avertisements 2

দেশের সবচেয়ে বড় দীপাবলি উৎসব বরিশালে

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৩:৪৫ এএম, ১৪ নভেম্বর,শনিবার,২০২০ | আপডেট: ০৭:২৭ পিএম, ১৭ মে,সোমবার,২০২১

Text

শুক্রবার বরিশালে অনুষ্ঠিত হল দেশের সর্ববৃহৎ দীপাবলি উৎসব। অন্যান্য বছর ব্যাপক সমারোহে দীপাবলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলেও করোনার কারণে এবার বরিশাল নগরীর কাউনিয়া মহাশ্মশানে দীপাবলি উৎসব হচ্ছে সংক্ষিপ্ত পরিসরে।

দীপাবলি উৎসবের জন্য মহাশ্মশানের মঠসহ সমাধিস্থলগুলো সাজানো হয়েছে নতুন রূপে। উৎসবে প্রয়াতদের সমাধির কাছে প্রার্থনাসহ তাদের পছন্দের খাবার সাজিয়ে রাখবেন তাদের স্বজনরা। করোনার কারণে এবার তোরণ নির্মাণ, আলোকসজ্জা এবং মেলার আয়োজন করেনি কর্তৃপক্ষ।

সুষ্ঠু-সুন্দরভাবে দীপাবলি উৎসব সম্পন্ন করার জন্য নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে মহাশ্মশান রক্ষা কমিটি। এদিকে উৎসব নির্বিঘ্ন এবং শান্তিপূর্ণ করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে পুলিশ।

প্রতি বছর কালীপূজার আগের দিন ভূত-চতুর্দশীর পুণ্যতিথিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের প্রয়াত স্বজনদের সমাধিতে দীপ জ্বেলে, চণ্ডীপাঠ করে এবং তাদের পছন্দের খাবার প্রদর্শন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রয়াত স্বজনদের উদ্দেশে প্রার্থনার অনুষ্ঠান পরিণত হয় উৎসবে।

প্রতি বছর এ দিনটির অপেক্ষায় থাকেন প্রয়াতদের স্বজনরা। দেশ-বিদেশ থেকে হাজারও পুণ্যার্থী আসেন মহাশ্মশানে। শুক্রবার সকাল ১০টার পর থেকে লগ্ন অনুযায়ী শুরু হয় দীপাবলির আনুষ্ঠানিকতা।

নগরীর কাউনিয়ায় প্রায় ছয় একর জমির উপর গড়ে ওঠা মহাশ্মশানে প্রায় ৬১ হাজার সমাধি রয়েছে। ভারত উপমহাদেশে এতবড় সমাধিস্থল আর নেই।

বরিশাল মহাশ্মশান রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল মালাকার বলেন, করোনার প্রকোপ ঠেকাতে এবার সংক্ষিপ্ত পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে শ্মশান দীপাবলির। নির্মাণ করা হয়নি তোরণ। করা হয়নি আলোকসজ্জা। মেলাও আয়োজন করা হয়নি। এবার মাস্ক ব্যতীত কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না মহাশ্মশানে। জীবাণুনাশক দুটি টানেল বসানো হয়েছে শ্মশানের প্রবেশ গেটে।

তিনি জানান, সামাজিক দূরত্ব রাখার জন্য সার্বক্ষণিক করা হচ্ছে মাইকিং। নিরাপত্তার জন্য স্থাপন করা হয়েছে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা।

এদিকে সংক্ষিপ্ত পরিসরে হলেও দীপাবলি উৎসব নির্বিঘ্ন এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব বাহিনীর সমন্বয়ে নানা পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. খাইরুল আলম। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং র্যা ব উৎসবকালীন সার্বক্ষণিক মহাশ্মশানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements 2