জালাল উদ্দিন আহমেদ
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১২ এপ্রিল,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০২:২৮ পিএম, ১২ এপ্রিল,রবিবার,২০২৬
কি এমন হলো যে সংসদীয় গণতন্ত্রের এক'শ দিন পেরোতে না পেরোতে আমরা সব ভুলতে বসেছি। আর সংসদ নামক পুনঃপ্রতিষ্ঠা পাওয়া স্বাধীন ভূখন্ডের এই আস্থার জায়গায়টিকে তার পুরনো চেহেরায় ফেরানোর জন্য এত আঁকুপাকুই বা করতে হচ্ছে কেন? আসলে পঞ্চাশটি বছর কম কিছু নয়। অর্ধ শতাব্দী। এই অর্ধ শতক সময়ে স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়া এই জনপদে কতই না ঝড় ঝঞ্জা বয়ে গেল। স্বাধীনতা নেতৃত্বের প্রধান নেতাকে পরিবার পরিজনসহ হারালাম। হারালাম স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান সেনাপতিকে। আরো কতশত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের হারিয়ে আজ আমরা দিশাহীন জনপদের নাগরিক। পঞ্চাশটি বছর ট্রায়াল এন্ড এররের মধ্যেই কাটাতে হোল। কখনো প্রধানমন্ত্রী, কখনো রাষ্ট্রপতি, কখনো চীফ এডভাইজার আবার কখনোবা চীফ মার্সাল'ল এডমিনিস্ট্রেটর। এসব করতে করতেই কখন যে আমাদের রাষ্ট্র কাঠামোয় বিচরণ করা রাজনৈতিক চরত্রগুলি হাঁপিয়ে উঠলো, সেসবের ঠিকুজি খুঁজতে আমাদের বোধহয় ডাইরির পাতাগুলো উল্টাতে হবে। কিন্তু বিবর্ণ ডাইরীর চিত্র নাট্যের হাড় হিম করা মঞ্চায়নে যতসব শোকগাঁথা সৃষ্টি করে নিজেদের অহংকারের সিঁড়িগুলো যথেচ্ছভাবে আমরা ধ্বংস করেছি তার পয়স্তি কিভাবে হবে সেটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। অথচ বাঙাল মুলুকের এই বাঙালী জাতি তাদের জাতীয় অস্মিতার দেনা-পাওনা কড়ায় গুন্ডায় বুঝে নেয়ার অমিত আকাঙ্খায় একাত্তরে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে নিজেদের অহংকারের বাঙালীয়ানার পত্তন ঘটিয়েছিল।
যে পাকিস্তান রাষ্ট্রের শাসক হওয়ার মানসে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেজরিটি নিয়ে বাঙালী জাতির একটি রাজনৈতিক পক্ষ পাকিস্তান রাষ্ট্রের শাসক হতে চেয়েছিল, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তীকালে সেই শত্রুপক্ষীয় দেশের এমএনএ বা এমপিরাই একটি স্বাধীন দেশের সংবিধান রচনা করে একটি সদ্য স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রী হয়ে দেশ শাসনে ব্রতী হলেন। এর স্বতঃসিদ্ধতা কতটুকু যুক্তযুক্ত তা পাঠক একটু ভাবুন তো! সংবিধান প্রনয়ন কমিটির জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সবাইকে তো আর পাওয়া যাবেনা, তবুও সেই সংবিধানের কতটুকু ঢাকায় এবং কতটুকু অন্য কোথাও বসে লেখা হয়েছিল সেটা না হয় বেঁচে থাকা ডঃ কামাল হোসেন বা ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামকে একটু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিগ্যাসাবাদ করুন! একটি স্বাধীন দেশের সংবিধান রচিত হোল পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ থেকে নির্বাচন করে এমএনএ হয়ে আসা কতিপয় একপক্ষীয় রাজনীতির ব্যক্তির দ্বারা। কতটা স্বতঃসিদ্ধ ছিল মাত্র নয় মাসে তৈরী করা সেই এবং এই সংবিধান। আসলে আমরা বাঙালীরা সত্যিকার অর্থেই মহামতি গোখলে সাহেবের উচ্চারিত সেই what bengal thinks today india thinks tomorrow এর যোগ্য দাবিদারই বটে। নইলে স্বাধীন ভারত তার নিজেদের রাষ্ট্রীয় সংবিধান বানাতে যেখানে আড়াই থেকে তিন বছর সময় ব্যয় করলো কিংবা পাকিস্তান রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় সংবিধান কাঠামোয় আসতে নয় বছর ব্যয় করলো, আর আমরা বাঙালীরা মাত্র নয় মাসেই তৈরী করে ফেললাম আমাদের রাষ্ট্রীয় আইন কানুনের মহাগ্রন্থ। কোথাও অপুষ্টতার কোন অস্পষ্ট ছায়া রয়ে গেল না তো! জানিনা এই তাড়াহুড়ার মজেজা কি। আর মজেজা যদি না থাকে তাহলে মাত্র পঞ্চাশ বছরের এই নাবালক রাষ্ট্রটির সংবিধানের উপর এত কালির আঁচড় দিতে হয় কেন? যতসব জনস্বার্থ বিরোধী আইন কানুনের কর্কশ কলকাকলির যোগফল।
