avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

আল - আজিজুল হাকিম

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২২ এপ্রিল, বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ১১:১৫ পিএম, ২২ এপ্রিল, বুধবার,২০২৬

Text

ক'দিন থেকে একটা খবরের হেডলাইন আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় ও নিকৃষ্ট জীব হিসাবে মনে করিয়ে দিচ্ছে। তারপরেও তৃতীয় বিশ্বের একজন শ্রেষ্ঠতম প্রতিনিধি হিসাবে ইরান প্রজাতন্ত্র যেভাবে বুক চিতিয়ে এসব ষন্ডামার্কা তথাকথিত মোড়ল সেজে থাকা পৃথিবীর মাত্ববরটির জবাব দিয়ে যাচ্ছে তা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবি রাখে। ছোট্ট একটা হেডলাইন, US navy begins blockade of Iranian ports, saying all vessels need US authorization. কত বড় স্পর্ধা! দুনিয়াটা কি মগের মুলক হয়ে গেল নাকি! এক পাগলা জগাইয়ের হাতে পড়ে সভ্য জগতের একি দশা!! এতো দেখছি এক নব্য চেঙ্গিজ খানের আবির্ভাব। ওদিকে তার পোষ্য হালাকু খান তো তার দুর্মুস মিশন চালিয়েই যাচ্ছে। বিনা অপরাধে বিনা কারনে একটি সভ্য জনপদে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে সেই জনপদকে সমূলে ধ্বংস করে চলেছে। গত তিন বছর ধরে তার আশ্রয়দাতা ফিলিস্তিনি জনপদের শেষ আশ্রয় গাজা স্ট্রীপকে তছনছ করে এখন লেবাননের দিকে হাত বাড়িয়েছে। গ্রেটার ইহুদি রাষ্ট্র পরিকল্পনার এ এক অশুভ পাঁয়তারা। শক্ত পদক্ষেপ নেয়ার কেউ নেই। হচ্ছেটা কি? আর হচ্ছেই যখন তখন এত এত আয়োজনের কি দরকার। আমরা নিজেরা নিজেদেরকে প্রবঞ্চনার ফাঁদে ফেলে আর কত ভোগান্তি বাড়াব! লক্ষ্য করুন, একটা বিশ্ব ব্যবস্থার শৃঙ্খলে আমরা বাস করছি। অথচ এই বিশ্ব ব্যবস্থাকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে পাড়ার মাস্তান সেজে আমরা ছড়ি ঘুরাতেও ছাড়ছিনা। এ কোন্‌ মুনাফেকি! যতসব চার্টার চুক্তি বিধি বিধান আর গালভরা মানবতা মানবধিকার বিশ্বশান্তি ইত্যাদির কপচানো বুলি আওড়িয়ে আর কতদূর হাঁটতে পারবো আমরা! আচ্ছা বলুন তো, কোন্‌ ইউএন চার্টার ফলো করে বিশ্ব শান্তির ক্যান্সার ইহুদি কসাইটি রাঁচি থেকে উঠে আসা এক পাগলা জগাইকে সাথে নিয়ে প্রাচীন সভ্যতার একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের উপর রাতের অন্ধকারে আচম্বিতে হামলা চালিয়ে বেছে বেছে তার শীর্ষ নেতা ও মাথাওয়ালা যতসব সম্মুখ সারির সামরিক কর্তা ও বিজ্ঞানীদের হত্যা করে! বিষয়টি ইউএন চার্টারের কোন্‌ এবং কততম আর্টিক্যাল অনুযায়ী করা হোল? এতবড় মধ্যযুগীয় আচরনের বর্বরতা ঘটানোর  পরও বিশ্ব শান্তির ক্লাবটি একটি নিন্দা প্রস্তাব টেবিলে আনতে পেরেছে কি? যাদের মাটিতে খুঁটি গেড়ে আজ নিজেদের ইহুদি রাষ্ট্রের মালিক বলে গর্ব করে, সেই ধিকৃত জাতিটি গত তিন বছর ধরে তাদের পোষক ফিলিস্তিন রাষ্ট্রটিকে বিনাশের লক্ষে লাগাতার নারী ও শিশু হত্যার মাধ্যমে ধংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদেরকে  থামানোর জন্য বিশ্ব শান্তির ধ্বজাধারী প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা কি? তাহলে বিশ্বশান্তির জন্য প্রতিষ্ঠিত ঐ ইউএনও (UNO) এর জন্য এতসব আয়োজন ও সাজগোজের কি দরকার? এই তো সামনে জুলাই আগষ্টে কোটি কোটি ডলার খরচ করে বাৎসরিক সাধারন সভার আয়োজন করা হবে - এটারইবা কি দরকার! 


