জালাল উদ্দিন আহমেদ
যে কথা হয়নি বলা-৪
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২১ মে,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৩:৩৬ পিএম, ২১ মে,বৃহস্পতিবার,২০২৬
গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে জন্ম নেয়া এই আমি আমাদের মা মাসিদের সেই ‘খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে' ছড়া গানটির ব্যাক আপ সিনারিওর কিছু কথাবার্তা বলে শুরু করতে চাই। আঠার শতাব্দীর প্রথমভাগে(১৭৪০-৪১ হবে) ভারতীয় মারাঠীরা কেমন যেন সন্ত্রাসী লুটেরার রূপ ধারন করে ভারতীয় পুর্বাঞ্চলের শস্য শ্যামল বাংলা উড়িষ্যার ধন সম্পদের দিকে তাদের লোলুপ থাবা বসাতে থাকে। সে সময় বাংলাকে বলা হোত ভারতের শস্যভান্ডার। ওদিকে মহারাষ্ট্র ও মধ্য ভারতে কিছুটা খাদ্যাভাব ও অভাব অনটন দেখা দিয়েছিল। শিবাজীর শিষ্যরা এমনিতেই দুর্ধষ্য বেপরোয়া। ফলে তারা অস্ত্র সজ্জিত যোদ্ধা বেশে বাংলার মেদনীপুর বর্ধমান ও হাওড়া হুগলি এলাকায় এসে লুটপাট করে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করতো এবং যাওয়ার সময় বাড়িঘর সম্পদ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে চলে যেত। সে সময় বাংলার নবাব ছিলেন আলিবর্দি খান। তিনি প্রথমদিকে তাদেরকে তাড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা ঠেকাতে পারেন নি। তবে তিনি কলকাতা শহরকে মারাঠী বর্গীদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য শহরের পাশ ঘেঁসে পরিখা খনন করে দেন। সেই পরিখাটি মারাঠা খাল নামে পরিচিত। সে খালের অস্তিত্ব এখন আছে কিনা এবং এখনকার প্রজন্ম সেটা সমন্ধে কতটুকু জানেন তা আমার জানা নেই। সুতরাং যাদের সঙ্গে থেকে আমরা সর্বভারতীয় সৌহার্দ ও সম্প্রীতির স্বপ্ন বুনে ভারতকে মহান সেকুলার রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিলাম তার মূলে কি আমরা কখনো পৌঁছাতে পেরেছি! সাতচল্লিশে একবুক জ্বালা নিয়ে বাঙালীর সামগ্রিকতা যখন খান খান হয়ে গেল তখন কিন্তু একজাতীয় ধর্ম ব্যবসায়ী আচকান শেরওয়ানীর সঙ্গে মাথায় জিন্নাহ ক্যাপ লাগিয়ে বেশ কিছুদিন হালুয়া রুটির জমকালো আয়োজনে ভালই কাটিয়েছিল। ওদিকে চুড়িদার পাঞ্জাবী আর রুহিতপুরি ধুতির সঙ্গে কপালে আবীরের তিলক পরা বাবুরা একহারা নেংটিমারা ধুতির জটওয়ালা সাধু সন্তদের দিয়ে খোল করতাল আর ঢাকীদের নিয়ে ভালই পুজা পার্বন করিয়ে হাড় হাভাতে বাঙালীকে বুঁদ করে রেখেছিল বলেই মনে হয়।
