avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ 

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৬ ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:৪৪ এএম, ১৫ এপ্রিল, বুধবার,২০২৬

Text

বেশ কিছুদিন হোল মফস্বলে কাটিয়ে গত সপ্তাহে ঢাকায় ফিরলাম। বেশ ভালই ছিলাম। তবে এই ভাল সেই ভাল নয় যা সত্তর আশি নব্বই এমনকি এ শতাব্দীর প্রথম দশক পর্যন্ত কাটিয়েছি। সেখানেও আজকাল রিক্সার গজগজানির বিরিক্তিকর এক জ্বালা। হাইড্রোলিক না হলেও মেকানিক্যাল হর্ণের পুঁ পাঁ এবং ব্যাটারি চালিত রিক্সার স্যু শা শব্দে তটস্থ থাকতে হয়। তবে সান্ত্বনা একটা আছে। সেখানে পেট্রোল ডিজেলের চারচাকা তিন চাকার দমকল মার্কা বেবিট্যাক্সি কিংবা লক্কড় ঝক্কড় মিনিবাস শহরের ভিতর চলাচল করেনা। দু চারটে অবশ্য আছে সেগুলো স্কুল বাস বা অফিস বাস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তবে বাস ট্রাকের দৌরাত্ম্য না থাকলেও সেখানে নাসিমুন টাইপের এক ধরনের তিন চাকার মালবাহী পরিবহন যান আছে যার শব্দের বিকটতায় গলি মহল্লা রাজপথে একধরনের বিরক্তির উদ্রেক হয় বলে জেনেছি এবং এসবের ভুক্তভোগী হয়ে দিনগুলি কাটিয়েছি বলে সাক্ষ্য দেয়া যায়। 

আমি গ্রামের ছেলে। যাট সত্তর দশকের বাল্যকালে দেখতাম সূদুর মাঠের মজা হাজা পুকুরের নাব্যতা আনার লক্ষ্যে সেসব পুকুরে ডিজেল চালিত দমকল লাগিয়ে পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা নেয়া হোত। তখন সেই দমকলের উচ্চলয়ের বিকট ভটভটি শব্দ একমাইল দূরত্বের নিজ বাটিতে বসে কানটাকে ভারি করে দিত। আজ এই একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে আমাদের সেই আদ্যিকালের বদ্যিমার্কা ডিজেলীয় দমকল লাগানো পরিবহন ব্যবস্থা নগর সভ্যতার অলিগলিতে ইট বালু পাথর ইত্যাদির অবাধ পরিবহনে নাগরিক জীবনে যে কত অসহনীয় 5যন্ত্রনার সৃষ্টি করছে তা কি সচেতন নাগরিকসহ নগর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জ্ঞাত আছেন! তাছাড়া ভ্যাঁ ভ্যু প্যাঁ প্যুঁর ব্যাটারী চালিত রিক্সার শব্দ দূষনের পাশাপাশি বর্তমানের বহুল প্রচলিত মোটর বাইকে যে ধরনের হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করা হচ্ছে সেটাও যে ডিজেলচালিত রেলযানে ব্যবহৃত হাইড্রোলিক হর্ণের থেকে কম নয় তা এক বাক্যেই বলে দেয়া যায়।

