avertisements 2

প্রায় ২৫ লাখ পশু বিক্রি হয়নি : দিশেহারা খামারিরা

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ৩ জুলাই,সোমবার,২০২৩ | আপডেট: ০৮:৪৮ পিএম, ১২ জুলাই,শুক্রবার,২০২৪

Text

আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরুর এক দিন আগে মাঝারি ও বড় সাইজের ৩১টি গরু নিয়ে রাজধানীর আফতাবনগর হাটে এসেছিলেন চুয়াডাঙ্গার খামারি মকবুল হোসেন। এর মধ্যে ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত তিনি মাত্র ৭টি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় বাকি ২৪টি গরু তিনি বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। মেরাদিয়ার হাটে আনা ২৭টি গরুর মধ্যে ছোট সাইজের মাত্র ৯টি বেচতে পেরেছেন পাবনার খামারি আলফাজ মিয়া। ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত হাটে বাকি গরুর যে দাম উঠেছে, তাতে প্রতিটি গরুতে অন্তত ২০ হাজার টাকা করে লোকসান হতো। তাই চড়া ট্রাক ভাড়া দিয়েও গরুগুলো খামারে ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন।

শুধু মকবুল হোসেন কিংবা আলফাজ মিয়াই নয়, তাদের মতো অসংখ্য খামারি হাজার হাজার কোরবানিযোগ্য অবিক্রীত পশু নিয়ে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে ঢাকা ছেড়েছেন। বড় ধরনের লোকসানের ভয়ে খামারিরা ঢাকার কোরবানির হাট থেকে অবিক্রীত পশু বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে নতুন করে ৬ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে প্রান্তিক খামারিরা এখন মহাবিপাকে। কেননা কোরবানির জন্য ১০-১৫টি করে বড় ও মাঝারি সাইজের গরু প্রস্তুত করতে গিয়ে তাদের অনেকে সঞ্চিত সব পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন। কেউবা স্থানীয় সমবায় সমিতি কিংবা আত্মীয়স্বজন-প্রতিবেশীর কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন। এ শ্রেণির বেশকিছু খামারি বিভিন্ন এনজিও থেকে টাকা ধার নিতে বসতভিটা কিংবা আবাদযোগ্য জমি বন্ধক রেখেছেন। যা কোরবানির ঈদের পরপরই পরিশোধ করার কথা। অথচ গরু বিক্রি না করে এ টাকা পরিশোধ করার বিকল্প কোনো পথ নেই তাদের। এ অবস্থায় লোকসানে গরু বিক্রি না করে আগামী কোরবানির ঈদ পর্যন্ত খামার টিকিয়ে রাখা তাদের পক্ষে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে যেসব খামারি তাদের খামারে লালন-পালনকৃত গবাদি পশু ৩ সপ্তাহ থেকে ২ মাসের মধ্যে দ্রুত মোটাতাজাকরণের জন্য স্টেরয়েড ইনজেকশন, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করেছেন তারা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। কারণ ওষুধ ও রাসায়নিকের প্রভাবে গরুর শরীরে পানি ও তরল পদার্থ জমা হতে শুরু করে। এই গরু বেশি দিন বাঁচে না। তাই এসব পশু আগামী আরও এক বছর সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ তা অল্প সময়ের মধ্যে স্থানীয় কসাইয়ে কাছে বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এতে যে আশায় ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে কম দামে গরু বিক্রি না করে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন তা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অবিক্রীত গরু নিয়ে আরও এক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন খামারিরা। তারা মনে করছেন, গোখাদ্যের দাম আগামীতে আরও অনেক বাড়বে। জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় প্রশাসনে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দেবে। এ সময় খামারিদের দুর্দশার কথা চিন্তা করে গোখাদ্যের সিন্ডিকেট ভাঙার তৎপরতা আরও অনেক কমবে। যা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়াবে। গোখাদ্যের দাম আকাশচুম্বি হলে মধ্যমমানের খামারিদের পক্ষেও অবিক্রীত গরু নিয়ে খামার টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া করপোরেট ব্যবসায়ীদের গড়ে তোলা বৃহৎ ডেইরি খামারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রান্তিক খামারিদের অবিক্রীত গরু নিয়ে টিকে থাকাও কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্য, করপোরেট ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন শিল্পের বাই-প্রোডাক্ট রয়েছে। যার ফলে গোখাদ্যের দাম বাড়লে কিংবা গরুর দাম কমলেও তারা বিকল্প পথে তা পুষিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু প্রান্তিক খামারিদের সে সুযোগ নেই।

এদিকে মাসখানেক আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় গবাদি পশুর লাম্পিং স্কিন ডিজিজ মহামারি আকার ধারণ করেছে। এতে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি গরু মরার খবরও পাওয়া গেছে। অথচ এই মহাবিপদে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পশু চিকিৎসকের সহায়তা ও পরামর্শ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

