Main Menu

করোনা প্যান্ডেমিকঃ চামড়া শিল্প ও কোরবানী

জালাল উদ্দিন আহমেদ: বিশ্বব্যপী করোনার তান্ডব চলছে। এরই মধ্যে মানুষ তার দৈনন্দিন রোজনামচায় বহুবিধ নিয়মাচারে অভ্যস্থ হয়ে পড়ছে। মানুষ ঘরে বসে রমজানের তারাবি পড়েছে। জুমার নামাজকে জোহরের নামাজ বানিয়ে ঘরে জায়নামাজ বিছিয়েছে। এমনকি আনন্দ উৎসবের ঈদুল ফিতরের নামাজ ঘরোয়াভাবে চার দেয়ালের আবহে আদায় করেছে। করোনার এই ব্যাপকতায় এখোনো মানুষ তার সমাজবদ্ধতার শাশ্বত আবহে ফিরে আসতে পারে নি। মসজিদে আযান হয় ঠিকই কিন্তু  স্বাস্থ্যগত বিধিবদ্ধতার শৃঙ্খলে নামাজির দশ শতাংশ মুসুল্লি মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারেন। স্বাস্থ্যগত বিধিবদ্ধতার সরকারী নির্দেশনায় দেশের মানুষ আজ লকডাউন, আইসোলেশন ও কোরেন্টাইনের যাঁতাকলে ব্যাতিব্যস্ত। তার উপরে রয়েছে করোনা সংক্রমনের আশংকা। মাঠে-ঘাটে ও কর্মক্ষেত্রে মানুষ আজ সীমিত চলাফেরায় আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। কর্মজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ছে। চাকুরী হারানো শত শত কর্মক্ষম মানুষ আজ শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন। শিশু কিশোর ও যৌবনের পাদদেশে পা রাখা লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ে আজ গৃহবন্দি হয়ে হিউময়ান ব্যোম হওয়ার রসদ খুজে পাচ্ছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রাচার ও সামাজিক বন্দনার সবকিছুই আজ স্বাস্থ্য সর্ম্পকিত নিয়মাচারের খাঁচায় বন্দি। 
 এহেন শত প্রতিবন্ধকতাকে সামনে রেখে আমাদের দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব আসন্নপ্রায়। হজ্জ্ব মোটামুটি বন্ধই বলা চলে। কেবলমাত্র  সৌদি আরবে যারা আছেন তারাই কেবল স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারের হজ্জ্বে অংশ নিতে পারবেন। বাকি থাকে বকরঈদ বা কোরবানীর আনুষ্ঠানিকতা। ধর্মীয়  আচার আকিদা পালন করতে গিয়ে মুসলমান সম্প্রদায় পশু কোরবানী দেয়ার মাধ্যমে নিজেদের  পশুত্বকে কোরবানী দেয়ার লক্ষে এই বাৎসরিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে। ফলে মুসলমান প্রধান এই বাংলাদেশে কোরবানীর সময় লক্ষ কোটি গরু ছাগল কোরবানী দেয়া হয়। মুসলিম প্রধান দেশ হিসাবে এসব পশুর চামড়া সাংবাৎসরিক ভাবেই আমাদের দেশে পাওয়া যায়। সমীক্ষায় দেখা গেছে শুধু এই কোরবানীর সময়েই সারা বছরের প্রাপ্তির পঞ্চাশ শতাংশ চামড়া সংগৃহীত হয়। আমরা জানি পশুর এই কাঁচা চামড়ার উপর ভর করে আমাদের দেশে লেদার ইন্ডাস্ট্রী গড়ে উঠেছে। এই লেদার ইন্ডাস্ট্রী বাংলাদেশের একমাত্র দেশীয় জাঁচামাল সমৃদ্ধ শিল্প সেক্টর যার মাধ্যমে বাংলাদেশ ফি বছর আট থেকে নয় হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে যা দেশীয় রপ্তানীর দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হিসাবে বিবেচিত।   
