জালাল উদ্দিন আহমেদ
মুই কি হনুরে!
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৬ জুন,মঙ্গলবার,২০২৬ | আপডেট: ০৪:০৮ পিএম, ১৬ জুন,মঙ্গলবার,২০২৬
বিষয়টি নিয়ে লেখার ইচ্ছে না থাকলেও এই মহামারী দুর্যোগের মহাসংকটে এসব নিয়ে দু'চার কথা বলাই যায়। এসবের পরিণতি হয়তো একদিন কোন এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিত্তির মধ্য্যেই সমাপ্তি ঘটবে। কিন্তু কি আর করা! আত্মবিনাসী অবমৃষ্যকারীর দল যখন দেখে তাদের কাক সর্বস্ব অবয়বে যতসব হাতছানি দেয়া অঙ্গ প্রতঙ্গের সংযোজনে তাহারা অতি মানবীয় কিছু হয়ে গেছেন তখন কাকের ডানায় ময়ূরপুচ্ছ লাগিয়ে পঙ্খীরাজ হওয়ার সেই গল্পটি তো আপনা আপনিই বিস্ফোরন ঘটাবে। ছোটবেলায় রূপকথার অনেক গল্পই পড়েছি। কিন্তু কোন্টার সাথে কোনটা মিলালে আমার এই বর্তমান কথকতার সারবত্ত্বা খুঁজে পাওয়া যাবে, সেটাই মিলাতে পারছিনা। এবছরের শুরুর দিক থেকেই কেমন যেন গা ছম ছম একটা ভাব তৈরী হোল। বাঙালী তো! তাই গোটা বাংলাকে নিয়েই কেমন সব এলোমেলো ভাবনা। কর্ম চাঞ্চল্যের প্রতিটি দিন শেষে রাত পোহালেই যেন মনে হচ্ছিল নতুন প্রভাতে নতুন বছরের শুরু। দু'দিক থেকেই যেন কেমন সব পরিবর্তনের পদধ্বনি। আর এই দু'দিক হচ্ছে হতভাগা বাঙালীর পূর্ব আর পশ্চিম। সেই যে সাতচল্লিশে বৃহত্তর বাংলাকে ভাঙ্গচুর করে দুটি ধর্মীয় জাতীয়তার রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সংযুক্তি করা হোল, তারপরের ঘটনাপুঞ্জ হোল বঞ্চনা আর লাঞ্চনা। সেই থেকেই বাঙলীর আত্মশ্লাঘা এবং আপন অস্মিতা তৈরীর পথঘাটের দুয়ার যেন আপনা আপনিই খুলতে শুরু করলো।
বাঙালীর একটা অংশে বরাবরই লাঞ্চিত বঞ্চিত সব হাড় হাভাতের বসবাস। তারা লেখাপড়া করেনা, জ্ঞানার্জনের জন্য চিন যাওয়ার তাগিদ থাকলেও আপন মাটি, পানি ও বাতাসের গন্ধে তারা বেসুমার বুঁদ হয়ে থাকে। মোটাভাত মোটা কাপড়েই তারা সন্তুষ্ট। তাদের পড়শী বাঙালী বাবুদের ছেলেপুলেরা যখন দিল্লি বোম্বাই করে কেম্ব্রীজ হার্ভার্ডে গিয়ে তাদের জ্ঞানার্জনের ক্ষিধে মিটাতে হন্যে হয়ে দৌড়াদোড়ি করছে তখন তাদেরই ফেলে আসা শেখ সৈয়দ মিয়াদের ছেলেপুলেরা গ্রাম জেলা পেরিয়ে সবেমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় পা ফেলার লড়াইয়ে নিজেদেরকে প্রস্তুত করছে। বড়জোর অবস্থানের জেরে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ কিংবা হ্যাডামের জোরে লখনৌর আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত তাদের দৌড়। এই ব্যবধান হয়তো থাকতো না যদি ঊনিশ শতকের ফোর্ট উইলিয়ামের সেই পন্ডিত বাবুদের সংস্কৃত আবরনের বাংলা ভাষা সাহিত্যের জোশে সেদিনের সংবাদ প্রভাকর, দিকদর্শন, সমাচার দর্পন, বাঙাল গেজেট, ব্রাহ্মন সেবধি, সম্বাদ কৌমুদি, ইত্যাদি পত্রিকা ও সাময়িকী হিন্দু ধর্ম ও জাতির মাহাত্ম্য প্রচারনায় আদা জল খেয়ে মাঠে না নামতো। তাদের একটাই লক্ষ্য ছিল মুসলিম বাঙালীদের ম্লেচ্ছ পর্যায়ে নামিয়ে শুধুমাত্র বাঙালী হিন্দুদের মাহাত্ম্য প্রচারনায় তাদেরকে উঁচুস্তরে ঠাঁই দিয়ে কেচ্ছা কাহিনী তুলে ধরা। এরপর তো শুরু হোল বঙ্কিমীয় অসহনশীল ও ধর্মবিনাশী রূপের অবির্ভাব। তার প্রতিটি গল্প উপন্যাস ও প্রবন্ধের সর্বক্ষেত্রেই মুসলিম বিদ্বেষী প্রচার এবং প্রসার। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হোল বৃটিশ পৃষ্টপোষকতায় বাংলা ভাষার প্রচার প্রসারে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে স্থাপিত মুদ্রন যন্ত্র দিয়েই এইসব সাম্প্রদায়িক ইস্যু ভিত্তিক দৈনিক, সাময়িকী ও ভাষা সাহিত্যের অবাধ প্রকাশনা তারা চালিয়েছিল। তাছাড়া আগেই বলেছি, চোদ্দ'শ শতকে প্রচলিত বাংলা ভাষা সাহিত্যের গদ্যরীতি মুছে ফেলে ফোর্ট উইলিয়ামের হিন্দু বাঙালী পন্ডিতের দল সংস্কৃত প্রাধান্যের আজকের বাংলা ভাষা সাহিত্যের প্রচলনে সীল মারলেন। এর ফলে বাঙালীর সমগ্রতায় প্রকৃতপক্ষে পুর্ব বাংলার মুসলমান বাঙালীরা শিক্ষা সংস্কৃতি শিল্পকলা চর্চায় হিন্দু বাঙালীদের থেকে অনেকখানি পিছিয়ে পড়ে। বিজ্ঞজনেরা বলে থাকেন প্রকৃতপক্ষে মুসলিমরা এক্ষেত্রে কম করে হলেও এক'শ বছর পিছিয়ে পড়ে।
কিন্তু নিয়ত যেখানে মানবতা ও নৈতিকতা সমন্বয়ের মানব জাতির সর্ব মঙ্গলের কথা বলে, সেখানে শত বাধা বিপত্তি ও দুষ্ট চক্রের কুচক্রী ফিসফাস থাকলেও প্রকৃতির সদয় আচরন সেখানে অবধারিত ভাবেই তার সরল পথটাকে মসৃণ করে দেয়। একদিন পুর্ব বাংলাকে ম্লেচ্ছ ও যবনদের আবাসস্থল প্রফাইলে ফেলে যারা নাক সিটকিয়ে কলকাতার চাকচিক্যে অবগাহন করে তৃপ্তির ঢেকর তুলে প্রকৃত বাঙালী হতে চেয়েছিল, আজ তাদেরকেই সীমান্তের অজুহাতে ভারতীয় কাঁটাতারের শেকলবন্দী করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে তারাই তো আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। এটা করছে কারা! ওইসব গুটিকয় ব্রাহ্মনীয় জমিদার ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা যারা একসময় সাচ্চা ভারতীয় হওয়ার দিবাস্বপ্নে বাংলা ভেঙ্গে নিজেদের শেকড়টাকেই দুর্বল করে দিয়েছিল। হয়তো সেই রক্তস্নাত সাতচল্লিশের ক্ষতকে জিইয়ে রেখে দু'চারজন এখনো বেঁচে আছেন। কিন্তু তাদের উত্তর পুরুষের রক্ত প্রবাহের সেই অবশিষ্ঠরা এখনো ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার ন্যায় যেভাবে লম্ফঝম্প করছে তা সত্যিই দুর্ভাগ্যের বিষয়। এরা বাংলাকে কখনোই বাঙালীয়ানার স্বমুর্তিতে প্রস্ফুটিত হতে দেখতে চায় না। জি হুজুর, আজ্ঞে হুজুর করে মাথা নুইয়ে থাকতেই এদের স্বাচ্ছন্দ বেশী। সত্যি কথা বলতে কি, এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ভূখন্ডেও সেই রক্ত সম্পৃক্ততার আস্ফালনের কিছুটা দেখা যায় এবং তাদের মীরজাফরীয় উঁকিঝুকি চোখে পড়ে।
এই যে এস আই আরের (SIR)ফাঁদে ফেলে বাঙালীর একটি অংশকে অছ্যুত করার তৃপ্তি নিয়ে তারা মাঠ ঘাট দাপাচ্ছে, এই ‘তারা’ কারা! কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছে ’এরা’। একজন কত্তা মশাইকে সেদিন বিধান সভার উদ্বোধনী আলোচনায় দেখলাম তিনি যেন ঠিক তার সেই কাছারী বাড়ির উঠানে অধীনস্ত চাকর বাকর মুনিশ কামলাদের সাথে নালিশ সালিশে বসেছেন। বিধান সভায় কথা বলার সময় তার সেই চোখ রাঙিয়ে ধমকের (এই চুপ!) আওয়াজ যেন সাধারণ জনপদে ঠিকরে পড়ছে বলে মনে হোল। আর এই ক'দিনে বাবুদের রাজ্যস্তরের শাসন ক্ষমতার পট পরিবর্তনে মনে হোল যেন স্বর্গ থেকে