avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

তারুন্যের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলুক

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৮ মার্চ,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ১১:৫৫ এএম, ২৯ মার্চ,রবিবার,২০২৬

Text

আজকাল কিছু লিখতে গেলে তার ক্লু খোঁজার কোন দরকার পড়ে বলে মনে হয়না। বহুপাক্ষিক এই দেশে যেসব ভিন্নমতের আনাগোনা, তাতে করে যখন তখন হুটহাট করে চমকপ্রদ গাদা গাদা ইস্যু চোখের সামনে এসে ভিড় করে। তখন বহুপাক্ষিক মত ও পথের আনাগোনায় সমাজ তথা রাষ্ট্র ব্যবস্থায় তথৈবচ অবস্থার সৃষ্টি হয়। আবার দেশ সমাজ রাষ্ট্র যখন তার স্বাভাবিক নিয়মে নিঃশ্বাস ফেলে তখন তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতিও  স্বাভাবিক গতিতে চলমান থাকে। তখন নতুন কিছু উত্থাপন করতে হলে অনেক ইনিয়ে বিনিয়ে কোন কিছুর সন্ধানে গলদঘর্ম হতে হয়। তবে শিকড় যখন তার স্বাভাবিক বিন্যাসের ত্রুটি নিয়ে মাটির উপর দাঁত কেলিয়ে মুক্ত নিঃশ্বাসের ছটপিটানিতে এলোমেলো হয়ে পথ চলতে শুরু করে, গন্ডগোলটা তখন পাক ধরা শুরু করে। আজকের বাস্তবতায় আমরা এক সাগর বা নদীর বাস্তবতায় না থাকলেও অন্ততঃ তারুন্যের জৌলুশ ছড়ানো রাজপথ ভিজানো তাজা রক্তের উপর পথ মাড়িয়েই আমাদের গণতান্ত্রিক পথচলার রাস্তাটি তৈরী করতে পেরেছি। এবং সেই শপথেই আমাদের চুয়ান্ন বছর বয়সের স্বাধীনতার নতুন মোড়কের উন্মোচন হয়েছে বলে বিজ্ঞজনেরা বলাবলি করেন। বাস্তবতাও তাই বলে। নতুন পথে পা রেখে পুরাতনকে রোমন্থন করার কোন সুযোগ আছে বলে মনে করার কোন কারনও নেই। জুলাইয়ের চেতনাকে আধার ক’রে পথচলা এই জাতির জন্য পিছন ফিরে তাকানোর কোন সুযোগ আছে বলে যারা স্বপ্নবাজ হন তাদের সেই জংধরা স্বপ্নচারিতার সুতোয় নতুন গাবের কষযুক্ত মাজনের খুউব প্রয়োজন বলেই মনে হয়। ধর্মভীরু (অবশ্যই ধর্মান্ধ নয়) বাঙালীর চেতনায় এখন আর সেই ব্র‍্যাকেটীয় চেতনা বিক্রির মলম বেচাকেনার সুযোগ কম। সংবিধান আর গণতন্ত্র নিয়ে টানাটানির চটকদার রাজনীতিতে বাঙালী এখন বেশ ভাল ভাবেই ধাতস্ত হয়ে গেছে। ক্ষমতায় গেলে সংবিধান আর ক্ষমতা হারালেই গণতন্ত্র -  রাজনীতির এই দ্বিচারিতার বাঁকগুলো এখন বাঙালী ভালই বুঝে। 


দেশে গণতন্ত্রের হাওয়া বইয়ে দেয়ার আড়াই ডজনের বেশী প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি রাজনীতির পক্ষ এখন গণতান্ত্রিক পন্থায় দেশ চালানোর ম্যান্ডেট পেয়েছে। শিশু সরকারটি তার ম্যান্ডেট পাওয়া ২৬০ সপ্তাহের মধ্যে সবেমাত্র দু’টি সপ্তাহ পার করল মাত্র। সরকার প্রধানের চলন বলনের স্মার্টনেসে এখনও পর্যন্ত পাবলিক পারসেপশন ভালই মনে হচ্ছে। কিন্তু নবীন প্রবীনের যে লটবহর সাজিয়ে তিনি তার পথচলার ট্রেনের বগিগুলো সাজিয়েছেন তার প্রতিচ্ছটায় এই ক’দিনে যে ঝড়ের পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে তাতে ক’রে কপাল পোড়া বাঙালীর ঘরের চালে কাল কাক আর পশ্চিমাকাশে শকুনের আনাগোনার আভাস ছাড়া আর কিছু আছে বলে মনে হয় না। পুর্বাভাসটা একটু আগামই দিতে হচ্ছে এই কারনে যে, মহান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী ও গণতন্ত্রের জননী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঔরষজাত সন্তানের কাছে এ মাটির জনপদের আকাঙ্খা হিমালয়সম। সেই তারাজুতে চড়ে তাদের সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সরকার প্রধান হয়ে বাঙালীর ভাগ্যোন্নয়নের চাবি হাতে নিয়েছেন। মসৃণ পথ না পেলেও আশা করছি রক্ত প্রবাহের দৃঢ়তা নিয়ে তিনি তার কাঙ্খিত “সবার আগে বাংলাদেশ” এর স্বপ্ন নিয়ে বাঙালীকে স্বপ্নবাজ করেই এগিয়ে যাবেন। আশা জাগানিয়া লক্ষ্মনগুলো বলছে, তার পারিপার্শ্বিক আবহগুলো সত্যিকার অর্থে তিন প্রজন্মের এক সুষম আয়ুর্বেদিক টনিক হিসাবেই দেশকে স্বাচ্ছন্দ গতিতে এগিয়ে নেবে।


