জালাল উদ্দিন আহমেদ
হচ্ছেটা কি!
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৩ অক্টোবর,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:৪০ পিএম, ১৩ অক্টোবর,মঙ্গলবার,২০২৬
আবারও 'হচ্ছেটা কি' দিয়েই কলম ধরতে হোল। গত সপ্তাহে ‘রাজনীতির চেনা চেহারা’র উপর নিবন্ধ লিখতে গিয়ে এই হচ্ছেটা কি দিয়ে আমাকে শুরু করতে হয়েছিল। আসলে আমরা এত আত্মবিস্মৃত কেন? জানিনা এদেশে এক সুরে এক তালে এক লয়ে আমরা বাংলাদেশীরা কবে কোমর শক্ত করে দাঁড়িয়ে কাঁধে কাঁধ মিলাবো। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নবোধক তিরিশ লক্ষ আর এই সেদিনের জুলাই যুদ্ধের জাতিসংঘ স্বীকৃত চৌদ্দ'শ প্রাণের মূল্য কি এতই টুনকো! তিরিশ লক্ষ প্রাণ বিসর্জনের উচ্চতা ছোঁয়ার সামর্থ ও স্পর্ধা কোনটাই আমার নেই। সেটা ছিল জাতিস্বত্বার মিউটেশন করানোর মাধ্যমে নিজের ভূখন্ড বুঝে নেয়ার আকাশচুম্বী এক মরনপন সম্মুখ যুদ্ধ, যার মধ্য দিয়ে বাঙালী বাংলাদেশী হয়ে তার আপন অস্মিতায় প্রস্ফুটিত হয়েছে। আর চৌদ্দ'শ প্রানের বিনিময়ে চব্বিশের জুলাই যুদ্ধ ছিল অন্য ধাঁচের। স্বাধীন স্বত্বার শাসকেরা দেশকে অপশক্তির যোগ সাজসে স্বৈরশাসনের মাধ্যমে যে কলোনিয়াল রাষ্ট্রের রূপান্তরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল, তা থেকে মুক্ত করার সংগ্রাম ছিল এই জুলাই যুদ্ধ। এ যুদ্ধে বাংলাদেশী স্বত্বাকে পুনর্জীবিত করে কোমর শক্ত করে দাঁড়ানোর রসদ খুঁজে পেয়েছি আমরা।
সত্যি কথা বলতে কি, আমরা প্রকৃতপক্ষেই অবিমৃষকারী এক আত্মবিস্মৃত জাতি। এই যে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চান্নটি বছর পার করে দিলাম, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশী হয়ে কোমর শক্ত করে দাঁড়াতে পেরেছি কি? গত শতাব্দীর একাত্তরে একবুক আশা নিয়ে নিজেদের ঘর বাঁধলাম বটে কিন্তু সামগ্রিকতায় তা কি পরিপুর্ন ছিল? রাজনৈতিক আলাপচারিতায় কিংবা জনসভার বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেকে অনেক কথাই বলে থাকেন কিন্তু কোন দলের পক্ষ থেকে জাতীয় কনভেনশন ডেকে কেউ কি কোন জাতীয় ঐক্যমতের ফ্যাক্ট সীট খাঁড়া করে জাতিকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন! আজকে ঐ বাচ্চা কাচ্চাদের বীরত্ব গাঁথার চাদরে লালসালু বিছিয়ে যারা ক্ষমতার সুরুয়ায় অবগাহন করছেন তাদের কয়জন ছিলেন সেই বীরত্বে গাঁথা জুলাই অভ্যুত্থানের ফ্রন্ট লাইনে! আইনতঃ দন্ডনীয় হব কিনা জানিনা, আজকের মহামান্য সাহেব তো গলা উঁচিয়ে জনসভা বা প্রেস মিটে বলেই দিয়েছেন আমরা এই অভ্যুত্থানের কোন পার্ট না। এটা স্রেফ ওই জেন জিদের অবদান। তাহলে পিনাকী কনক ইলিয়াসরা কোন পর্যায়ে