avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

পাগলা জগাই 

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৪ নভেম্বর, বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:৩৯ পিএম, ৪ নভেম্বর, বুধবার,২০২৬

Text

একটি শক্তিধর রাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট তিনি। জনতা, নির্বাচন, গণতন্ত্র, মানবতা, মানবাধিকার, সহমর্মিতা, নৈতিকতা, পারস্পারিক সম্মানবোধ এবং জন চাহিদার পাঠ শেষ করেই তো তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রের প্রধান হয়ে ওই সম্মানিত চেয়ারে বসেছেন। কিন্তু একজন পাঁড় ব্যবসায়ী যখন তার ব্যবসার আঙ্গিনা ছেড়ে রাজনীতির আঙ্গিনায় পদার্পন করে এভাবে তার ব্যবসায়িক আচরনে বিশ্বের দেশে দেশে তার ব্যবসায়িক গুটির চাল চালতে থাকেন তখন আমি আপনি বা ঐ সুব্রত বসুর মত পোড় খাওয়া সাংবাদিক কতটুকু এগিয়ে এসে আমাদের আলোর পথ দেখাতে পারবেন! এই ‘'পাগলা জগাই” উপাধিটি কিন্তু ভারতীয় প্রখ্যাত সাংবাদিক জনাব সুব্রত বসু মহাশয়ের মুখ থেকে পাওয়া। ইদানীং অবশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যানে নতুন নতুন গজিয়ে উঠা কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের সাংবাদিক আচরনের বহুমুখী সংবাদ প্রবাহে সমাজের না বলা কথাগুলো অকপটে সাধারনে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে একটি আত্মিক সচেতনতায় সমাজের মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণী তাদের বলার ও ফোকাসড হওয়ার রাস্তাগুলো খুঁজে নেয়ার মাপজোক করতে শিখছে। তবে বুর্জোয়া ধনবাদী বিভাজনের এই সমাজ কাঠামোয় আমাদের মত স্বার্থপর পরিযায়ী ও পরজীবি এই সিংহ ভাগের মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্তের দল কিভাবে তাদের আগোছালো সামাজিক পরিমন্ডলে একাট্টা হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলাবে সেটাই সহস্রবর্ষীয় প্রশ্ন। কারন এপিজে আবুল কালাম, আব্দুল কাদির খান, মোহন দাস করম চাঁদ, মোদি মুজিবরা এই মধ্য নিম্ন মধ্যবিত্তেরই প্রডাক্ট। কেউ চাকরী বাকরি করে আপন উচ্চতা তৈরী করে লুটেরা লুম্পেন শাসকের হাত শক্ত করেছেন। কেউবা নিজ কারিশমায় শাসকের খাতায় নাম লিখিয়ে ‘কি হনুরে’'র গ্যঁড়াকলে পড়ে নিজের অর্জনকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে ফেলেছে। ক্ষনিকের তৃপ্তি নিয়ে দু'একটি সামাজিক আলোড়ন সৃষ্টি হলেও আখেরে সেসব  কালের আবর্তে ধনবাদী আঁচলে গড়াগড়ি খেয়ে বিলুপ্ত হয়ে ইতিহাসে ঠাঁই নিয়েছে। এক্ষেত্রে সুব্রত, যোগেন্দ্র, আবুল, ইলিয়াস, পিনাকীরা তাদের বাউন্ডারীর বাইরে এসে কি ঐসব সমাজ খেকো আদানী আম্বানী বা ধর্ম খেকো আচার্য ব্রহ্মাচার্য ও পীর মুরিদী আলেম মশায়েখদের গায়ে আঁচড় লাগাতে পারবেন! 


বিষয়টি জটিল হলেও এসব অসম্ভবকে সম্ভব করেছে আজকের দিনের এই  দিব্যচক্ষুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অবজেক্টগুলির অন্তুর্দৃষ্টির সুকল্যানে আজ আমরা ঘরে বসে দুনিয়ার জাগতিক হালচালের হাঁড়ির খবরগুলি পেয়ে যাচ্ছি। শুধু জেনে যাচ্ছি বললে কম বলা হবে। আমরা রাজনীতি জ্ঞান বিজ্ঞান শিল্প সংস্কৃতির বহু ক্ষেত্রেই এসবের মাধ্যমে শিক্ষিত হচ্ছি। তাছাড়া রাজনীতি সচেতনতার ক্ষেত্রে এই সোশ্যাল মিডিয়া এখন আমাদের প্রধান মেন্টর হিসাবে কাজ করছে। সত্যিকার অর্থে এই সোশ্যাল মিডিয়া বিশ্বের আনাচে কানাচের জনপদে ছড়িয়ে পড়া এক অপরিহার্যতার নাম। একজন রাষ্ট্র প্রধান যেমন তার কর্ম ব্যস্ততার অবসরে এক ঝলক ওসব দেখে বা শুনে একটু হলেও সচেতন হন, তেমনি আমজনতারর কৃষক শ্রমিকও তাদের কাজের ফাঁকে এই দিকে একটু নজর দেন। আবার কচি বাচ্চা কাচ্চা থেকে শুরু করে ঘরের গৃহিনীরাও এই মাধ্যমে ঢুকে কেউ ভবিষ্যতের সচেতন নাগরিক কেউবা অন্ধকার জগতের মাফিয়া হয়েও দাঁড়িয়ে যায়। সুতরাং নিউটনের সেই তৃতীয় সূত্রের আদলে এই সোশ্যাল মিডিয়ার মেরুকরন ও ঘৃণা এবং এলগরিদমের ফাঁদ সমাজের স্বাভাবিক অবস্থা অস্বাভাবিকতার কালো ছায়ায় দূষিত করে দিতেও সময় নেয় না। তবে সচেতনতাটাই মূখ্য বিষয় ধরে আমি আমার পাগলা জগাইদের নিয়ে এগোতে চাই।


