অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন একজন বাংলাদেশি অধ্যাপক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৩১ জানুয়ারী,শনিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৫:১০ পিএম, ৩১ জানুয়ারী,শনিবার,২০২৬
ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. শাহজাহান খান ২০২৬ সালের অস্ট্রেলিয়া ডে উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা “অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া” লাভ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথের গভর্নর-জেনারেল, মহামান্য মাননীয় মিস স্যাম মোস্টিন AC গত তিন দশকে অস্ট্রেলীয় সমাজে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ও ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করেন এবং অস্ট্রেলিয়ার জন্য তাঁর অসাধারণ অবদানের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান।
অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া হলো অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ সম্মাননা ব্যবস্থা, যা নাগরিকদের অসাধারণ সাফল্য ও সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়। এটি ১৯৭৫ সালে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কর্তৃক প্রবর্তিত হয় এবং অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর-জেনারেল এই সম্মাননা প্রদান করেন।
নিজ শহর টুউম্বা এবং কুইন্সল্যান্ড রাজ্যে বিভিন্ন দায়িত্বে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার পাশাপাশি, তিনি ২০১৪ সালে স্বল্প সময়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন অব ইসলামিক কাউন্সিলস (AFIC)-এর অন্তর্বর্তী কমিটির চেয়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৩ সাল থেকে তিনি টুউম্বা অঞ্চলের প্রথম ও একমাত্র মসজিদ প্রতিষ্ঠার জন্য তহবিল সংগ্রহে নেতৃত্ব দেন, যার তৎকালীন মূল্য ছিল ১২ লক্ষ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। ২০১৫ সালের জানুয়ারি ও এপ্রিলে মসজিদটি দু’বার অগ্নিসংযোগে পুড়িয়ে দেওয়ার পর, ২০১৫ সাল থেকে এর পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমেও তিনি নেতৃত্ব দেন। প্রকল্পটি ২০২৩ সালে সম্পন্ন হয়, যার মোট ব্যয় ছিল ৩০ লক্ষ অস্ট্রেলিয়ান ডলারেরও বেশি।
১৭ এপ্রিল ২০১৫ সালে টুউম্বা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর, তিনি কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী, টুউম্বা সাউথের রাজ্য সংসদ সদস্য এবং টুউম্বার মেয়রের সঙ্গে যৌথভাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান। মসজিদ পোড়ানোর মাত্র দুই দিন পর, পূর্বনির্ধারিত মসজিদ ওপেন ডে অনুষ্ঠানটি ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ড (UniSQ)-এর অন্য একটি ভেন্যুতে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানে পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
তাঁর নেতৃত্বে, কমিউনিটি অগ্নিসংযোগকারীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে একই সঙ্গে ঘোষণা করে যে এ ধরনের অপকর্ম সমাজ, ব্যক্তি কিংবা শহর ও দেশের জন্য কোনোভাবেই মঙ্গলজনক নয়। তিনি স্থানীয় মুসলিম কমিউনিটি ও ভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের জোরালো সমর্থনে টুউম্বা রিজিওনাল কাউন্সিলের সঙ্গে মসজিদ প্রকল্পের উন্নয়ন আবেদন (ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন) নিয়ে সফলভাবে আলোচনা ও সমঝোতা করেন।
অধ্যাপক খান ২০২২ সালে ইউনিএসকিউ (UniSQ) থেকে পদত্যাগ করে ঢাকায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৩ সালে তাঁকে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ড, টুউম্বার ইমেরিটাস অধ্যাপক নিযুক্ত করা হয়। একই বছরে ইউনিএসকিউ তাঁর সম্মানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রফেসর শাহজাহান খান স্কলারশিপ চালু করে।
তিনি একজন গতিশীল নেতা এবং তরুণ ও প্রবীণ অস্ট্রেলিয়ানদের—বিশেষত নন-ইংলিশ স্পিকিং ব্যাকগ্রাউন্ড (NESB) থেকে আসা মানুষদের—জন্য অনুপ্রেরণা। তিনি সম্প্রীতিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গঠনে নিরলস ও নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং সবার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে আরও সুন্দর ও বসবাসযোগ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে অবদান রাখছেন।
