avertisements 2

আম ছালা দুই-ই হারালেন তৈমুর

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৯ জানুয়ারী,মঙ্গলবার,২০২৪ | আপডেট: ০৯:৩৪ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,২০২৪

Text

আম ছালা দুই-ই হারালেন তৈমুর আলম খন্দকার। তৃনমুল বিএনপির তিন প্রার্থীর সকলেই লজ্জাকর পরাজয় বরন করেছেন। রাজনীতিতে নির্বুদ্ধিতা একজন রাজনৈতিক নেতার জন্য ধ্বংস বয়ে আনে। আর তাই ঘটলো তৈমুর আলমের কপালে। যাদের হাত ধরে তার উত্থান তাদের পরামর্শেই রোজনৈতিক মৃত্যু ঘটল তৈুরের।

তাকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামীলীগের সর্বোচ্চ মহল থেকে বলা হয়। কিন্ত তার পরামর্শকরা নারায়ণগঞ্জ ৫ নয়, নারায়ণগঞ্জ ১ আসন থেকে নির্বাচনের টোপ দেয়া হয়। সেই টোপ গিলেন তৈমুর। বিরোধে জড়িয়ে পড়েন আওয়ামীলীগের সর্বোচ্চ মহলের সঙ্গে। অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তৈমুরকে ১ আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। একটি সূত্র জানায়, তৈমুরের জন্য নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনটি খালী রাখা হয়েছিল।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলোচিত প্রার্থী তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ১৯০ ভোট। শুরু থেকে শক্ত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে দাবি করলেও নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসন থেকে ভোট করে জামানত হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের ফলাফল কেন্দ্র থেকে নৌকার প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজীকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আহসান মাহমুদ রাসেল।

এই আসনে চতুর্থবারের মতো জয় পেলেন গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাহান ভূইয়া কেটলি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৭৫ ভোট।

লজ্জাস্কর হারের পর ভোট সুষ্ঠু হয়নি বলে অভিযোগ করেন তৈমূর আলম খন্দকার। তবে ভোট বর্জনের ঘোষণা না দিয়ে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘আমার শরীরটা সুস্থ হলে চেয়ারম্যান সাহেবের সঙ্গে কথা বলে আমি কথা বলব। নির্বাচন বয়কট করে লাভ নেই।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2