আন্তর্জাতিক চামড়া ক্যালেন্ডার, লাইভস্টক সেনসাস এবং বিভিন্ন সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের লাইভস্টক ও চামড়া প্রাপ্তির হিসাব নিম্নরূপঃ 



লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কোরবানীর এই সময়কালে প্রায় এক কোটি পঁচিশ লক্ষ পিস পশুর চামড়া সংগৃহীত হয় যা দেশের সারা বছরের প্রাপ্তির প্রায় অর্ধেক। আর একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় যে কোরবানীর সময় প্রাপ্ত চামড়া বছরের অন্যান্য সময়ে প্রাপ্ত চামড়ার গুনগত মান হতে উন্নত। কারন কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করা পশু বেশ যত্ন সহকারে লালন পালন করে তা বড় করা হয়। ফলে এই সময়ের চামড়া গুনগত মানে বেশ উন্নত হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে এর মূল্যও বেশ আকর্ষনীয়। 
বাংলাদেশের টেনারী শিল্প সাম্প্রতিক সময়ে পরিবেশ বান্ধব চামড়া শিল্প নগরীতে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। সাভারে আলাদাভাবে ২০০ একর জায়গায় নিয়ে অত্যাধুনিক সুবিধা সমন্বয়ে পরিবেশ বান্ধব চামড়া শিল্প নগরী গড়ে তোলা হয়েছে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায়। ঢাকার হাজারীবাগে এখন কোন টেনারী নাই। এখন টেনারী কার্যক্রমের সমস্তটায় সাভার কেন্দ্রিক। সেখানে ১৫৫ টি প্লট সমৃদ্ধ টেনারী শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেছে। লক্ষ্যনীয়, নতুন স্থাপনায় টেনারী শিল্প সমূহ তাদের পুর্বের চেয়ে দ্বিগুন উৎপাদন ক্ষমতা সমন্বয়ে শিল্প কারখানা গড়ে তুলেছে। সেক্ষেত্রে বলা যায়, কাঁচামাল প্রাপ্তির ঘাটতি নিয়েই আমাদের নতুন চামড়া শিল্পাঞ্চল তাদের যাত্রা শুরু করেছে। ২০১৭ সাল থেকে টেনারী শিল্প পরিবেশ বান্ধব সাভার টেনারী এলাকাতেই পরিচালিত হচ্ছে। সাভারে টেনারী স্থানান্তরিত হওয়ার ফলে টেনারী শিল্পপতিদের গত তিন বছরে বেশ উৎকন্ঠা ও অব্যাবস্থাপনার মধ্যে চলতে হয়েছে এবং এখনো তা চলমান। কেননা টেনারী স্থানান্তর ও নতুন করে তা গড়ে তোলার সময়টুকুতে চামড়া শিল্পের ব্যাসায়িক কানেক্টিভিটি অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়ে। তাছাড়া সরকারী তরফ থেকে  অত্যাধুনিক ও পরিবেশ বান্ধব শিল্পনগরী স্থাপনের যে ম্যান্ডেট ছিল সরকার তা সফলভাবে করে দিতে পারেনি। এমনকি বর্তমান সময়ের এই ২০২০ সালেও শিল্পনগরীর মুল উপাদান অর্থাৎ বর্জ্য শোধনাগার বা সিইটিপি তার কর্মক্ষমতার অপটিমাম প্যাকেজের সক্ষমতায় এখনো তৈরী হতে পারেনি। যেহেতু চামড়া শিল্প সম্পুর্ণটাই বৈদেশিক বানিব্জ্য নির্ভর বিধায় পরিবেশ দুষনের বাধ্যবাধকতায় চামড়া শিল্প জারখানা তার উৎপাদ ও উৎপাদনশীলতা এখনো আন্তর্জাতিক বাজারের কাঙ্খিত মান্দন্ডে নিয়ে যেতে পারে নি। ফলে বাংলাদেশে উৎপাদিত টেনারী পন্য অর্থাৎ পাকা চামড়া আন্তর্জাতিক চামড়া বাজারে অবাধ প্রবেশাধিকার পাচ্ছে না। আমাদের এই চামড়া তারাই কিনছে যারা তাদের নিজদেশে পরিবেশ বান্ধব ও সনদপ্রাপ্ত টেনারীতে নিয়ে পুনরায় রি-প্রসেস ক’রে তা আন্তর্জাতিক মানের যোগ্যতায় উপস্থাপন করছে এবং নিজেদের ব্যাবসার প্রসার ঘটাচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমরা দুর্ভাগাই বলা চলে। কেননা নিজ দেশের কাঁচামাল সমৃদ্ধ চামড়া শিল্পকে আমরা নিজেদের অজ্ঞতা ও অপরিপক্কতার কারনে পর মুখাপেক্ষি করে রেখেছি।  এবং এটা শুধুমাত্র পরিবেশ বাধ্যবাধকতার কারনেই সংঘটিত হচ্ছে। 