সুব্রত বসু একজন প্রখ্যাত ভারতীয় সাংবাদিক। তার বহুমুখী কনটেন্টগুলি বেশ শিক্ষণীয়ও বটে। তার আলোচনায় বিশ্ব অবরোধ বা স্যাঙ্কশান (sanctions) নিয়ে বিশ্বের মোড়ল রাষ্ট্রটির প্রেসিডেন্ট যেভাবে এই বিষয়টিকে ডালভাতের সঙ্গে কাঁচামরিচ মাখিয়ে বাঙালী কৃষকের বৈশাখী আহারে পরিণত করেছেন তা সত্যিই হতাশা ব্যঞ্জক। শুধু sanctions কেন, তার বিশ্ব জয়ের বাসনা, ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধের ‘গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়লীয়’ ঘোষনা, ইউরোপীয় ঠান্ডার দেশ গ্রীনল্যান্ড কিনে নেয়া কিংবা পাশের বৃহৎ রাষ্ট্র কানাডাকে তার দেশের ৫১তম রাজ্য বানানোর খায়েস, এমন কি ল্যাটিন আমেরিকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধানকে তার গুন্ডা কমান্ডো দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে এসে নিজ দেশে বন্দি করে রাখাসহ এইসব অর্থনৈতিক Tarrif sanctionsএর নাটকীয় ঘোষনা সত্যিই তাকে আজ কলকাতার শ্যামবাজারের পাগলা জগাইয়ের আসনে বসিয়েছে বলে আমরাও মনে করি। ও হ্যাঁ, তার দেশের ভারতীয় অভিবাসীদের যেভাবে শিকল পরিয়ে বিমানে ফেরত পাঠানোর নাটক তিনি মঞ্চস্থ করিয়েছেন তা পৃথিবীর মানব সভ্যতার চরমতম অপমান বলে মনে করি আমরা। তাছাড়া ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ বন্ধের নাটকে তার অস্ত্র ব্যবসার নাটক আমরা দেখেও না দেখার ভান করছি সেটাও একটা বাস্তব ঘটনা। এসব বিষয়াবলী নিয়ে মি.বসুর জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেশন সত্যিই আমাদেরকে আলোর পথ দেখায়।


প্রসঙ্গক্রমে আর একজন ভারতীয় অধ্যাপকের চ্যানেল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অশান্তি ও যুদ্ধ বিগ্রহ নিয়ে আলোচনায় যুদ্ধবাজ ইজরাইলী প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেদিডেন্টকে নিয়ে বেশ কয়েকটা টাইটেল পেয়েছি। মুর্শিদাবাদের একটি মফস্বল কলেজে ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক জনাব আব্দুল হালিম তার 'পদাতিক’ চ্যানেল এর মাধ্যমে  ইরানকে নিয়ে বিশ্বের মোড়ল রাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের জমিনে অবৈধ দাখলীস্বত্ত্ব নেয়া জায়নবাদী রাষ্ট্রটির রসি টানাটানির আপডেট পাই। তিনিও কম যান না। মধ্যপ্রাচ্যের মাটিতে ইরান-ইজরাইল-আমেরিকার এই ত্রিমুখী যুদ্ধের আপডেট তিনি আমাদের ঘরে পৌঁছে দিয়ে বেশ আপনজন হয়ে গেছেন। যুক্তিহীন আনবিক শক্তি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরন ইত্যাদির খোঁজে বিশ্বের ঘৃণিত রাষ্ট্র ইজরাইলের আজ্ঞাবহ হয়ে আমেরিকা যেভাবে তার বাহাদুরী দেখাতে গিয়ে ঐ জনপদে হত্যা ধ্বংসের নরুন বাজাচ্ছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে তাবড় বিশ্ব মনে করে। এখানে জনাব আব্দুল হালিমের সুমধুর উচ্চারনের কসাই মাফিয়া ইজরাইলের চাকর ইত্যাদি উপাধি দিয়ে বিশ্ব মোড়লটি ও জায়নবাদী প্রধানমন্ত্রীকে সম্বোধন করে তার কনটেন্টগুলি আমাদের সামনে উপস্থাপন করছেন তা শ্রুতিশ্রাব্যে কিছু মানুষের কাছে ‘বি গ্রেড’ পেলেও আমজনতার জনপ্রিয়তায় তা দশে দশ। আবার বিশ্ব উত্তাপ থেকে বেরিয়ে এসে যখন আমরা আমাদের ভূখন্ড লাগোয়া উপমহাদেশের রাজনীতি ও শাসন নীতির হাল হকিকত নিয়ে হিন্দি বাংলা ইংরেজী কনটেন্টগুলি দেখি তখন কিন্তু এঙ্করদের পার্টিজান গন্ধের ভারে আক্রান্ত হই। তাদের সেই পক্ষ বিপক্ষের কনটেন্টগুলি তখন আমাদেরকে ঐ এলগারিদমের ফাঁদে ফেলার প্রয়াস বলেই মনে হয়। অবশ্য সাধারন মানুষ এসবের সুক্ষ্ম  ইনস্টিঙ্কটগুলো ধর‍তে পারেনা বলে তা হিতে বিপরীত হয়। বিশেষ করে বাঙালী অধ্যুষিত ভূখন্ডের অতি বুদ্ধিজীবির মাথাগুলো সামাজিক চ্যানেলে যেভাবে তাদের রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও রাজনীতির বিশ্লেষনে গলাবাজি করেন তা অনেকক্ষেত্রেই আমাদেরকে বিমর্ষ করে।  