তিন'শ বা তৎপরবর্তী আরো পঞ্চাশের যোগফলের অতশত হিসাব নিকাশ না করে শুধু এতটুকু বলা যায় বর্তমান পারিষদ সত্যিকার অর্থেই একটি চেক এন্ড ব্যালান্সের উঠান হয়ে বাঙালীর আশার বাতিঘর হয়ে উঠতে পারে। পিতার সঙ্গপ্রাপ্ত ও আশীর্বাদপুষ্ট মুরুব্বীদের তিনি সম্মান দিয়ে মাথায় রেখেছেন। মাতৃভক্ত সন্তানের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে তিনি মায়ের বিশ্বস্ত সহযোগীদের সম্মান দিয়ে তার পারিষদ অলংকৃত করেছেন। সর্বোপরি তরুন প্রজন্মের GenZ দের পাশে রেখে তিনি তার পথচলার হাইওয়েটাকে শক্ত মোড়কে বাঁধাই করেছেন। বাকী রইলো তার ব্যবস্থাপনার কারিশমা। সেক্ষত্রে জুলাই সনদ ও তার নিজস্ব একত্রিশ দফার সমন্বয় ঘটিয়ে যত শীঘ্র তিনি দেশের তারুন্য শক্তিকে enrolled করে দেশ গড়ার প্রকৃত সৈনিক বানাতে পারবেন, দেশ ও জাতির জন্য সেটাই হবে জিয়া দম্পতির সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মনে রাখা প্রয়োজন, জিয়া প্রজন্ম স্বাধীনতা উত্তর এক trail and error এর product. আবার ম্যাডাম প্রজন্মের অবজেক্টগুলো ট্রায়াল এন্ড এরর পেরোনো ভিন্ন ভিন্ন কর্ণার থেকে আসা জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ জনপদের মানুষ। আর বৈষম্য বিরোধী আলোকছটায় উদ্বুদ্ধ GenZ এর সম্মিলিত তুরুন যুবার বর্তমান প্রজন্ম তো বাংলার ঘুনে ধরা রাজনীতির খোল নলচে পাল্টানোর আলোকবর্তিকা হয়ে এখন মাঠ দাপাচ্ছে। সুতরাং তিন প্রজন্মমের সমন্বয় ও সম্মিলনে  বর্তমান নেতৃত্বের “I have a plan” এর স্বপ্নতরী ভাসানোর এখনই সময়।  


আধুনিক প্রযুক্তির AI এর যুগে বিভ্রান্তি ছড়ানো  ও বিভ্রান্ত করনের বিষয়গুলি সামনে অনবরত ভাবে কড়া নাড়বে এবং তা নির্লজ্জভাবেই। সেক্ষেত্রে তরুন প্রজন্মের আশা আকাঙ্খার প্রতীক নতুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে তিনি যেন নিদেনপক্ষে নিম্নবর্ণিত ঘটনা চক্র স্মরণ রেখে এবং পিতৃ ও মাতৃ শিক্ষার পথচলায় বলীয়ান হয়ে তার আগামীর পথ চলাকে মসৃনভাবে চলমান রাখতে সচেষ্ট হন।  

১। নিজের বাল্যকাল ও শিক্ষা জীবন। পিতৃ ও মাতৃ আদর্শ এবং তাদের জনপ্রিয়তা।

২।রাজনীতির হাতে খড়ি নিয়ে জনাব তারেক তার তরুন সময়ে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তার সম বয়সীদের নিয়ে বিএনপির সাংগঠনিক কাজে মাঠ-ঘাট চষে বেড়িয়েছেন। সে সময় আম-জনতার স্বতঃস্ফুর্ততায় জেনারেল জিয়ার প্রতি যে ভালবাসা ও উচ্ছ্বাস তিনি দেখেছেন সেটার গতি প্রকৃতি নিয়ে ভাবতে হবে।

