avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের সংকট ও তার উত্তরণের পথ

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২ নভেম্বর,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:২৬ পিএম, ২ নভেম্বর,সোমবার,২০২৬

Text

পৃথিবীত সাধারনতঃ গরীব ও উন্নয়শীল দেশেই যতশত অনাচার কুশাসন এবং স্বৈরতান্ত্রিক মানষিকতার শাসন ব্যবস্থায় মানব জাতির সুশাসন ও সমবন্টনের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে যুগে যুগে এই শ্রেণীর জনপদে গণতান্ত্রিক সমাজ ও সরকার ব্যবস্থার আকাঙ্খা দৃঢ় হয়েছে। জনমানুষের গণ আকাঙ্খায় গণতান্ত্রিক সরকার ও শাসন ব্যবস্থা তাদের কাছে পরম আকাংখিত এবং আরাধ্য হিসাবে ধরা দেয়। একটি আদর্শ শাসনব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের সার্বভৌমত্ব, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা এবং নিয়মিত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। তবে উন্নয়নশীল বা রূপান্তরকালীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে প্রায়শই গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নানা ধরনের চড়াই-উতরাই পার হতে হয়। তাত্ত্বিক কাঠামোর বাইরে বাস্তব রাজনীতির মাঠে গণতন্ত্রের এই সংকটের রূপটি বহুমাত্রিক। ইদানীংকার গণতান্ত্রিক চর্চার মেকি আচ্ছাদনে জড়িয়ে থাকা দেশ সমূহের দিকে তাকালে দেখা যায় এই বহুমাত্রিকতা বেশ বহুরূপীই বটে। কোথাও ধর্ম, কোথাও অর্থ, কোথাওবা গোষ্ঠী দ্বন্দ মাথাচাড়া দিয়ে এই জন সম্পৃক্ততার গণতান্ত্রিক চর্চায় বাগড়া দিয়ে এর মূল চেতনাকে ভূলুন্ঠিত করে। যার দরুন জনগণতান্ত্রিক দেশের জনগনের ইচ্ছা অনিচ্ছার মূল্য তাদের তথাকথিত নির্বাচিত সরকার কখনোই কাজে কর্মে প্রতিফলন ঘটাতে পারেনা। ফলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রেই এইসব তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশে গণ অসন্তোষ অবধারিতভাবেই মাথাচাড়া দেয়। 

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রায়শঃ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় সেসব দেশের নির্বাচন বেশ জাকজমক আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তাদের সংসদ অধিবেশন এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক আচরনের অনুষ্ঠানাদি বেশ ঢাক ঢোল পিটিয়ে আয়োজিত হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে গণতন্ত্রের ভেতরের মূল চেতনা বা গুণগত মান দুর্বল থাকে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা এই চলন বলনের গণতন্ত্রকে প্রায়শঃ ক্ষেত্রে 'হাইব্রিড রেজিম' বা 'ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র' বলে অভিহিত করে থাকেন। এই ত্রুটিপুর্ণ গণতন্ত্র রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। দলীয় গণতান্ত্রিক আচরনে তথাকথিত হাইব্রীড রেজিমের অনুশীলন জাকজমকপুর্ণ ভাবেই অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের মাধ্যমে এই গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রন হয়ে থাকে। সেখানে তৃণমূল পর্যায়ে কর্মী অনুশীলনের বাধ্যবাধকতা একেবারে নেই বললেই চলে। তাছাড়া কর্মী অনুশীলন ও মতামতের মাধ্যমে তাদের নেতা নেত্রী তৈরী হয়না। লোক দেখানো দ্বিবার্ষিক বা ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল হয়তোবা হয়, কিন্তু সেটা হয় মোটামুটি একটা পিকনিক স্টাইলে। খাওয়া দাওয়া আলাপ বক্তব্যের পর কেন্দ্রীয় কমান্ড থেকে পাঠানো প্যান্ডোরার বাক্স খোলার স্টাইলে একটি বড় খাম খুলে মনোনীত নামগুলো মাইকে ঘোষনা করা হয়। 

তৃতীয় বিশ্বের গণতান্ত্রিক মোহর লাগানো দেশ সমূহের শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য না থাকার ফলে সেসব দেশে কেন্দ্রীভূত ব্যক্তি হুকুমের ইচ্ছামাফিক তা পরিচালিত হয়। ফলে সরকারী মেকানিজমের এসব অতি আবশ্যক বিভাগগুলিতে অতিকেন্দ্রীয় প্রবনতা লক্ষ্য করা যায়। অবশেষে রাষ্ট্রযন্ত্র একসময় একদলীয় শাসনে রূপ নেয়। এছাড়া নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো যখন নিরপেক্ষতা হারিয়ে সরকারী দলের আজ্ঞাবহ যন্ত্র হিসাবে কাজ করতে শুরু করে তখন সাধারণ মানুষের এই ব্যবস্থার ওপর আস্থা কমে যায়। সর্বোপরি দেশের অত্যাবশ্যকীয় রাষ্ট্রযন্ত্র ও প্রশাসনিক বিভাগ যখন গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একমুখী আচরনে প্রকাশ্য হয়ে পড়ে তখন সত্যিকার অর্থে সেটা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার দেশ বলা চলে না। তবে এসবই আজকাল উন্ময়নশীল দেশের গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মূল চিত্র বা চরিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত হলো জনগণের ভোটাধিকার। উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে যখন নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তখন তা সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তিকেই নড়বড়ে করে দেয়। ভোটারদের উদাসীনতা এবং নির্বাচনের প্রতি অনীহা গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় বিপদ সংকেত। গণতন্ত্রের প্রাণ হলো ভিন্নমতের সহনশীলতা। মুক্ত গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের পথ যখন আইনি বা মনস্তাত্ত্বিক নানাবিধ বাধার কারণে সংকুচিত হয়, তখন সুস্থ ধারার রাজনৈতিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়। সমালোচনাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে দেখার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। 

তৃতীয় বিশ্বের সমাজ কাঠামোয় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও চরম মেরুকরণ একটি বড় সমস্যা। বিরোধী দলকে শত্রু ভাবার রাজনৈতিক সংস্কৃতি সুস্থ বিতর্কের পথ বন্ধ করে দেয়। জাতীয় স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থ বড় হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরেও অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার অভাব দেখা যায়। এছাড়া অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশ সমূহে রাজনীতির গণতান্ত্রিক চর্চায় ধর্মকে জড়িয়ে ফেলা একটি বড় অন্তরায় বলে মনে করা হয়। সেক্ষেত্রে ধর্ম নিরপেক্ষ পথে রাজনীতির চর্চা সেসব দেশে বেশ দূরুহ এক ব্যাপার। বরঞ্চ ধর্মকে সামনে রেখে গণতন্ত্রকে এক নতুন সংজ্ঞায় ফেলে দেশে দেশে আজকাল গণতন্ত্রের পিন্ডি চটকানোর কাজগুলি ভালাভাবেই সেরে নেয়া হচ্ছে। ফলে গণতন্ত্রের অন্যতম লক্ষ্য সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এছাড়া জবাবদিহিতার অভাবে যখন দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয় এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ে, তখন সাধারণ মানুষ গণতন্ত্রের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করে।

গণতন্ত্রের এই সংকট থেকে উত্তরণ কোনো একক পক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত প্রচেষ্টাঃ---         
১। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সম্পূর্ণ স্বাধীন, শক্তিশালী ও দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে হবে।  
২। প্রতিটি নাগরিক যাতে নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার নিশ্চয়তা তৈরি করা।                                                   
৩। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ, সমঝোতা এবং জাতীয় ইস্যুতে একমত্য গড়ে তোলার সংস্কৃতি চালু করা। দলগুলির মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চার সংস্কৃতি কঠোরভাবে মেনে চলার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন কর‍তে হবে।      
৪। জাতীয় পর্যায়ে সচেতন, সোচ্চার এবং নিরপেক্ষ নাগরিক সমাজ গড়ে তোলা অত্যাবশকীয়। এর ফলে গণ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে যা সরকারের কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পথকে মসৃণ করবে।

