যশোরের গ্রামীণ মেলা রাঙাল ঘোড়দৌড়
শীতের পড়ন্ত বিকাল। কিছুক্ষণ পরই সূর্য দিগন্তরেখায় দেবে ঝাঁপ। ঠিক এমন সময় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বী ১১টি ঘোড়া মাঠের উত্তর প্রান্ত থেকে দক্ষিণে ছুটে চলেছে। চলা তো নয়, প্রাণপণ ছুটে চলা। সবার দৃষ্টি মাঠের মাঝ দিয়ে ছুটে চলা ওই ঘোড়াগুলোর দিকে। তাদের পিঠে সওয়ার, একটু গতি কমালেই চাবুকের ঘা। যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের রাজাপুর মাঠে গতকাল বিকালে আয়োজন করা হয় ঐতিহ্যবাহী এ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার।
প্রতিযোগিতাকে ঘিরে এদিন সকাল থেকেই বিস্তীর্ণ ফাঁকা মাঠজুড়ে মেলা বসে। মেলায় ছিল নাগরদোলা, নানা পণ্যসামগ্রী ও খাবারের দোকান। রঙিন বেলুন হাতে নিয়ে ছিল শিশুদের মাতামাতি। দল বেঁধে ছেলেমেয়েরা ঘুরে বেড়ায় মাঠের এপার থেকে ওপারে। এ যেন এক অলিখিত আনন্দোৎসবে মেতে ওঠে গ্রামবাসী। দূর-দূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর উপস্থিতিতে মুখরিত হয় গোটা মাঠ।
দুপুরের পরপরই প্রতিযোগিতা শুরু হয়, চলে প্রায় সন্ধ্যা নাগাদ। রাজাপুর যুবসমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বছরের ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় যশোর, মাগুরা ও নড়াইলের ১১টি ঘোড়া অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াজেদ আলী মোল্যা। প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন এবং সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল।
প্রতিযোগিতায় যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জলকরের বিল্লাল হোসেনের ঘোড়া প্রথম, সুখদেবনগরের নজরুল মুন্সীর ঘোড়া দ্বিতীয় ও চৌগাছা উপজেলার আবিরের ঘোড়া তৃতীয় স্থান অধিকার করে।
আরও পড়ুন
এই বিভাগের আরো খবর
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে সম্মিলিত ক্লাব ঐক্য পরিষদ প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন ১২ সেপ্টেম্বর
১০ জন শিক্ষক পড়িয়েছেন ২ জন শিক্ষার্থীকে, তবুও কেউ পাস করেনি
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই মৃত্যু হয় স্কুলছাত্রী নির্জনার: আদালতে মা