সময় পাল্টেছে। সাতচল্লিশ থেকে একাত্তর পর্যন্ত পুর্ব বাংলার বাঙালী নিজস্ব অনুশীলনে আপন বাঙালী অস্তিত্ব বিনির্মানে নিজেদের জাত চিনালো। তারা বুঝিয়ে দিল ধর্ম দিয়ে জাতি তৈরী করা যায় না। ভিন ভাষী ভিন সংস্কৃতির মানুষকে নিয়ে আপন মাটি ও মানুষের স্বকীয়তায় আনা যায়না। একজন মাদ্রাজী দু’জন উড়িয়া বা বিশজন বিহারী কিংবা তেরজন ইউপি মুসলমান বাংলাতে ঢুকিয়ে মুসলিম বাংলা বানানো যায়না। বাংলা বাঙালীর মাটি। বাংলা বাঙালীকে নিয়েই সন্তুষ্ট। খামোখা ধর্মের জাত্যাভিমানে ভিনভাষী ভিনদেশী ভিন সংস্কৃতির লোককে দিয়ে বাঙালীর উচ্চতা তৈরী করা যায় না। এখানে যেমন হনুমান সিং বা কান্তা লালরা কখনোই বাঙালী হতে পারবেনা। তেমনি কুদরতউল্লাহ খান কিংবা আহমদউল্লাহ বাওয়ানীও কোনদিন বাঙালীর ধারে কাছেও ঘেঁষবেনা। কোথাও না কোথাও জাতিগত অস্মিতা ও আচার আইনের কাইজ্যা ফ্যাসাদের সূত্র তৈরী করে তা একদিন সমাজকে কর্দমাক্ত করেই ছাড়বে। এরই স্বতঃসিদ্ধতায় বাঙালী বিশেষ করে রবি ঠাকুর বা বঙ্কিমের পুর্ব বাংলার ম্লেচ্ছ বাঙালরা (ম্লেচ্ছ বুঝাতে নিকৃষ্টকে বলা হয়েছে। ব্রাহ্মন্য আচারে নিম্নবর্ণের হিন্দুসহ মুসলমানদেরকেই ম্লেচ্ছ বলে ডাকা হোত) তাদের ধর্ম জুজুর ভিনভাষী ভাইদের পরিত্যাগ করে তার আপন ঠিকানা তৈরী করলো।
বাঙালী অস্মিতা তৈরীর সেই সময়টি বাঙালী তার সমগ্রতা দিয়ে ধরতে বা ছুঁতে পারেনি। ফলে বালু জমতে জমতে যেমন পাথর হয়ে জমে যায় তেমনি বাঙালীর বন্দে মাতরমের শ্লোগানটা এখন এই সুদীর্ঘ আশি বছরের সংযুক্তি ও মোহাচ্ছন্নতায় কেমন যেন পান্তা ভাতে নুনের ছিটার মত স্বতঃসিদ্ধ হয়ে গেছে। তবে ইদানীংকালের ভাই বেরাদরী আচরনের নমুনা দেখে এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে এই মেকি ঘর গোছানোর আয়োজন কোনদিনই সেই ভারত বন্দনাকে যুথবদ্ধ করতে পারেনি। এর প্রকৃত রহস্য লুকিয়ে আছে জাতিগত ঐক্য বিনাশকারী যতসব গোড়া ব্রাহ্মন্য মস্তিষ্ক প্রসূত হিন্দুত্ববাদী স্বেচ্ছা সংগঠন এর প্রসারের মাধ্যমে তাকে রাজনীতির আঙ্গিনায় বিচরনের লাইসেন্স দেয়া। রাষ্ট্রীয় মেকানিজমে এসব মৌলবাদী রাজনীতির অনুপ্রবেশের মাসুল দিতে হচ্ছে আজ ভারতবাসীকে। ভারত স্বাধীন হোল। পাকিস্তান মুসলমানদের নিয়ে আলাদা রাষ্ট্র করলো। হিন্দু মুসলিম শিখ ইশায়ী জৈন খৃষ্টান সমন্বয়ের ভারত তো ভারতেই থাকলো। সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভারত রাষ্ট্রে কেন তাহলে ধর্ম ভিত্তিক মৌলবাদী রাজনীতিকে মাঠে নামানো হোল! কোন্ আঙ্গিকে একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন পড়লো!