যার উঠানে জায়গা পেয়ে এই বাস্তুহারা ইহুদি জাতি আজ এত এত ফুটানির বিগ ব্রাদার হতে চায়, সেই রাষ্ট্রটির অস্তিত্ব সত্যিই কচু পাতার ফোঁটা জলের মত নয় কি? আজকে যদি আল্লাহর নিমক-হারাম মুসলিম আরব শাসকরা একতার সুর তুলে আরব জাতির জন্য শোর উঠাতো তাহলে আশ্রিত এই কয়েক লক্ষ নিকৃষ্ট ইহুদির পাল পবিত্র আরবের মাটিতে দাঁড়াতে পারতো কি? মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই ভাল জানেন, এই বোধশক্তির অবক্ষয়ের হিসাবটা তিনি কেন সেখানে বিছিয়ে রেখেছেন! আর কেনইবা একটি বাতিল ও পথভ্রষ্ট জাতিকে নিয়ে হজরত ইশা(আঃ) এর অনুসারী জাতিস্বত্বা এতসব নোংরামীতে নিজেদেরকে জড়িয়ে নিচ্ছে। তিনিই তো রব। তিনি মহান সর্বজ্ঞ। তিনি আজিজুল হাকিম। আজকের দিনে মুক্ত আওয়াজগুলো সত্যিই বড় ক্ষীন থেকে ক্ষীণতর হয়ে পড়ছে। যারাই এসব মাথা উঁচু করা মুষ্টিবদ্ধ আওয়াজ তুলেছেন তারা এই সুন্দর পৃথিবীতে মুক্ত নিশ্বাসে বাঁচতে পারেন নি। গুম খুন বা দেশান্তরিত কিংবা কারা অন্তরালে জীবনের অবশিষ্ট অংশ কাটাতে হয়েছে তাদের। তাহলে মানবতা, ধর্ম অনুশীলন বা শান্তির জন্য এত চিল্লাপাল্লা কিংবা দোড়াদোড়ির এই লোক দেখানো আয়োজনের এত প্রয়োজনীয়তা কেন! বিশ্ব মানবধিকার সহ কতশত সংস্থা এমনকি বিশ্ব শান্তির জুলিও কুরি, নোবেল টোবেল - এসব মুনাফেকি আয়োজন এন্তেজামের মানে কি? 


