avertisements 2

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫

বাড়িতে ফিরল শিশু ফাইজা, জানে না বাবা-মা-বোনদের মৃত্যুর খবর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:৪৫ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,২০২৬

Text

সৌদি আরবে ওমরাহ হজ্বে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের শিশু শিক্ষার্থী ফাইজা আক্তার (১০) বাড়িতে ফিরেছে। তবে সে জানে না তার বাবা-মা ও দুই বোন আর বেঁচে নেই। সে জানে তার বাবা-মা ও বোনরা বাড়িতে ফিরবে, তারা একসঙ্গে সবাই ঈদ করবে। সে বলেছে তার মতো তার বাবা-মা ও দুই বোন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। 

ফাইজা আরও বলেছে, ‘নতুন জামা পড়ে তার বাবার সঙ্গে সে ঈদ মেলায় যাবে। সঙ্গে তার দুই বোনও থাকবে। ঈদে তারা অনেক আনন্দ করবে’।

জানা গেছে, গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩ টার দিকে ফাইজাকে নিয়ে তার মামা তানভীর হোসেন দেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। সোমবার ভোরে তারা রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নলচরা গ্রামের বাড়িতে। ফাইজা ওই গ্রামের ওশিম উদ্দিন বেপারী বাড়ির প্রয়াত সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমানের মেজো মেয়ে। আসার পথে ফাইজার কিছু ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে।

ফাইজা রামগঞ্জ ভাটরা ইউনিয়নের টিউরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যারয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ১৫ ফেব্রুয়ারি সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ৫ দিন সে জেদ্দা শহরের কিংস ফয়সাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা শেষে মামা তানভীর হোসেনের সঙ্গে সে বাড়িতে ফিরেছে।


তানভীর হোসেন জানান, ফাইজা এখনও জানে না তার বাবা-মা ও দুইবোন মারা গেছে। সে জানে তার বাবা মা হাসপাতালে তার মতো চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরবে। সবার সাথে সে ঈদ করবে। নিহতদের মরদেহ এখনো জেদ্দা হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মরদেহ আনার প্রক্রিয়া চলছে।


প্রসঙ্গত, মিজানুর রহমান মিজান (৪০) সৌদি প্রবাসী ছিলেন। ৩ ফেব্রুয়ারি তার স্ত্রী ও ৩ মেয়েকে নিয়ে বাড়ি থেকে সৌদিতে ওমরাহ হজ্বে যান। ওমরাহ শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় রাত ৩ টার দিকে জেদ্দা থেকে সৌদির বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মিজান, তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার সুমি (৩০), স্কুল পড়ুয়া মেয়ে মেহের আফরোজ (১৩) ও দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুবহা আক্তার। দুর্ঘটনা একই গাড়ির ড্রাইভার মো. জিলানী বাবর (৩০) মারা যান। ওই দুর্ঘটনায় ফাইজা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2