কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৮ জানুয়ারী,
বুধবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:১৫ এএম, ২৮ জানুয়ারী,
বুধবার,২০২৬
আমি কবিতা লিখি, না খাই,
না ধারন করি - কোনটাই বুঝিনা।
কেউ বলবেন, কবিতা আবার
খাওয়ার জিনিস নাকি!
আমিও তো তাই বলি
অবুঝ মনের অছ্যুত ছায়াটা
আমাকে বার বার খোঁচা দিয়ে
বলতে চায় - সব ঠিক আছে।
জন্ম থেকে বারো পেরিয়ে তিরিশ
তিরিশ থেকে ষাট অব্দি
অবশেষে অন্তিম এন্তেজাম
কিন্তু আমি তো আমিই।
ওরাও কি তাই
ওদের দিনরাত্রির চরাচর
ওসব বলেনা, বলতে চায়না
ওরা ঘোড়সওয়ারী রাজ পুত্তর।
আর এরা!কেতাবী কথার গোঁসাই
লাল ঝান্ডায় রাজপথের কমরেড
পানসে চুপসানো ফানুস
ওদেরই পিছনে জুবুথুবু।
কিন্তু কেন এই সালতামামি!
এমন তো কথা ছিল না
সাইদ মুগ্ধদের উড়ানো পালে
ওসমান হাদির নোঙর করা ঘাটে
এক আপোষহীনার অন্তিম যাত্রায়
ইস্পাত কঠিন অশ্রুজলে -
প্রত্যয়দীপ্ত জনতা জানান দিল
এ মাটি ও মানুষ শুধুই বাঙালীর।
জেন জি! তোমাদের মুষ্টিবদ্ধ
প্রত্যয়ী উচ্চারনের দ্যুতি
সে এক হেমিলিয়নের বাঁশি
উচ্ছসিত বাঙালী হৃদয়।
তবুও দুর্বৃত্ত রাজনীতির পাটাতনে
তোমরাও তড়পাচ্ছ শ্রেণীবদ্ধ হয়ে
ঠিক যেন পচাপ্যাঁক পুকুরের
খাবি খাওয়া কাতলা মাছসম।
অন্তর্বর্তীর এরা পড়েছে ফ্যাপড়ে
মনে হচ্ছে গাঁও গঞ্জের
চাষা বেপারীর একেক’জন
কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা।
ভোট করতে হবে, কাঙ্খিত চাহিদায়
জনগনের নির্বাচিত সরকার হবে।
কাঠামোর সংস্কার! ওটার কি হবে!
কার দায়, কে ধরিবে হাল।
দায়গ্রস্ত অন্তর্বর্তীর আকুলতা-
বলেই চলেছে নিরলস।
আর রাজনীতির আধারগুলো!
ব্যস্তসমস্ত, পাশ ফেলের যোগবিয়োগে।
শুধুই কি ক্ষমতা বদলের ভোট
৩৬ জুলাইয়ের উচ্চারন কোথায়!
জুলাই সনদ-সংস্কার-গণভোট
ওসব কি অধ্যাদেশেই শেষ!





