avertisements 2
Text

জালাল উদ্দিন আহমেদ

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দৈনদশা

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৯ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ১১:৪৩ পিএম, ২৯ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,২০২৬

Text

বাংলাদেশ তার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করেছে এই কয়েকদিন হোল। কিন্তু জন্মের এতদিন পরেও কি বাংলাদেশ তার মূল চেতনার অন্যতম স্তম্ভ হিসাবে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়পরায়ণ ও গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে? স্বাধীনতার পর হতে গত অর্ধ শতাব্দী এই নবীন রাষ্ট্রটির গণতান্ত্রিক যাত্রা কি মসৃণ ছিল? সামরিক শাসন, স্বৈরাচারীর উত্থান পরবর্তীতে বেসামরিক মোড়কে একনায়কতান্ত্রিক মডেলের চর্চা এদেশে গণতন্ত্রকে একটি গভীর সংকটের মুখে দাঁড় করিয়েছে। জনমানুষের ভোটাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরনের লক্ষে মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলার মানুষ লক্ষ প্রানের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করে নিজেদের লাল সবুজের পতাকাকে সমুন্নত করেছে। রক্তচোষা পাকিস্তানী শাসকদের নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়েও বাঙালী আজ নিজ মাটির পারিবারিক পরম্পরার চক্রে ব্যক্তি-ফরমাইসী মডেলের গণতন্ত্রে বন্দী হয়ে পড়েছে। এ যেন কথিত তথাকথিত পাকিস্তানী বাইশ পরিবারের নতুন সংস্করন। এই রাজনৈতিক সংকটের গভীরতা, প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় এবং এর থেকে উত্তরণের পথ খোঁজা আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত কয়েক দশকে সবচেয়ে বড় যে বিচ্যুতিটি ঘটেছে, তা হলো আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বদলে ব্যক্তিপূজা বা ব্যক্তি স্তুতির সংস্কৃতির প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান। রাজনৈতিক দলগুলো পর্যায়ক্রমে এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছে যেখানে দলের শীর্ষ নেতাই সর্বেসর্বা। দলের ভেতরে ভিন্নমত প্রকাশের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি, যা স্বৈরাচারী মানসিকতার জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতি এখন আর জনগণের ম্যান্ডেট বা নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে চলে না, বরং তা নির্ধারিত হয় শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছা এবং ফরমাইশের ওপর। এই ‘ব্যক্তি-ফরমাইসী’ মডেলে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ব্যক্তি বা পরিবারকে খুশি রাখাই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের প্রধান লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। ফলে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে স্তাবকতা বা তোষামোদের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে, যা সুস্থ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ভেতর থেকে সম্পূর্ণ ফাঁপা করে দিয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, নেতৃত্বের পরিবর্তন কোনো গণতান্ত্রিক কাউন্সিল বা অভ্যন্তরীণ নির্বাচনের মাধ্যমে ঘটে না। এটি মূলত পারিবারিক উত্তরাধিকার বা বংশানুক্রমিক পরম্পরার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। স্বাধীনতার পর থেকে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব নির্দিষ্ট কয়েকটি পরিবারের হাতেই আবর্তিত হয়েছে। এই পারিবারিক পরম্পরার রাজনীতি দলগুলোকে এক ধরনের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করেছে। এর ফলে মেধাবী, সৎ এবং যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে ওঠার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। দলের প্রতি দশকের পর দশক ত্যাগ স্বীকার করা প্রবীণ ও যোগ্য নেতারাও কেবল ‘পরিবারের’ সদস্য না হওয়ার কারণে শীর্ষ নেতৃত্বে আসার সুযোগ পান না। এই পারিবারিক আয়োজনের কারণেই গণতন্ত্র বারবার দিক হারিয়েছে এবং ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু গুটিকয়েক মানুষের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

একটি কার্যকর গণতন্ত্রের মূল শর্ত হলো রাষ্ট্রের স্তম্ভগুলোর—বিশেষ করে নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগের—মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকা। কিন্তু বাংলাদেশে গত অর্ধ শতাব্দীতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে চরমভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে।বিচার বিভাগকে যখন কোনো নির্দিষ্ট দলের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানানো হয়, তখন সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থলটুকু ধ্বংস হয়ে যায়। বিচারক নিয়োগ থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় পর্যন্ত সর্বত্র রাজনৈতিক প্রভাবের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। এর ফলে আইনের শাসন নির্বাসনে গেছে এবং ‘যার ক্ষমতা, তার আইন’—এমন একটি বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।৷ পুলিশ, র‍্যাব এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীকে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার পরিবর্তে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার দলীয় লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। বিরোধী মত দমন, গুম, খুন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোতে রাষ্ট্রযন্ত্রের এই অংশগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। দলীয়করণের এই চূড়ান্ত রূপ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পেশাদারিত্ব থেকে বিচ্যুত করে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো, দেশে বারবার ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক পতন। গণ-অভ্যুত্থান এবং জানমালের বিশাল ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হলেও, শাসকগোষ্ঠীর মৌলিক মানসিকতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পতনের পর মানুষ যখন বুক ভরা আশা নিয়ে নতুন ভোরে গণতন্ত্রের প্রত্যাশা করে, তখনই দৃশ্যপটে পুনরায় হাজির হয় সেই একই পারিবারিক পরম্পরা এবং ব্যক্তিপূজার পুরনো নকশা। একদল শোষকের বিদায়ের পর অন্য দল এসে একই পদ্ধতিতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। প্রশ্ন জাগে—এই চক্রের শেষ কোথায়? কতবার এ দেশের মানুষ রক্ত দেবে আর কতবার সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে পুনরায় ব্যক্তি ও পরিবারের শাসন কায়েম হবে? এই সংকটের মূল কারণ হলো ক্ষমতার কাঠামো বা ‘সিস্টেম’-এর সংস্কার না করে কেবল ‘মুখ বদল’ করা। যতক্ষণ পর্যন্ত না শাসন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করা হবে, ততক্ষণ এই গোলকধাঁধা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।৷ এই অন্তহীন বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু মৌলিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। 

রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর থেকে পারিবারিক উত্তরাধিকার প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে। দলের নেতৃত্ব নির্বাচন হতে হবে তৃণমূলের কর্মীদের ভোটে এবং মেধার ভিত্তিতে, কোনো নির্দিষ্ট বংশের পরিচয়ে নয়। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে। এ জন্য সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। কেবল পাঁচ বছর পর পর ভোট দেওয়াই গণতন্ত্র নয়। জনগণের সার্বক্ষণিক সচেতনতা এবং শাসকগোষ্ঠীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। মুক্ত গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের স্বাধীন ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক স্তর থেকে ব্যক্তি স্তুতির আয়োজন ও সংস্কৃতি আইনগত এবং সামাজিকভাবে বর্জন করতে হবে। ইতিহাসকে কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবারের ফ্রেমে বন্দী না করে জনগণের সামগ্রিক ত্যাগের স্বীকৃতি দিতে হবে।

শান্তি ও সৌহার্দের বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংকট কোনো একক দলের বা নির্দিষ্ট সময়ের সৃষ্টি নয়, এটি গত অর্ধ শতাব্দীর পুঞ্জীভূত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার ফল। পারিবারিক পরম্পরা ও ব্যক্তি ফরমাইসী শাসনের যে মডেল এ দেশে গেড়ে বসেছে, তা ভাঙার সময় এসেছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে আজ একজোট হয়ে এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। ব্যক্তি বা পরিবারের দাসত্ব নয়, বরং জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল এই সংকটের স্থায়ী অবসান ঘটতে পারে। তবেই শহীদদের রক্ত এবং সাধারণ মানুষের আজন্ম লালিত গণতান্ত্রিক স্বপ্ন ও চেতনা সার্থকতা পাবে।

বিষয়:
avertisements 2
গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু : সেই কিশোরের জামিন
গাড়িচাপায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু : সেই কিশোরের জামিন
লিবিয়া থেকে ফিরে এলেন বাংলাদেশি ১৭২ নাগরিক 
লিবিয়া থেকে ফিরে এলেন বাংলাদেশি ১৭২ নাগরিক 
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দৈনদশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে গণতন্ত্রের দৈনদশা
ইসরায়েলে জয়ের পথে বিরোধীদল, ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে নেতানিয়াহুকে?
ইসরায়েলে জয়ের পথে বিরোধীদল, ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে নেতানিয়াহুকে?
ছুটি বিতর্কে ভাইরাল ইউএনও,সেবা না পেয়ে ফিরছেন মানুষ
ছুটি বিতর্কে ভাইরাল ইউএনও,সেবা না পেয়ে ফিরছেন মানুষ
সরতেই হচ্ছে পুলিশ প্রধানকে
সরতেই হচ্ছে পুলিশ প্রধানকে
জাপানের ৬ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি
জাপানের ৬ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি
১ সপ্তাহে ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব
১ সপ্তাহে ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব
এবার খলচরিত্রে অভিনয় করতে চান নায়িকা পূর্ণিমা
এবার খলচরিত্রে অভিনয় করতে চান নায়িকা পূর্ণিমা
জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা
জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা
বিয়ের দাবিতে স্কুলশিক্ষিকার অনশন, লাপাত্তা প্রেমিক সহকারী জজ
বিয়ের দাবিতে স্কুলশিক্ষিকার অনশন, লাপাত্তা প্রেমিক সহকারী জজ
ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছে জেন-জি, কেন ক্ষুব্ধ তরুণরা?
ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছে জেন-জি, কেন ক্ষুব্ধ তরুণরা?
‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’, ফেসবুক পোস্টে এসিল্যান্ড
‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’, ফেসবুক পোস্টে এসিল্যান্ড
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০ নারী থেকে ২৪ লাখ রুপি হাতিয়ে নেন যুবক
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০ নারী থেকে ২৪ লাখ রুপি হাতিয়ে নেন যুবক
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়াল
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়াল
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর  আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির  দুই বাংলাদেশীর  মৃত্যু
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
‘পারসন অব দ্য ইয়ারে’ ভূ‌ষিত হলেন বসুন্ধরা এম‌ডি
avertisements 2
avertisements 2