অধ্যাপক খান টুউম্বাকে একটি একসংস্কৃতির সমাজকে রূপান্তরিত করে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক আদর্শ মডেল শহরে পরিণত করার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। এখানে সবাই পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করে—যা অস্ট্রেলিয়ার শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির সম্ভাব্য মডেল শহর হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৯৩ সালে টুউম্বা আজকের মতো অন্তর্ভুক্তিমূলক ছিল না; বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি প্রসারে তখন অনেক শক্ত প্রতিবন্ধকতা ছিল। ঐসময় ত্বকের রং, ধর্মবিশ্বাস বা চেহারার ভিন্নতার কারণে অনেকেই হামলা ও বিদ্বেষের শিকার হতেন। ইউনিএসকিউ নেতৃত্ব ও স্থানীয় কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে তাঁর নিরবচ্ছিন্ন ও ঘনিষ্ঠ কাজ শহরটিকে সবার জন্য স্বাগতপূর্ণ এক নগরে রূপান্তরিত করেছে।
২০১৩ সাল থেকে তিনি টুউম্বায় বার্ষিক আন্তর্জাতিক খাদ্য উৎসব ও মসজিদ ওপেন ডে আয়োজন করে আসছেন, যেখানে হাজার হাজার মানুষ—কমিউনিটি নেতা, রাজনীতিবিদ, চার্চ নেতা ও সরকারি কর্মকর্তাসহ—অংশগ্রহণ করেন। এসব আয়োজন কমিউনিটিগুলোর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে, আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ায় এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে। টুউম্বা মসজিদ এখন শহরের একটি সাংস্কৃতিক আইকন; এটি শিশু ও পরিবেশবান্ধব এবং টুউম্বা কার্নিভাল অব ফ্লাওয়ার্স উদযাপনের অংশ। এটি তরুণ, নারী ও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য নানাবিধ কার্যক্রম ও সহায়তার কেন্দ্র।
তিনি ২০১২–২০১৯ সাল পর্যন্ত ইউনিএসকিউ মাল্টিকালচারাল স্টাফ নেটওয়ার্ক-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি সমর্থন ও প্রসারে কাজ করেন। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জাতিগত গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করে আসছেন; আন্তঃধর্মীয় বিষয়ের অনেক উপস্থাপনা দিয়েছেন এবং সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রসারে ধারাবাহিকভাবে প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
তিনি সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে একজন সক্রিয় প্রচারক এবং বর্ণবাদ ও বিভাজনের বিরুদ্ধে সরকার ও কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নিয়মিতভাবে শরণার্থী, পারিবারিক সহিংসতার শিকার ব্যক্তি এবং নারী ও তরুণসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করেন। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, দাবানল এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বহু তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তাঁর অবদান কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটি, জাতিগোষ্ঠী বা ধর্মে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য। তিনি সার্বজনীন সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে মানবতার ঐক্যের প্রবক্তা। মানব সমাজের কৃত্রিম বিভাজন দূর করতে তিনি “They are us” দর্শন প্রচার করেন।
দৈনিক টুউম্বা ক্রনিকল পত্রিকা ২০২১ সালে তাঁকে টুউম্বার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৯তম স্থানে স্থান দেয়।
অধ্যাপক খান ১৯৯২ সালে কানাডা থেকে পিএইচডি ডিগ্রি শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন করেন এবং ১৯৯৩ সালের জানুয়ারিতে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডে যোগদানের আগে সিডনিতে বসবাস করেন। তিনি ১৯৯৪ সালে ইসলামিক সোসাইটি অব টুউম্বা-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ২০১৩–২০২২ সাল পর্যন্ত টুউম্বা ইসলামিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট-এর চেয়ার হিসেবে টুউম্বা মসজিদ প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন।
তাঁর অবৈতনিক ও স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে: (১) ইসলামিক সোসাইটি অব টুউম্বার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৯৪ এবং পরবর্তী বহু বছর); (২) ২০১৩ সাল থেকে টুউম্বা ইসলামিক চ্যারিটেবল ট্রাস্ট (টুউম্বা মসজিদ)-এর চেয়ারম্যান; (৩) ইসলামিক কাউন্সিল অব কুইন্সল্যান্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট (২০০৭, ২০১৬); (৪) অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন অব ইসলামিক কাউন্সিলস (AFIC)-এর সংস্কার কার্যক্রমের নেতৃত্ব, বিশেষ করে সংবিধান পর্যালোচনা; (৫) ইউনিএসকিউ ইসলামিক সেন্টারের সমন্বয়ক (২০০১–২০১৩); এবং (৬) ইউনিএসকিউ মাল্টিকালচারাল স্টাফ নেটওয়ার্কের চেয়ার (২০১৩–২০১৯)।
ইউনিএসকিউ মাল্টিকালচারাল স্টাফ নেটওয়ার্কের চেয়ার হিসেবে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বহুসাংস্কৃতিকতার সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বহু স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার/সিম্পোজিয়াম আয়োজন করেন। তিনি অন্তর্ভুক্তি ও বৈচিত্র্যের পক্ষে ধারাবাহিক প্রবন্ধ রচনা করেন এবং আব্রাহামিক বিশ্বাসগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন বহু-ধর্মীয় কমিউনিটির সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রসারে কাজ করেন।
