রাজনীতিবিদদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে রাজনীতি : প্রেসিডেন্টের আশঙ্কা
রাজনীতিতে গুণগত মান নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি করা কঠিন হয়ে যাবে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। মঙ্গলবার বঙ্গভবনে নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় তিনি নিজের এমন আশঙ্কার কথা জানান।
নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানায় প্রতিনিধি দলটি। প্রতিনিধি দলকে বঙ্গভবনে স্বাগত জানিয়ে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বলেন, রাজনীতি হচ্ছে জনগণের কল্যাণের জন্য। রাজনীতিতে গুণগত মান নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি করা কঠিন হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে তৃণমূল পর্যায়ে সঠিক জনমত গড়ে তুলতে হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেসিডেন্ট’র প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন, সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান।
বিকাল সাড়ে ৩টার পরে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতিনিধি দলের নেতারা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। এরপর প্রেসিডেন্ট’র সঙ্গে আলোচনায় সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনসহ ৬ দফা দাবি করেন। এরআগে গতকাল প্রেসিডেন্ট’র সঙ্গে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন এবং খেলাফত মজলিস। এ আলোচনায় নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রেসিডেন্ট।
২০ ডিসেম্বর সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে। সংবিধানে কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের কথা উল্লেখ আছে।
তবে এ সংক্রান্ত আইন দেশে হয়নি। এ পরিস্থিতিতে গত দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সার্চ কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটি সম্ভাব্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করার পর প্রেসিডেন্ট সেখান থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগ দেন। এবার সংবিধান অনুযায়ী আইন করে নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।