৩। জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক জিয়া ডাইনেস্টির প্রতি এক এগারোর তখনকার শাসক ও সহযোগীদের বিরূপ আচরন স্মরনে রাখতে হবে। এখানে ডাইনেস্টি বলতে জিয়ার শাসন ব্যবস্থা এবং ‘friends are not master’ চেতনাকে বুঝানো হয়েছে। তাছাড়া দুর্নীতি আর অন্যায় ইত্যাদির দোহায় দিয়ে এক এগারোর সামরিক পুষ্ট সরকার যেভাবে একজন তরুন প্রজন্মের কর্মী তারেক জিয়াকে অমানসিক নির্যাতনে পঙ্গুত্ব বরনের দোরগোঁড়ায় ঠেলে দিয়েছিল, সেসব দৃশ্য ও সময়গুলি নিশ্চয় ভোলার নয়। সেক্ষেত্রে সরকারী মেকানিজমে থাকা সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের দ্বিচারিতার বিষয়গুলি নিয়ে পা ফেলতে হবে। 

৪। পরবর্তীতে সেই সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হাসিনা ও তার সরকার তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশনেত্রীর প্রতি যে স্টীম রোলার চালিয়েছিল সেসবের আদ্যপান্ত মাথায় রাখা জরুরী। এমনকি ক্ষমতা দখলকারী হয়ে স্বৈরাচারী রূপান্তরের হাসিনা সরকারের প্রতিহিংসা ও দাম্ভিকতাপুর্ণ আচরনে জনমনে যে ঘৃণার আসর জন্মেছিল তার মূল্যায়ন করা। 

৫। রাজনীতির প্রতিহিংসায় স্বৈরশাসক সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেশে একপক্ষীয় রাষ্ট্র পরিচালনার সূত্রপাত করেছিল সেসবের কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যত বাংলাদেশের ভিত রচনাই হবে তরুন নেতৃত্বের নতুন চ্যালেঞ্জ। 

৬। মনে রাখতে হবে এদেশে বুদ্ধিবৃত্তির হালচাষ করা মানুষের আধিক্য বেশী। তাদের মস্তিষ্ক প্রসূত বিদ্যাবুদ্ধির আলোক ছটায় দেশ শাসনের গতিপথ কখনো সরলপথ পায়নি। সুতরাং প্রকৃত জ্ঞানী ও বিদূষীদের নিয়ে একটি জাতীয়ভিত্তিক ‘জাতীয়তাবাদী পরামর্শ সভ্যে’র উঠান তৈরী করা একান্তভাবে জরুরী বলে মনে হয়। 

৭। বৈষম্য বিরোধী প্ল্যাটফরমের তরুন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে “প্রথম বাংলাদেশ” গড়ার মহাসড়ককে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করনোর লক্ষ্যে জুলাই সনদকে সামনে রেখে এগোতে হবে।  আর.…

৮। দলে বা দলের বাইরে থাকা ‘'গুপ্ত বা সুপ্ত’’ ঘরের শত্রু বিভীষনদের চিহ্নিত করে তাদেরকে রাষ্ট্র কাঠামোর বাইরে রাখার প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দিতে হবে। সর্বোপরি…

৯। জুলাই আকাঙ্খায় ভর করে জিয়া ডাইনেস্টির জনকল্যানমূলক কর্মধারাকে এগিয়ে নিতে মতাদর্শের উর্ধে থেকে মেধার মূল্যায়নে তরুন প্রজন্মকে একসুতোয় বাঁধতে হবে।   

বিষয়:
avertisements 2
রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব শিগগিরই’ ইরান থেকে সরে আসার পরিকল্পনা করছে: জেডি ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব শিগগিরই’ ইরান থেকে সরে আসার পরিকল্পনা করছে: জেডি ভ্যান্স
ইউরোপ যাওয়ার পথে ১৮ বাংলাদেশিসহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু
ইউরোপ যাওয়ার পথে ১৮ বাংলাদেশিসহ ২২ অভিবাসীর মৃত্যু
ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের নতুন যে বার্তা দিল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস
ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের নতুন যে বার্তা দিল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস
মা আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল, নিজে আর পারল না: শিশু আলিফ 
মা আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল, নিজে আর পারল না: শিশু আলিফ 
অবৈধভাবে মজুদ ৮০০ লিটার পেট্রল জব্দ, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
অবৈধভাবে মজুদ ৮০০ লিটার পেট্রল জব্দ, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা
১ এপ্রিল থেকে পেট্রল রপ্তানি বন্ধ করতে যাচ্ছে রাশিয়া
১ এপ্রিল থেকে পেট্রল রপ্তানি বন্ধ করতে যাচ্ছে রাশিয়া
একি কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে
একি কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে
কুমিল্লায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫
কুমিল্লায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫
ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ১০ দিন স্থগিত করেছেন  ট্রাম্প
ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ১০ দিন স্থগিত করেছেন  ট্রাম্প
বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা দিল সৌদি আরব
বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা দিল সৌদি আরব
ইরান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় পাকিস্তানকে ‘দালাল রাষ্ট্র’ বলল ভারত
ইরান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় পাকিস্তানকে ‘দালাল রাষ্ট্র’ বলল ভারত
দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন
দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন
দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে ৪০ যাত্রীবাহী বাস পদ্মায়
দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে ৪০ যাত্রীবাহী বাস পদ্মায়
মানহানি মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
মানহানি মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2