জালাল উদ্দিন আহমেদ
ভাবনার রকমসকম
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১১ ফেব্রুয়ারী, বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ০৯:৫০ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারী, বুধবার,২০২৬
সমসাময়িক বিষয় নিয়ে অনেক কিছুইতো লিখি। তবে আমার লেখার বিষয়বস্তু যাই হোক না কেন, সবকিছুতেই যেন একটু আধটু রাজনীতি সমাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতির ছোঁয়া লেগে যায়। বাঙালীয়ানার কথাগুলোও জুড়ে যায় সাবলীল ভঙ্গিমায়। আসলে বঙ্গ বিভাজনের কোন একটা ছোট্ট স্পট আমার হৃদয়ের কোন এক কোনে বাসা বেঁধে বসে আছে বোধ হয়। আমি মৌলানা আযাদের কথা পড়ি, সুভাসের কথা পড়ে উদ্বেলিত হয়, এমনকি শরৎ বসু বা কানা হাসিমের আকাঙ্খার কথাগুলো জেনে প্রয়াত বাল্যবন্ধু রবীন্দ্রনাথ সিংহের সঙ্গে ছাত্র সময়ের সেইসব ছোটখাট খুনসুটির কথাগুলো স্মরন করি। গান্ধী নেহেরু বা প্যাটেলদের ভারত সংগ্রামের গল্পগুলো পড়ি বটে, তবে সেসব ক্ষেত্রে কিছুটা সাম্প্রদায়িক আঁশুটে গন্ধ আমাকে বিরক্ত করে। তেমনিভাবে একজন কেতাদুরস্ত শেরওয়ানী আচকানের বৃটিশ মডেলের জিন্নাহর বোলচালে আমি ইসলামী আদব কায়দার কোন এহ্শাস (feeling)খুঁজে পাই না। আচ্ছা, আপনারা কি কেউ বর্গীদের কথা পড়েছেন! একটু ভাল করে জানুন তো এই বর্গী কারা। আবার এটাও পড়তে ভুল করবেন না যেন, সেইসব সেন পালদের কথা যাদেরকে নিয়ে আমরা বাঙালীয়ানার পুর্বপুরুষ বলে গর্বে বুক ফুলাতে চাই। এরকম কতশত জ্বালা যন্ত্রনায় যে আমাদের এই বাঙালীয়ানার পথঘাট প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থায় খাবি খাচ্ছে তার কি কোন ইয়াত্তা আছে!
কোন এক মানিক ফকির (ভদ্রলোক আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাস্পদ) জনাবকে সেদিন দেখলাম এক মুসলিম ধর্মীয় সমাবেশে বাঙালী স্বত্ত্বার একবুক জ্বালা নিয়ে কিসব বুকফাটা আর্তনাদের মত চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। তার ক্ষেত্রে বলা এই চিৎকার চেঁচামেচি শব্দগুলো বেমানান হলেও নিজের খেদকে তার আকাঙ্খার সঙ্গে সংমিশ্রন করার তাগিদেই হয়তোবা এই চাঁছাছোলা শব্দ যুগল আমার কলমের খোঁচায় বেরিয়ে এল। অবশ্য আমাদের বর্তমান সময়ের প্রথম আলো আর আনন্দ বাজারীয় হাটবাজারের তথাকথিত আঁতেল সাহেব-বাবুদের কাছে ওসব রাস্তার ক্যানভাস সমতুল্য বলে মনে হওয়ার কথা। কারন একটাই - সেখানে বিশ্ব মোড়ল মাত্ববরদের কথা নেই, নেই কোন জিও পলিট্রিক্সের কথা, এমনকি তসলিমা নাশরিনদের মত সুড়সুড়িও সেখানে অনুপস্থিত। একজন মানিক বাবুর বাঙালীয়ানার বুকফাটা আর্তনাদ তাদের কাছে স্রেফ রাস্তার সস্তা কথা হতে পারে। কিন্তু তারা কি কখনো ফোর্ট উইলিয়ামের পাশ ঘেঁসে সতের শতাব্দীতে খনন করা ‘'মারাঠা খালে’র