পড়ে! নাম না নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করা শ্রেয় মনে করেই বলছি চব্বিশের জুলাই আন্দোলন পুর্ববর্তী সময়কালে যে সব মুখগুলো সাধারন মানুষের খুব কাছাকাছি এসে বাঙালীকে উজ্জীবিত করেছিল ঠিক সেই তারাই কিন্তু আগের মত আজকের দিনে ঘটে চলা রাষ্ট্রীয় অনিয়মের কথাগুলি বলে যাচ্ছেন। তারা ক্রিটিক, তারা দেশপ্রেমী তারা সত্যিকার অর্থেই দেশের ভাল দেখতে চান। সুতরাং বহুল কথিত সেই বন্যরা বনে সুন্দর কথাটির উচ্চারনে বলতে চাই যেভাবে গন্তব্যের ট্রেনগাড়ীকে মালগাড়ির লটবহরে পরিণত করা হচ্ছে তাতে লাইন চ্যুতির সম্ভাবনাই বেশী।
আজকে জুলাই পক্ষের যোদ্ধা হিসাবে এনসিপিকে কাউন্টার দেয়ার জন্য যাদেরকে রাষ্ট্রযন্ত্রে incorporate করা হচ্ছে তারা হঠাৎ কোন এক fine morningএ ক্ষমতাসীন আদর্শিক পক্ষের জন্য ভবিষ্যতের ঘুনপোকা হবে কিনা সেটা নিয়ে কেউ কি ভেবেছেন! বর্তমান পারিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য যাকে মাফিয়া স্বৈরাচারীর পা ছুঁয়ে কদমবুসী করে আশীর্বাদ নিতে দেখেছিলাম তিনি কোন্ আদর্শের সৈনিক! মনে রাখা প্রয়োজন, জিয়া-খালেদার আদর্শ মেনে যারা পথে-ঘাটে গ্রামে-গঞ্জে কাদামাটি ঘেঁটে ধুলাবালি উড়িয়ে তাদের নেতা নেত্রী ও তনয়ের সম্মানকে সুউচ্চ রেখে জেল জুলুম অত্যাচার ও আয়নাঘরের হাজারো নির্যাতনেও মাথা নোয়ায়নি তারাই তো রাজনীতি ও শাসননীতির আইকন হবেন। শত ঝড়ঝঞ্জা ডিঙ্গিয়ে জনগনের সাথে থেকে তাদের সেবক হওয়ার কথা। তাদেরকে কেন এই রাষ্ট্রযন্ত্রের ঠুনকো কেরানীমার্কা দায়িত্ব দিয়ে রাজনীতির চিরভাস্মর ঐতিহ্যকে জলাঞ্জলি দিতে হবে! আজকে তর্কাতীতভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কতিপয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এমনকি জেন জি অপভ্রংশের কিছু অচেনা মানুষজনকে ক্ষমতার চেয়ারে বসিয়ে চেয়ারম্যান পরিচালক সচিব পরামর্শক উপদেষ্টা নামক হাজারো পদে গদ্দিনশীন করিয়ে দেশের মাথাভারী প্রশাসনকে আরো ভারী করা হচ্ছে। এতে করে দলীয় কর্মকান্ডে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে টিকে থাকা মানুষজন আস্তেধীরে নীরব হয়ে পড়ছেন। আর সুযোগ সন্ধানী মাসলম্যান দাদাগিরির ধারকরা দলে শক্ত অবস্থান তৈরী করে দেশে সংঘটিত বর্তমান অরাজকতা ও লুটপাট চাঁদাবাজিতে জড়িত হয়ে দেশটাকে টালমাটাল করে দিচ্ছে। এসব বিষয়ে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। নইলে কখন যে সাধের সিংহাসন ও আমত্য পারিষদের বহর হুড়মুড়িয়ে চিতপটাং হয়ে আকাশ পানে চেয়ে ‘'আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দেরে তুই’ বলে মাতম করতে থাকবে - সে সবের ইতিহাস কি খুব বেশী দূরের!
