরকারী প্রতিষ্ঠানের বুকসেল্ফের শোভা বাড়ালো। আমার মনে হয় এটাই বোধ হয় ছিল গত দেড় দশকের সেই ম্যাজিক্যাল “রিজার্ভ শো” এর সূচনা পর্ব।
জানিনা ১০৭৮ কোটি টাকার সেই প্রকল্প কেমন চলছে। তবে এটা জানি, পরিবেশ সম্মত বা পরিবেশ উন্নয়নের সেই গালভরা “CETP based Environment friendly Tannary Estate at Savar”, ঢাকার up strem এ অবস্থানের কারনে ধলেশ্বরী দূষনের মাধ্যমে গোটা ঢাকাকেই এখন কলুষিত(polluted)হতে হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত আমাদের এই শিল্প সেক্টরটি আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে রেড ক্যাটাগরিতেই ধুঁকছে বলে জানা যায়। অথচ ইউনিডোর দিকনির্দেশনা ও তাদের বিশষজ্ঞ পরামর্শে এই প্রকল্পটি গড়ে উঠলে বাংলাদেশের টেনারী শিল্প এতদিনে দক্ষিণ এশিয়ার একটি পরিবেশ বান্ধব মডেল চামড়া শিল্প নগরী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতো। পরিশেষে এটাও হয়তো ভুল বলা হবেনা, পরিত্যক্ত হাজারীবাগ এলাকার ৬২ একর জমিকে বাসযোগ্য গ্রীন সিটি বানানোর সরকারী ঘোষনার সেই আশা জাগানিয়া প্রতিশ্রুতি আমলাতন্ত্রের টেবিলের নীচে পড়ে খাবি খাচ্ছে বলেই ধারনা করা যায়।
আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পৃক্ত রাজনীতির পক্ষগুলোর ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা ও ক্ষেত্রবিশেষে দেশপ্রেমের দৈনতার মাশুলে আজ পুরো রাষ্ট্র ব্যবস্থাকেই যেন মনে হয় বর্ণিত চামড়া শিল্প সেক্টরের সেই চলমান রূগ্নতাকে ধারন করে এগিয়ে চলেছে। যেখানে দ্বিচারিতার ভিন্নধর্মী চাহিদা ও আনাগোনায় দেশ গড়ার কাংখিত লক্ষে হোঁচট খেতে হয়। এসব ঘটে রাজনীতির Over smart ব্যবস্থাপক আর সেসবের চোরাগলি সৃষ্টিকারী সরকারী মেকানিজমের আধিকারিকগনের যৌথ প্রযোজনায়। তাছাড়া দেশ শাসনের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে নিজেদের স্থায়িত্ব মজবুত করার মানসে অনেক ক্ষেত্রে দেশ ও জনগনের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের কথাগুলোও তখন সেই শাসক শ্রেণীর কাছে কচু পাতার ফোঁটা জলের মতই চরিত্র ধারন করে। বিগত দিনগুলির শাসন ব্যবস্থার হালচাল ও দেশপ্রেমের বুনিয়াদ বিনির্মানের দৈনদশার ফালনামা দেখেই এইসব কুলক্ষনে কথাগুলো উচ্চারন করতে হচ্ছে। সম্ভবতঃ রাজনীতির অনিয়মিত অনুশীলনের খেসারত এটা। রাজনীতির কুশীলবরা যদি নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে তাদের জন সম্পৃক্ততার কাজগুলি জবাবদিহিতার পর্যায়ে রেখে দেশ সেবার প্রতিজ্ঞায় অঙ্গীকারবদ্ধ হন তবে এইসব দ্বিচারিতার অভিশপ্ত করালে বাঙলাকে জর্জরিত হতে হয় না। সেক্ষেত্রে নেতৃত্বের সুসংগঠিত বাতাবরন ও জনতা নির্ভর রাজনীতির তৃণমূলীয় সাংগঠনিক সক্ষমতা থাকলে রাষ্ট্র কাঠামো তার আপন অস্মিতায় আলোকিত হতে বাধ্য।৷
এতসব হাবিজাবি তাত্ত্বিক কথাবার্তা বলার মূল কারন যদি বিশ্লেষন করতে যাই তবে সেখানেও কথার পিঠে অনেক কথা এসে আছড়ে পড়বে। তখন মূল প্রতিপাদ্যের আবেদনটা ঘেঁটে ঘ এর পর্যায়ে পড়ে ছটপট করবে। মোদ্দা কথা হচ্ছে, জুলাই বিপ্লব হোল, স্বৈরাচারী শাসন ক্ষমতার অবসান ঘটলো, প্রফেসর ইউনুসের মত একজন একাডেমিশিয়ান জুলাই বিপ্লবের অদম্য ছেলেপুলেদের আবদারে দেশের হাল ধরলেন, নিজের দেশপ্রেমের তাগিদে জুলাই ঘোষনা ও জুলাই সনদকে রাজনীতির গ্রহনযোগ্যতায় এনে তা আইনে রূপান্তর করলেন। পরিশেষে জুলাই সনদের আকাঙ্খায় দেশের সংবিধান ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্য সৃষ্টির যুগান্তকারী পদক্ষেপে সাধারন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করা হয়। পরিশেষে বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগনের স্বতস্ফুর্ত অংশ গ্রহনে এক ঐতিহাসিক ও নিষ্কলুষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এক্ষনে নির্বাচনে জয়ী পক্ষ নিরঙ্কুশ মেজরিটির বাহুল্যে যদি কপটতার আশ্রয় নিয়ে জুলাই সনদের আবেদনগুলি পাশ কাটিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় দৌর্দান্ড প্রতাপ নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়, তবে তা কি দ্বিচারিতার পর্যায়ে পড়ে না? অথচ জুলাই সনদে বর্ণিত রাষ্ট্র কাঠামো ও সংবিধান সংস্কারের সহমত নিয়েই তো সবাই নির্বাচন করেছেন। এমনকি গণভোটেও অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছেন।
সংবিধান এর জপমালা গেয়ে জুলাই বিপ্লবকে অভ্যুত্থানের রূপে এনে এক জগা জগাখিঁচুড়ির অন্তর্বর্তী সরকার বানিয়ে দেশকে দেড় বছরের অন্ধকারে ঝুলিয়ে রাখা হোল। আবার সেই অন্ধকারেই ঢিল মেরে সেই অসংবিধানিক ক্ষমতার ফেরিওয়ালাদের মাধ্যমে তথাকথিত গণতান্ত্রিক চর্চার মহাশয়েরা নিজেদের ঘর গুছিয়ে নিলেন। অথচ রক্তাক্ত রাজপথ, অদম্য কিশোর যুবাদের গুলির সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়ে জীবন বিসর্জন ইত্যাদির সেই বিরোচিত ইতিহাসকে গুহার অন্ধকারে ঠেলে ফেলার এই নীলনক্সায়, রাজনীতি ব্যবসায়ীদের ধানাই পানাই কেমন যেন এক অশুভ যাত্রার অশনি বলে সন্দেহের উদ্রেক ঘটাচ্ছে। এ কোন্ মহাজনী হিসাবের ঘোরটোপ সেটাই বোধে আসছে না! ঘর পোড়া গরুর রক্ত সন্ধ্যার ভয় বলেই হয়তো এখানে বাঙালীর ঘরের চালে কালকাক আর পশ্চিমাকাশে শকুনির আনাগোনায় শংকিত হওয়ার কারন সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকেই অনেক ধারনার জন্ম দিতে পারেন। আগেই বলেছি কর্ম পরিচালনার দ্বিচারণ অবস্থানে যেকোন মহৎ উদ্দেশ্যের ব্যবস্থাপনা সুফল বয়ে আনতে ব্যর্থ হয়। আশা করবো, ”সবার আগে বাংলাদেশ” শপথের আলোয় আলোকিত হয়ে বাংলাদেশ তার কাঙ্খিত লক্ষে অবিচল থাকবে। পাশাপাশি জুলাই আকাঙ্খার স্বপ্নচারী বাংলাদেশ তার আপন অস্মিতায় প্রস্ফুটিত হয়ে জগত সভায় উজ্জ্বল হবে।
মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত, মস্কোতে জরুরি অস্ত্রোপচার!
দেশে আরেক দফা কমলো স্বর্ণের দাম
জুলাই এর শপথেই হোক ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এর সূচনাপর্ব
জাবি শিক্ষার্থীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশ হেফাজতে
ইরাকে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ
নেতানিয়াহুকে হত্যার করার শপথ ইরানের আইআরজিসি বাহিনীর
শাহরিয়ার কবিরের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত: মনিরা শারমিন
মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোববার নেয়া হবে সিঙ্গাপুরে
আড়ংয়ে ফ্রি ব্যাগ না পেয়ে ক্ষুব্ধ রুমিন ফারহানা, হাতে কাপড় নিয়ে শোরুম ত্যাগ
রাজধানীতে ফুটপাতের শিশুদের স্বপ্ন গড়ছেন পুলিশ সদস্য দোলন
ইরানি শাসকদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ কাজ: ট্রাম্প
প্রথম বক্তৃতায় সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের আলটিমেটাম মোজতবা খামেনির
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
মার্কিন হামলায় নিহত ৮৪ ইরানি নাবিকের মরদেহ ফেরত পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কা
এখনই মুক্তি মিলছে না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