এতো গেল, গ্রাম বাংলার মফস্বলীয় আদলের কোন এক নগর জীবনের শব্দ দূষনের কাহাবত। কিন্তু সত্তর আশির দশক পর্যন্ত এই শহরের বিশ তিরিশ ফুট রাস্তাই তো সে সময় আন্তঃজেলা সংযোগ মহাসড়ক ঘোষনায় সারাদিনে গোটা পাঁচ সাতেক মুড়ির টিনমার্কা বাস এবং মাল পরিবহনের গোটা দশেক ব্রেডফোর্ট ট্রাকই যথেষ্ট ছিল। শহরে বনেদি লোক ছিল বটে তবে তারা ছিলেন আটপৌড়ে। তবে পশ্চিমা ঘেঁষা দু'চার জন ছিলেন হয়তো, কিন্তু আতিশয্যের চলন বলনেও সেখানে রক্ষশীলতার দৃশ্যই পরিলক্ষিত হোত। মা খালাদের যাতায়তে শাড়ি পেঁচিয়ে পর্দা করা রিক্সা, টপ্পর লাগানো গরুর গাড়ি আর গণপরিবহন হিসাবে ঘোড়ার গাড়ি। ঘোড়ার গোবরের ন্যাচারাল গন্ধে রাস্তাঘাট সব সময় নিজেদের আদিমতার সৌন্দর্যে একটা আলাদা গ্রাম্য চরিত্রেরই প্রকাশ পেত। ঘর বাড়িগুলো একতলা দু’তলার মধ্যেই সীমাবিদ্ধ ছিল। তবে সংখ্যার গুরুত্বে বেশীরভাগই ছিল ইটের দেয়ালে টিনের ছাউনিওয়ালা ঘর। সেক্ষেত্রে সর্ব ভারতীয় প্রেক্ষিতে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির একটি গুরুত্বপুর্ণ জেলা হওয়ার সুবাদে এই শহরে বেশ কিছু বড় বড় স্থাপনাও লক্ষ্য করা যায়। বরেন্দ্র গবেষনা যাদুঘর, সাহেবদের বেঙ্গল কোঅপারেটিভ ব্যাংক যা সাহেব বাজারে কো অপারেটিভ হাউজ নাম নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। লালকুঠি এবং নাটোর কেন্দ্রিক জমিদারীর কিছু রাজবাড়ি যা দখলীস্বত্ত্বে সরকারী বেসরকারীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বৃটিশ আদলের লাল রঙের রাজশাহী কলেজটিকে এই অভিধায় ফেলা যায়। তবে এখন আদল পালটে গেছে। আধুনিকতার ছোয়ায় ঝা চকচকে বহুতল ভবন আর সে সবের আধুনিক স্থাপত্য শৈলি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সেই ঘোড়ার গাড়ির মামুর বেটার রাজশাহীকে এখন চেনাই দায়।


যাক, এসব ঐতিহ্য হেরিটেজ নিয়ে লেখা আমার কাজ নয়। ওসবের ধারণা দেয়ার  জন্য রাজশাহী হেরিটেজ সোসাইটি তাদের কাজ করে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে সময়ের আবর্তে পড়ে আমরা বাঙালী কুলের এই জমিনের মানুষেরা যে কোন্‌ অতলের অতলান্তে সাঁতার কাটা শুরু করেছি সেটাই এখন আমাদের ভাবাচ্ছে। ছোটবেলায় পড়েছিলাম, “তেত্রিশ কোটি মোরা নাহি কভু ক্ষীণ, হতে পারি দীন তবু নাহি মোরা হীন”।  পুর্ববাংলার শরীয়তপুর জেলায় জন্ম নেয়া এক বাঙালী অতুল প্রসাদ সেন গোটা ভারতবাসীকে স্বপ্নবাজ করে তোলার জন্য যে উদ্দীপনার কবিতা (হও ধর মেতেধীর) বিংশ শতাব্দীতে লিখে গেছেন সেই ভারতবর্ষ তো আজ দু'শ কোটি ছুঁই ছুঁই কিলবিল করা জনপদের ভূখন্ড। পরবর্তীতে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়ির ছেলেটি তার বঙ্গমাতা কবিতায় লিখলেন, “সাতকোটি সন্তানেরে যে মুগ্ধ জননী, রেখছো বাঙালী করে মানুষ করনি”। অর্থাৎ সেই একই ভূখন্ডের বাংলার জমিনেও আজ তিরিশ কোটি জনপদের পদচারনা, যার বিশ কোটি মানবকুলের ভারে নুব্জ এই স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালীর বাংলাদেশ।

সবুজ শ্যামল সোনালী ধানের ক্ষেত আর নদী নালা জলাভূমির বাংলাদেশে আজ শুধু মানুষের কোলাহল। ৩ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭২ হাজার একরের এই ভূখন্ডে জনসংখ্যা যদি ২০ কোটি হয় তবে অনুমান করতে অসুবিধা হয়না যে জনপ্রতি জমির পরিমান দাঁড়াই ০.১৮২৩৬ একর। এ হিসাব কিন্তু নদী নালা খাল বিল বন জঙ্গল সমেতই হবে। সেক্ষেত্রে ২০৫০ বা তৎপরবর্তীতে এ মাটির বাঙালী দু'পা সোজা করে দাঁড়ানোর মাটি পাবে তো? জানিনা কি বিকল্প নিয়ে বাঙালী তাদের পরবর্তী পাঁচটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাপ প্রনয়ন করবে! শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ওয়ান ইজ টু ওয়ান বা জিরো পপুলেশন গ্রোথ পরিকল্পনায় কাজ হবে কি? ম্যান,  মেশিন ও মানি ম্যানেজমেন্টের বিশ্বায়ন তো সেই আশির দশকে শুরু হয়েছে। এখনো কি এর সুষম ধারায় আমরা পা ফেলতে পেরেছি? এখনকার দিনে বা সামনের পরিকল্পনায় এই জনসংখ্যার আধিক্য এবং সেসবের ম্যানেজমেন্ট স্ট্র‍্যাটিজি কিভাবে সামাল দেয়া যাবে সেই হোমওয়ার্ক শুরু করার সময় কি পেরিয়ে যাচ্ছে না? শোনা যায় ইতোমধ্যে দু'কোটি ম্যান ম্যানেজমেন্টের বিশ্বায়ন সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু সামনের পাঁচটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় আরো পাঁচ কোটি বাঙালীর বিশ্বায়ন কিভাবে সম্পন্ন কর‍তে হবে সে হোমওয়ার্ক তো এখনই হাতে নিতে হবে! ইগোস্টিক অনুভূতি বা ধর্মীয় আবেগের মধ্যযুগীয় আবেগ দিয়ে পেটে ভাত জুটবে কি! জনসংখ্যার আধিক্যে জর্জরিত বাঙালী তার নিজ মাটিতে মাথা গোঁজার ঠাঁইসহ শেষ প্রস্থানের শয্যাটুকুর বন্দোবস্ত করে নিতে পারবে তো?  এক'শ বছর আগের লেখায় ঠাকুর বাড়ির ছেলেটির সেই বিখ্যাত কবিতা সোনার তরীর, “ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই ছোট এ তরী, আমারই সোনার ধানে গিয়েছে ভরি” কথাগুলো উচ্চারণ করতে গিয়ে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে উঠলো।  

তাইতো আপন অস্তিত্বের স্থায়িত্ব ও বিশ্ব কল্যানের আকাঙ্খায় বলতে ইচ্ছে করে, “সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ” -অর্থাৎ সবাই সুখী হোক এবং সবাই সুস্থ্য থাকুক।

বিষয়:
avertisements 2
কানাডায় এস আলমের ভাই কীভাবে মাফিয়াদের টার্গেট
কানাডায় এস আলমের ভাই কীভাবে মাফিয়াদের টার্গেট
বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ব্রিজিং কোর্সে বিদেশী ডিগ্রি অর্জন
বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষা ও ব্রিজিং কোর্সে বিদেশী ডিগ্রি অর্জন
চাকরিতে ফেরার পর এবার পদোন্নতি পেলেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনুর
চাকরিতে ফেরার পর এবার পদোন্নতি পেলেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনুর
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
আমরা কি এতই আহাম্মুক!
যুবদলের সাবেক নেতা মঈনের বেপরোয়া অপরাধ সাম্রাজ্য
যুবদলের সাবেক নেতা মঈনের বেপরোয়া অপরাধ সাম্রাজ্য
বাগেরহাটে মাজারে কুমিরের মুখে কুকুর, তারকাদের তীব্র ক্ষোভ
বাগেরহাটে মাজারে কুমিরের মুখে কুকুর, তারকাদের তীব্র ক্ষোভ
হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু
হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি
যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইরানে অস্ত্র পাঠাচ্ছে চীন, মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি
ইসলামাবাদে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-পাকিস্তান
ইসলামাবাদে সরাসরি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-পাকিস্তান
হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’
হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত
বাংলাদেশিদের ভিসা দিতে যৌথ নির্দেশনা দিলো ১৩ দেশ
বাংলাদেশিদের ভিসা দিতে যৌথ নির্দেশনা দিলো ১৩ দেশ
মৃত্যুদন্ডের রায় শুনে জয় বাংলা স্লোগান পুলিশ সদস্যের, বললেন ‘এই রায় মানি না’
মৃত্যুদন্ডের রায় শুনে জয় বাংলা স্লোগান পুলিশ সদস্যের, বললেন ‘এই রায় মানি না’
‘পাকিস্তান একটি গোটা সভ্যতাকে রক্ষা করল’
‘পাকিস্তান একটি গোটা সভ্যতাকে রক্ষা করল’
ইরানে হামলা ‘দুই সপ্তাহ স্থগিত’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প
ইরানে হামলা ‘দুই সপ্তাহ স্থগিত’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2