Main Menu

মতের মিল-অমিল

(দুই)

রাশেদুল ইসলাম 

 ধর্মপালন বিষয়ে  ‘মতের মিল-অমিল’   নিয়ে  আর কিছু লেখার ইচ্ছে আমার  ছিল না । কিন্তু, সেদিনের   লেখার উপর কয়েকজন ফেসবুক বন্ধুর  মন্তব্য আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে । তাঁদের  মন্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়াটা  বেশ জরুরি  মনে হয়েছে আমার ।   আজকের লেখাটি মূলত সেকারণেই  ।

আমার  লেখায় হুজুর বন্ধুদের প্রতি  একটি বিনীত  আবেদন ছিল । সেখানে  বলা  হয়, ‘আপনারা  সকলকে  নিয়মিত নামাজ পড়তে বলুন;   ঠিক আছে । এর  পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে সৎকাজে অংশ নেওয়া যে, নামাজ পড়ার মত আর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত-  এ কথাটিও বলুন’  । এই অনুরোধ করা হয়,  এই কারণে যে,  এসব কথা  আমার মত মানুষ বলে কোন লাভ নেই । কারণ,  সাধারণ মানুষ  ধর্ম বিষয়ে কেবলমাত্র  হুজুর বা  মসজিদের ইমামদের কথাই শুনবেন  । আমার কথা শুনবেন  না ।

এ লেখার প্রেক্ষিতে একজন ফেসবুক বন্ধু Abdur Rahman As Sami  নিম্নরূপ মন্তব্য করেনঃ
 
‘আমি চিন্তিত। অনেকে এই  পোস্ট পড়ে নামাজ পড়ায় নিরুৎসাহিত হবে। নামাজ পড়ার দ্বারা জনকল্যাণমূলক কাজের প্রাকটিকাল চর্চা করা হয়’ । 

জনাব সামির  কথার সারমর্ম এই যে, আমার লেখা দ্বারা ধর্মপ্রাণ মুসলমান,  যারা মহান আল্লাহকে খুশি করার জন্য নিয়মিত নামাজ  পড়েন,  তাঁরা বিভ্রান্ত হবেন ।  তাঁর মতে, মুসলমানদের সৎকাজ করার জন্যে আলাদাভাবে বলার কোন প্রয়োজন নেই ।  কারণ,  নামাজ পড়ার মাধ্যমেই  একজন মুসলমানের সৎকাজের  চর্চা হয়ে যায় । তাই  সৎকাজের জন্য আলাদাভাবে বলা হোলে, অনেকে সৎকাজের উপর অধিক গুরুত্ব দিতে পারেন;  এক্ষেত্রে তাঁরা নামাজ পড়তে  নিরুৎসাহিত হতে পারেন ।  

জনাব সামির  এই মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ । কারণ, আমার মনে হয়েছে , এ কথাটি শুধু একজনের কথা নয়; আমাদের দেশের  অধিকাংশ সাধারণ মুসলমানদের মনের কথা এটি । তাঁদের উপলব্ধির কথা । এ কথার অন্য  এক মানে এই যে, সৎকাজ করাকে এ দেশের সাধারণ মুসলমান  ইবাদত মনে করেন না । আর এটা যদি সত্য হয়,  তাহলে নিঃসন্দেহে তা ভয়ংকর । কারণ,  ইসলাম ধর্মের মৌলিক বিধান বা পবিত্র কোরআনের  বিধান  তা নয় । এ বিষয়ে আমার লেখার উপর ফেসবুক বন্ধু জনাব নাসির হেলালের একটি মন্তব্য এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে । তিনি একজন ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক ও লেখক । তাঁর মতামত  নিম্নরুপঃ 

 “আসলে ইবাদত দু'ভাগে বিভক্ত। হক্কুল্লাহ অর্থ আল্লাহর হক;  আর,  হক্কুল ইবাদ অর্থ বান্দার হক। আল্লাহর হক হলো- সালাত কায়েম বা নামাজ প্রতিষ্ঠা ( নামাজ পড়া নয়), সিয়াম বা রোজা পালন, যথাযথভাবে যাকাত আদায়, হজ্ব ইত্যাদি।

 বান্দার হক বলতে ব্যাপক অর্থে সমস্ত সৃষ্টির হক। আল্লাহ তাঁর হক আদায়ের ক্ষেত্রে শিরক্ করা ছাড়া বাকী সব বিষয়ের ত্রুটি   বিচ্যুতি মাফ করবেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু বান্দার হক বা আপনি যেটাকে সৎকাজ বলেছেন,  সেই ক্ষেত্রে তাঁর পরিষ্কার ঘোষণা তিনি মাফ করবেন না। যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সৃষ্টি ( যার সাথে জুলুম করা হয়েছে) মাফ না করে” । 