বিকাশমান স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলি যখন আপন অস্তিত্বের অস্মিতায় মাথা তুলে দাঁড়াতে চায় তখন জি-৭, জি-৬, ন্যাটো, ওয়ারশ’র মোড়লরা নিজেদের ফন্দি ফিকিরে ঐসব দেশের মাথা মেরামতের বদলে মাথাটাই কেটে ফেলার বন্দোবস্ত করে। আর রাষ্ট্রসংঘ নামের ঠুঁটো জগন্নাথ মার্কা ক্লাবটি দিয়ে বক্তৃতা বিবৃতি দেওয়াইয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে ফেলে। কাশ্মীর বল, মধ্যপ্রাচ্য বল কিংবা বিশ্বের অলিগলিতে ঘটে যাওয়া অন্যায্য ও অমানবিক বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত আসে বটে তবে সেসবের বাস্তবায়ন কখনোই হয়না কারন ভেটো না ডিটো নামক রক্তচক্ষু সর্বক্ষেত্রে তৃতীয় বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষদের উপরে উঠার সিঁড়ি বন্ধ করে রেখেছে। আজকে ইরানের বিরুদ্ধে নিউক্লিয়ার শক্তি অর্জনের অজুহাতে যে অমানবিক কার্যধারা চালানো হচ্ছে তাতো স্রেফ ওই জায়নবাদী রাষ্ট্রটিকে নিরাপদ এবং আরব রাষ্টের শক্তিধর মোড়ল বানানো ছাড়া আর কিছু  নয়। অবশ্য পাগলা জগাইয়ের ইদানীংকার কর্ম ও কথোপকথনে বুঝা যায় যে আরব সাম্রাজ্যের তেলের ভান্ডারে নিজের একছত্র আধিপত্য কায়েমের সুপ্ত বাসনা পুষে রেখেই তার এত তড়পানি। কই, তিনি বা তার দোসররা কি একবারের জন্য প্রশ্নটি উত্থাপন করেছেন বা মনের অজান্তে জানতে চেয়েছেন ইহুদিবাদী নরপশু রাষ্ট্রটি আনবিক সক্ষমতায় কতটুকু এগোলো! আর ভারত পাকিস্তান আনবিক শক্তির অধিকারী হতে পারলে ইরান আরবরা কেন তা পারবেনা? এই লাইসেন্স বা মাত্ববরী করার ক্ষমতা আমেরিকা বা মোড়ল রাষ্ট্রগুলিকে কে দিয়েছে? কে তাকে এত ক্ষমতা দিল যে সে তার প্রতিবেশী স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রটির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে তার কমান্ডো দিয়ে উঠিয়ে এনে সেদেশে তার পছন্দের সরকার প্রধান বসাবে? এ কোন্‌ মধ্যযুগীয় আচার আচরন! কোথায় গেল বিশ্ব শান্তি ব্যবস্থার জাতিসংঘ নামক ক্লাবটির নীতি নৈতিকতা! গত পঁচাত্তর বছর ধরে একটি জাতিস্বত্ত্বাকে নিয়ে ভারত পাকিস্তান দুই বৈরী শক্তি কেন এত যুদ্ধ বিগ্রহ ও হানাহানিতে লিপ্ত! জাতিসংঘের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কেন সেখানে সেই জাতি রাষ্ট্রটির জনমত দেয়ার অধিকার ক্ষুন্ন করে রাখা হয়েছে। আর এই বিষয়টিকে অগ্নিগর্ভ রেখে এই দুটি রাষ্ট্রকে আনবিক শক্তির অধিকারী হওয়ার ক্ষমতা প্রাপ্তির মূল মদতদাতা কারা এবং কেনইবা এই উতপ্ত পরিবেশ পরিস্থিতি এতদাঞ্চলে জিইয়ে রাখা হয়েছে?


অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আজকের বাস্তবতায় বিশ্বে তদারকি সংস্থা হিসাবে ইউএনওর কোন অবস্থানেই নেই। নাম কা ওয়াস্তে একটি রাবার স্টাম্প প্রতিষ্ঠান ছাড়া কিছুই নয় যেন। নইলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারী হতে আজ পর্যন্ত ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির সেফগার্ড ও নিজের তেল বাণিজ্যের অযৌক্তিক স্বার্থ উদ্ধারে বিশ্বের তথাকথিত মোড়ল রাষ্ট্রটি যেসব অপকর্ম ও অমানবিক শক্তির মাধ্যমে ইরানের উপর চড়াও হয়েছে তা মানবতা ও বিশ্বশান্তির জন্য জঘন্য এবং চরমতম অপরাধ। অথচ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা ও দেখভাল করার জিম্মাদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রসংঘ টু শব্দটি পর্যন্ত করেনি। উপরন্তু শেষের দিকে ইরানের শক্তিমত্তার কাছে মার খেয়ে যখন আমেরিকা পর্যদস্তু বা নাস্তানাবুদ হওয়া শুরু করেছে, এমনকি সহায়ক হিসাবে যেসব প্রতিবেশীরা আমেরিকার সামরিক শক্তিকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছে তাদেরকেও ইরান পর্যদস্তু করেছে, তখন জাতিসংঘের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। কিসব আজব কাহিনী এবং নির্লজ্জতার ব্যাপার নয় কি! অর্থাৎ একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকেও তারা নিজের করতলে রেখে এভাবেই বিশ্ব সভ্যতার আলো জ্বালিয়ে রাখতে চায়। সর্বশেষ পাকিস্তানের মধ্যস্ততায় একটি স্বল্পকালীন যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার সময়কালে আমেরিকা হরমুজ প্রনালী ইরানের সার্বভৌমত্বের কবল হতে মুক্ত করে সেখানে নিজেদের একছত্র আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে ব্লকেড(blockade) এর সিদ্ধান্ত নেয় যা আন্তর্জাতিক মেরিটাইম আইনের পরিপন্থী। পৃথিবীর কোন রাষ্ট্রই তা সমর্থন করেনি। 