নেমে এসে দেবরাজ ইন্দ্র তার সাঙ্গ পাঙ্গদের নিয়ে অসুর নিধনে খড়্গহস্ত হয়েছেন! আর ওদিকে নারোদ মুনি একহাতে তম্বুরা আর অন্যহাতে করতাল বাজিয়ে নাগপুরের হেডগেওয়ার ভবনে নারায়ন নারায়ন ধ্বনিতে আকাশ বাতাস মুখরিত করে রেখেছেন। আরো আছে। বাংলা বাঙালী নিয়ে তৈরী হতে যাওয়া পক্ষটি এখন তার অস্তিত্ব সংকটেই যেন খাবি খাওয়া শুরু করেছে। অবশ্য এটা বাঙালী চরিত্রেরই একটা অংশ। তাদেরই সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানতে পারছি, ক্ষমতা হারানো পক্ষটির নেতা পাতিনেতা এবং গেজেটভুক্ত সংসদ বিধায়করা আজ ঘর দুয়ার ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এমনকি তাদের প্রত্যেকের ঘরের সামনে নজরদারি বেড়ে গেছে। রীতিমত যুদ্ধংদেহী রন মূর্তিতে গুজরাতের মাড়োয়ারীটা তার স্বরাষ্ট্রের সমস্ত মেজানিজমকে পশ্চিম বাংলায় মোতায়েন করে ফেলেছেন। গোছানো ড্রয়িং রূমে গুটিকয় বাক সর্বস্য নেতা পাতিনেতা কিংবা ঝোল খাওয়া বুদ্ধিজীবিকে বসিয়ে সুমন বাবুর এবিপি আনন্দের সেই মাথাভারি ডিবেটের অনুষ্ঠানই বলে দেয় আসলে এরা কোন্ তিমিরে আছি। তাছাড়া আমরা সবাই জানি ‘বাঙালী বলে বেশী কিন্তু করে কম’ এটা রবি ঠাকুরের কথা।
ময়ূরপুচ্ছ লাগানো কাওয়াটি তার কা কা শব্দে রীতিমত চমকের পর চমক দিয়ে বাংলা নামের হিন্দুস্তানী মাটিটিতে নরকের আযাব সৃষ্টি করে চলেছেন। চেয়ারে বসেই এক নতুন ফরমানে গোটা পশ্চিম বাংলার হিন্দু মুসলমান সবাইকে গরুর শিংএর গুঁতো খাওয়ালেন তিনি। এতে করে একটি পক্ষের ধর্মীয় কাজে কর্মে একটু চোট লাগলো বটে, তবে প্রান্তিক অন্য পক্ষটির যে আর্থিক ক্ষতি ও সামাজিক বিপর্যয় ঘটলো এবং এর প্রতিক্রিয়ায় কয়েকজন মানুষের আকাল প্রয়ান ঘটলো তার জবাব কি হবে! একজন সাচ্চা ভারতীয় দেখানোর মনোবাঞ্চায় ক্ষমতায় বসেই তিনি নিজের বাঙালী স্বত্ত্বাকে জ্বলাঞ্জলি দিয়ে বঙ্গের বাঙালী পরম্পরাকে কাঁটাতারের বেড়ায় আবদ্ধ করার আত্মবিনাসী কাজকে প্রাধান্য দিলেন। গুজরাতী প্রভুদের গুরুদক্ষিণা দেয়ার এটি একটি মহান কীর্তিই বটে। তাছাড়া তথাকথিত বাংলাদেশী বাঙালীদের চিহ্নিত করে সীমান্তে পুশ ইনের সাম্প্রতিক ঘটনায় তিনি যেভাবে সেন্ট্রাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাজটি নিজের হাতে নিয়ে লম্ফঝম্প করে মিডিয়া হাইপ তুলছেন তাতে সত্যিকার অর্থেই মনে হচ্ছে দেশটি কি আসলেই রাজনৈতিকভাবে দৈউলিয়া হয়ে গেল নাকি! রাজ্যটির রাজনীতির মাসলীয় পালাবদলের ফলে এক বিশাল ক্রান্তিকাল শুরু হয়েছে বলে মনে হয়। আমরা সেই প্রাচীন বাংলার মাৎস্যন্যায় সময়টার কথা শুনেছি। এখন দেখছি প্রাচীন স্মৃতি জাগানিয়া ধারকদের হাতে ক্ষমতা আসার পর কেমন যেন সেই মাৎসন্যায়ের আলামত শুরু হব হব করছে। মাৎসন্যায়ের ব্যাপারটা জানেন তো? বড়রা ছোটদের গিলে খাবে এবং বিনা বাধায়। ভারতীয় রাজনীতিতে এই আলামত ইদানীং দেখা গেলেও এখন তা আর লোক লজ্জার বালাই না রেখেই মনু সংহিতার স্বপ্ন দেখা মানুষেরা প্রকাশ্যেই ‘অপারেশন লোটাশ' নাম দিয়ে চালু করে দিয়েছে। রাজনীতির আঞ্চলিক দলগুলি আজ অর্থ আর ক্ষমতার রাঙা চোখের ভয়ে থর হরি কম্প। মাড়োয়ারী স্বরাষ্ট্র বাবুর অর্থ আর জ্ঞানেশ নীতেশ রমেশ নামের কামলাদের সরকারী মেকানিজমের মাথা খাটানোর দৌরাত্মে আজ ভারতীয় রাজনীতি ও গণতন্ত্র সত্যিকার অর্থেই দৈউলিয়ার পর্যায়ে পড়ে ছটপট করছে। শোনা যায় ওয়াশিং মেশিনে সফেদ হয়ে শুদ্ধাচারের প্রতীক হেমন্ত বাবু তো আজকাল দিল্লির সংসদে বড় মাছটির রূপ নিয়ে বিচরন করা শুরু করেছেন। এদিকে অধিকারী বাড়ির খোকাবাবু আজ মাড়োয়ারী গুরুজীদের আশীর্বাদ নিয়ে যেভাবে ‘'মুই কি হনুরে” স্টাইলে বাংলার মাঠ ঘাট দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তাতে করে সেদিন আর আর বেশী দূরে নয় যখন কোন এক বর্গী এসে মাথায় চাঁটি মেরে বলবেন বাবু অনেক হয়েছে, এখন তুমি কেটে পড়।
-০-
বিমানবন্দরে নয়, শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু, দাবি পরিবারের
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভাস্থল ঘিরে বিক্ষোভ-ডিম নিক্ষেপ, আটক ৩
ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ, কুকুরের মুখ থেকে উদ্ধার
মুই কি হনুরে!
সাবেক আইজিপি বেনজীরকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া কী হবে
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়লো
সাবেক আইডিজপি বেনজীর গ্রেফতার, পরীমনি কেন আনন্দিত?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির ঘোষণা, চুক্তিতে কি থাকছে
ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতো না: ট্রাম্প
শরণার্থী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা ইরানকুন্ডা
তৌহিদ আফ্রিদি এবার প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার
খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দিতে চাওয়া সেই সোহাগ গ্রেপ্তার
খুলনায় মসজিদে ঢুকে গুলি, দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ
ভারতের অনুমোদন মেলেনি, নেপাল থেকে আসছে না বাড়তি বিদ্যুৎ
ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তা ও মারধরের ঘটনায় খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার
দুনিয়ার সবচেয়ে আজব সেতু বাংলাদেশে!
গাছের সঙ্গে বাঁধা সাত শিশু কাওছারের জীবন!
কারাগারে পরিকল্পনা, তিন মাসেই কোটিপতি ২ যুবক
সিডনিতে দুই বাংলাদেশীর আকস্মিক মৃত্যু
সিডনিতে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুনী খুন
অক্সফোর্ডের করোনার ভ্যাকসিন বিরোধীতায় অস্ট্রেলিয়ার ইমাম ও আর্চবিশপ
অস্ট্রেলিয়ার কারাগারেই আরেক বন্দিকে কোপালেন সেই বাংলাদেশি ছাত্রী সোমা
কিশোরীর সাথে যৌন সম্পর্কের চেষ্টাঃ সিডনিতে বাংলাদেশী ছাত্র গ্রেপ্তার
মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার সেরা ৪-এ বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ান কিশোয়ার
হুইপপুত্রের গোপন ব্যবসার বলি তরুণ ব্যাংকার
খোলা চুলে সিগারেট হাতে এবার নতুন বার্তা দিলেন পরীমণি
কুইন্সল্যান্ডে বারবিকিউ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককের আকস্মিক মৃত্যু
মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে সিডনির দুই বাংলাদেশীর মৃত্যু
হাটে কচুর লতি বিক্রি নিয়ে মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক



