avertisements

এক নজরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:৪৫ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর,সোমবার,২০২০ | আপডেট: ১০:১২ এএম, ৩০ অক্টোবর,শুক্রবার,২০২০

Text

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মারা গেছেন। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক (সিএমএইচ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এরআগে গত ৪ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তাকে সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিনই করোনা পরীক্ষা করালে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

মাহবুবে আলম মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহগঞ্জ উপজেলার মৌছামন্দ্রা গ্রামে ১৯৪৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) এবং ৬৯ সালে লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭২ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৯ সালের ভারতের নয়াদিল্লিতে সংবিধান এবং সংসদীয় গবেষণা ইনস্টিটিটিউ (আইসিপিএস) থেকে সাংবিধানিক আইন এবং সংসদীয় প্রতিষ্ঠান এবং পদ্ধতি বিষয়ে দুটি ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন।

মাহবুবে আলম ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। তিনি ১৯৭৫ সালে হাইকোর্টে বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অনুশীলন শুরু করে ১৯৮০ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী এবং ১৯৯৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

তিনি ২০০৪ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন। মাহবুবে আলম ১৯৯৩-৯৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৫-০৭ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য এবং ২০০৫-০৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পরযন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি থেকে অ্যার্টনি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনে মাহবুবের আলম এক ছেলে এবং এক মেয়ের জনক। মাহবুব আলমের ছেলে পেশায় একজন সাংবাদিক আর মেয়ে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। মাহবুব আলমের স্ত্রী একজন ভালো চিত্রশিল্পী।

বিষয়: আলম

আরও পড়ুন

avertisements