avertisements 2

অর্থের অভাবে সঙ্গে আনতে পারেননি মাকে, কাঁদলেন ভোজিনহা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৬ জুন,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৮ পিএম, ১৬ জুন,মঙ্গলবার,২০২৬

Text

স্পেনকে রুখে দিয়ে নিজেকে আর সামলে রাখতে পারেননি ভোজিনিহা। ‘বুড়ো’ বয়সেও আবেগে ভাসলেন তিনি। শেষ বাঁশি বাজতেই হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন তিনি। এরপর শুরু হলো ফুঁপিয়ে কান্না। সেই কান্না আড়াল করতে কিছুক্ষণ পর দু’হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নিলেন। তাকে সান্ত্বনা দিতে চারপাশ থেকে ছুটে এলেন সতীর্থরা। কেউ তাকে জড়িয়ে ধরলেন, কেউ কাঁধে হাত রাখলেন। সবার চোখই তখন ভেজা।

ঐতিহাসিক মুহূর্তে পাশে ছিলেন না মা, তাইতো কেপ ভার্দের এই নায়কের কান্না। জানালেন, অর্থের অভাবে সঙ্গে আনতে পারেননি মাকে।

ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে ভোজিনহা বলেছেন,‘ম্যাচের পর আমি কেঁদেছিলাম, কারণ ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি, কিন্তু তারা আজ এখানে থাকতে পারেননি। 


কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। আমার মাও এখানে থাকতে পারেননি- ভিসা জটিলতা এবং এর জন্য যে টাকা দিতে হতো, সেই কারণে। আমরা সময়মতো সবকিছু সম্পন্ন করতে পারিনি।’

ভোজিনহার এই আবেগ ছুঁয়ে গেছে ফুটবলবিশ্বকেও। বিবিসির বিশ্লেষক ও সাবেক স্কটিশ উইঙ্গার প্যাট নেভিন লিখেছেন, ‘পুরো ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন ভোজিনহা। 

৪০ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে মাঠে যা দেখালেন, তা অবিশ্বাস্য। ম্যাচ শেষে সব ক্যামেরা ছিল তার দিকে। সতীর্থরা আঙুল তুলে দেখিয়ে দিচ্ছিলেন তাদের প্রকৃত নায়ককে।’

সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সনও জানালেন, ভোজিনহার কান্না দেখে কান্না চলে এসেছিল তারও। 

বলেছেন, ‘আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই একটি পয়েন্ট কেপ ভার্দের প্রাপ্য ছিল। আজকের রাতটা শুধু তাদের। ভোজিনহাকে কাঁদতে দেখে আমার নিজেরই প্রায় কান্না চলে আসছিল।’

বিষয়: কান্না

আরও পড়ুন

avertisements 2