avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

ক্রিকেট বোর্ডে ছেলেখেলা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৬ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ১০:০০ পিএম, ১৬ এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

এটি একটি পত্রিকার হেডলাইন। চমকপ্রদই বটে। তবে আমার এই পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের “না ঘরকা না ঘাটকা” ভূখন্ড বেষ্টিত বেঙ্গল লেজিসলেটিভে ক্রীড়া জগতের হালচাল বোধ হয় এই সংজ্ঞা নিয়েই চলতে স্বাছন্দবোধ করে। কি নেই আমাদের!  চারিদিকে শুধু ফুলঝুরির মত তারকা ঔজ্বল্যে আমাদের দেশটা কিলবিল করছে। কিন্তু চুড়ান্ত পর্যায়ে গেলেই চুপসে বেলুনের মতই নিস্তেজ হয়ে ঘরে ফেরাটাই যেন আমাদের রুটিন কাজ। আমাদের ছেলেরা ভাল। মেয়েরাও ভালভাবে উঠে আসছে। কিন্তু মান! এই মান তৈরীর যে মাল সামান নিয়ে এগোতে হয় তার যোগান কোথায়! ভাল খাদ্য নেই, বাসস্থান নেই, নেই কোন প্রতিযোগীতার আন্তর্জাতিক বড়সড় আয়োজন। প্রশিক্ষণ আর অবকাঠামো!  সেখানেও দৈনতা। এতশত প্রতিকুলতা থাকার পরেও আমাদের ছেলে মেয়েরা এগিয়ে যাওয়ার অদম্য বাসনা নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান তৈরীর মিশনে সদা তৎপর। আমাদের রকিবুল আছেন, আছেন সালাউদ্দিন নামক দ্রুবতারা। মেজর হাফিজ সান্টু বাটু মুন্নাদের মত একঝাঁক তারকার মেলা। পথ দেখানো সৈয়দ আশরাফুল দৌলতুজ্জামানদের হাত ধরে এগিয়ে আসা রফিক আকরামরা তো আমাদের সামনেই এখন। বিশ্বজয়ের সাকিব আশরাফুলদের ভুলি কেমন করে! কথিত প্রতিকুলতার বুক ফুঁড়ে বেরিয়ে আসা আরো বহু ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আমাদের বাঙালী হিসাবে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে সম্মানিত করেছেন। 

ক্রিকেট নিয়ে কথা। এটা একসময় বড় লোকদের শখের খেলা ছিল। ধনী ঘরের ছেলেরা তাদের আভিজাত্য প্রমানে এই খেলা নিয়ে চারদিন পাঁচদিন সময় নিয়ে খেলতো। আর তাদের পোষক বা পিতৃপুরুষেরা নিজেদের কাজকাম ফেলে বউ বাচ্চা আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে বাড়ি থেকে তৈরী করা খাবার নিয়ে মাঠে বসে সারাদিন ধরে এসব খেলার মজা নিত। পাশাপাশি সমাজে নিজেদের আভিজাত্য প্রমানে কিছুটা তৃপ্তির ঢেকুরও তুলতো বলে মনে হয়। সে সময়টায় তারা তখন বাঙালী থাকতো কিনা সেটাতেও সন্দেহ দেখা দিত। আর বিরক্তিকর এই ব্যাট বলের একঘেয়ামী, সাধারন জনপদকে খুব একটা টানতো বলে মনে হয়না। আসলে বিংশ শতাব্দীর প্রথম কোয়ার্টারে এই ক্রিকেট ফুটবল ভলিবল হকি বাংলার জনপদে চালু হয়েছিল কিনা তাতেও সন্দেহ রয়েছে। সেক্ষেত্রে ফুটবলটা হয়তোবা থাকলেও থাকতে পারে। তবে বৃটিশ আমদানীর এই খেলাগুলি ঊনবিংশের শেষের দিকে এই বৃহত্তর ভারতবর্ষে চালু হয়েছিল বলে শ্রুতি আছে। নিজের অভিজ্ঞতায় বলতে দ্বিধা নেই যে ষাট সত্তর দশকেও আমাদের মত থানা শহর সংলগ্ন শহরতলীর ছেলেরা তখনো কাপড়ের পোঁটলা বা মুখি কচুর এঁঠা দিয়ে বল বানিয়ে ফুটবল খেলা শিখেছি। এখন খেলাধুলার অনেক প্রসার হয়েছে। শখের খেলা বা শরীর মজবুত করে রাখার টোটকা সেই খেলাধুলা এখন বাণিজ্যিকীকরন হয়েছে। এইতো সেদিন (‘৭২-’৭৭) ঢাকার আউটার স্যেডিয়ামে প্রথম বিভাগ ভলিবল খেলতে যেতাম নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে। খেলাশেষে ক্লাব থেকে খুব জোর প্রভিন্সিয়ালের চা নাস্তা কিংবা একটু ভাল রেজাল্ট হলে কাবাব তন্দুরী। মাঝেমধ্যে রাস্তা ভাড়াটাও পেতাম। মহম্মদপুর গুলিস্তানের বাসভাড়া দশ পয়সা। সুতরাং রাস্তাভাড়ার পরিমানটা পরিমাপ করুন তাহলে। সেই পথে হাঁটতে হাঁটতে আজ আমরা এখনকার এই চোখ ধাঁধানো আলো ঝলমল অর্থের ঝনঝনানি প্রতিযোগিতার উঠানে পা রেখেছি। খেলাধুলার শৌখিনতা এখন পেশদারিত্বের প্রতিযোগিতায় প্রবেশ করেছে। রাষ্ট্রীয় সম্মান ও স্বীকৃতির পাশাপাশি সমাজে যেকোন প্রফাইলের খেলোয়াড় এখন পেশাজীবি হিসাবে  সম্মানিত ব্যক্তি। 


গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকীকরনের (গ্লোব্যালাইজেশন) তোড়জোড় শুরু হয়। সে সময় হতে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রতিটি অঙ্গ প্রতঙ্গে ‘দেবে আর নেবে মিলিবে মিলাবের’ একটা প্রচ্ছন্ন প্রতিযোগিতা শুরু হয়। খেলাধুলায় এর ব্যতিক্রম হয়নি। খেলাধুলার বিশ্ব ব্যবস্থার সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশে উৎসাহ ব্যঞ্জক সাড়া জাগে। ফুটবল ভলিবল হকিতে টুকটাক ভারতীয় উপমহাদেশ কেন্দ্রিক বা খুব জোর আসিয়ানভুক্ত অঞ্চলে প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়া ছিল সর্বোচ্চ অর্জন। কিন্তু বিংশের শেষদিক হতে আমাদের ক্রীড়াজগতে কিছুটা প্রাণ চাঞ্চল্য  আসে। আশি নব্বইয়ের দশকে দক্ষিণ এশিয়া প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফুটবল একটা সম্মানিত অবস্থানে নিজেদেরকে প্রমান করেছে। একবিংশের শুরুতে ক্রিকেটে নতুন সূর্যোদয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের মানচিত্রে বিশেষভাবে স্থান করে নেয়। ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে একটা নতুন জোয়ার তৈরী হয়। সেক্ষেত্রে এই খেলা ইত্যাদি নিয়ে সমাজের একটি অংশ তাদের নিজেদের জাতীয় রাজনীতি ও সামাজিক অনুশীলনে কিছুটা পিছিয়ে পড়ে। আর এই সুযোগে ক্ষমতার মসনদে থাকা রাজনীতির কুশীলবরা কিছুটা নিজ স্বার্থ চরিতার্থে খেলার জৌলুষ দিয়ে রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির আবডালে সাধারন আমজনতাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। আবেগী বাঙালী ক্রিকেট জৌলুষে কিছুটা হলেও নিজেদের অস্তিত্বে ধরা ঘুনের অবিনাশী ধ্বংসের স্বৈরশাসন নিয়ে অত চিন্তা করার সময় বার করতে পারেনি। তারা নৌকার আদলে ক্রিকেট স্টেডিয়াম বানানোটাকেও রাষ্ট্রীয় সম্মান ও অর্জনের চোখে দেখেছে। দেখেছে একজন দেশসেরা ওপেনারকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেয়ার হৈচৈএ তাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সালিশি ও সান্ত্বনার মিডিয়া হাইপ। তার চোখের জলে মিডিয়ার টানা ট্রায়ালে বাংলা যেন কেঁদেছে। এবং হৈচৈ ও শোরগোলে মনে হয়েছে বাংলাদেশে এর চেয়ে বড় আর কোন সমস্যা নেই। তৎসময়ের শাসক শ্রেণীর সেটাই ছিল স্বস্তির কারন। 


আমাদের ক্রিকেটাঙ্গনে গত দেড় বছরের চলন বলন ও কার্যক্রমে বোধহয় সেটাই প্রমান করা হোল, এদেশে এই একমাত্র ধনী ও ফোকাসড ক্রীড়া সংগঠনে বুলবুল ফারুকদের দিয়ে চলেনা। এখানে সাবের লবি কামাল পাপনের মত সরকারী এমপি মন্ত্রী লাগে। এই যে তিন মাসের এডহকে একজন জনপ্রিয় খেলোয়াড়কে দায়িত্ব দেয়া হোল, সেটাও যে তাকে সাইড বেঞ্চে বসানোর  এক সূদুর প্রসারী খেল তা কি কেউ ভেবেছেন! দেখছেন না “পিতা ত্রাতাঃ, পিতা নেতাঃ, পিতাহি পরম নমস্য” গীত গাইতে গাইতে অন্যজগতের তিন সাহেবজাদা ক্রীড়াঙ্গনের লাইম লাইটে উদিত হলেন। সঙ্গে এক মন্ত্রী জায়াও এই প্রফাইলে যুক্ত হলেন। কি আজব ব্যাপার, তাইনা! সুমন পাইলট রফিক রাজ্জাক নান্নু - তোমরা শুধু খেটে যাও। তিন লাখের লিপু ভাই! এটুকুই তোমার পাওনা। ম্যাশ সাকিবকে নিয়ে লাফাচ্ছ। ওটা ওই পর্যন্তই। নেটওয়ার্কে ধরা পড়ে দেখ, ব্যাশ! ধপাস করে আছড়ে ফেলতে ওদের সময় লাগবে না। বাবু ভাইকে আমি চিনি। কারন উনি মতিঝিল পাড়ার খেলা জগতের লোক। উনি আমাকে চিনবেন না। উনি বা উনারা তামিমকে নিয়ে রাজনীতি করালেন গত ছ'মাস। ফল হয়তো  তার কপালেও একটু জুটেছে। কিন্তু এই যে ক্রিকেটকে অচল করে দিয়ে গত ছ'মাস মাঠে ক্রিকেট নেই বা মাঠে নামতে দেয়া হয়নি এতে কার লাভ হোল? বাবু ভাইয়ের, তামিমের, ক্রিকেটারদের না বিএনপি নামক ক্ষমতাসীন দলের ওইসব মন্ত্রী তনয় বা জায়াদের! বলতে কষ্ট হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেট পেরিফেরির দু’চারজন হিম্যান টাইপের কন্টেন্ট ক্রিয়েটিং সাংবাদিক যেভাবে গণতান্ত্রিক অতি কথনে এই সেক্টরকে তটস্থ করে রেখেছেন তা বেশ significant. সাংবাদিকতার অপজৌলুষে তারা যেভাবে তেড়েফুঁড়ে কথা বলেন, তাতে মনে হয় তাদের চেয়ে বেশী সমঝদার ক্রিকেট দরদী এই বাংলার উঠানে দ্বিতীয়টি নেই। 

সংসদে ক্রিকেট নিয়ে কথা উঠেছে। একজন নয়া জামানার সাংসদ তো বলেই ফেললেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এখন “বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড”। আবারো সেই বিখ্যাত সংবিধান বিশারদের মুখটি ভেসে উঠলো। কারন সংসদ মানেই তো সংবিধান। আর সংবিধান মানেই হচ্ছে ট্রেজারী বেঞ্চের মাননীয় সংবিধান বিশষজ্ঞ সম্মানিত স্বরাষ্ট্র সাহেব। খেলা নিয়ে বলুন, মেলা নিয়ে বলুন, রাস্তার যানজট নিয়ে বলুন - সবকিছুর উত্তর ওই পদ্মলোচনের ডিক্সনারীতেই জমা রয়েছে। তিনি হেসে হেসেই বললেন, মায়ের দোয়া পরিবহন শুনেছি, বাপের দোয়া এই প্রথম শুনলাম। বলে রাখা ভাল বুলবুলের নির্বাচিত বোর্ডকে ভেঙ্গে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই ১১ জন কমিটিতে মেম্বার হিসাবে স্বরাষ্ট্র সাহেবের আদরের সাহেবজাদাসহ আরো দুজন মন্ত্রীর ছেলে ও একজন প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীও রয়েছেন। কি স্মিতহাস্যে শ্লোগানমুখর পরিবেশে বিসিবিতে ওইসব সাহেবজাদাদের এন্ট্রান্স - সেটা না দেখলে বুঝবেন কেমন করে! 

হাসনাত, নাহিদ, শারজিশ তোমরা সত্যিই opportunist হয়ে গেছ। নইলে কি এমন সোনার বাটির ছোঁয়া পেলে যে কিতকিত খেলার ছলে মিনিটে লাখ টাকা শ্রাদ্ধ করা ওই হিমঘরে ঢুকে আজ তোমরা সেই traditional রাজনীতির জাবর কাটা শুরু করে দিয়েছো! একজন আশীতিপর বৃদ্ধ তোমাদের জন্য রাস্তা তৈরী করে দিয়ে গেছেন। সে রাস্তায় হাঁটবে তো তোমরাই। তোমাদের হাঁটা কি শেষ! লক্ষ্য করেছ কি, সংসদের প্রথম দিকে তিন'শ সদস্যের সিংহভাগ জনপ্রতিনিধিই কিন্তু সংসদ স্বরাষ্ট্রময় হয়ে উঠার আগে বেশ দোনোমনো ও বিরক্তি নিয়ে কাটিয়েছেন। তারা প্রিয় নেতার একটি ছোট্ট সিন্যালের অপেক্ষায় ছিলেন। যখন দেখলেন তাদের প্রিয় নেতা প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী স্টাইলে তার সংসদীয় ব্যটনটা অন্যের হাতে তুলে দিয়েছেন তখন তারা আগের স্টাইলেই ফেরত গেলেন। তোমরা শহীদ জিয়াকে, গণতন্ত্রের মা ম্যডাম জিয়াকে এমনকি বর্তমানের সমস্ত বাঙালীর প্রিয় তারেক রহমানকেও ভালবাস। তাহলে দ্বিধা কেন? হীনমন্যতা কেন? রাজনীতির মিষ্টি আওয়াজের সেই সংলাপ সংযোগ এবং সখ্যতা বাড়াও। দেশটাকে জঞ্জালে  ভরে দেয়ার আগে কাছা মেরে নেমে পড়। সহিংসতা নয়, জ্ঞান গুন বিদ্যা ও সংলাপ সংযম দিয়ে যতসব সত্যমিথার ঐ  অপ রাজনীতির অহংকারকে চুর্ণ কর। 

বিষয়:
avertisements 2
ক্রিকেট বোর্ডে ছেলেখেলা
ক্রিকেট বোর্ডে ছেলেখেলা
ইরানে ফের নতুন করে হামলার ভাবনা ট্রাম্পের
ইরানে ফের নতুন করে হামলার ভাবনা ট্রাম্পের
বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
যেসব দেশে ইরানের আটকে আছে ১০০ বিলিয়ন ডলার!
যেসব দেশে ইরানের আটকে আছে ১০০ বিলিয়ন ডলার!
কানাডায় এস আলমের ভাই কীভাবে মাফিয়াদের টার্গেট
কানাডায় এস আলমের ভাই কীভাবে মাফিয়াদের টার্গেট
বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ব্রিজিং কোর্সে বিদেশী ডিগ্রি অর্জন
বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ব্রিজিং কোর্সে বিদেশী ডিগ্রি অর্জন
চাকরিতে ফেরার পর এবার পদোন্নতি পেলেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনুর
চাকরিতে ফেরার পর এবার পদোন্নতি পেলেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনুর
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
যুবদলের সাবেক নেতা মঈনের বেপরোয়া অপরাধ সাম্রাজ্য
যুবদলের সাবেক নেতা মঈনের বেপরোয়া অপরাধ সাম্রাজ্য
ইসলামাবাদে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-পাকিস্তান
ইসলামাবাদে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-পাকিস্তান
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি
হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু
বাগেরহাটে মাজারে কুমিরের মুখে কুকুর, তারকাদের তীব্র ক্ষোভ
বাগেরহাটে মাজারে কুমিরের মুখে কুকুর, তারকাদের তীব্র ক্ষোভ
হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’
হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2