আজকের এই একবিংশের বটতলায় দাঁড়িয়ে যখন দেখি সবকিছু হাতের মুঠোয় এসে গেছে তখন সেই সার্বজনীন অনুশীলনের অভাবটি  আস্তেধীরে মানুষের সঙ্গে মানুষের দূরত্ব তৈরী করে ফেলে। সবকিছু তৈরী হওয়ার বা করার জন্য এখন আর কঠোর অনুশীলন বা কৃচ্ছ্বসাধনের প্রয়োজন পড়েনা। তবে সবকিছু তো আর সিস্টেমে ফেলে বোতাম টিপে করতলগত করা যায় না। গণতন্ত্রের চর্চাটিও ঠিক এরকম একটি বিষয় যার ডিজিট্যাল সলিউশান নেই। সমঝোতা, সহমর্মিতা, পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও নৈতিকতার সম্মিলনে এবং দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলনের মাধ্যমে এর ভিত রচনা করতে হয়। জনগনের প্রতি ভালবাসার নৈতিক মূল্যায়নে এর ভিত মজবুত হয়। মনে রাখা প্রয়োজন, গণতন্ত্র কোনো তৈরি পোশাক নয় যে রাতারাতি গায়ে চাপানো যাবে, এটি একটি চলমান ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। দেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি যদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ না ঘটে, তবে সেই উন্নয়ন টেকসই হয় না। মনে রাখতে হবে, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক ত্রুটি বিচ্যুতিগুলোর দিকে না তাকিয়ে উন্নয়ন করে দেশকে গণতান্ত্রিক হিসাবে গড়ে তোলার স্বপ্প ‘ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা’ ছাড়া আর কিছুই নয়। সুতরাং গণতান্ত্রিক অনুশীলনের মাধ্যমে তার ত্রুটি বিচ্যুতিগুলো চিহ্নিত করে তা সংশোধনের মাধ্যমেই কেবল একটি সত্যিকারের কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।


 

বিষয়:
avertisements 2
যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯
যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের সংকট ও তার উত্তরণের পথ
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের সংকট ও তার উত্তরণের পথ
শ্রমিক অসন্তোষে ৫২৯ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা
শ্রমিক অসন্তোষে ৫২৯ পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা
খুবিতে র‍্যাগিং, মারপিট ও মাদকের দায়ে ৩০ শিক্ষার্থীর, বহিষ্কার ১০
খুবিতে র‍্যাগিং, মারপিট ও মাদকের দায়ে ৩০ শিক্ষার্থীর, বহিষ্কার ১০
পুলিশের ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যেসব কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
পুলিশের ৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যেসব কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
ভিসা জটিলতায় হাতছাড়া হচ্ছে গ্রিসের শ্রমবাজার
ভিসা জটিলতায় হাতছাড়া হচ্ছে গ্রিসের শ্রমবাজার
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ
তাহসিফের মৃত্যুতে বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো বন্ধু দীপকে
তাহসিফের মৃত্যুতে বাবার মামলা, গ্রেপ্তার দেখানো হলো বন্ধু দীপকে
আর যা-ই হোক, নেতানিয়াহুর সরকার গঠনের সুযোগ নেই: ইয়ার লাপিদ
আর যা-ই হোক, নেতানিয়াহুর সরকার গঠনের সুযোগ নেই: ইয়ার লাপিদ
ডিভি লটারি পুনরায় চালুর আদেশ আদালতে স্থগিত
ডিভি লটারি পুনরায় চালুর আদেশ আদালতে স্থগিত
লিবিয়া থেকে ফিরে এলেন বাংলাদেশি ১৭২ নাগরিক 
লিবিয়া থেকে ফিরে এলেন বাংলাদেশি ১৭২ নাগরিক 
ইসরায়েলে জয়ের পথে বিরোধীদল, ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে নেতানিয়াহুকে?
ইসরায়েলে জয়ের পথে বিরোধীদল, ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে নেতানিয়াহুকে?
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দৈনদশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দৈনদশা
বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্লাইট বিলম্ব
বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্লাইট বিলম্ব
গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু : সেই কিশোরের জামিন
গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু : সেই কিশোরের জামিন
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2