avertisements 2

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলজুড়ে আতঙ্ক, বাঙ্কারেও স্বস্তি পাচ্ছে না

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২ মার্চ,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:০২ এএম, ৩ মার্চ,মঙ্গলবার,২০২৬

Text

ইসরায়েলের ওপর দশম দফায় ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এই নজিরবিহীন আক্রমণে পুরো ইসরায়েলজুড়ে চরম আতঙ্ক ও অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমনকি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র তথা বাঙ্কারে অবস্থান নিয়েও ইহুদিবাদীরা প্রাণের স্বস্তি পাচ্ছে না বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে অধিকৃত পশ্চিম তীরে। সেখানে কোনো কার্যকর 'হোম ফ্রন্ট অ্যালার্ট সিস্টেম', বিমান হামলার অ্যালার্ম কিংবা পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র না থাকায় বাসিন্দারা চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক ক্ষেত্রে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ব্যর্থ হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার রাতের দিকে হামলার গতি কিছুটা কম থাকলেও সোমবার সকাল থেকে ইসরায়েলে ভারী বোমাবর্ষণ শুরু করে ইরানি বাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় মুহুর্মুহু বিকট বিস্ফোরণের শব্দে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হচ্ছে। তবে এই বিস্ফোরণগুলো ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপশন নাকি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে হচ্ছে, তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে, রবিবার পশ্চিম জেরুজালেমের নিকটবর্তী ইসরায়েলি শহর বেইত শেমেশে একটি সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্রে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে। এই ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তত ৯ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গত জুন মাসের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। বর্তমানে ইসরায়েলিদের দীর্ঘ সময় ধরে—একেক দফায় টানা তিন ঘণ্টা পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে অবরুদ্ধ থাকতে হচ্ছে। বাঙ্কারে দীর্ঘ সময় অবস্থানের এই বাধ্যবাধকতা ইসরায়েলি নাগরিকদের মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোও এখন আর নিরাপদ মনে করছে না সাধারণ মানুষ।


উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের কঠোর জবাব দিতেই এই পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ যেমন— কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরানি বাহিনী। 

সূত্র: আল-জাজিরা

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2