বাস্তবে যারা রাজনীতি করে চুড়ায় উঠেছেন তারা কিন্তু এসব ব্যাপারে যথেষ্ট যত্নবান বলেই মনে হচ্ছে। তবে ব্যতিক্রম যে একেবারেই নেই তা কিন্তু বলা যাবেনা। সেক্ষেত্রে আমদানী করা মাল মসলাগুলো ‘বোঝার উপর শাকের আঁটি’ হয়ে ভারী মাথাটাকে আরো বেশী ভারী করে তা বিষফোঁড়ে রূপ নেয় কিনা সেটা বিবেচ্যে আনা উচিত ছিল না কি? একটি মিমাংসিত ইস্যুকে যেভাবে হেডলাইন করিয়ে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও রাজনৈতিক প্রাজ্ঞতা দেখাতে চাওয়া একজন উপদেষ্টা সামাজিক ও রাজনীতির অঙ্গনে ঝড় তুলতে চাইলেন তা কি দেশের বর্তমান স্টাবলিশমেন্টের ভারসাম্যে inconsistecy তৈরী করছে না? এসব নিয়ে ভাবা উচিত। এসব অযাচিত কথাবার্তা বলে দেশের সাধারন মানুষের কাছে বর্তমান স্টাবলিশমেন্ট যে সিকস্তির পথে পা বাড়াচ্ছে তা কিন্তু আঁচ করা যায়। এধরনের কুল শ্যাম দুটোকেই সন্তুষ্ট রাখার শিরোনামে থাকতে চাওয়া মানুষজনকে নিয়ে বেশী করে ভাবা উচিত। জাতীয় রাজনীতি ও সমাজিক প্রবাহের প্রতিকুলে থাকা বিষয় নিয়ে আগ বাড়িয়ে এসব কথাবার্তা বলার কি খুবই প্রয়োজন! তাছাড়া ওই পরাজিত এবং পলাতক রাজনীতিকে টেনে এনে ওসব জ্বলে পুড়ে খাক হওয়া তুষের আগুনে ফু দেয়ার দরকার পড়ছে কেন? আপনারা কি লক্ষ্য করেননি, রাজনীতির এত এত মহারথী তাদের হেঁসেলে রয়েছে, পোড় খাওয়া ঝুনা ইটের সেইসব মহামানবদের রাজনীতির ন্যুনতম শালীনতা, দুঃখবোধ এবং অনুশোচনা কি আজ পর্যন্ত চোখে পড়েছে বা কানে শুনা গেছে। উলটো প্রতিবেশী মিত্রকে বাংলার আমজনতার শত্রু বানিয়ে তারা ওদের মেহমানখানার শোভা বর্ধন করে দিব্যি ঘুরছে ফিরছে আর আমাদের অহংকারের জেন-জি ও বর্তমান অবস্থানকে হুমকি ধামকি দিয়ে নিজেদের সব হারানোর জ্বালা মেটাচ্ছেন। একটানা পনের বছর দেশে একনায়কন্ত্রের রাজ করে, দেশটাকে সার্বিক বিবেচনায় পঙ্গু করে এবং বর্তমানে প্রতিবেশীর ঘরে আশ্রয় নিয়ে তাদেরকেও আমাদের চিরশত্রু বানানোর মচ্ছবে উঠেপড়ে লেগেছে তারা। আগ বাড়িয়ে ওই অভিশপ্ত রাজনীতিকে নিয়ে এত মহৎ বা বিজ্ঞ হতে চাওয়ার মানে কি? গায়ে পড়ে চুলকিয়ে ঘা বাড়ানোর এই উদ্যোগ সত্যিকার অর্থে কোন্ বার্তাটি দেয় তা কি রাজনীতির পোড় খাওয়া মানুষজন বুঝেন না!