জনাব নাসির হেলালের মন্তব্যে এটা পরিস্কার যে, ইসলামের ৫  টি স্তম্ভ,  যা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অবশ্য পালনীয় বা ফরয, সেগুলো আল্লাহর হক । হক্কুল্লাহ ।  আমার মনে হয়, এই বিষয়টিই পবিত্র কোরআনের সূরা জারিয়াত এ সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে । বলা হয়েছে,
 
“আমি জীন ও মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি” (সূরা জারিয়াত, আয়াত ৫৬) । 

মুসলমান হিসাবে আল্লাহর হক আদায়ের দায়বদ্ধতা পালনের  বিষয়টি একজন মুসলমানের একান্ত ব্যক্তিগত ধর্মীয় গুণাবলী । একজন মুসলমান কলেমায় বিশ্বাস করে, নামাজ পড়ে,রোজা রাখে, আর্থিক সামর্থ্য থাকলে যাকাত দেয় ও  হজ করে ।  এগুলো সবই তার নিজের জন্য ব্যক্তিগত ইবাদতের অংশ । এই ফরযগুলো পালনের মাধ্যমে একজন মানুষ  খাঁটি মুসলমান হয় এবং সৃষ্টির সেরা জীব হিসাবে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত হয়ে ওঠে  ।  এই ধর্মীয় কাজগুলোর মধ্যে   সৎকাজের উপাদান থাকলেও সেগুলো  পুরোপুরি সৎকাজ  বা ‘হক্কুল ইবাদ’ নয় । 

‘হক্কুল ইবাদ’ বা সৎকাজের বিষয়টি জনাব নাসির হেলাল একটি উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন । তিনি বলেন,”আল্লাহ আদম সৃষ্টির কথা ফেরেশতাদের জানালে তারা এর বিরোধিতা করে বলেছিল, এ কাজ করবেন না। মানুষ দুনিয়ায় ঝামেলা করবে। আপনার ইবাদত তো সার্বক্ষণিক আমরা করছি, আর মানুষ সৃষ্টির দরকার কী? আল্লাহ বললেন, আমি যা জানি তোমরা তা জানো না। এতে প্রমাণ হয় আল্লাহ শুধুমাত্র নামাজ, রোজা, যাকাত, হজ্ব আদায়ের জন্য মানুষ সৃষ্টি করেননি। মানুষ সৃষ্টির অন্য উদ্দেশ্য আল্লাহর ছিলো। আর তা হলো হক্কুল ইবাদ বা সৎকাজ করা” ।

আমার মনে হয়েছে,  পবিত্র কোরআনের  একটি সূরায়   সৎকাজের এই বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে । ফেসবুক বন্ধু আবদুল করিম এ কথাটিই তাঁর মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন । 
 কোরআনে বলা  হয়েছে, “তোমাদের মধ্যে সৎকর্মে কে অগ্রগামী তা পরীক্ষার জন্যেই তিনি (মহান আল্লাহ্‌) জীবন সৃষ্টি ও মৃত্যুর ব্যবস্থা করেছেন (সূরা মূলক, আয়াত ২) ।

 প্রকৃতপক্ষে এই আয়াতে সৎকাজের দ্বারাই মহান আল্লাহ্‌  জীন ও মানুষের মধ্যে পার্থক্য করেছেন । জীন জাতির শুধু ইবাদত করাই কাজ । কিন্তু,  পবিত্র কোরআনের বিধান অনুযায়ী মানুষের জন্য আল্লাহর হক আদায়সহ   সৎকাজ করা একটি বিশেষ ইবাদত ।  তাই, শুধুমাত্র  নামাজ পড়া দ্বারা একজন মুসলমানের সৎকাজ করার  ধর্মীয় দায়িত্ব পালন হয় না । এ কারণে মহান আল্লাহকে খুশী করে পরকালে নাজাত পেতে হোলে,  একজন মুসলমানকে একইসাথে আল্লাহর হক এবং বান্দার হক- দুটোই আদায় করতে হবে । এটাই পবিত্র  কোরআনের সুস্পষ্ট  বিধান বলে আমার মনে হয়েছে  । 

 মানুষ জন্মগতভাবে স্বার্থপর । একটা শিশুর আচরণে তা সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে । একটি  শিশু হাতের কাছে যা পায়, শক্ত মুঠোতে  তা ধরে রাখে । কাউকে দিতে চায়না । উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষা না পেলে এই  শিশু বড় হয়েও স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকে । একজন শিশু প্রাথমিকভাবে  বাবা মা এবং পরিবার থেকে  ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক গুণাবলী অর্জন করে ।

এখন প্রশ্ন শিশুর বাবা-মা ও পরিবার কোথা থেকে শিক্ষা পায় ? 

উত্তর- শিশুর বাবা-মা ও পরিবার সাধারণত নিজ নিজ ধর্ম  থেকে শিক্ষা পেয়ে থাকেন  ।

আবারও প্রশ্ন- শিশুর  বাবা-মা ও পরিবার   ধর্ম থেকে কি ধরণের  শিক্ষা পেয়ে থাকেন  ? 

উত্তরঃ কোন ধর্ম মানুষকে  সংকীর্ণতা বা স্বার্থপরতার শিক্ষা দেয় না । এ কথার ব্যাখ্যা দেওয়া যেতে পারে ।  প্রথমে সুপ্রাচীন কাল থেকে চলে আসা হিন্দু ধর্মের কথাই বলি ।

স্বামী বিবেকানন্দ  হিন্দু ধর্মের একটি  সারকথা বলেছেন । তাঁর মতে,

 ‘জীবে প্রেম করা যেই জন; 

       সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’ ।

 অর্থাৎ, একজন হিন্দু ব্যক্তিজীবনে হিন্দু;  কিন্তু  সকল জীবকে প্রেম ভালবাসা দিয়ে শান্তির পৃথিবী গড়ে তুলবেন – এটাই তাঁর  ধর্মের শাশ্বত বাণী ।

বৌদ্ধ ধর্মে সংঘের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে । এই  ধর্মমতে  জীবহত্যা মহাপাপ । অর্থাৎ, একজন  বৌদ্ধ  নিজ ধর্মে সংঘবদ্ধ থেকে পৃথিবীর সকল প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল হবেন । জগতের  সকল প্রাণীর সুখ কামনা করাই  তাঁর প্রধান ধর্মীয় দায়িত্ব ।

খ্রিষ্টধর্মে প্রতিবেশীকে  ঈশ্বরের সাথে তুলনা করা হয়েছে । এই ধর্মে অন্যকে নিজের থেকে বেশী মূল্য দেওয়া হয়েছে । অর্থাৎ,  সকলকে নিয়ে শান্তিতে থাকাই খ্রিষ্টধর্মের মূল শিক্ষা ।
 
 ইসলাম ধর্মের বিধান আরও সুনির্দিষ্ট । পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, 
‘এই কিতাব আমি তোমার (মহানবী সঃ) উপর নাযিল করেছি, যাতে তুমি সমগ্র মানবজাতিকে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে অন্ধকার থেকে আলোর পথে আনতে পারো’  (সূরা ইব্রাহীম, আয়াত ১) ।   অর্থাৎ,  পৃথিবীর সকল মানুষের মধ্যে বিশ্বজনীন মমতা দিয়ে শান্তি নিশ্চিত করা  ইসলাম  ধর্মের মূল লক্ষ্য ।
 
কিন্তু প্রশ্নঃ  বাস্তবে  বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী   বাবা-মা ও পরিবার  নিজ নিজ ধর্মের শাশ্বত বাণী থেকে সার্বজনীন কোন শিক্ষা পান কি ?

উত্তরঃ  মূল সমস্যা এখানেই । প্রত্যেক বাবা-মা ও  তার পরিবার নিজ নিজ  ধর্মের শাশ্বত বাণী গ্রহন  করলে ধর্ম বিষয়ে কারো মতের মিল- অমিল নিয়ে কথা থাকত  না । কিন্তু, কোন বাবা-মা  সরাসরি  ধর্মগ্রন্থ থেকে শিক্ষা নেন না । তাঁরা নিজ নিজ ধর্মের শিক্ষাগুরু থেকে  ধর্মীয় জ্ঞান লাভ করে থাকেন  ।  ফলে একজন ধর্মগুরু  ধর্মকে যেভাবে  ব্যাখ্যা করেন,  একজন বাবা-মা, পরিবার,  সমাজ সেভাবেই ধর্মকে জানেন ।  ব্যতিক্রম  ছাড়া অধিকাংশ ধর্মগুরু  মানুষকে নিজের উন্নতি, নিজের মুক্তি, নিজের ধর্ম কিভাবে  অন্যের ধর্ম অপেক্ষা বড়-   এসব শিক্ষা দিয়ে থাকেন,  যা প্রকারন্তরে মানুষকে স্বার্থপর করে; আত্মকেন্দ্রিক  করে  । একারণেই মূলত ভিন্ন  ধর্মের  মানুষের প্রতি মানুষের ঘৃণা-  বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে;  হিংসা দ্বেষে ভরে যায় পৃথিবী । যার বাস্তব প্রমাণ ভুরিভুরি । 
 