আমরা কি আসলেই প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র না গণতন্ত্রী রাষ্ট্র! অনেকেই অবাক বিস্ময়ে ভাববেন, এ আবার কি কথা। হাঁ, এই তন্ত্র মন্ত্রের উপর ভর করেই আজকের দুনিয়ায় যতসব ভেল্কিবাজির সরকার ব্যবস্থা জনপদে নাকাল অবস্থার সৃষ্টি করে চলেছে। বিশেষ ক'রে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের আধাপেটা মানুষজনের দেশেই এসব মিশ্রিত ‘গনপ্রজাতন্ত্রী’র আলোছায়ার সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বুৎপত্তিগত ব্যাখ্যা দেয়া আমার কাজ নয়। এসব ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের জন্য তো আমাদের একজন মাননীয় স্বরাষ্ট্র সাহেব রয়েছেন। বড় দৃষ্টি কটুই বটে। যে যা বলুক বা প্রশ্ন করুক, বিশেষ করে বিরোধী বেঞ্চ থেকে; উনিই একমাত্র আছেন ট্রেজারী বেঞ্চে - যাকে দাঁড়িয়ে সংবিধান খুলে বয়ান দিতে হবে। আর আমাদের সবার পছন্দের এবং সর্বজন প্রিয় প্রধানমন্ত্রী মানুষটি ট্রেজারী বেঞ্চের এক নম্বর সীটে বসে থেকে শুধু মিটমিট করে হাসবেন আর টেবিল চাপড়াবেন। সেইসঙ্গে অশীতিপর ঝুনো নারকেল সদৃশ্য নমস্য মুরুব্বীরা মাথায় হেলমেটের কত হেডফোন লাগিয়ে ঢুলুঢুলু চোখে এলোথেলোভাবে বসে তাদের উপস্থিতির জানান দিবেন। এইতো আমাদের সংসদ। এই সংসদ নিয়েই তো আমাদের যত আহংকার। এই সংসদ ঘিরেই আমরা সাত কোটি বাঙালীর বিশ কোটি হয়েও এখনো যতসব সংশয় আশঙ্কা নিয়ে চাতকের মত চেয়ে থাকি ওইসব রাজনীতির সংসদ সদস্যদের মুখ চেয়ে। কখন আমাদের মায়ের কথা, মাটির কথা, মানুষের কথা উচ্চারণ করে তারা এই দুখিনী বাংলা মায়ের মুখে হাসি ফুটানোর এন্তেজামে প্রকৃত বাঙালী হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটাকে সোনার বাংলায় রূপান্তরে একাট্টা হবে। (* চিহ্নিত প্রশ্ন নিয়ে ট্রেজারী বেঞ্চে পাঠানো আমাদের জেন-জি এমপি ববি হাজ্জাজ এর হয়ে বলছি মাননীয় স্পীকার। এই “গণতন্ত্রী” আর “প্রজাতন্ত্রী” সরকার ব্যবস্থা নিয়ে একটি বাহাস করুন। আমাদের সংবিধান কি বলে দেখি। সংস্কারের কথা এখানেও তো বলা উচিত ছিল। সতীনের ঘরে সংসার তো এভাবেই চলবে।)
বড় দুর্ভাগা আমরা। বড়ই দুর্ভাগ্য আমাদের অস্তিত্বের ঠিকুজি। টালমাটাল ব্যবস্থাপত্রের আঁচল বিছিয়ে আমরা আমাদের স্থায়িত্ব এমনকি অস্তিত্বের ঠিকুজি নিয়ে কাটাবাছা করছি। আর সময়ের আবর্তে এমন এমন সব মহা অবতার আমাদের ঘাড়ে সওয়ার হন যে তখন হাসফাঁস করা ছাড়া আমাদের কোন গত্যন্তর থাকে না। এইসব তথাকথিত মহা অবতারদের মতে, “কি এমন হয়েছিল চব্বিশের জুলাই-আগষ্টে যে আমাদেরকে এটা নিয়ে এতসব আয়োজন এন্তেজামে মাথা ঘামাতে হবে! নব্বই এর গণ অভ্যুত্থানেই আমরা গণ আকাঙ্খার সমস্ত কিছু পেয়ে গেছি। আর কি চাই! বংশ পরম্পরায় দুটো পারিবার দিয়েই তো আমাদের বেশ চলছিল। কেন এসব উটকো ঝামেলার জেন-জি ফেন-জির আলাপ সালাপ! আমাদের মালেক জিল্লুর কাউয়ারা তো জনগণকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে ভালই চালাচ্ছিল। আবার সাকা মওদুদ সালাম তালুকদাররা তো সোনায় সোহাগা হয়ে বাঙালীর প্রানের মানুষ হয়েছিল। তোমরা জেন-জির অহংকারে তড়পাচ্ছ? আমাদের আসাদুজ্জামান