তাঁর কমিউনিটি কার্যক্রমের মূল অঙ্গীকার ছিল: (১) বৈচিত্র্যের মধ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির সমাজ গঠন ও সমর্থন; (২) প্রবন্ধ লেখা ও সেমিনার–সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে বহুসাংস্কৃতিকতার সুফল তুলে ধরে বুদ্ধিবৃত্তিক নেতৃত্ব প্রদান; (৩) অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশ; সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় চাহিদা পূরণে সুবিধা ও সহযোগিতা প্রদান; (৪) ধর্মীয় কমিউনিটির ভেতরে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে উৎসাহিত করা; (৫) নতুন পরিবেশে বসতি স্থাপনকারী ক্রমবর্ধমান কমিউনিটিকে স্থানীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সহায়তা; (৬) বিশেষ করে পারিবারিক সহিংসতার শিকার ও শরণার্থীদের আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা প্রদান; স্থানীয় ও জাতীয় দাতব্য ও মানবিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করে অসহায় ও দরিদ্রদের সহায়তা; এবং (৭) স্থানীয় কাউন্সিল, ফেডারেল ও রাজ্য সংসদ সদস্য, চার্চ ও জাতিগত কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে কাজ করে—খাবার, আনন্দ, বন্ধুত্ব ও বিশ্বাসের মাধ্যমে সবার জন্য উন্মুক্ত অনুষ্ঠান আয়োজন করে মানুষকে একত্রিত করা।
কমিউনিটির অন্যান্য নেতৃস্থানীয় সদস্যদের সঙ্গে তিনি ইউনিএসকিউ ও শহরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে টুউম্বাকে শান্তি ও সম্প্রীতির নগরে পরিণত করতে সহায়তা করেছেন। তাঁর প্রদত্ত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সহায়তা ও সেবাসমূহ বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে টুউম্বাকে সম্মান ও যত্নের শহরে রূপ দিতে অবদান রেখেছে।
তাঁর কমিউনিটি কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বহু সরকারি ও বেসরকারি পুরস্কার লাভ করেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: (১) কুইন্সল্যান্ড সরকারের কালচারাল ডাইভার্সিটি অ্যাম্বাসাডর অ্যাওয়ার্ড (২০১৪); (২) কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিসেস কমিউনিটি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড (২০১৭); (৩) কুইন্সল্যান্ড মাল্টিকালচারাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড (২০০২); (৪) ইসলামিক কাউন্সিল অব কুইন্সল্যান্ডের কমিউনিটি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড (২০১৪); (৫) ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের ইনক্লুশন অ্যান্ড ডাইভার্সিটি অ্যাওয়ার্ড অব এক্সেলেন্স (২০১৮); (৬) ইউনিসিকিউ কমিউনিটি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড (২০১৬); এবং (৭) ইউনিসিকিউ রিসার্চ পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড (২০১৭)।
২০১৬ সালে এসবিএস চ্যানেলের প্রতিবেদক ফ্র্যাঙ্ক রবসন টুউম্বায় অধ্যাপক খানের কার্যক্রম ও অবদান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। অস্ট্রেলিয়ার রাজ্য সংসদের সদস্য মাননীয় ডেভিড জানেটস্কি, ফেডারেল সংসদের সদস্য মাননীয় ড. জন ম্যাকভে এবং সিনেটর পল স্কার অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্টে তাঁদের বক্তব্যে অধ্যাপক খানের কাজের ভুয়সী প্রশংসা করেন।
অধ্যাপক খান দুইটি ভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের এক বিরল দৃষ্টান্ত: (১) সমাজ সংস্কারক হিসেবে কমিউনিটি সেবা এবং (২) বিজ্ঞানী ও একাডেমিক নেতা হিসেবে বিশ্বমানের একাডেমিক অবদান। তিনি একজন শীর্ষস্থানীয় অধ্যাপক হিসেবে একাডেমিক ও পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি কমিউনিটি নেতা হিসেবে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সেবায় অনন্য ভারসাম্য বজায় রেখেছেন।
তিনি অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ ১০টি ভিন্ন দেশে কাজ ও বসবাস করেছেন। তিনি তাঁর স্ত্রী আনরকালী লুৎফুন নাহারের সঙ্গে বসবাস করেন এবং তাঁদের তিন পুত্র—ইমরান, আদনান ও আলবাব—এবং পাঁচ নাতি-নাতনি—জারা, জায়না, আইদিন, আরিব ও এজমে—নিয়ে গর্বিত।
লেখক: ডঃ জহিরুল হক, পরিসংখ্যান বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক, সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া। ইমেইল: Zahirul.Hoque@unisq.edu.au
আরও পড়ুন
এই বিভাগের আরো খবর
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা
সিডনিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক সভা ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উদ্যোগে সিডনীতে শহীদ ওসমান হাদীর গায়েবানা জানাজা
সিডনিতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন নেপথ্যে তারেক রহমান, শীর্ষক বইয়ের দ্বিতীয় মোড়ক উম্মোচন