অতিসম্প্রতি করোনা আক্রান্ত দু’জন শিল্পপতির কথা  ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে  । হাসপাতালের বিছানায়   চিকিৎসারত একজন সিআইপি সরাসরি ফেসবুক  লাইভে আসেন । তিনি হাসপাতালের  অব্যবস্থা  ও চিকিৎসায় তাঁর নিজের প্রতি চূড়ান্ত অবহেলার বর্ণনা দেন ।  অন্যজন নিজের  ছোটভাইসহ  হাসপাতালে ভর্তি হন  । তাঁদের দু’ভাইয়ের জন্য একটি মাত্র  ভেন্টিলেটর এর ব্যবস্থা করা হয় । বড়ভাই মারা যাবার পর ছোটভাইকে সেই ভেন্টিলেটরটি  দেওয়া হয় । এখানে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও আন্তরিকতা  ঠিক ছিল । কিন্তু, সক্ষমতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন  ওঠে । এ ধরণের সক্ষমতার অভাব  শুধু আমাদের দেশেই নয়;  আমেরিকা ইউরোপের মত দেশ গুলোতেও দেখা গেছে । কিন্তু, কেন ?

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে   ‘কোন জনপদ ধ্বংস করার আগে আমি সেখানকার বিত্তবান ও প্রভাবশালী  লোকদের সৎকর্ম করার নির্দেশ দেই’ (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত ১৬ ) ।  

প্রকৃত সত্য হোল শুধু আমাদের দেশের নয়,  গোটা পৃথিবীর বিত্তবান ও প্রভাবশালী ব্যক্তিগন  ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ চিন্তা দ্বারা পরিচালিত । সাধারণ মানুষ বা অন্যদের নিয়ে তাঁদের কোন মাথাব্যাথা নেই ।  আমাদের দেশের বিত্তবান ও প্রভাবশালী ব্যক্তিগণ  কখনও ভাবেননি তাঁদের  নিজের দেশে চিকিৎসা নিতে হবে । তাঁরা যদি  ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি সৎকর্মের অংশ হিসবে  সাধারণ মানুষের  স্বাস্থ্যসেবার জন্য  উন্নতমানের  হাসপাতাল তৈরি  করতেন –তাহলে করোনা মহামারির এই মহাদুর্যোগে  শুধু সাধারণ মানুষ নয় - তাঁরা নিজেরাও উপযুক্ত  চিকিৎসা পেতেন । এভাবে সকল ক্ষেত্রে আত্মকেন্দ্রিক না হয়ে গোটা মানবজাতি ও প্রকৃতির স্বার্থ দেখা হোলে,  হয়ত এই করোনা ভাইরাসের মত  গজব পৃথিবীতে আসত না । 
  
লেখাটা অনেক বড় হয়ে গেল । আমি সকল ধর্মের শাশ্বত বাণীর সারকথা নিয়ে রচিত একটা কবিতা  দিয়ে লেখা শেষ করি । কবি কামিনী রায় ।  তাঁর  ‘সুখ’  কবিতার শেষের ৪ লাইনঃ 
 
“আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী পরে 
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে” । 
 
সমাজের বিত্তবান ও প্রভাবশালীসহ সকলের বোধোদয় হউক ।  

আসুন করোনার এই মহাসংকটকালে আমরা যতটা সম্ভব  নিজেদের সুরক্ষিত রাখি । একইসাথে  প্রতিবেশী ও নিকট আত্মীয়দের খবর রাখি । আরও একটু মানবিক হই  ! 

শুভেচ্ছা সকলকে । মহান আল্লাহ্‌ আমাদের সহায় হউন ।

মোহাম্মদপুর, ঢাকা, ১ জুন, ২০২০ ।  
 

 
   


ADVERTISEMENT

Contact Us: 8 Offtake Street, Leppington, NSW- 2569, Australia. Phone: +61 2 96183432, E-mail: editor@banglakatha.com.au , news.banglakatha@gmail.com

ADVERTISEMENT