খামারিরা জানান, প্রথমে জ্বর, তারপর সমস্ত শরীরের চামড়ার নিচে ফোসকা বা গুটি দেখা দেয়। তারপর ধীরে ধীরে গরুটির খাদ্যগ্রহণ কমে যায়, ফলে কিছুদিনের মধ্যে নিস্তেজ হয়ে একপর্যায়ে মারা যায় লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত গরুগুলো। তাই এবার ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে অনেকে এ ধরনের রোগাক্রান্ত গবাদি পশু বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ঈদের আগে আকস্মিক দাম পড়ে যাওয়ায় অনেকেই তা বিক্রি করতে পারেননি। এ অবস্থায় সরকারি কিংবা ব্যক্তিগতভাবে লাম্পি ডিজিজের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে রোগাক্রান্ত অবিক্রীত পশুর শরীরে তা পুশ করানোসহ আনুষঙ্গিক চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলা খামারিদের কাছে এখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।

খামারিরা জানান, কয়েক বছর ধরে এই ভাইরাসটির সংক্রমণ বেড়েছে। তবে এ বছর এই ভাইরাসের আক্রমণের তীব্রতা বেশি। ভাইরাসের ভেরিয়েন্ট পরিবর্তিত হওয়ায় এবারের সংক্রমণে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হচ্ছে। পাবনা ও শেরপুরসহ একাধিক জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা এ বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মানিকগঞ্জ, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, যশোরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের খামারি ও মৌসুমি পশু ব্যবসায়ী এবং যায়যায়দিনের জেলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা ছিল বেশি। সে তুলনায় বড় গরুর ক্রেতা ছিল যৎসামান্য। ফলে যারা বড় গরু বিক্রির জন্য ঢাকার বাজারগুলোতে এসেছিল তাদের ৫০-৬০ শতাংশ পশুই অবিক্রীত থেকে গেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কয়েকটি কারণে গরুর চাহিদা কম ছিল। মূল্যস্ফীতির গ্যাঁড়াকলে সাধারণ মানুষের আয় কমে গেছে। ডলারের আকাশচুম্বি দাম ও সংকটের কারণে আমদানি-রপ্তানি বিঘ্নিত হওয়ায় সব ধরনের ব্যবসায় মন্দা লেগেছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় শিল্পমালিকদেরও মূলধনে টান পড়েছে। নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত মানুষ সঞ্চয় ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। ফলে অনেক মানুষের হাতে টাকা ছিল না। তাই বিশাল আকৃতির একাধিক গরু-মহিষ কিংবা এককভাবে বড় পশু কোরবানি দেওয়া মানুষের সংখ্যা এবার কমেছে। মধ্যবিত্তরা অনেকেই এবার গরুর পরিবর্তে ছাগল-ভেড়া কোরবানি দিয়েছেন। মাঝারি সাইজের গরু ৫/৭ ভাগে কোরবানি দিয়েছেন অনেকেই। যা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া এবারের পশু কোরবানির পরিসংখ্যান চিত্রেই স্পষ্ট।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ডক্টর আহসান এইচ মনসুর বলেন, শিল্পপতি, রাজনৈতিক নেতারা আগে ৫-৬টা করে বড় গরু কিনত। কিন্তু এবার হয়তো তারা একটা গরু কোরবানি করেছেন। পাড়া-মহল্লায় বড় গরু কিনে শো-অফের ব্যাপারটা এবার ছিল না। ঢাকার হাটে দলবল নিয়ে গরু কেনার মহড়াও তেমন হয়নি। মানুষের হাতে টাকা কম থাকায় অনেকে হয়তো কোরবানিই দেয়নি- যোগ করেন অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর।

সরকারি তথ্য বলছে, এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারা দেশে মোট ১ কোটি ৪১ হাজার ৮১২টি পশু কোরবানি হয়েছে। অথচ সারা দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি। অর্থাৎ ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৫২১টি পশু অবিক্রীত থেকেছে। যদিও গত বছরের চেয়ে এবার ৯১ হাজার ৪৯টি পশু বেশি কোরবানি হয়েছে।

তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ হিসেবে বড় ধরনের ফাঁক রয়েছে। যা অনেকটা কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের ভাষ্য, সাধারণ মানুষের আর্থিক দুরবস্থার কারণে প্রকৃতপক্ষে পশু কোরবানি যে কম হয়েছে তা গত দুই বছরের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কোরবানির হিসাব পর্যালোচনা করলে স্পষ্টই বোঝা গেছে।

২০২২ সালে ঈদুল আজহায় সারা দেশে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৩টি পশু কোরবানি করা হয়। এর আগে ২০২১ সালে সারা দেশে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি পশু কোরবানি হয়েছিল। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ২০২২ সালে পশু কোরবানি বেড়েছিল ৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫২১টি। এছাড়া গত বছর ঈদুল আজহায় কোরবানি হওয়া পশুর মধ্যে গরুর সংখ্যা ছিল ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৩৬টি। আর ছাগলের সংখ্যা ছিল ৪২ লাখ ২০ হাজার ৮২০টি। অথচ এ বছর কোরবানি হওয়া পশুর মধ্যে ৪৫ লাখ ৮১ হাজার ৬০টি গরু এবং ৪৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩২৮টি ছাগল। বাকি অন্যান্য পশু। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার গরু কোরবানি কমেছে, ছাগল কোরবানি বেড়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে দেশে মোট কোরবানি হয়েছে মোট ১ কোটি ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৫৬টি পশু। যা ২০১৮ সালে তা বেড়ে হয় ১ কোটি ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭০টি। ২০১৯ সালে তা আরও বেড়ে ১ কোটি ৬ লাখ ছাড়িয়ে যায়।

পাবনার আলম ডেইরি ফার্ম এবার গাবতলী হাটে ৩৮টি বিশাল আকৃতির গরু আনে। তাদের মাত্র ৫টি গরু বিক্রি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খরচের চেয়েও কম দামে গরুগুলো বিক্রি করতে হয়েছে। শুধু যাতায়াত খরচ ও শ্রমিকদের থাকা-খাওয়ার খরচ জোগানোর জন্য ওই গরুগুলো বিক্রি করেছেন।

তিনি জানান, ঈদের এক দিন আগে গরুর দাম পড়ে যায়। পড়তি দামে বিক্রি করলে প্রায় ৩০-৩৫ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হতো। আর বাড়ি নিয়ে যাওয়ায় বাড়তি লাখ দেড়েক টাকা খরচ হয়েছে। এই খামারির মাথার ওপর এখন ১ কোটি টাকা ঋণের বোঝা রয়েছে যা হাটে গরু বিক্রি করে পরিশোধের চিন্তা ছিল। গরু বিক্রি না হওয়ায় ঋণের সুদের পাশাপাশি পাওনা সুদের টাকার ওপর সুদ গুনতে হবে।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের মিরাজ ডেইরি ফার্মের মালিক মাহবুব আলম কমলাপুর হাটে ৫১টি গরু এনেছিলেন। তার মধ্যে ছোট সাইজের ১৩টি বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, দুই লাখ টাকার গরু এক বছর পালনের পর কোরবানির হাটে ক্রেতারা যদি দেড় লাখ টাকা দাম দিতে চায় তাহলে তা বিক্রি করা যায় না। এই খামারি জানান, ৬০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়ে সারা বছর গরু পালন করেছেন কোরবানির সময় বিক্রি করবেন বলে। কিন্তু মোট গরুর মাত্র এক-তৃতীয়াংশ বিক্রি হওয়ায় তিনি খামার টিকিয়ে রাখা নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।

এদিকে শুধু খামারিরাই নয়, অবিক্রীত গরু নিয়ে এবার বড় ধরনের চাপে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও। যারা সারা দেশের বিভিন্ন খামার থেকে গরু কিনে ঢাকায় আনেন মোটা অঙ্কের লাভের টার্গেট নিয়ে। তারাও এবার লাভের মুখ দেখা দূরে থাক- বিনিয়োগকৃত মূলধন তোলা নিয়েই বড় ঝুঁকিতে পড়েছেন।

কেননা খামারিরা তাদের অবিক্রীত গরু কষ্ট করে হলেও আরও এক বছর নিজ খামারে লালন-পালন করতে পারবেন। অথবা কয়েক মাস পর দু’চারটি করে গরু কসাইদের কাছে উপযুক্ত দামে বিক্রি করবেন। কিন্তু বেপারীদের সে সুযোগ না থাকায় তাদের কাছে মূলধন তোলাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ এমরান বলেন, খামারিদের যারা বড় গরু বাজারে এনেছিল তাদের প্রায় ৫০ শতাংশই অবিক্রীত রয়েছে। চড়া দামের খাবার খাইয়ে, ব্যাংক ঋণ নিয়ে যারা খামার করেছেন তাদের অবস্থা শোচনীয়। খামার পরিচালনার দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতেই এখন এদের পথে বসতে হবে। খামারিরা বলছেন, যারা গরু বিক্রি করতে পারেননি, উল্টো ঢাকায় এসে বাড়তি কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। তাদের এখন গরু পালন করতেই হিমশিম খেতে হবে। কারণ আগের ঋণ পরিশোধ না করলে নতুন ঋণও পাওয়া যাবে না। অন্যদিকে গোখাদ্যের দাম ব্যাপক চড়া। সব মিলিয়ে তারা এখন চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2