avertisements 2

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার 

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২৪ সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০২:০৫ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,২০২৬

Text

ঢাকা মহানগর পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি মো. রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র সমকালকে এই তথ্য জানায়। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিও ভাইরালের ঘটনায় ওসির পদ থেকে সরিয়ে তাকে সংযুক্ত করা হয়েছিল।

এর আগে অডিও ভাইরালের ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর ডিএমপি কমিশনারের সই করা এক অফিস আদেশে রাকিবুল হাসানকে প্রত্যাহার করে সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছে। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল হাসানের একটি অডিও ভাইরাল হয়। ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও রেকর্ডে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে রাকিবুল ইসলামের কথোপকথন শোনা যায়।

ওসির অডিও ছড়িয়ে পড়লে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে ডিএমপি। এরপর কমিটির সদস্যরা তাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।  

বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওসি পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সমালোচনা করতে শোনা যায়। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ওসি পদায়নে টাকা লেনদেনের অভিযোগও করেন তিনি।

অডিওতে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘জানি যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসতেছে। কিচ্ছু হবে না আসলে, কিচ্ছু হবে না। আপনারা তো চিন্তা করতে পারছেন, রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল। ভয়ানক দুর্বল। আসা উচিত। ডিসেম্বর দেরি হয়ে গেছে। এই মাসে আসা উচিত ছিল। চলে আসলি এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না।’

অডিওতে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বলতে শোনা যায়, ‘সিনিয়র অফিসার সব বিএনপি করতেছে। আমরা তো বিএনপি করতেছি না। সব সিনিয়ররা বিএনপি করতেছে, আমরা বিএনপি করতেছি না। এই করার জন্য তো আমরা ডিপার্টমেন্টে আসি নাই। তোমরা খাবা-দাবা, … নিয়ে থাকবা আর আমরা এখানে বসে বসে কাজ করব, তা তো হবে না।’

মনির নামে পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার গাড়িচালক থানার ওসি পদায়ন করছেন বলেও বলা হয় ওই অডিওতে। অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘এগুলো সহ্য করা যায়? আর কী বলব? যারা পোস্টিং পাইতেছে, তার (মনির) কাছে টাকা দিচ্ছে, সকালবেলা পোস্টিং হইতেছে।’

ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে অডিওর বক্তা বলেন, তাঁর লজ্জা থাকা উচিত। তাঁর চাকরি ছিল না। এখন যে পদে আছেন, সেখানে এক বছর থাকতে পারলে ১০০ কোটি টাকা এমনিতেই হবে।

avertisements 2