avertisements 2

সরকার ভারতের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে, লড়াই চলবে:ককরোচ জনতা পার্টি

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১১ অক্টোবর,রবিবার,২০২৬ | আপডেট: ০৬:২২ এএম, ১২ অক্টোবর,সোমবার,২০২৬

Text

মোদি সরকার ভারতের সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে অভিযোগ তুলেছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা। একই সঙ্গে পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন তারা। খবর গার্ডিয়ানের।

রোববার (১১ অক্টোবর) মুক্তির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা দীপকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য এক চরম লজ্জার বিষয়। এই দেশ এর আগে কখনও এত বড় কাপুরুষ ও অত্যাচারী শাসক দেখেনি।’

একই দিন বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দিল্লিকে ‘যুদ্ধক্ষেত্রে’ পরিণত করার জন্য পুলিশ ও সরকারের তীব্র  সমালোচনা করেন সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। এ সময় তারা ‘লড়াই’ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন। দুই নেতা যোগ করেন, এই সংগ্রাম এখন আর কেবল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নয়, এটি মোদি এবং তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধেও।

সৌরভ বলেন, ‘রাষ্ট্র তার নিজের নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে। দেশে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, আর এটি স্পষ্টতই একজনকে বাঁচানোর জন্য করা হচ্ছে। আমরা মোদি ও শাহকে জিজ্ঞেস করতে চাই, আপনারা কেন জ্ঞানেশ কুমারকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন?’

বিক্ষোভকারীদের এই অভিযোগের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া এর আগে জানান, মৃত ও অবৈধ ভোটারদের বাদ দিতেই নিয়মতান্ত্রিকভাবে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয়েছে এবং এতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করেন।

তবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি, কয়েকটি রাজ্যে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে স্বেচ্ছাচারী কায়দায় ১৩ কোটি ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। পরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে, এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিও কানে তোলেননি।

এরপরই বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট, সিজেপি এবং বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো একযোগে রাজপথে নামে। সিইসির পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন ঠেকাতে যুদ্ধংদেহী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে মোদি সরকার। শনিবার (১০ অক্টোবর) সিজেপির বিক্ষোভ ঠেকাতে ৩ হাজারের বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়। পরে অবশ্য সবাইকে-ই ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2