বিজিবির সৈনিক হিসেবে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে, সীমান্তে নিহত ফেলানীর ভাই
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৫ জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:০৮ এএম, ১৫ জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৬
, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানী খাতুনের ছোট ভাই মো: আরফান হোসেন প্রশিক্ষণ শেষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবির নবীন সৈনিক হিসেবে পদার্পণ করেছেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে নবীন সৈনিকদের সাথে তিনিও সৈনিক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
এর আগে, গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৫ বিজিবি আয়োজিত সিপাহী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন আরফান হোসেন।
ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন বলেন, ‘আমার বড় বোন ফেলানী খাতুনকে যখন বিএসএফ সদস্যরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তখন আমি খুব ছোট ছিলাম। সেসময় আমার বোনের মৃত্যুতে পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছিল।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিজিবিতে আমার সৈনিক হিসেবে চাকরি হওয়ার পর আমার পরিবারের লোকজন অনেক খুশি হয়েছে। এখন আমার দৃঢ় বিশ্বাস চাকরি জীবনে আমি সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে সক্ষম হব এবং দেশের জন্য কাজ করতে পারব।’
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়ার পর কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুনের লাশ।





