avertisements 2

জন্মহার হ্রাসের ঝুঁকিতে অস্ট্রেলিয়া, সরকারের সতর্কবার্তা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ২১ সেপ্টেম্বর,সোমবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:৫৭ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর,সোমবার,২০২৬

Text

অস্ট্রেলিয়ায় জন্মহার কমে যাওয়া ও জনসংখ্যার বার্ধক্যের কারণে ২০৬০-এর দশকে প্রথমবারের মতো জন্মের চেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি হতে পারে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির ট্রেজারি বিভাগ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

দশকের পর দশক ধরে কম জন্মহারের প্রভাব পুষিয়ে জনসংখ্যা বাড়াতে অভিবাসনের ওপর নির্ভর করেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে অভিবাসনের গতি কমে আসায় দেশটি জাপান, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত অর্থনীতির পথেই এগোচ্ছে, যেখানে ইতোমধ্যে জন্মের চেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।


গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের চুক্তি, সতর্ক আশাবাদ ডেনমার্কেরগ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের চুক্তি, সতর্ক আশাবাদ ডেনমার্কের
ট্রেজারির ‘ইন্টারজেনারেশনাল রিপোর্টে’ আগামী চার দশকে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে এমন পাঁচটি পরিবর্তন চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভূরাজনৈতিক বিভাজন, জ্বালানি রূপান্তর, জনসংখ্যার বার্ধক্য এবং সেবাভিত্তিক অর্থনীতির দিকে পরিবর্তন।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী চার দশকে অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বছরে গড়ে ০.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। গত ৪০ বছরে এই হার ছিল গড়ে ১.৪ শতাংশ। জন্মহার কমার পাশাপাশি নিট বিদেশি অভিবাসনও কমে পরে স্থিতিশীল হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ট্রেজারি বলেছে, অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা আগের পূর্বাভাসের তুলনায় দ্রুত বয়স্ক এবং ধীরগতিতে বাড়বে। ২০৬০-এর দশকে মৃত্যুর সংখ্যা জন্মের চেয়ে বেশি হয়ে গেলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক বৃদ্ধি আর ভূমিকা রাখবে না। এদিকে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বাধীন সরকার গত সপ্তাহে অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করেছে। দেশটিতে অভিবাসন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া ডানপন্থি পপুলিস্ট দল ওয়ান নেশনের প্রতি সমর্থন বাড়ার প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জনসংখ্যার বার্ধক্যের ফলে স্বাস্থ্যসেবা ও বয়স্কদের সেবার চাহিদা বাড়বে। বয়স্ক জনসংখ্যা বেশি এমন অঞ্চলে এসব খাতে শ্রমিক সংকট আরও তীব্র হতে পারে। এসব খাত অভিবাসী কর্মীদের ওপরও ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

ভবিষ্যৎ বাজেটে কর কমানোর সম্ভাবনার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি, উচ্চ বন্ধকি ঋণের হার ও ব্যয়বহুল আবাসন নিয়ে চাপের মধ্যে থাকা অস্ট্রেলীয়দের জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে সরকার আরও সহায়তা দিচ্ছে।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2