এখন মে মাস, ২০২৬ সাল। সেতো অনেক বছর হয়ে গেল। তাও তো ৫৬-৫৭ বছর হবে হয়তো। এর সঙ্গে ২৩ বছর যোগ করলে হয় প্রায় আশি বছর। অবশ্য বাঙালীর পশ্চিম পাড়ের ভারতীয়রা তাইই বলেন। মহা তৃপ্তি নিয়েই বলেন স্বাধীনতার আশি বছর। এবং সঙ্গে বন্দে মাতরম বা জয় হিন্দ। নাহ্, এটা কোন জোক নয়। নয় কোন ঈর্ষা বিদ্বেষ বা সাম্প্রদায়িক কড়চা। স্রেফ আত্মোপলব্ধি। আর এটাতে দোষের কিছু নেই তো। বেশ তো চলছিল। আশিটা বছর! কিন্তু আপন সৃষ্ট বর্ণ বৈষম্যের যুপকাষ্টে বলি হয়ে যে আগ্নেয়গিরির পাঁচমিশালী ডমিনিয়ন রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মিশে গিয়ে সেদিনের বিবেকানন্দ সুভাস বিধানদের তেজদীপ্ত জৌলুশে নিজেরা টগবগে ঘোড়ার সহিস হতে চেয়েছিলেন তার হাওয়া কি ঐ আর্য রক্তের ব্রাহ্মন্য মাড়োয়ারী সমৃদ্ধ পশ্চিম ভারতীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে পৌঁছাতে পেরেছিল! পারেনি তো। ভোট এলেই শুধুমাত্র বাঙালীর সহানুভূতি ও সমর্থন পাওয়ার জন্য বিদ্যাসাগর বঙ্কিম রামমোহন নেতাজী স্বামীজীর গলায় গাঁদা ফুলের মালা দিয়ে গদগদ আচরন, পারলে বাংলাতেই ঘর বানিয়ে থেকে যায়। কিংবা সুভাস বসুর ফেমিলি মেম্বারের একজন হয়ে নিজেদেরকে ধন্য করতে চান।
আপনারা চোখ বন্ধ করে দেখুন তো ভারত আন্দোলনের চুড়ান্ত সময়ে বাংলার দুই বিখ্যাত রাজনৈতিক মহাপুরুষের সামনে দাঁড়ানোর কোন বিকল্প কি ভারতীয় কংগ্রেসে ছিল? বাঙালীর ঘরে জন্ম নেয়া কালের ধুমকেতু নেতাজী সুভাস চন্দ্র বসু আর আরব বংশদ্ভূত ইস্পাত কঠিন বাগ্মী হুগলীর সন্তান মৌলানা আবুল কালাম আযাদ। মাটি থেকে উঠে আসা এই দুই বাঙালী সন্তান সময়ের ক্রান্তিকালে কংগ্রেস নেতৃত্বে ছিলেন বলে ভারত আন্দোলনে পাক ধরেছিল। তবে ঐ যে বলেছি, গুজরাঠী মারাঠী বা আর্য অনার্য চক্র! সর্বজন শ্রদ্ধেয় গুজরাঠী বাপুজিকে ম্যানেজ করে কিভাবে যে তার দত্তক পুত্র প্যাটেল আর ইউপি এলাহাবাদের (থুক্কু, রাজনীতির বাহুবলীতে এখন তো সেটা প্রয়াগরাজ) ডাকসাইটে উকিল মোতিলাল নেহেরুর সুপুত্র জহরলাল নেহেরু কংগ্রেস নেতৃত্বের ফ্রন্ট লাইনে এসেছিলেন তা তো আমরা ইতিহাস পড়েই জেনেছি। নেতাজীকে গাছে উঠিয়ে মই সরিয়ে নেয়া হোল আর মৌলানা সাহেবকে মনস্তাত্তিক চাপে রেখে নেতৃত্ব থেকে দূরে সরে যেতে হোল। মৌলানা সাহেব ফ্রন্ট লাইনে থাকলে ক্যাবিনেট মিশনের সুপারিশে আজ অখন্ড ভারত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকতো। আর নেজাজী দেশে থাকলে অন্ততঃ বাংলা দ্বিখন্ডিত হোত না। সেদিনই তো বাঙালীর বুঝা উচিত ছিল, কতবড় সর্বনাশের পথ তৈরী করে এই চৌকষ বাঙালী জাতিকে ধর্ম পরিচয়ের ফাঁদে ফেলে খন্ড বিখন্ড করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সেই কুখ্যাত বিশে জুন,১৯৪৭ সালে হিন্দু বাংলা মুসলমান বাংলার প্রস্তাবনা সামনে এল। তাও আবার জন গননার সামঞ্জস্যতায় না রেখে র্যাডক্লিপ সাহেবকে দিয়ে সোজা লাইন টেনে পুর্ব পশ্চিমে দু'ভাগ করা হোল। আর সেই অভিশপ্ত ভাগাভাগির বেড়াজালে পড়ে গোটা বাংলা আজ আশি বছর বয়স কালেও তুষের আগুনে ধিকিধিকি করে জ্বলছে।