ইতিহাস পড়েছেন! (অবশ্য সেই খাল এখন নেই। মারাঠা ডিচ লেন বা বর্তমানের আউটার সার্কুলার রোড় হয়েছে সেখানে। এইতো সেদিনও অর্থাৎ ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত সেই খাল ময়লা ফেলার ভাগাড়ে ছিল)। তারা তাদের আঁতেলীয় এই সত্তর পঁচাত্তর বছর আয়ুর দুচার ঘন্টা কি সেই খালের উপর চলমান আচার্য জগদীশ বসু রোডে পা রেখে নিজেদের আত্মমর্যাদার নবাব আলীবর্দী খানের সেইসব ‘বাঙালী বাঁচাও'এর কাহিনীগুলো ঘেঁটে দেখেছেন? “খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে”র এসব কাহিনি চিত্র বা ছড়া গানের আসল বুনিয়াদী শিক্ষা কি বাঙালী তনয়দের কখনো পড়ানো হয়! যদি তাই হোত তাহলে আমার তরুন সময় কালের বন্ধুতুল্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আশীষ ব্যানার্জীকে আজ রাজনীতির এমএলএ হয়ে পুজা বা ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করে তার বিধায়কত্বের পপুলারিটির প্রমান দিয়ে সময় নষ্ট করা লাগতো না। হয়তোবা ইতোমধ্যে গনেশ উৎসব, দিওয়ালী, শবে বরাতও তার রাজনৈতিক কর্মসূচীতে include করার কাজটি সম্পন্ন হয়ে গেছে।
আমরা ছেচল্লিশের ক্যালকাটা কিলিংএ গোপাল পাঁঠার নৃশংসতায় একপক্ষ যেমন আঁতকে উঠে চোখের কোনে শোকের জল মুছি, তেমনি সেই গোপালের বীরত্ব গাঁথা তৈরী করে অন্যপক্ষ চোখের দ্যুতি ছড়ানো চকমকি দিয়ে নিজেদের বীরত্বগাঁথা তৈরীতেও পিছপা হইনা। যেমন আজকের দিনে বাপুজি হন্তা নথুরাম গডসেকে নিয়েও হচ্ছে। এসবের মূল সুতিকাগার যে গলায় পৈতা ঝুলানো ঘি মাখিয়ে পিচ্ছিল করা সেইসব ব্রাহ্মণ্য গুষ্টি কিংবা মাথায় জিন্নাহ কাপ লাগানো জায়নামাজে তসবিহ পাঠের তথাকথিত মওলানা সাহেব সৃষ্ট জটিল অংকের মারপ্যাঁচ - সেটাওতো আমরা জানি। কিন্তু নিতাই শ্যামল কমলদের মত বর্ণ প্রথার শিকারগুলো কিংবা আরমান বাবর আকবরদের মত প্রান্তিক হাড়হাভাতে মানুষগুলো আর কতকাল ওইসব বাবু / মাত্ববরদের তুরূপের তাস হয়ে ধর্ম বৈষম্যের পারসেন্টেজ বাড়াবেন, সেটা কি বলার সময় এখনো আসেনি। দেশের গার্মেন্টস শিল্পের মহিলা শ্রমিকদের যৌন নিপীড়ন করা এক নষ্ট চরিত্রের বাংলাদেশী দিপু দাস যখন সাধারন জনতার প্রতিবাদের রোষে গণ পিটুনীতে নিহত হয়ে গোটা ভারত ভূখন্ডের “হিন্দু আইডল” হন, তখন কোন মাপকাঠিতে ভর করে ভারতের মত এতবড় রাষ্ট্রটি আজ চলমান - সেতো ক্লাস টেন পড়ুয়া ছেলেটিও বুঝে! সাম্প্রদায়িক রঙ লাগিয়ে সেদেশের সরকার পরিচালিত মিডিয়া যখন সেই দিপু দাসকে “আমাদের হিন্দু” বলে দু’দেশের সম্পর্কের বাঁধন ছিঁড়তে চায় তখন স্বাভাবিক প্রশ্নগুলো মাথাচাড়া দেয় না কি? “আমাদের হিন্দু” বলতে তারা কি বুঝাতে চান? এসব করতে গিয়ে কি আজ আমরা দুটি দেশ নিজেদের মধ্যে সহবস্থানের বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছি না!
একটি অজানা এবং সুপ্তপ্রায় তত্ত্ব ও তথ্য উত্থাপিত হলে সত্যিকার অর্থে এই ভারতীয় উপমহাদেশ অগ্নিগর্ভ ভিস্যুভিয়াসে পরিণত হবে, সে খবর কি রাষ্টেবিজ্ঞানী তথা সমাজ বিজ্ঞানীদের মাথার ঘিলুতে আছে? আজকে ক্ষমতার পদলেহনে নিজেদের চাকচিক্য ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধির উন্নাসিকতায় দেশের বুদ্ধিবৃত্তির মানুষগুলো কেমন যেন ক্ষমতার ঢাক ঢোল বাজাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে সাম্প্রদায়িকতার মোড়কে রাজনীতি করা মানুষেরা দেশের উলঙ্গ, অর্ধ উলঙ্গ এবং হাড় হাভাতে মানুষদের ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে নিজেদের ক্ষমতার রাজদন্ডটি বাগিয়ে নেয়। ফিরে তাকান সেই সাম্প্রদায়িক স্ফুলিঙ্গময় ঊনিশ'শো সাতচল্লিশের দিকে। যে সাম্প্রদায়িক বিষ ঢেলে ভারতের মত একটি সর্বধর্ম সমন্বয়ের মহান দেশকে তিন টুকরো করা হয়েছিল সে জ্বালায় তো তারা এখনও জ্বলছে। ১৯৪৭ এর পর থেকেই পাকিস্তান পুরোটাই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে বিধায় সাতচল্লিশের পর সাম্প্রদায়িক জাতিস্বত্ত্বা নিয়েই তারা এগিয়েছে। এভাবে চলতে গিয়ে পুবের পাকিস্তান অংশ তারা হাতছাড়া করেছে। ফলে পুর্ব পাকিস্তান স্বাধীন স্বত্বা নিয়ে আজ সর্বধর্মের বাংলাদেশ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। ধর্ম নিরপেক্ষ সিলমারা ভারত গত এক দশক ধরে ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদ’কে ধর্ম বানিয়ে এক মৌলবাদী চরিত্রের কাঠামোয় এগোতে চাচ্ছে। ফলে সে দেশের হিন্দুত্ববাদের ধর্মীয় কাঠামোর সমস্ত অংগ প্রতঙ্গ আজ হিন্দু ইজমের রঙে রঙ্গিন হয়ে উঠতে চলেছে। সেক্ষেত্রে সে দেশের ৩০ কোটিরও বেশী সংখ্যালঘু মুসলমান ভারতবাসী আজ ধর্মীয় সংখাগুরু হিন্দু জনগোষ্ঠীর প্রত্যক্ষ এবং হিন্দু প্রধান রাজনৈতিক সরকার ব্যবস্থার পরোক্ষ নির্যাতনে জর্জরিত হচ্ছে। সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি মানসিক শারিরিক ও আর্থিক নির্যাতন আজ প্রকাশ্য কর্মধারার রূপ নিয়েছে। এতো গেল রূপান্তরের ট্রান্সিসনে (transition) থাকা ভারতের চিত্র। কিন্তু পাকিস্তানী ইসলামী জোশে বেড়ে উঠা পুর্ব পাকিস্তান যখন তার বাঙালীয়ানার জোশে ধর্মীয় কুপমন্ডুকতা ঝেড়ে ফেলে সকলের জন্য ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠন করলো, ঠিক তার চার দশক পর তাদেরই আইডল হিসাবে অধিষ্ঠিত ভারত রাষ্ট্র আজ ধর্মীয় রাষ্ট্রের রূপ নিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে আজকের বাস্তবতায় স্বাভাবিক নিয়মেই বাংলাদেশের ধর্মভীরু মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব ও জাত্যাভিমানের অস্মিতায় ধর্মীয় রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়ছে। আর এই বাস্তবতায় ভারতীয় উপমহাদেশের এই তিনটি রাষ্ট্র ধর্মভিত্তিক মৌলবাদী রাষ্ট্রের রূপ গ্রহনে নিজেরা একে অপরের জাতশত্রু হিসাবে আবির্ভূত হয়ে অগ্নিগর্ভ ভারতীয় উপমহাদেশ সৃষ্টির দিকেই পা বাড়াচ্ছে বলে মনে হয় না কি?।
আজকের দিনে শুধুমাত্র পশ্চিমের এক মুসলিম রাষ্ট্রের তোপের মুখে তটস্থ অবস্থায় রয়েছে ভারত। শোনা যায় সেই রাষ্ট্রটিকে সামাল দিতে গিয়ে ভারতের বাজেটের পঁচিশ শতাংশ গচ্চা দিতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে পুবের আর একটি মৌলবাদী রাষ্ট্র পুনর্বিন্যাসে তাদের আরও পঁচিশ পার্সেন্ট বাজেট বরাদ্দ কি তারা আগাম রেডি রেখেছে? ভারতের মনে রাখা প্রয়োজন, তারা বহুজাতিক রাষ্ট্র। সেক্ষেত্রে এই হিন্দু হিন্দু ক'রে গলা ফাটানো মোহ তাদের নিজেদের অস্তিত্বের স্থায়িত্বে বড়জোর এক থেকে তিন দশক স্থায়ী হবে কিনা সেটা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ওই হিন্দুত্বের মোহ যখন আদানী আম্বানীদের পেটে গিয়ে আম্টা ঢেকুর তোলা শুরু করবে তখন খ্রীষ্টপুর্ব আড়াই হাজার বছর আগের সেই আশোকীয় শৌর্য বীর্যের তান্ডব পরবর্তী চেহেরায় ভারতের পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন পড়বে না তো? ঘোরী তুঘলক হালাকু কিংবা বখতিয়ার খিলজিরা না আসুক, ভবিষ্যতের নতুন কোন গ্রীক পারসিক বা ইমাম মাহাদীদের আগমন ঘটবে কিনা তা সময়ই বলে দিবে। সুতরাং সময় থাকতে সাধু সাবধান। যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের ধর্মীয় গোঁড়ামীর ভুলগুলো শুধরে নিয়ে জাতি গঠনের মৌলিক চরিত্র গঠনে নজর দিন। মনে রাখা প্রয়োজন, ধর্ম দিয়ে জাতি গঠন করা যায় না। জাতি গঠিত হলেই তখন নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতায় দেশ সম্মানিত হয়। জাতিস্বত্ত্বার সুষমকরন না করে শুধুমাত্র ধর্মকে ম্যাটার (matter) করে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়া যায় না।
ভাবনার রকমসকম
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করল বিএনপি
জোট রাজনীতিতে এনসিপি, হতাশ তরুণ ভোটাররা: মীর স্নিগ্ধ
জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা: আইজিপি
ডিজিএফআইর অফিসে আলাদা কক্ষে কার্যক্রম চালাত 'র'
নির্বাচনী প্রচারণার সময় শেষ, এবার ব্যালটের লড়াই
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না ভোটাররা: ইসি
হোটেলে গোপন ক্যামেরার বাণিজ্য: পর্নো সাইটে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছেন অতিথিরা
‘এক পুলিশ জড়িয়ে ধরে বাঁচাতে চাইলে রাগে তাকে সরিয়ে দিই’
পাকিস্তানে মসজিদে হামলা, সন্দেহের তীর প্রতিবেশী দেশের দিকে
‘১২ তারিখ পর্যন্ত আপনারা চাঁদাবাজি করবেন না’-বিএনপি প্রার্থী
চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু
হিজাবের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমালোচনার মুখে মামদানি
জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠন করবে না বিএনপি
ভোটের মৌসুমে মাদক ব্যবসা রমরমা
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