এই যে বিশ্বে অসি আর পশু এক হয়ে ছড়ি ঘুরাতে চাচ্ছে, এমনকি এসব করে তারা এক লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের make America great, make in India কিংবা greater Jews state এর স্বপ্নে বিশ্ব মোড়ল, বিশ্ব গুরু, কিংবা বিশ্বের বিগ ব্রাদার হতে চাচ্ছে এর মূলে কি কোন নৈতিকতা মানবিক মূল্যবোধ সহমর্মিতা বলে কি কিছু আছে? এই একবিংশের আলো ঝলমল আঙ্গিনায় শুধুই অন্ধকার আর কাল ঘুটঘুটে প্রেতাত্মাদের দাম্ভিকতার বিকট চিৎকার চেঁচামেচির গগন বিদীর্ণ করা আওয়াজ ছাড়া কিছু শোনা যায় কি? সর্বক্ষেত্রে আজ অশুভ শক্তির দাপট ও দৌরাত্ম্য।  বিশ্ব শান্তি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার এই যখন অবস্থা তখন প্রাচীন সভ্যতা ও পৌরাণিক গল্পের সেই বোগদাদীয় আ’লাদিনের চেরাগ আজ বড়ই প্রয়োজন। জংধরা চিরাগের এক ঘষাতেই সবকিছুর সমাধান। সমস্যা হচ্ছে সেই আশ্চর্য আলা'দিনের চেরাগ কার হাতে গেলে স্রষ্টা কর্তৃক সৃষ্ট এই সুন্দর পৃথিবী তার স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হবে! সেটা অবশ্য স্রষ্টাই ভাল জানেন। কারন তিনি আজিজুল হাকিম(মহা পরাক্রমশালী, পরম প্রজ্ঞাময়)। 

বিষয়:
avertisements 2
যে কারণে সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা
যে কারণে সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা
আল - আজিজুল হাকিম
আল - আজিজুল হাকিম
মুচলেকা দিয়ে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি, সাবেক স্পীকার শিরীন শারমিনের
মুচলেকা দিয়ে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি, সাবেক স্পীকার শিরীন শারমিনের
স্ত্রী বিএনপির এমপি হলেও আমার অবস্থান বদলাবে না: জিল্লুর রহমান
স্ত্রী বিএনপির এমপি হলেও আমার অবস্থান বদলাবে না: জিল্লুর রহমান
জরুরি ভিত্তিতে আরো ১৬৯৮ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনবে সরকার
জরুরি ভিত্তিতে আরো ১৬৯৮ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনবে সরকার
৪ ঘণ্টা পর মানবিক বিবেচনায় সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন
৪ ঘণ্টা পর মানবিক বিবেচনায় সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রীর জামিন
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
শর্ত সাপেক্ষে ইরানি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
গোপালগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগের সুবর্ণা ঠাকুর
গোপালগঞ্জে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আওয়ামী লীগের সুবর্ণা ঠাকুর
চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের
দায়িত্বরত অবস্থায় নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
দায়িত্বরত অবস্থায় নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা
চিন্ময় দাসের দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা নিচ্ছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
চিন্ময় দাসের দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা নিচ্ছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক পরমাণু বিজ্ঞানী নিখোঁজ-মৃত্যু!
যুক্তরাষ্ট্রে একের পর এক পরমাণু বিজ্ঞানী নিখোঁজ-মৃত্যু!
ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো ইরান 
ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো ইরান 
হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ বিবেচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল
হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ বিবেচনা করছে ভারত : জয়সওয়াল
বৈশ্বিক বাজারে হঠাৎ করে কমছে তেলের দাম!
বৈশ্বিক বাজারে হঠাৎ করে কমছে তেলের দাম!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2