মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২২ নভেম্বর,
বুধবার,২০২৩ | আপডেট: ০১:২২ এএম, ২৪ মার্চ,মঙ্গলবার,২০২৬
মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার সূচকে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ উন্নতি হয়েছে। এই সূচকে বাংলাদেশের আগে থাকা পাঁচটি দেশকে পেছনে ফেলে ওঠে এসেছে বাংলাদেশ।
এই সূচকে আগে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪১তম। সেখান থেকে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ৪৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ আইন বাস্তবায়নে অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সূচকে উন্নতি হয়েছে।
সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক বেসেল এন্টি মানিলন্ডারিং (এএমএল) সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতি বছর সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধবিষয়ক কার্যাবলি পর্যালোচনা করে এই সূচক প্রণয়ন করে। এর আগে গত বছরও এ সূচকে আট ধাপ উন্নতি হয়েছিল বাংলাদেশের। এবার হলো পাঁচ ধাপ।
এএমএল সূচক অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে হাইতি, চাদ, মিয়ানমার এবং কঙ্গো। আর সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হচ্ছে আইসল্যান্ড। দেশটি এএমএল সূচকের র্যাংকিংয়ে ১৫২ নম্বরে অবস্থান করছে। এন্টি মানিলন্ডারিং সূচকে চীন ২৭, যুক্তরাষ্ট্র ১১৯ ও যুক্তরাজ্য ১৪০তম স্থানে অবস্থান করছে।
সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়নের কারণ হিসাবে প্রতিবেদনে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ কাঠামোর মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে আন্তঃসংস্থার কাজের সমন্বয়, আর্থিক খাতে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
সুইজারল্যান্ড-ভিত্তিক বেসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্স পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এএমএল সূচক নির্ধারণ করে আসছে। এগুলো হচ্ছে-মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিপালন, ঘুস ও দুর্নীতি, আর্থিক স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং আইনগত রাজনৈতিক ঝুঁকি।