চামড়া শিল্পের প্রধান কাঁচামাল অর্থাৎ কাঁচা চামড়া সারা দেশব্যাপী একটা সুনির্দিষ্ট আড়তদারী কাঠামোই সংগ্রহ ও সংরক্ষন করা হয়। এই কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষনের জন্য এদেশে বাংলাদেশ হাইড এন্ড স্কীব মার্চেন্টস এসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠন প্রাচীন কাল হতে কাজ করে যাচ্ছে। এই ব্যাবসায়ি সম্প্রদায় সারা দেশব্যাপী গড়ে উঠা প্রায় ১৫ হাজার চামড়ার  আড়তের প্রতিনিধিত্ব করে। ঢাকার পোস্তায় অবস্থিত চামড়ার কেব্দ্রীয় আড়তদার সমিতির ভাষ্যমতে তাদের এই চামড়ার ব্যাবসা প্রায় দু’শ বছরের পুরনো। এতদাঞ্চলে টেনারী শিল্প শুরু হয় ১৯৫০ এর দশকে। সুতরাং তখনকার গ্রেটার বেঙ্গল আদলে সারা বাংলা ও আসামের চামড়া ঢাকার এই পোস্তার আড়তের মাধ্যমে ভারত বর্ষের কানপুর, মাদ্রাজ, কোলকাতা ইত্যাদি এলাকার টেনারী সমূহে পাঠানো হোত। এমনকি পাকিস্থান সৃষ্টি হওয়ার পরও পুর্বাংলার কাঁচা চামড়া ভারতে রপ্তানী হোত। বাংলাদেশ সৃষ্টি হওয়ার পর দেশে চামড়া শিল্পের প্রসার ঘটে। ফলে এক সময় নিজেদের চাহিদাকে মাথায় রেখে কাঁচা চামড়া রপ্তানী বন্ধ করে দেয়া হয়। এখনকার প্রেক্ষিতে দেশে এই চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষনের জন্য ১৫ হাজার আড়তসহ প্রায় এক লক্ষ ফড়িয়া নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। আর এই কাজে দেশব্যাপী প্রায় ৫ লক্ষ শ্রমিক জড়িত। সুতরাং চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষন ব্যাবস্থায় এটি একটি শক্ত কাঠামো ও ভিতের উপর দাঁড়িয়ে আছে বলে আমরা ধরে নিতে পারি। 
বলা হয় বা আশংকা প্রকাশ করে অনেকেই তাদের মতামত ব্যক্ত করে থাকেন যে, কোরবানী একটা বিশাল আয়োজন। সুতরাং সম্ভাবনাময় চামড়া শিল্পের কাঁচামালের সুষ্ঠ সংগ্রহ ও সংরক্ষনের সুবিধার্থে কোরবানীর এই সময়টুকুতে একটু বাড়তি নজর দেয়া দরকার। বিলক্ষন সত্য। তবে তা কখনোই একটি শতবর্ষীয় সিস্টেমকে ভেঙ্গে নয়। একটি পেশাজীবি ব্যাবসায়ী সংগঠন বা সম্প্রদায়কে নিষ্ক্রীয় করে শিল্প সেক্টরের ব্যাবস্থাপনার উঠানে আড়তদারীর বাড়তি বোঝা বাড়িয়ে পরোক্ষভাবে চামড়া শিল্প সেক্টরের উৎপাদনশীলতার দক্ষতা উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে কিনা তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। তাছাড়া কোরবানী সামনে রেখে অর্থ ব্যাবস্থাপনার এই তড়িঘড়ি তোড়জোড় এই শিল্পের ফালনামায় কতটুকু যোগফল বয়ে আনে বা এনেছে তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বৈকি!  
