avertisements

‘নির্বাচনের দিন ইসি, আ’লীগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী মিলে যৌথ বাহিনী হয়ে যায়’

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ০১:৩৯ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার,২০২০ | আপডেট: ১১:১৩ এএম, ২৪ অক্টোবর,শনিবার,২০২০

Text

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি বলেছেন, মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোয়াট মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে নির্দয় ও নির্মমভাবে দুই বছর ১৮ দিন কারাগারে রেখেছে সরকার। জামিন তার অধিকার সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সরকার নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে ছয় মাসের এক্সটেনশন করেছেন এটাকে ইতিবাচক বলছি। এটা কিন্তু খালেদা জিয়ার জন্য প্রযোজ্য নয়, তিনি জামিন পান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, এই মামলা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলতে পারে না। যাই হোক সরকার প্রতিহিংসাবশত এটা করেছে। করেছেন আবার করেন। মানবিকতার গেম তারা নিতে চাচ্ছে। উদাহরণ দেখাতে চাচ্ছে। সরকার একটা অপরাজনীতি করছে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতি এবং বিএনপির রাজনীতি নিয়ে। তারপরও বলবো এটার অবসান হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংসের পথে। যার কারণে রাজনৈতিক দলগুলো এটাকে (নির্বাচন) বর্জন করেছে। জনগণ এটাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এরকম একটা জায়গায় তো আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় চলে গেছে। তার মধ্যে নির্বাচন করার মানেটা কি? মানেটা হল লোক দেখানো একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র এবং বিধি অনুসরণের চেষ্টা মাত্র। একটা আসন শূন্য হয়েছে সরকারি দলের একজন প্রার্থীকে একটা তারিখ দিয়ে একটা ফলাফল তার পক্ষে ঘোষণা করে তাকে পার্লামেন্টে নিতে হবে। নির্বাচন কাঠামোর যে প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনা এগুলো ভেঙে পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি যা দেখেছি নির্বাচনের দিন নির্বাচন কমিশন (ইসি), আওয়ামী লীগ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী মিলে একটি যৌথ বাহিনী হয়ে যায়। এই যৌথবাহিনীর কাজ হচ্ছে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে কেন্দ্রে আসতে না দেওয়া। ভোটার যারা আসবে তারা ভোট দিতে পারবে না। কোন ভোটার যদি তার ভোটার প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাহলে তাকে জোর করে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা।’

বিষয়:

আরও পড়ুন

avertisements