তবে যতই বিমর্ষ হই বা পুলকিত হইনা কেন, সততা স্বচ্ছতা ও বাস্তবতার নিরিখে চিন্তা করলে পৃথিবী তার আপন স্বচ্ছতা ও শুদ্ধতায় মানব জীবনের বাসযোগ্য হয়েই অম্লান থাকবে। দিকে দিকে আজ জেন জি জেন আলফার গর্জনে শুদ্ধতার জয়গানে উচচকিত হচ্ছে। বিশ্বের আট’শ কোটির প্রায় অর্ধেকই জেন-জি জেন-আলফা পর্যায়ের। শিক্ষা দীক্ষা, আধুনিক চিন্তা চেতনায় তারা জেনারেশন X,Y এর থেকে অনেক এগিয়ে। তাছাড়া জীবন চাহিদার মূল্যায়নে আজকের সময়ের ক্ষমতার হাল ধরে রাখা XYরা তাদের জন্য কোন সুফল এনে দিতে না পারার কারনে আজ দেশে দেশে জেন-জি অসন্তোষ ও হতাশা বেড়েই চলেছে। ফলে চারিদিকে জেন-জি দের বিষ্ফোরন লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে চলেছে। ফলস্বরূপ দেশে দেশে বিদ্যা ও বুদ্ধিবৃত্তি চর্চার বদলে ক্ষমতা ও যুদ্ধ বিগ্রহের সূচনা হচ্ছে। আর এসবের ফাইনাল প্রোডাক্ট হচ্ছে আমাদের আজকের আলোচনার পাগলা জগাই, য্যুদ্ধবাজ, কসাই, মাফিয়া, স্বৈরাচার ইত্যাদির কর্কশ কন্ঠের শব্দগুলি। 

দুনিয়াতে শান্তি আসুক। সর্বে ভবন্তু সুখিঃ ন!

বিষয়:
avertisements 2
পাগলা জগাই 
পাগলা জগাই 
পঞ্চম মেয়াদে মার্কিন সিনেটে জিতলেন ফিলিস্তিনি রাশিদা তালিব
পঞ্চম মেয়াদে মার্কিন সিনেটে জিতলেন ফিলিস্তিনি রাশিদা তালিব
মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন প্রথম সমকামী পুরুষ
মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন প্রথম সমকামী পুরুষ
শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের নামে অস্থিরতায় নেপথ্যে কারা
শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের নামে অস্থিরতায় নেপথ্যে কারা
স্বামীর ৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় স্ত্রী কারাগারে 
স্বামীর ৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় স্ত্রী কারাগারে 
খুলনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
খুলনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাঁতি দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯
যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের সংকট ও তার উত্তরণের পথ
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের সংকট ও তার উত্তরণের পথ
শ্রমিক অসন্তোষে ৫২৯ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা
শ্রমিক অসন্তোষে ৫২৯ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা
খুবিতে র‍্যাগিং, মারপিট ও মাদকের দায়ে ৩০ শিক্ষার্থীর, বহিষ্কার ১০
খুবিতে র‍্যাগিং, মারপিট ও মাদকের দায়ে ৩০ শিক্ষার্থীর, বহিষ্কার ১০
পুলিশের ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যেসব কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
পুলিশের ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যেসব কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
ভিসা জটিলতায় হাতছাড়া হচ্ছে গ্রিসের শ্রমবাজার
ভিসা জটিলতায় হাতছাড়া হচ্ছে গ্রিসের শ্রমবাজার
আর যা-ই হোক, নেতানিয়াহুর সরকার গঠনের সুযোগ নেই: ইয়ার লাপিদ
আর যা-ই হোক, নেতানিয়াহুর সরকার গঠনের সুযোগ নেই: ইয়ার লাপিদ
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
তাহসিফের মৃত্যুতে বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো বন্ধু দীপকে
তাহসিফের মৃত্যুতে বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো বন্ধু দীপকে
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2