avertisements 2

আইনের হাত থেকে বাঁচতে আট বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশ!

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৭ নভেম্বর,শনিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:০৭ এএম, ৮ নভেম্বর,রবিবার,২০২৬

Text

পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে আসামিরা কত কিছুই না করে! তবে তুর্কি নাগরিক তুঘরুল বাশার যা করেছেন, রীতিমতো তা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। ভুয়া পরিচয়ে ডাকাতি মামলার তিন বছরের জেল এড়াতে আট বছর ধরে নারীর ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন এই ব্যক্তি। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের নজরদারি ও আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় ধরা পড়ে যায় তার পরিচয়।

ওই ব্যক্তির নাম তুঘরুল বাশার। ২০১০ সালে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে তিনটি ডাকাতির ঘটনায় আদালত তাকে কারাদণ্ড দেন। কিন্তু কারাগারে যাওয়া এড়াতে ২০১৮ সাল থেকে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। এরপর থেকেই পুলিশ তাকে খুঁজছিল।

সম্প্রতি ইস্তাম্বুলের কাদিকয় জেলায় পলাতক আসামিদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের একপর্যায়ে বাশারকে আটক করা হয়। তবে তাকে শনাক্ত করতে বেশ বেগ পেতে হয় পুলিশকে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নারীর ছদ্মবেশে নিজের বোনের পরিচয়ে বসবাস করছিলেন।

পুলিশের নজরে আসে, বাশারের বোনের বাড়িতে একই পরিচয়ে দুই তরুণী যাতায়াত করছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাদের ওপর নজরদারি শুরু করেন তদন্তকারীরা। পরে আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, দ্বিতীয় নারী আসলে পলাতক আসামি বাশার।

বাশারের চেহারায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসায় পুরোনো ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করা কঠিন ছিল। এ পরিবর্তন নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও তিনি মেকআপ ও ছদ্মবেশের আশ্রয় নিয়েছিলেন, নাকি লিঙ্গ পরিবর্তন করেছিলেন—তা নিয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

গ্রেফতারের সময় বাশারের কাছে তার বোনের পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তবে আঙুলের ছাপ পরীক্ষায় পরিচয় জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

তুরস্কের সিভিল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থায় নিজের নাম বা লিঙ্গ পরিবর্তনের কোনো নথি না থাকায় তাকে পুরুষ হিসেবেই কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। আট বছর ধরে ছদ্মবেশে থাকার পরও শেষ পর্যন্ত আইনের হাত থেকে রেহাই পেলেন না বাশার।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2