সালাহউদ্দিন আলম আমিনুলরাই তো এখনকার জেন-জি। কেন সাকি নুরুল হাজ্জাজদের দেখতে পাও না? ওদের কথা শুনে চল নইলে ফের ফ্যাসাদ তৈরী হবে। মহোদয়কে দিয়ে তখন শক্ত হাতে এসব উটকো ঝামেলা সামলাতে হবে। প্রজাতন্ত্রের প্রজা হয়েছো, প্রজার মতই থাক। খামোখা গণতন্ত্রীদের রাজকার্য নিয়ে উচ্চবাচ্য না করাই শ্রেয়। তোমরা শেখ মুজিবও হতে পারবানা, আর জিয়া হওয়া তো হনুস্ত দূর। সুতরাং ঝামেলা না বাঁধিয়ে এভাবেই চলুক। পবিত্র গ্রন্থকে এত কাটাছেঁড়ার কি দরকার? মধ্যপ্রাচ্যে যাও, আমেরিকা ইউরোপে যাও। কাজকাম করো, টাকা কামাও দেশে পাঠাও আমরাও চলি। তোমাদের পিতৃ পুরুষ আর বালবাচ্চারাও সুখে স্বাচ্ছন্দে থাকুক। আমরা তো দেখছি সবকিছু। খামোখা সংস্কার টংস্কার ইত্যাদি নিয়ে এতসব বোলচাল কেন। চব্বিশের ভুল বুঝবুঝি সব ঠিক হয়ে যাবে। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন! আমরাও বুঝেছি। সব ঠিক হয়ে যাবে। আর জুলাই সনদ! ওটার আলোকেই তো আমরা চলছি”।
এভাবেই ১৭৫৭ এর সেই উঁমি চাঁদ, মীর জাফর আলি খান এবং রায় দুর্লভদের রক্ত প্রবাহে এই বাংলায় যুগে যুগে দিল্লি ও কলকাতা প্রেমী বাংলাদেশী ভারতীয়রা তাদের পরাশ্রয়ী শেকড়ে বেড়ে উঠে অভয়ারন্যের প্রাণীর ন্যায় জাবর কেটেই চলেছে। তাদের বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা আর প্রত্যুতপন্নতার ক্ষুরধারে ধরাশায়ী বাঙালী তার জন্মলগ্ন থেকেই খাবি খাচ্ছে। নইলে মাত্র একমাসের ব্যবধানে কি এমন ঘটলো যে গত দেড় বছরের এত এত অনুশীলনের জুলাই ঘোষনা, জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার ইত্যাদির প্রশ্নে গণতন্ত্রের পুজারী ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলটি ১৮০° ঘুরে তাদের মেজরিটির বাহুবলে সংসদে দাঁড়িয়ে হুংকার দেয়া শুরু করে দেয়! গণতন্ত্র ও সরকার ব্যবস্থার খোল নলচে বদলে দেয়ার অঙ্গীকারে গণভোট এবং সংসদ নির্বাচনের আয়োজনে দেশে একটা উৎসব ও প্রাণ চাঞ্চল্যের সঞ্চার হয়েছিল। দেশে সৎ ও সুষ্ঠ রাষ্ট্রনীতি এবং রাজনীতির আকাঙ্খায় আমজনতা চাতক পাখির ন্যায় চেয়ে ছিল। কিন্তু কোন্ অসুরীয় ডংকায় আবারো সেই গত সাড়ে পনের বছরের মাফিয়া স্বৈরতন্ত্রের প্রতিচ্ছায়ারা আজ তর্জনী উঁচিয়ে সংসদ নামক পবিত্র আলোঘরে জনগণের নিরঙ্কুশ গণভোটের রায়কে সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে যাঁচাই বাছাইয়ের কথা বলে প্রজাতন্ত্রী কাঠামোর রাষ্ট্রে অতি গণতন্ত্রী হওয়ার স্পর্ধা দেখায়? জনতা জনার্দন। যাঁচাই বাছাইয়ের ক্ষমতা সংসদের নয়। সংসদ ওসব বাস্তবায়ন করবে, ব্যাশ! জনগণকে আহাম্মুক বানাইওনা। গত পঞ্চাশ বছরে অনেক কিছু করেছো। বন্ধ কর এসব বিধি বিধান, মাননীয়, মহোদয়ের আলাপ সালাপ।
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
যুবদলের সাবেক নেতা মঈনের বেপরোয়া অপরাধ সাম্রাজ্য
বাগেরহাটে মাজারে কুমিরের মুখে কুকুর, তারকাদের তীব্র ক্ষোভ
হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি
ইসলামাবাদে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-পাকিস্তান
হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
মৃত্যুদন্ডের রায় শুনে জয় বাংলা স্লোগান পুলিশ সদস্যের, বললেন ‘এই রায় মানি না’
বাংলাদেশিদের ভিসা দিতে যৌথ নির্দেশনা দিলো ১৩ দেশ
‘পাকিস্তান একটি গোটা সভ্যতাকে রক্ষা করল’
ইরানে হামলা ‘দুই সপ্তাহ স্থগিত’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন হত্যা মামলায় কারাগারে
সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



