avertisements 2

 ১০ কোটি না, ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েও আমাকে কেনা যাবে না: ডিসি সারওয়ার আলম

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৮ জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৬ | আপডেট: ০১:৩৩ এএম, ৯ জানুয়ারী,শুক্রবার,২০২৬

Text

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ডিসি সারওয়ার আলম ছবি: সংগৃহীত 

সিলেটে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে পক্ষপাতিত্ব ও ঘুস লেনদেনের অভিযোগকে ‌‘ভিত্তিহীন’ মন্তব্য করে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারওয়ার আলম বলেছেন, ১০ কোটি টাকা তো দূরের কথা, কেউ যদি এক টাকা ঘুস দেওয়ারও প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে আমি সঙ্গে সঙ্গে চাকরি ছেড়ে চলে যাব। যে কোনো শাস্তি মাথা পেতে নেবো।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিসি বলেন, ‘আমি বলে দিচ্ছি ১০ কোটি টাকা না, ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েও সারওয়ার সাহেবকে কেনা যাবে না। সারওয়ার সাহেব দুর্নীতি করে না এবং করতেও দেয় না। সুতরাং ১০ কোটি হোক আর পাঁচ কোটি হোক, এটাতে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ভুয়া নিউজ যারা করছে তাদের বিরেুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্ত করছে।’

এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকে কেন্দ্র করে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন সিলেট-১ আসনের মনোনয়ন বাতিল হওয়া এনসিপির প্রার্থী এহতেশাম হক। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিলেট-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মালিকের সঙ্গে ডিসি সারওয়ারের আর্থিক লেনদেনের তথ্য ছড়ানো তথ্য ছড়ানো হয়।

এ বিষয়ে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিয় সভার আয়োজন করেন ডিসি সারওয়ার।

এসময় তিনি বলেন, ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের পক্ষপাত বা লেনদেনের প্রশ্নই আসে না। সম্প্রতি দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়াকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ থেকে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এটা সঠিক নয়।’

তিনি বলেন, ‘মালেক ও রাশেদ—তারা নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য হোম অফিসে আবেদনের রসিদ বা প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছেন। কিন্তু এহতেশাম দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের সপক্ষে কোনো নথি বা রসিদ জমা দিতে পারেননি। তাকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও তিনি কোনো প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আইনগতভাবে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।’

ডিসি আরও বলেন, ‘মালেক ও রাশেদের জমা দেওয়া কাগজগুলো সঠিক কি-না তা যাচাই করতে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠানো হয়েছে। যদি পরবর্তীতে প্রমাণিত হয় যে, তারা নাগরিকত্ব ত্যাগ করেননি, তবে তারা নির্বাচিত হলেও তাদের সদস্যপদ অবৈধ হয়ে যাবে।’

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2