কয়েক বছর ধরে শ্রদ্ধেয় মানিক ফকির বা একজন ফ্রি ল্যান্সার দীপক বেপারী যেভাবে বাংলাকে নিয়ে নিজেদের আত্মোপলব্ধির কথাগুলো বলে চলেছেন তা কি বাঙালীর কানে ঢুকে না! সাম্প্রতিক কালে “বাংলা পক্ষের” অর্ঘ বাবুও তো বাঙালীদের জন্য গলা ফাটাচ্ছেন। বাকী থাকলো রাজনীতির সচেতনতা। সেটার গতিপথও তো খুলে গেছে বলে মনে করি। আজকে স্বাধীন ভারতের হিন্দি বলয়ে কোন বাঙালী গিয়ে আপন অস্তিত্ব নিয়ে টিকতে পারছেনা! অথচ যুগ যুগ ধরে দেড় দুই কোটি পশ্চিম ভারতের হিন্দি পাঞ্জাবী মারাঠী বলয়ের ভারতবাসী বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে ঘাঁটি গেঁড়ে ফেলেছে। রাজ্যের ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকরী বাকরীতে তারাই লাইনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকছে। বস্তাভরা হতাশা ও ঘৃণা নিয়ে তাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তবুও হিন্দু বাঙালীরা ভারতের সাচ্চা নাগরিক হতে চাচ্ছে। আর এতকিছুর পরও যখন দিল্লির শাসক, হিন্দি বলয়ের ঐ ভগতলাল আগরওয়াল বা অমিতকুমাররা বাংলাকে কলোনিয়াল কায়দায় শাসন করতে চায় তখন একবারও কি পঞ্চান্ন বছর আগে সৃষ্ট ম্লেচ্ছ বাঙাল পড়শীদের কথা তাদের মনে পড়েনা! যারা সেদিন ধর্মতত্বের মোহ ভঙ্গ করে বাঙালী অস্মিতায় শিরদাঁড়া সোজা করে মাথা উঁচু করেছিল।
-চলমান-
যে কথা হয়নি বলা-৪
‘কুরবানির হাটে গান নয়, বাজুক তাকবির’— নতুন আহ্বানে আলোচনায় শায়খ আহমাদুল্লাহ
প্রতারণার মামলায় বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড
আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে যাচ্ছে মার্কিন সিনেট
জনপ্রিয় হোক বা না হোক, ইরান যুদ্ধ আমাকে চালাতেই হবে : ট্রাম্প
পল্লবীতে ৮ বছরের শিশুকে গলাকেটে হত্যা, সন্দেহভাজন সোহেল গ্রেপ্তার
খুলনায় অফিসে ঢুকে খাদ্য পরিবহন ঠিকাদারকে গুলি
পুলিশের ‘সিস্টেমেই’ দুর্নীতি
যে কথা হয়নি বলা -৩
ভারতে ক্যানসারের ইনজেকশন চালু, প্রতি ডোজের দাম কত
ইরানের জন্য ‘খুব খারাপ সময়’ অপক্ষো করছে: ট্রাম্প
‘লড়াই’ ছাড়া হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান
ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র ডুয়েটে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৭
‘আড়াই কোটি টাকায় নিয়োগ’: ৭ দিনের মাথায় প্রত্যাহার মৌলভীবাজারের এসপি
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