পরিশেষে বাঙালির মেধা, মনন এবং তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিশ্বখ্যাত মনীষী ও চিন্তাবিদগনের বিভিন্ন তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য ও বক্তব্য দিয়ে আমার এই নিবন্ধের ইতি টানতে চাই। বাঙালীর বুদ্ধিমত্তা যেমন প্রশংসিত হয়েছে, ঠিক তেমনি তাদের কর্মবিমুখতা বা অলসতা নিয়েও মনিষীরা কটাক্ষ করেছেন। বৃটিশ ভারতের প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক ও রাজনৈতিক গুরু গোপাল কৃষ্ণ গোখলের বক্তব্য প্রায়শই আমি উদ্ধৃত করি। কারন তার এই বয়ান সত্যিকার অর্থে বাঙালী হিসাবে আমাকে গর্বিত করে। তার সেই বিখ্যাত উচ্চারন What Bengal thinks today, India thinks tomorrow বাঙালীদের অগ্রগামী চিন্তা ও মেধার গভীরতাকে বুঝানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিলের ভাষা অনেক তীক্ষ্ণ এবং ঝাঁঝালো। তিনি বাঙালীদেরকে নিয়ে বলেছেন, বাঙালীরা তর্কে পারদর্শী এবং তাদের বুদ্ধিমত্তা তীক্ষ্ণ, তবে সেটা মাথায়, বাহুবলে নয়। আবার বৃটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বলেছেন, তারা বুদ্ধিমান ও আবেগপ্রবন জাতি, অসাধারন মেধার অধিকারী এই জাতি কাজের চেয়ে তর্কে বেশী সময় নষ্ট করে। সেক্ষেত্রে ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর বাক্যটি তির্ষক হলেও তা বেশ চিন্তার খোরাক জোগায় বৈকি! তিনি বলছেন, প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ মেরে দিয়েছেন যে মালা তিলক টিকিতে কিংবা টুপি লুঙ্গি দাড়িতে ঢাকবার উপায় নেই। আবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই আবেগী বক্তব্য আমাদের চোখ কান খুলতে সাহায্য করে, সাতকোটি বাঙালীরে হে মুগ্ধ জননী/রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি। এক্ষেত্রে সময়ের সন্তান হুমায়ুন আযাদের কথাটি দিয়ে শেষ করতে চাই। তিনি রসাত্মক উপায়ে এই ব্যঙ্গাত্মক কথাটি বলে বাঙালীকে সতর্ক করেছেন বলেই মনে করি, ”মানুষ মরণশীল, বাঙালি অপমরণশীল।"
ধন্যবাদ!
হচ্ছেটা কি!
সমুদ্র সৈকতে ৫০ ফিট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক ‘দানব’
অস্ট্রেলিয়ায় জনসমর্থন কমল পলিন হ্যানসনের ওয়ান নেশন পার্টির
সরকার ভারতের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে, লড়াই চলবে:ককরোচ জনতা পার্টি
শিক্ষার্থী তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজু কক্সবাজার থেকে আটক
জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, আটক ১
মাঝ আকাশে বিমানে আগুন, ব্যাগ দিয়ে নেভানোর চেষ্টা যাত্রীদের
সুন্দরবন ঘেঁষে তৈরি ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ
খুলনায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
সিডনির পথে এক গাড়িতে শাবনূর-রবি চৌধুরী, বন্ধুর সঙ্গে গাইলেন গান
যেভাবে কুমিল্লায় হত্যার শিকার হন স্কুলছাত্রী তাজমিন, তদন্তে রহস্য উদঘাটন
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন
অস্ট্রেলিয়া সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর আহত ৩
কংগ্রেস বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: বিজেপি
‘আম্বানি কি ভারতের আসল বস?’ মাস্কের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
নাতিদের জন্য মহানবী (সা.) যে দোয়া করেছেন
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু



