যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে মূল্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় এদিন তেলের দাম বেড়ে যায়।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৩৩ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ বেড়ে ৭১.৯৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৬২ সেন্ট বা ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭.০৫ ডলারে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তবে টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক ভিত্তিতে তেলের দাম বাড়তে পারে। হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাতের কারণে সরবরাহ ঝুঁকি বেড়েছে, যা বাজারে অস্থিরতার কারণ হচ্ছে।
ইরান তেলসমৃদ্ধ আরব উপদ্বীপের বিপরীতে অবস্থিত। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ফলে, এ অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং দাম আরও বৃদ্ধি পাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ইরানকে সতর্ক করে বলেন, “তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দ্রুত চুক্তিতে না এলে খুব খারাপ পরিণতি হবে।” তিনি এ ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ইরান রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ নৌমহড়ার পরিকল্পনা করেছে। সম্প্রতি সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে তারা সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছিল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়া আরেকটি মূল কারণ হিসেবে বাজারে তেলের দাম বাড়িয়েছে।
মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ৯০ লাখ ব্যারেল কমেছে। একই সময়ে শোধনাগারের ব্যবহার এবং রফতানি বেড়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন
এই বিভাগের আরো খবর
পৃথিবীর ভার নিজের কাঁধে বয়ে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প!
৩২ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার ১৮ দিনের শিশু
হরমুজ প্রণালি আগামী ৩০ দিন ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে: আরাঘচি
ফের ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা, যুদ্ধবিরতি প্রশ্নবিদ্ধ