লক্ষ্য করা গেছে গত বছরের কোরবানীতে সরকার টেনারী মালিকদের ৬১০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। ওই টাকা দিয়ে সরকারী বেঁধে দেয়া মূল্যে ৪০ লক্ষ গরু ও বাকী ছাগল ভেড়ার চামড়া কেনার পরও একটা মোটা  টাকা অব্যবহৃত বা বেঁচে যাওয়ার কথা। কিন্তু তারপরেও গত বছরের কোরবানীতে চামড়া রাস্তাঘাটে পড়ে থাকতে দেখা গেল কেন? কেনই বা তা মাটিতে পুঁতে ফেলার দৃশ্য দেশবাসীকে দেখতে হোল? আমাদের সরকারী আধিকারিকগন কিংবা অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানের বড় বাবুরা এসবের পোষ্ট ডায়াগোনসিস কখনো করেছেন কি?  মনে রাখা দরকার, চামড়া ট্রেডিং করার কাজ আড়তদারদের। শতবর্ষীয় ব্যাবস্থাপনায় তা হাইড মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের মাধয়মেই হয়ে আসছে। সেক্ষেত্রে ব্যাংক ও অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান তাদের রুটিন কাজ হিসাবে এসব করবেন। যেহেতু কোরবানীর একটা অতিরিক্ত চাপ থাকে , এমতাবস্থায় সরকারী সহযোগিতা ও সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেই তা যথেষ্ট বলে বিজ্ঞজনেরা মনে করেন।  
এবারের কোরবানীতে দৃশ্যটা কেমন হবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে অনুমান করতে অসুবিধা হচ্ছে না যে  এবারের কোরবানীটা গড্ডলিকায় প্রতিপালিত হবে । সেক্ষেত্রে সারা দেশের এই করোনা  প্যান্ডেমিক অবস্থায় স্বাভাবিক অবস্থার ৫০-৬০ শতাংশ পশু কোরবানী এবার হতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।  সংগ্রহ ও সংরক্ষনের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে বিশেষভাবে। কেননা জনপদের প্রতিটি মানুষ যেখানে জীবন রক্ষার তাগিদে শামুকের মত নিজেদেরকে গুটিয়ে রেখেছেন সেখানে ধর্মীয় উৎসবের সম্পৃক্ততায় এই নির্ঘন্টটি কিভাবে প্রতিপালিত হয় তা সময়ই বলে দিবে।  
প্রসঙ্গক্রমে আরো দু’একটা কথা বলা প্রয়জন। চামড়া শিল্প নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা ও তোড়জোড় দেখা যায়। তবে তা এই মৌসুমীভাবেই ঘটে বলে বিজ্ঞজনেরা বলে থাকেন। পরিবেশ বাধ্যবাধকতার চাপে পড়ে মাঝেমধ্যে করছি-হচ্ছে-হবে বলে পনেরটি বছর পেরিয়ে গেল কিন্তু নিজেদের অজ্ঞতা ও অদক্ষতাকে স্বীকার করার মানসিক মনোবল নাই আমাদের। অথচ পরিবেশ দুষনের শিকলে আবদ্ধ হয়ে আমরা খাবি খাচ্ছি। সরকারী প্রতিষ্ঠাঙ্গুলো যেমন তাদের অদক্ষতাকে  স্বীকার করতে নারাজ পাশাপাশি এশিল্পের ভুক্তভোগী উদ্যোক্তাগনও কেমন যেন খাপছাড়া ভাব নিয়ে চলাফেরায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আজকের দিনে পরিবেশ বান্ধব শিল্পের কথা বেশী করে উচ্চারিত হয়। কিন্তু পরিবেশ বান্ধবতার তকমা লাগানো সিইটিপি(বর্জ্য শোধনাগার)সমৃদ্ধ সাভারের চামড়া শিল্পনগরী তার বর্তমান আদলের সিইটিপি দিয়ে আদৌও কি কোন প্রতিযোগিতার যোগ্যতা রাখে? এ নিয়ে বাংলাদেশের চামড়া শিল্প কতটুকু এগোতে পারবে তা সময়ই বলে দিবে। কারন আমলাতান্ত্রিক রোজনামচায় শিল্প মন্ত্রনালয় তার বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান বিসিকের মাধ্যমে যে সিইটিপি এই টেনারী সেক্টরের জন্য উপহার দিয়েছে তা দিয়ে ঠেলেঠুলে হয়তো বছর পাঁচেক হাঁটা যাবে। কিন্তু তারপর?  সুতরাং টাস্কফোর্স বলুন বা সেল বলুন – কোন কিছুই কাজে আসবে না যতক্ষন পর্যন্ত এই সেক্টরের জন্য একটি আদ্যোপান্ত ডায়াগোনসিস করা না হয়। সেক্ষেত্রে চামড়া শিল্প সেক্টরকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও লালন পালন করার নিমিত্তে এই মুহুর্তে সরকারী পর্যায়ে আলাদাভাবে একটি স্বায়ত্বশাশিত লেদার বোর্ড বা লেদার কাউন্সিল গঠন করা একান্তভাবে জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।


লেখক : চামড়া প্রযুক্তিবিদ এবং শিল্প বিশেষজ্ঞ 
 


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT